How to ``CURE`` Leucorrhoea Or White Discharge: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Leucorrhoea Or White Discharge

সাদাস্রাব বিবরণ 

বিভিন্ন জীবাণু দূষত হয়ে নারীর জনন অঙ্গ থেকে যখন তখন শ্লেষ্মাবৎ স্রাব নিঃসরণকে শ্বেতপ্রদর বা সাদাস্রাব বলা হয়।আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স ১৪ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এই রোগ হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র মহিলারা এই রোগে আক্রান্ত হয়। 



Causes of the disease কারণ 

• যোনিতে ট্রাইকোমোনা বা মনিলিয়াল জীবাণুর সংক্রমণ ঘটা

• জরায়ুর রোগে ভোগা 

• গনোরিয়া বা সিফিলিস রোগে ভোগা 

• রক্তশূন্যতায় ভোগা 

• ঋতু কালে অপরিস্কার কাপড় চোপড় ব্যবহার 

• যৌনমিলনের শেষে জনন অঙ্গ ভালো ভাবে না ধোয়া 

প্রভৃতি কারণে জীবাণু দূষণ হয়ে এই রোগ হতে পারে।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• জরায়ু গাত্র, জরায়ুর মুখ, জরায়ুগ্ৰীবা, 

• যোনিনালী প্রভৃতি অংশের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী থেকে সাদা অথবা হলুদভ সাদা রঙের স্রাব নির্গত হয় 

• অনেকের এই স্রাব ঋতু স্রাবের পূর্বে অনেকের ঋতুস্রাবের সাথে সাথে আবার অনেকে ঋতুর স্রাবের পর হয় 

• স্রাবের সময় যোনিতে চুলকানি বা জ্বালা ভাব অনুভূত হয়

• যোনিতে ভেতরে ও বাইরে ঘা হতে পারে 

• যৌনিদ্বার হেজে যাওয়ার ন্যায় হয়ে যায় 

• রোগিনী ক্রমশঃ দুর্বল ও শীর্ণ হয়ে যায় 

• মুখমন্ডল ফ্যাকাসে দেখায়

• চোখের কোলে কালি পড়া 

• গাত্রবর্ণ বিকৃত হওয়া প্রভৃতি লক্ষ্য করা যায় 

• মাথা ঘোরা ও বুক ধড়ফড় করা 

• কোমরে যন্ত্রণা হওয়া ও পেটে ব্যথা যন্ত্রণা হওয়া হাতে এবং পায়ে খিল ধরা প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 

• ঋতু নিয়মিত হয় না 

• প্রস্রাবের জ্বালা হতে পারে 

• সর্বদা জ্বর ভাব, খিটখিটে মেজাজ, ক্ষুধা মন্দ, হজমের গোলযোগ প্রভৃতি হতে পারে 

• রোগ মারাত্মক ভাবে বেড়ে গেলে সর্বদা জলের ন্যায় হড়হড়িয়ে অথবা কফের ন্যায় স্রাব যোনিদ্বার দিয়ে ঝরতে থাকে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• এই রোগিনীদের পুকুরে স্নান করা নিষিদ্ধ।

• যোনিদ্বার ও যোনিনালী সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে।

• যৌনমিলনের পর যোনিদ্বার ও যোনিনালী ভালো ভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।

• প্রয়োজনে জল অ্যান্টিসেপটিক লোশন ব্যবহার করতে হবে। 

• ঋতুর সময় ঘরোয়া কাপড় ব্যবহার চলবে না। 

• স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করতে হবে।

• রোগিনীদের ঝাল, মসলা, টক, মাদকদ্রব্য, তামাকু প্রভৃতি সেবন নিষিদ্ধ।

• মিষ্টি ফলের রস, সবুজ শাকসবজি, দুধ, ঘি, চারা পোনা, শিঙ্গি বা মাগুর মাছের ঝোল প্রভৃতি খাওয়া চলবে। 

