সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Symptoms of malaria: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

Symptoms of malaria

ম্যালেরিয়া রোগ কী

ইহা একটি নতুন (Acute) ও পুরোনো (Chronic) পরজীবী সংক্রামণ জনিত রোগ। আক্রান্ত তন্ত্র রক্ত লসিকা ও রোগ প্রতিরোধ তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স সকল বয়সেই এই রোগাক্রমণ ঘটতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমান ভাবে এই রোগ হতে পারে।

রোগ আক্রমণের সময় (Incubation Period) শরীরে রোগ জীবাণু প্রবেশের আট থেকে দশ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Causes of the disease কারণ 

ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশা কামড়ালে রক্তের সাথে ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট সেই মানব দংশন কারী মশার দেহে আসে এবং সেখানে ঐ প্যারাসাইটরা পূর্ণাঙ্গ প্রাপ্ত হয়।

এই জাতীয় মশা সুস্থ মানুষকে কামড়ালে ঐ প্যারাসাইটরা দংশিত মানুষের দেহে চলে যায় এবং বংশ বিস্তার করে।আক্রান্ত রোগীর রক্ত সুস্থ মানুষকে দিলেও এই রোগ হতে পারে 



জীবাণু সংক্রমিত 

চার ধরনের প্যারাসাইট এই রোগ ঘটায়।

• প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম (Plasmodium Falciparum 

• প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরীয়া (Plasmodium malariae)

• প্লাজমোডিয়াম ওভেল (Plasmodium Ovale)

• প্লাজমোডিয়াম ভাইভাক্স (Plasmodium Vivax)



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে 

• অত্যধিক জ্বর হয় 

• ১০৪⁰ থেকে ১০৫⁰ ফাঃ পর্যন্ত জ্বর হতে পারে 

• প্রচন্ড শীত ও কাঁপুনি আধঘন্টা চলতে থাকে 

• কাঁথা কম্বল চাপা দিলেও কাঁপুনি থামে না

• জ্বর যখন সর্বোচ্চ হয় অর্থাৎ ১০৫⁰ থেকে ১০৬⁰ ফাঃ পর্যন্ত ওঠে তখন শীত কমে যায় 

• প্রচন্ড মাথা ব্যাথা, ঘাড়ে যন্ত্রণা, বমি ভাব, অত্যধিক তৃষ্ণা প্রভৃতি চলতে থাকে। এই ভাবে এক থেকে দুই ঘন্টা চলে 

• এরপরে গর্ভাবস্থা আসে। সারাদেহ ঘামে ভিজে যায় এমনকি বিছানাপত্র ও ভিজে যায়। তাপমাত্রা কমতে কমতে জ্বর ছেড়ে যায় 

• প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরীয়ি জনিত ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে ৭২ ঘন্টা পর পর এই আক্রমণ অর্থাৎ জ্বর হয়।

• একে উৎকট ম্যালেরিয়া বা Malignant Tertian Malaria বলা হয় 

• প্লাজমোডিয়াম ভাইভাক্স ঘটিত ম্যালেরিয়ায় আটচল্লিশ ঘণ্টা অন্তর জ্বর আসে 

• একে বিনাইন পারসিয়ান (Benign Tertian) ম্যালেরিয়া বলা হয় 

• রক্তাল্পতা হতে দেখা যায় 

• জন্ডিস হতে পারে চক্ষু ও প্রস্রাব হলুদ হয় 

• ক্ষুধা মন্দা হতে পারে 

• জিভে ময়লা জমা ও ঠোঁটে ঘা প্রভৃতি হয় 

• পায়খানার গন্ডগোল হতে পারে 

• যকৃত ও প্লীহা বৃদ্ধি পায় 

• ফোলে এবং ব্যথা হয় 

• নাড়ীর গতি বৃদ্ধি হয় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• জ্বর অবস্থায় গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে সারা গায়ে ভালোভাবে স্পঞ্জিং করা দরকার 

• জ্বর খুব বেড়ে গেলে কপালে জলপট্রি দিতে হবে 

• মাথায় আইস ব্যাগ (Ice Bag) দেবার ব্যবস্থা করতে হবে 

• উত্তাপ অবস্থায় ঢাকা পোষাক খুলে দিতে হবে 

• প্রচন্ড ভাবে ঘাম হতে শুরু করলে অল্প পাখার বাতাস করতে হবে 

• এই সময় পোশাক বা বিছানা ঘামে ভিজে গেলে তা বদলের ব্যবস্থা করতে হবে

• ম্যালেরিয়া রোগীকে সর্বদা ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাদ্য দিতে হবে 

• হালকা ঝোল, সুসিদ্ধ ভাত, ডাল, শাকসবজি, বিভিন্ন ফলের রস, ডিম, দুধ, প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।