সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to use Syphilis: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Syphilis

বিবরণ 

জননতন্ত্র সহ শরীরের বিভিন্ন তন্ত্র এক বিশেষ ধরনের Spiro chete (স্পাইরোকীট) দ্বারা আক্রান্ত হওয়াকে উপদংশ বা সিফিলিস বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র ও চর্ম বা স্নায়ু এবং হৃদপিন্ড সহ রক্তবাহ এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স যৌবন কালেই এই রোগ হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

• এই রোগে আক্রান্ত পুরুষদের সাথে যৌন মিলনে নারীর এবং এই রোগে আক্রান্ত নারীর সাথে যৌন মিলনের পুরুষদের এই রোগ হয়। 

• এছাড়া চুম্বন ও আলিঙ্গন বস্ত্রাদি ও বাসনপত্রের ব্যবহার প্রভৃতির মাধ্যমে ও এই রোগের জীবাণু সুস্থ মানুষের শরীরে সঞ্চায়িত হয়।

• অনেক সময় এই রোগে আক্রান্ত পিতা-মাতা সন্তানদের ও এই রোগ জন্মগতভাবে হয়ে থাকে। 

• তখন তাকে Congenital Syphilis বলা হয়।

Treponema pallidum (ট্রিপোনিমা প্যালিডাম) হল এই রোগের বীজাণু।

• ‪সংক্রমণের সময় শরীরের জীবাণু প্রবেশের দশ থেকে বারো দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

এই রোগের লক্ষণকে তিনটি পর্যায়ের ভাগ করা হয়েছে সেগুলি হল 

• প্রথমিক পর্যায় বা Primary Stage

• দ্বিতীয় পর্যায় বা Secondary Stage 

• তৃতীয় পর্যায় বা Tertiary Stage 

১. প্রাথমিক পর্যায়ে 

• রোগ জীবাণু শরীরের প্রবেশে দশ থেকে বারো দিন পর হতে পুরুষদের লিঙ্গ এবং নারীর যৌন তৎসংলগ্ন অংশ সেমি ব্যাসের ফুস্কুড়ি বের হয় 

• এগুলি সচরাচর শক্ত হয়ে থাকে এবং মধ্যস্থল গর্তকার হয় 

• এগুলো প্রচুর চুলকায় এবং প্রবাহিত হতে থাকে 

• তিন থেকে চার দিন পর এগুলো তলে তলে ফোস্কার ন্যায় হয়ে যায় 

• কুঁচকি ফুলতে পারে 

• এমত অবস্থায় প্রায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকে 

• অনেকের অবশ্য ছয় সপ্তাহ পর হতে নিরাময় হতে দেখা যায় 

২. দ্বিতীয় পর্যায়ে 

• রোগ জীবাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় 

• ফোস্কার ন্যায় ফুস্কুড়ি গলে গিয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে 

• লিঙ্গ, মূত্রনালী, যোনি, যোনিনালী ও জরায়ুবা প্রভৃতি পর্যন্ত ক্ষত ছড়িয়ে পড়তে থাকে 

• এমনকি শরীরের অন্যান্য অংশের উদ্ভিদও লক্ষ্য করা যায় 

• এই সময় রোগ জীবাণু রক্তে মেশে 

• মাথা ও ভ্রুর চুল উঠে যায় 

• দাড়িতে টাক পড়া প্রভৃতি লক্ষণ ও প্রকাশ পায় 

• প্রস্রাবের গোলযোগ হতে দেখা যায় 

৩. তৃতীয় পর্যায়ে 

•রোগ জীবাণুর হৃদপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি, অস্থি, মজ্জা, স্নায়ু তন্ত্র প্রভৃতিকে আক্রমণ করে ফলে নানান উপসর্গ দেখা যায়। 

• এই সময় স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায় 

• পক্ষাঘাত হওয়া, রক্ত প্রস্রাব হওয়া, মূর্চ্ছা যাওয়া, শ্বাসকষ্ট হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 

• মুখের মিউকাস মেমব্রেন কালো হওয়া এবং সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া এই রোগের একটি লক্ষণ 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• দুজন যৌন সঙ্গীর যে কোনো একজনের এই রোগ থেকে গেলে যৌন মিলনের সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা দরকার 