• চিকিৎসা চলাকালীন রোগিনীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।

• এই সময়ে যৌন মিলনের ও কিছুক্ষণ বন্ধ রাখতে হবে। 

• বিবাহিতদের স্বামীদের লিঙ্গমুণ্ডে কিছুদিন এক নং লোশন গুলি ব্যবহার করা ভালো। 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Ampilox 500 Mg Capsule: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বন

 

How to use Ampilox 500 Mg Capsule

ব্যবহার 

• ব্রঙ্কাইটিস 

• নিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

• টনসিলাইটিস 

• ফ্যারিংজাইটিস সহ বিভিন্ন প্রকার গলার রোগ 

• নাক ও কানের সকল প্রকার সংক্রমণ 

• চর্ম ও নরম টিস্যুর সকল প্রকার সংক্রমণ 

• হাড় ও সন্ধির সংক্রমণ 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• পাতলা পায়খানা 

• পেটের অন্যান্য গোলোযোগ 

• আমবাত 

• চুলকানি 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• জ্বর 

• সন্ধি প্রদাহ 

• ইওসিনোফিলিয়া 

• দুশ্চিন্তা 

• অনিদ্রা 

তড়কা প্রভৃতি দেখা দিতে পারে। মাঝে মাঝে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হতেও দেখা যায়।

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া 

অ্যালোপুরিনল, ক্লোরামফেনিকল, এরিথ্রোমাইসিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটায় কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।

টেট্রাসাইক্লিনের সঙ্গে এক সাথে ব্যবহার চলবে না। গর্ভনিরোধক বড়ির সাথে আন্তঃবিক্রিয়া হয়ে গর্ভনিরোধক ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।



Precautions সাবধানতা অবলম্বনের 

• পেনিসিলিয়ামে অ্যালার্জি থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• জন্ডিস বা তড়কা থাকলে শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• গর্ভাবস্থায় উচ্চমাত্রায় ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• দশ থেকে বারো বছর বয়সে ছেলে ও মেয়ের দেহের এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Constipation Or Obstipation: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Constipation Or Obstipation

কোষ্ঠকাঠিন্য বিবরণ:

কষ্টকর ও কঠিন মলত্যাগের করাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়। এই রোগে একটানা ভুগলে তাকে অবসটিপেশন বলা হয়। 

অবস্টিপেশনে মল নরম থাকে অথচ মলত্যাগের স্বাভাবিক হয় না। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিক তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স সব বয়সেই এই রোগ হতে পারে তবে বৃদ্ধদের ই এই রোগ বেশি হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই সমস্যা বেশি হতে দেখা যায় 



Causes of the disease কারণ 

• তরল খাদ্য কম খাওয়া 

• এমনকি জল খুব কম খাওয়া 

• যকৃতের কাজ স্বাভাবিক না হওয়া 

• ক্রনিক আমাশয় রোগে ভোগা 

• ক্রনিক চর্মরোগ ভোগা 

• অন্ত্রের পেশীর দুর্বলতা 

• ঠিক সময়মতো মলত্যাগের অভ্যাস না করা 

• চা কবি সহ অন্যান্য মল কঠিন কারক খাদ্য বেশি খাওয়া 

• হর্মোন নিঃসরণের গন্ডগোল প্রভৃতি থেকে এই রোগ হয় 

• ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জনিত কারণ ও এই রোগ হয় 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• মল গুটলে গুটলে হওয়া এবং তা নিগমর্নে অত্যধিক কষ্ট হওয়া এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ 

