সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Ibugesic Plus Syrup: ব্যবহার, উপকারিতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা

 

Ibugesic Plus Syrup

Ibugesic Plus Syrup কী?

Ibugesic Plus Syrup একটি বহুল ব্যবহৃত ব্যথানাশক ও জ্বর কমানো ওষুধ, যা মূলত শিশুদের জন্য তৈরি করা হয়। এটি জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা দাঁতের ব্যথা এবং হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা উপশমে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

এই সিরাপটি সাধারণত ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুদের দেওয়া হয়, তবে প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট ডোজে ব্যবহার করা যেতে পারে।



উপাদান (Composition)

Ibugesic Plus Syrup সাধারণত নিচের দুটি সক্রিয় উপাদান নিয়ে গঠিত:

১. Paracetamol (Acetaminophen) - জ্বর কমায় ও ব্যথা উপশম করে 

২. Ibuprofen - ব্যথা ও প্রদান কমাতে সাহায্য করে

এই দুটি উপাদানের সমম্বয় জ্বর ও ব্যথার বিরুদ্ধে দ্রুত এবং কার্যকর ফল দেয়।



ব্যবহার (Uses)

এই ওষুধটি সাধারণত নিচের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়: 

1. গলা ব্যথা

2. কানের ব্যথা

3. জ্বর (ভাইরাল বা সাধারণ জ্বর)

4. ঠান্ডা লাগার কারণে শরীর ব্যথা 

5. দাঁতের ব্যথা

6. মাথাব্যথা

7. টিকা নেওয়ার পর জ্বর ও ব্যথা 

8. হালকা থেকে মাঝারি মাথা ব্যথা

9. শরীরের ব্যথা



কীভাবে কাজ করে?

• Paracetamol মস্তিষ্কের তাপ নিয়ন্ত্রণকারী অংশে কাজ করে জ্বর কমায়

• Ibuprofen শরীরের প্রদান সৃষ্টিকারী রাসায়নিক উপাদান (Prostaglandin) কমিয়ে ব্যথা ও ফোলা কমায়

এই কারণে ওষুধটি দ্রুত আরাম দেয়। 



ডোজ (Dosage)

ডোজ সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া উচিত।

সাধারণ নির্দেশনা:

1. খাবারের পর দিলে পেটের সমস্যা কম হয়

2. সাধারণত দিনে ২-৩ বার দেওয়া হয়

3. শিশুদের ক্ষেত্রে ডোজ নির্ভর করে বয়স ও ওজনের ওপর

নিজে থেকে ডোজ বাড়ানো বা কমানো উচিত নয়। 



পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects)

সাধারণত এই ওষুধটি নিরাপদ, তবে কিছু ক্ষেত্রে নিচের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার দেখা দিতে পারে:

• ডায়রিয়া

• মাথা ঘোরা

• এলার্জি (চুলকানি ফুসকুড়ি - খুব কম ক্ষেত্রে)

• অম্বল

• বমি ভাব

• পেট ব্যথা

গুরুতর সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।



খাওয়ার সতর্কতা

এই ওষুধ ব্যবহারের আগে নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরি: 

• দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয় 

• শিশুদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মাপের চামচা বা ড্রপার ব্যবহার করুন

• অন্য কোনো ব্যথানাশক ওষুধের সাথে একসাথে খাওয়ার আগে পরামর্শ নিন 

• কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের জানান 

• পেটের আলসার থাকলে সতর্কতা প্রয়োজন 



গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার

• গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে এই ওষুধ ব্যবহার করার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 



সাবধানতা

Ibugesic Plus Syrup একটি কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য জ্বর ও ব্যথানাশক সিরাপ, যা শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের হালকা থেকে মাঝারি ব্যথা ও জ্বর কমাতে সাহায্য করে। তবে যে কোনো ওষুধের মতোই এটি সঠিক নিয়ম ও ডোজ মেনে ব্যবহার করা অভ্যন্ত জরুরি।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...