how to uses Fistula Symptoms uses in Bangali ভগন্দর রোগের কারণ

 

রোগের বিবরণ

মলদ্বারের এক মুখ বিশিষ্ট নালী ঘা অথবা মলদ্বারের চার ধারে ক্ষত সৃষ্টি হওয়াকে ভগন্দর বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

প্রৌষ্টিকতন্ত্র ত্বক প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স সকল বয়সের এই রোগ হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমানভাবে এই রোগ হতে দেখা যায়।

রোগের কারণ

অর্শ রোগে দীর্ঘদিন ভোগা মলদ্বারে ফোঁড়া ও বিভিন্ন কারণে মলদ্বার ফেটে ক্ষত সৃষ্টি এবং তাতে বীজাণু ও সংক্রমণ প্রভৃতি থেকে এই রোগের সৃষ্টি হয়।

রোগের লক্ষণ

১ মলের সঙ্গে ও রক্ত মিশ্রিত পূঁজ  নির্গত হয়। 
২ মলদ্বারের স্ফিংক্টার পেশীর আক্ষেপ হতে দেখা যায়।
৩ জ্বর হতে পারে।
৪ মাথা ব্যাথা গায়ে হাত-পা ব্যথা প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।
৫ মলদ্বারে অথবা তার চারপাশে ক্ষত হয় যা সহজে সারতে চায় না।
৬ মলদ্বারের শেষকালে এই ঘা নালি ঘা বা শোথ হতে পারে।
৭ মলত্যাগ কালে মলদ্বারে ব্যাথা হয়।
৮ জ্বালা ও যন্ত্রণা অনুভূত হয়।
৯ একটানা অথবা থেকে থেকে পূঁজ ও রক্ত নিঃসরণ হতে থাকে।
১০ সেপটিক হয়ে গেলে ক্ষত নিরাময় দুঃসাধ্য হয়ে ওঠে।

চিকিৎসা

1 আক্রান্ত অংশের ২% মারকিউরোক্রোম লোশন লেগিয়ে শুকিয়ে নিতে হবে তারপরে নিচে যে কোন একটি মলম বাহ্যিক প্রয়োগ করতে হবে কিছুদিন।
Ointment- Pilex (অয়েন্টমেন্ট পাইলেক্স)
প্রতিদিন ২-৩ বার মলদ্বারের ভেতরে ও বাইরের লাগাতে হবে ২-৩ সপ্তাহে।
2 বীজাণু সংক্রমণ ঘটলে য়ে কোন একটি বীজাণুনাশক ঔষধ দিতে হবে।
Tab Erythrocin- 500 mg (ট্যাবলেট এরিথ্রোসিন)
১ টি করে দিনে ৩-৪ বার ৫-৭ দিন খেতে হবে।
3 মলত্যাগ যাতে স্বাভাবিক ও সহজসাধ্য হয় তার জন্য দিতে হবে।
Evacuol Granules ( ঈভাকিউল গ্ৰ্যানিউলেস)
২ চামচ করে গরম জলে মিশিয়ে সকাল ও সন্ধ্যায় খেতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

হালকা ও সহজপাচ্য খাদ্য খেতে হবে। সুসিদ্ধ ভাত বিভিন্ন প্রকার ডাল উচ্ছে করলা পটল মূলা ফলের রস কলা বেল সবুজ শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। মাংস না খাওয়াই ভালো। তেল ঝাল মসলাদার খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ। অধিক পরিশ্রম সাইকেল মোটর সাইকেল এবং ঘোড়ার চাপা নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Hernia Health And Medicine Trips Bangla (অন্ত্রবৃদ্ধি রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা)

 

রোগের বিবরণ

পেটের নারী অর্থাৎ তন্ত্র অন্ত্রবরক ঝিল্লিসহ বা ঝিল্লি ভেদ করে যদি কুঁচকির ছিদ্র পথে বা অগুকোষে নেমে যায় তাহলে ঐ অংশে প্রদাহ হতে থাকে এবং এই আবদ্ধ অবস্থায় বেশি দিন থাকলে পচন সুরু হতে পারে। ফলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। একেই হার্নিয়া(Hernia) বা অন্ত্র বৃদ্ধি বলে। অনেক সময় অন্ত্র আপনা আপনি স্বস্থানে ফিরে আসে ফলে ব্যাথা যন্ত্রণা হতে হতে হঠাৎ ভালো হয়ে যায় একে ( Re Ducible Hernia) বলা হয়। আর যদি আপনাআপনি না ফিরে এসে আবদ্ধ হয়ে থাকে ফলে ব্যাথা যন্ত্রণা চলতেই থাকে একে বলে (Obstructed Hernia) বলে এতে চাপ বৃদ্ধি পেতে রক্ত চলাচলের ব্যাঘাতের ফলে অন্ত্রে পচন সৃষ্টি হয়। একে (Strangulated Hernia) বলে।