• একটানা দুই থেকে চার দিন পায়খানা না হওয়ার পর একদিন সামান্য মলত্যাগ 

• অনেক রোগীর আট থেকে দশ দিন পর্যন্ত কোন মলত্যাগ হয় না 

• মলের রং কালো বা সাদাটে হয় 

• গা বমি ভাব 

• মাথা ধরা 

• ক্ষুধা মন্দা 

• পেটে ভারবোধ 

• জ্বর ভাব প্রভৃতি হতে দেখা যায় 

• অনেক সময় ওষুধ খেলে স্বাভাবিক মলত্যাগ হয় 

• কিন্তু পুনরায় কোষ্ঠকাঠিন্য চলে আসে 

• মলদ্বার ফাটা এবং রক্তপাত ঘটতে পারে 

• অনেক রোগীর মল নরম থাকে কিন্তু সামান্য মলত্যাগ হয় 

• মনে হয় মলাশয়ে অনেক মল জমে আছে 

• শরীরে অস্বস্তিভাব লাগে 

• লেপাবৃত জিহ্বা, খিটখিটে মেজাজ, রক্ত চাপ বৃদ্ধি প্রভৃতি ও হতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• সাধারণ ইসবগুলের ভুসি মিছরির জল সহ খেলে ভালো ফল হয়।

• পাকাবেল, পাকা কলা, দুধ, মধু, আম, স্যালাড, সবুজ শাকসবজি, ফলের রস, প্রভৃতি খাওয়া ভালো।

• ছোলা ভেজানো মটর আটার রুটি প্রভৃতি খাওয়া ও ভালো।

• প্রত্যহ কমপক্ষে আট থেকে দশ গ্লাস পানি খাওয়া উচিত।

• সকল এবং সন্ধ্যায় ভ্রমণ, সাঁতার কাটা, হাল্কা ব্যায়াম, প্রভৃতি উপকারী।

• গরম দুধে খেজুর বা কিসমিস মিশিয়ে পান করা ভালো।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

How to use Syphilis: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Syphilis

বিবরণ 

জননতন্ত্র সহ শরীরের বিভিন্ন তন্ত্র এক বিশেষ ধরনের Spiro chete (স্পাইরোকীট) দ্বারা আক্রান্ত হওয়াকে উপদংশ বা সিফিলিস বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র ও চর্ম বা স্নায়ু এবং হৃদপিন্ড সহ রক্তবাহ এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স যৌবন কালেই এই রোগ হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

• এই রোগে আক্রান্ত পুরুষদের সাথে যৌন মিলনে নারীর এবং এই রোগে আক্রান্ত নারীর সাথে যৌন মিলনের পুরুষদের এই রোগ হয়। 

• এছাড়া চুম্বন ও আলিঙ্গন বস্ত্রাদি ও বাসনপত্রের ব্যবহার প্রভৃতির মাধ্যমে ও এই রোগের জীবাণু সুস্থ মানুষের শরীরে সঞ্চায়িত হয়।

• অনেক সময় এই রোগে আক্রান্ত পিতা-মাতা সন্তানদের ও এই রোগ জন্মগতভাবে হয়ে থাকে। 

• তখন তাকে Congenital Syphilis বলা হয়।

Treponema pallidum (ট্রিপোনিমা প্যালিডাম) হল এই রোগের বীজাণু।

• ‪সংক্রমণের সময় শরীরের জীবাণু প্রবেশের দশ থেকে বারো দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

এই রোগের লক্ষণকে তিনটি পর্যায়ের ভাগ করা হয়েছে সেগুলি হল 

• প্রথমিক পর্যায় বা Primary Stage

• দ্বিতীয় পর্যায় বা Secondary Stage 

• তৃতীয় পর্যায় বা Tertiary Stage 

১. প্রাথমিক পর্যায়ে 

• রোগ জীবাণু শরীরের প্রবেশে দশ থেকে বারো দিন পর হতে পুরুষদের লিঙ্গ এবং নারীর যৌন তৎসংলগ্ন অংশ সেমি ব্যাসের ফুস্কুড়ি বের হয় 