• উভয়ের চিকিৎসা শেষে পুনরায় পরীক্ষা করে দেখে তবেই যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে 

• রোগ ভোগাকালীন ঠান্ডা বা গরম লাগানো নিষিদ্ধ 

• রোগ ভোগাকালীন মদ, মাংস, মাছ, ডিম, অন্যান্য উত্তেজক খাদ্য খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে 

• পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য খাদ্য যেমন দুধ, ঘি, চারা পোনা, শিঙ্গি মাগুর মাছের ঝোল, ফল মূল, শাকসবজি প্রভৃতি খেতে হবে 

• হরলিক্স, কমপ্লান, প্রোটিনেক্স,  প্রভৃতি খাওয়া যাবে 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 










এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...

How To Use Albendazole Tablets In Bangali অ্যালবেনডাজল কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস

ইহা একটি বহুব্যাপক কৃমিনাশক ঔষধ। ইহা কৃমি দের গ্লুকোজের গ্রহনের বাধা দেয় ফলে কৃমিদের শক্তি সঞ্চয় কমে গিয়ে ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে ও তাদের সচলতা ব্যাহত হয় এবং ক্রমশ তা মালের সাথে নির্গত হয়। এই ঔষধ খুব সামান্য পরিমাণে পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে শোষিত হয়। ইহা অধিকাংশই মলের সাথে নির্গত হয়ে যায়। ব্যবহার গোলকৃমি হুকওয়ার্ম সূতাকৃমি ফিতাকৃমি এবং হুইপওয়ার্ম প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ধরা এবং মাঝে মাঝে পেটের গন্ডগোলের ইতিহাসে পাওয়া যায়। বমি ভাব মুখে শুষ্কতা কানের শব্দ হওয়া প্রভৃতি হতে পারে। আন্তঃবিক্রিয়া কোন ঔষধ বা খাদ্যের সাথে আন্তঃবিক্রিয়ার কোন ইতিহাস নেই। সাবধানতা গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকালে মহিলাদের এই ঔষধ খাওয়া নিষিদ্ধ। স্বাভাবিক ঋতুস্রাবের ৭ দিনের মধ্যে ব্যবহার না করাই শ্রেয়।সদ্যোজাত শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ। যকৃতের মারাত্মক রোগের সময় এই ঔষধ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। ঔষধের ব্র্যান্ডনেম Tablets Albezole এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

How To Use Ketoconazole in Bangali কেটোকোনাজোল এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস

  ইহা একটি বহুব্যাপক ছত্রাকনাশক ঔষধ। ইহা ট্রাইকোফাইটিন স্পেসিজ এপিডারমোফাইটন ফ্লোকোসাম মাইক্রোস্পোরাম স্পেসিজ ঈষ্ট পিটাইরোস্পোরাম স্পেসিজ প্রভৃতি ছত্রাক জীবাণুর উপর সক্রিয়। এই ঔষধ পৌষ্টিক তন্ত্রের থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়।বাহ্যিক প্রয়োগের ঔষধের চর্মে প্রবেশ করার ক্ষমতা ও খুব ভালো। ব্যবহার দেহের চর্মের দাদ জননতান্ত্র সংলগ্ন অংশের দাদ পায়ের দাদ দেহের দাদ সকল অংশের হাজা রোগ ছুলি নখের ছত্রাক প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বমি ভাব বা বমি যকৃতের প্রদাহ পুরুষের স্তনের বৃদ্ধি চুল ওঠা ও চর্মের উদ্ভিদ পেটের গন্ডগোল বীর্যের শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়া প্রভৃতি ঘটে। আন্তঃবিক্রিয়া অ্যান্টাসিড সাইক্লোস্পোরিন ওয়ারফারিন ফিনাইটোইন রিয়ামপিসিন আইসোনায়াজিড অ্যালকোহল প্রভৃতির সাথে আন্তঃবিক্রিয়ার ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়। সাবধানতা যকৃতের রোগ পেটের গন্ডগোলে খুব সাবধানতা সহকারে ব্যবহার করতে হবে। গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতা এবং ২ বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ। বাহ্যিক প্রয়োগের ঔষধ মুখগহ্বর নাসিকা ও চক্ষু সংলগ্ন অংশে ব্যবহার করা চলবে না। ...