আক্রান্ত তন্ত্র

পৌষ্টিকতন্ত্র ত্বক প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স বয়স্কদেরই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষেরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন। মহিলারা খুবই কমই আক্রান্ত হয়।

রোগের কারণ

পেটে আঘাত লাগা ভারোত্তলন কোষ্ঠকাঠিন্য হেতু মলত্যাগ কালে অধিক কোঁথ  দেওয়া অতিরিক্ত পরিশ্রম করা অতিরিক্ত হাঁচি  বা কাশি হওয়া জোরে  চিৎকার  করা প্রভৃতি এই রোগের  সৃষ্টি হয়।

রোগের লক্ষণ

১ জ্বর হতে পারে।
২ অন্ত্র যে অংশে নেমে আসে সেই অংশ ফুলে ওঠে।
৩ এবং হাত দিয়ে চাপলে তা অনুভব করা যায়।
৪ পেট ফোলা পেটে ব্যাথা  হতে পারে।
৫ নাভির চারিপাশে সেঁটে ধরার ন্যায় যন্ত্রণা হতে থাকে।
৬ পেটে প্রচন্ড যন্ত্রণা এবং গা বমি বা বমি হয়।
৭ অত্যধিক যন্ত্রণা হলে রোগীর জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
৮ হেঁচকি হতে পারে।

চিকিৎসা

আক্রমণের প্রথম অবস্থায় রোগীকে মাতা নিচের দিকে রেখে চিৎ করে শোয়াতে  হবে। পা উঁচু করে তুলে ধরতে অন্ত্র নেমে স্বস্থানে ফিরে আসতে পারে। যদি অন্ত্র স্বস্থানে  ফিরে আসে তাহলে ঐ অবস্থায় পেটে চেপে বেঁধে দিতে হবে। তাহলে পুনরায় অন্ত্র বৃদ্ধি ঘটে না। কিন্তু Obstructed বা Strangulated হার্নিয়া হলে শীঘ্র অস্ত্রোপাচার করাই ভালো।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

আক্রমণ অবস্থায় ব্যথা জায়গায় গরম জল অথবা বরফ দ্বারা মালিশ করা ভালো। হালকা ও পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে। কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। কোমরের বেল্ট বাঁধলে অনেকটা সুফল পাওয়া যায়।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 


Lumbago Health And Medicine Trips Bangla (কটি বাত রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা)

 

রোগের বিবরণ

কোমরের পিছনদিকে কশেরুকার পার্শ্ববর্তী অংশের প্রদাহকে প্রতিবাদ বা লাম্বাগো বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

কঙ্কলতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা এবং পুরুষ সমান হারে এই রোগ আক্রান্ত হন।

রোগের কারণ

ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাব ঠান্ডা লাগা আঘাত লাগা পৌষ্টিকতন্ত্রের রোগ প্রভৃতি থেকে এই রোগ সৃষ্টি হয়।

রোগের লক্ষণ

১ নড়া চড়া ওঠা বসা উঁচুতে ওঠা উপুড় হওয়া প্রভৃতিতে যন্ত্রণা বৃদ্ধি ঘটে।
২ মাথা যন্ত্রণা হতে পারে।
৩ ঠান্ডা লাগালে রোগের বৃদ্ধি পায়।
৪ পায়ের অসাড়তা সৃষ্টি হতে পারে।
৫ পেটের নিচে দিক থেকে কোমর পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা হতে থাকে।
৬ আড়ষ্ট ব্যাথা হয় কোমরের ওদিকে এদিকে ঘোরানো কষ্টকর হয়।
৭ বিশ্রামে এবং মলত্যাগের পর যন্ত্রণার সামান্য উপশম ঘটে।
৮ ক্রমশঃ যন্ত্রণা পাছা ঊরু হাঁটু এবং পা পর্যন্ত বিস্তর লাভ করে।

 চিকিৎসা

1 যেকোনো একটি ব্যথার যন্ত্রণা নাশক ঔষধ দিতে হবে।
Tab Meftal forte (ট্যাবলেট মেফটাল ফোর্ট)
১ টি করে দিনে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ৫ দিন।
অথবা Tab Ibugesic -  MR (ট্যাবলেট আইবুজেসিক- এম-আর)
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার পর খেতে হবে ৫-৭ দিন।
2 যেকোনো একটি মালিশ ব্যবহার করা ভালো।
Dicloran- gel (ডাইক্লোর‍্যান জেল)
প্রতিদিন ২-৩ বার কোমরের মালিশ করে গরম সেঁক দিতে হবে।
অথবা Myolaxin-D Ointment (মাইওল্যাক্সিন - ডি অয়েন্টমেন্ট)
প্রতিদিন ২-৩ বার কোমরের মালিশ করতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ।
২ অধিক পরিশ্রম ভারী জিনিস তোলা বা বহন করা নিষিদ্ধ।
৩ হালকা ব্যায়াম ও ফিজিওথেরাপি খুবই উপকারী।
৪ রোগীর পায়খানা পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
 পেটের গোলযোগ থাকলে তার চিকিৎসা করতে হবে।
৫ পুষ্টিকর এবং হালকা সহজপাচ্য খাদ্য খেতে হবে।
৬ মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য নেশার বস্তু ত্যাগ করতে হবে।
৭ কিছুদিন রোগীকে শক্ত বিছানায় শোয়ানো দরকার।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Gout Health And Medicine Trips Bangla ( গেঁটে বাত রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা)