• এগুলি সচরাচর শক্ত হয়ে থাকে এবং মধ্যস্থল গর্তকার হয় 

• এগুলো প্রচুর চুলকায় এবং প্রবাহিত হতে থাকে 

• তিন থেকে চার দিন পর এগুলো তলে তলে ফোস্কার ন্যায় হয়ে যায় 

• কুঁচকি ফুলতে পারে 

• এমত অবস্থায় প্রায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকে 

• অনেকের অবশ্য ছয় সপ্তাহ পর হতে নিরাময় হতে দেখা যায় 

২. দ্বিতীয় পর্যায়ে 

• রোগ জীবাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় 

• ফোস্কার ন্যায় ফুস্কুড়ি গলে গিয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে 

• লিঙ্গ, মূত্রনালী, যোনি, যোনিনালী ও জরায়ুবা প্রভৃতি পর্যন্ত ক্ষত ছড়িয়ে পড়তে থাকে 

• এমনকি শরীরের অন্যান্য অংশের উদ্ভিদও লক্ষ্য করা যায় 

• এই সময় রোগ জীবাণু রক্তে মেশে 

• মাথা ও ভ্রুর চুল উঠে যায় 

• দাড়িতে টাক পড়া প্রভৃতি লক্ষণ ও প্রকাশ পায় 

• প্রস্রাবের গোলযোগ হতে দেখা যায় 

৩. তৃতীয় পর্যায়ে 

•রোগ জীবাণুর হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি, অস্থি, মজ্জা, স্নায়ু তন্ত্র প্রভৃতিকে আক্রমণ করে ফলে নানান উপসর্গ দেখা যায়। 

• এই সময় স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায় 

• পক্ষাঘাত হওয়া, রক্ত প্রস্রাব হওয়া, মূর্চ্ছা যাওয়া, শ্বাসকষ্ট হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 

• মুখের মিউকাস মেমব্রেন কালো হওয়া এবং সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া এই রোগের একটি লক্ষণ 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• দুজন যৌন সঙ্গীর যে কোনো একজনের এই রোগ থেকে গেলে যৌন মিলনের সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা দরকার 

• উভয়ের চিকিৎসা শেষে পুনরায় পরীক্ষা করে দেখে তবেই যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে 

• রোগ ভোগাকালীন ঠান্ডা বা গরম লাগানো নিষিদ্ধ 

• রোগ ভোগাকালীন মদ, মাংস, মাছ, ডিম, অন্যান্য উত্তেজক খাদ্য খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে 

• পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য খাদ্য যেমন দুধ, ঘি, চারা পোনা, শিঙ্গি মাগুর মাছের ঝোল, ফল মূল, শাকসবজি প্রভৃতি খেতে হবে 

• হরলিক্স, কমপ্লান, প্রোটিনেক্স,  প্রভৃতি খাওয়া যাবে 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 










How to use Pharyngitis: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Pharyngitis

বিবরণ 

Pharynx অর্থাৎ গলকোষের প্রদাহকে ফ্যারিনজাইটিস বলা হয। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স সব বয়সেই হতেই পারে। 

তবে পনেরো থেকে চব্বিশ বছরের মধ্যে বেশি হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষেরা সামান্য বেশি আক্রান্ত হন। 



Causes of the disease কারণ 

• গ্ৰুপ এ বেটা হেমোলাইটিক স্ট্রেপটোকক্কি 

• করিনি ব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়ী 

• হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা 

• মোরাক্সেল্লা ক্যাটারাহলিস 

• গ্ৰুপ সি ও জি স্ট্রেপটোকক্কাস বীজণু 

• রাইনো ভাইরাস 

• এডিনোভাইরাস 

• কক্সসাকি ভাইরাস 

• ইকো ভাইরাস 

• কোরোনা ভাইরাস সাইটোমেগালো ভাইরাস 

• এপস্টেইন বার ভাইরাস 

• হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• গলায় ঘা হয় 

• ফ্যারিংক্স ফোলে এবং লালাভ হয়ে যায় 

• গলায় টাটানি ব্যথা 

• ঢোক গেলার সময় বা খাবার গেলার সময় সূচ বেঁধার ন্যায় খোঁচা লাগে 

• জ্বর হয় ১০২⁰ ফাঃ পর্যন্ত 

• মাথার যন্ত্রণা হতে থাকে 

• ক্ষুধা মন্দা 

• শীত ভাব

• গা হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা হতে থাকে 

• কাশলে কফ উঠতে চায় না 

• গলায় চটচটে কফ জমে রয়েছে 

• শ্বাসকষ্ট হবার মত মনে হয়

• বেশি কাশলে হাঁপানি লাগে 

• রোগ সহজে সারতে চায় না বিশেষতঃ ধূমপায়ীদের 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে 

• ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ 

• প্রয়োজনে সবসময় গলায় মাফলার ব্যবহার করতে হবে 

• ঝাল ও মশলাদার খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ 

• সহজ পাচ্য ও পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে 

• মিছিলির শরবত খাওয়া ভালো 

Disprin Tablet (ডিসপ্রিন ট্যাবলেট) এক কাপ জলে দুইটি ফেলে গার্গল করতে হবে দিনে তিন বার 

• পরিবর্তে Glycoseptol Gaargle (গ্লাইকোসেপটল গার্গল) ব্যবহার করা যাবে


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।





How to use Endometriosis: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Endometriosis

Endometriosis বিবরণ 

জরায়ুর আবরক ঝিল্লীকে Endometrium বলে। এই এন্ডোমেট্রিয়ামের প্রদাহকে জরায়ুর আররক ঝিল্লী প্রদাহ বা এন্ডোমেট্রিওসিস বলে।

• আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

• আক্রমণের বয়স যে কোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে।

• আক্রান্ত লিঙ্গ কেবল মাত্র মহিলারা এই রোগে আক্রান্ত হন। 



Causes of the disease কারণ 

• হর্মোনের গন্ডগোল 

• বেশি বয়সে গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসব 

• বারংবার গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসব 

• অত্যধিক গর্ভনিরোধক ট্যাবলেট বা জেল ব্যবহার 

• পশ্চাৎগামী ঋতু (Retrograde Menstruation



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• তলপেটে ব্যাথা যন্ত্রণা এই রোগে প্রধান লক্ষণ 

• জরায়ু ও ডিম্বাশয় যোনিনালী প্রভৃতি অংশে দাগ পড়ে 

• সিস্ট গঠন করে 

• ফাইব্রাস টিস্যু গঠন করে ও ফলে ঋতুর গোলযোগ দেখা যায় এবং জরায়ুর প্রদাহ হয় 

• এই রোগ হলে বন্ধ্যাত্বের সৃষ্টি হতে পারে 

• বাধক বেদনার সৃষ্টি হতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• বিবাহিত মহিলাদের প্রথম অবস্থায় গর্ভধারণের নির্দেশ দেওয়াই ভালো 

• তাতে রোগ অপসারিত হয় 

যোনিদ্বার ও যোনিনালী সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে 

• না হলে জীবাণু সংক্রমণ করলে রোগারোগ্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে 

• প্রয়োজনে যোনি ও জরায়ুতে ডুস দেওয়া যায়।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




Symptoms of malaria: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

Symptoms of malaria

ম্যালেরিয়া রোগ কী

ইহা একটি নতুন (Acute) ও পুরোনো (Chronic) পরজীবী সংক্রামণ জনিত রোগ। আক্রান্ত তন্ত্র রক্ত লসিকা ও রোগ প্রতিরোধ তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স সকল বয়সেই এই রোগাক্রমণ ঘটতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমান ভাবে এই রোগ হতে পারে।

রোগ আক্রমণের সময় (Incubation Period) শরীরে রোগ জীবাণু প্রবেশের আট থেকে দশ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Causes of the disease কারণ 

ম্যালেরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশা কামড়ালে রক্তের সাথে ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট সেই মানব দংশন কারী মশার দেহে আসে এবং সেখানে ঐ প্যারাসাইটরা পূর্ণাঙ্গ প্রাপ্ত হয়।

এই জাতীয় মশা সুস্থ মানুষকে কামড়ালে ঐ প্যারাসাইটরা দংশিত মানুষের দেহে চলে যায় এবং বংশ বিস্তার করে।আক্রান্ত রোগীর রক্ত সুস্থ মানুষকে দিলেও এই রোগ হতে পারে 



জীবাণু সংক্রমিত 

চার ধরনের প্যারাসাইট এই রোগ ঘটায়।

• প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম (Plasmodium Falciparum 

• প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরীয়া (Plasmodium malariae)

• প্লাজমোডিয়াম ওভেল (Plasmodium Ovale)

• প্লাজমোডিয়াম ভাইভাক্স (Plasmodium Vivax)



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে 

• অত্যধিক জ্বর হয় 

• ১০৪⁰ থেকে ১০৫⁰ ফাঃ পর্যন্ত জ্বর হতে পারে 

• প্রচন্ড শীত ও কাঁপুনি আধঘন্টা চলতে থাকে 

• কাঁথা কম্বল চাপা দিলেও কাঁপুনি থামে না

• জ্বর যখন সর্বোচ্চ হয় অর্থাৎ ১০৫⁰ থেকে ১০৬⁰ ফাঃ পর্যন্ত ওঠে তখন শীত কমে যায় 

• প্রচন্ড মাথা ব্যাথা, ঘাড়ে যন্ত্রণা, বমি ভাব, অত্যধিক তৃষ্ণা প্রভৃতি চলতে থাকে। এই ভাবে এক থেকে দুই ঘন্টা চলে 

• এরপরে গর্ভাবস্থা আসে। সারাদেহ ঘামে ভিজে যায় এমনকি বিছানাপত্র ও ভিজে যায়। তাপমাত্রা কমতে কমতে জ্বর ছেড়ে যায় 

• প্লাজমোডিয়াম ম্যালেরীয়ি জনিত ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে ৭২ ঘন্টা পর পর এই আক্রমণ অর্থাৎ জ্বর হয়।

• একে উৎকট ম্যালেরিয়া বা Malignant Tertian Malaria বলা হয় 

• প্লাজমোডিয়াম ভাইভাক্স ঘটিত ম্যালেরিয়ায় আটচল্লিশ ঘণ্টা অন্তর জ্বর আসে 

• একে বিনাইন পারসিয়ান (Benign Tertian) ম্যালেরিয়া বলা হয় 

• রক্তাল্পতা হতে দেখা যায় 

• জন্ডিস হতে পারে চক্ষু ও প্রস্রাব হলুদ হয় 

• ক্ষুধা মন্দা হতে পারে 

• জিভে ময়লা জমা ও ঠোঁটে ঘা প্রভৃতি হয় 

• পায়খানার গন্ডগোল হতে পারে 

• যকৃত ও প্লীহা বৃদ্ধি পায় 

• ফোলে এবং ব্যথা হয় 

• নাড়ীর গতি বৃদ্ধি হয় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• জ্বর অবস্থায় গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে সারা গায়ে ভালোভাবে স্পঞ্জিং করা দরকার 

• জ্বর খুব বেড়ে গেলে কপালে জলপট্রি দিতে হবে 

• মাথায় আইস ব্যাগ (Ice Bag) দেবার ব্যবস্থা করতে হবে 

• উত্তাপ অবস্থায় ঢাকা পোষাক খুলে দিতে হবে 

• প্রচন্ড ভাবে ঘাম হতে শুরু করলে অল্প পাখার বাতাস করতে হবে 

• এই সময় পোশাক বা বিছানা ঘামে ভিজে গেলে তা বদলের ব্যবস্থা করতে হবে

• ম্যালেরিয়া রোগীকে সর্বদা ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাদ্য দিতে হবে 

• হালকা ঝোল, সুসিদ্ধ ভাত, ডাল, শাকসবজি, বিভিন্ন ফলের রস, ডিম, দুধ, প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।