 

রোগের বিবরণ

সন্ধি অস্থি ও চামড়ার নিচে ইউরেট দানা জমার দরুন প্রদাহের সৃষ্টি এবং ক্রমশঃ তা সন্ধি বাতে পরিণত হয় বা পুরঃ পুরঃ অ্যাকিউট আক্রমণ ঘটায়।

আক্রান্ত তন্ত্র 

কঙ্কালতন্ত্র অন্তঃক্ষরা তন্ত্র বিপাকতন্ত্র মূত্রযনন্ত্র প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ৩০ থেকে ৬০ বছর মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রমণের লিঙ্গ মহিলাদের তুলনা পুরুষেরা এই রোগ ২০ গুণ বেশি আক্রান্ত হন।

রোগের কারণ

রক্তের ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ দারুনভাবে বেড়ে যাওয়ার লেড পয়জনিং জন্মগত বিপাক ক্রিয়ার ত্রুটি  পুষ্টিকতন্ত্রের রোগের দীর্ঘদিন ভোগা পরিশ্রম না করা প্রভৃতি থেকে সন্ধি গুলিতে ইউরেট অব সোডিয়াম সঞ্চিত হয় ফলে এই রোগ হয়।

রোগের লক্ষণ

১ হঠাৎ দেহের সমস্ত ছোট বড় সন্ধিগুলিতে যন্ত্রণা হতে থাকে।
২ পুনরায় আক্রমণ ঘটলে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৩ চামড়ার উপর ছোট গুটিকা হতে দেখা যায়। এ থেকে ক্রিমের ন্যায় ক্ষরণ হয়।
৪ হাত ও পায়ের আঙ্গুলের গাঁট গুলি ফোলে এবং লালভ হয়।
৫ বড় সন্ধিগুলি ও ফোলে এবং নড়াচড়া করলে ব্যাথা যন্ত্রণা অনুভূত হয়।
৬ দুইদিন থেকে দু সপ্তাহ ব্যাথা যন্ত্রণা চলতে থাকে পরে তা কমে যায়। এবং কিছুদিন পর পুনরায় আক্রমণ ঘটে।
৭ জ্বর শীতভাব হাত-পা ঝিম ঝিম করা প্রভৃতি হতে থাকে।
৮ কিডনিতে পাথর হতে পারে।

চিকিৎসা

1 অ্যাকিউট অবস্থায় যেকোনো একটি ঔষধ ব্যবহার করতে হবে।
Tab Algesin (ট্যাবলেট অ্যালজেসিন)
১ টি করে দিনে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ৫ দিন।
অথবা Ointment Dolomed (অয়েন্টমেন্ট ডলোমেড)
প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার আক্রান্ত অংশে মালিশ করতে হবে।
2ক্রনিক রোগের চিকিৎসা নিম্নরূপ হবে।
Tab Allgoric 100 mg (ট্যাবলেট অ্যালগোরিক ১০০ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার যতদিন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিক হয়।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ। আক্রান্ত অংশগুলিতে গরম সেঁক দেওয়া ভালো।
২ সমুদ্র স্নান ভালো ফল দেয়।
৩ শস্যদানা ডিম মিষ্টি রুটি স্যালিসাইলেট  জাতীয় ঔষধ প্রভৃতি নিষিদ্ধ।
৪ ফ্যাট জাতীয় খাবার কম খেতে হবে। মাছ মাংস মাদকদ্রব্য প্রভৃতি কম খেতে হবে।
৫ মূত্রকারক ( Diuretics) ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।
৬ পাতলা দুধ ফলের রস মধু চারা মাছ খাওয়া ভালো।
৭ গরম উষ্ণ পানির কড়া চা ও গাঁদাল পাতায় রস একত্রে বীট গাজর প্রভৃতি খাওয়া চলবে।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Dysmenorrhoea Health And Medicine Trips Bangla (বাধক রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা)


রোগের বিবরণ

স্ত্রী লোকের ঋতুকালীন সময়ের বস্তি প্রদেশে প্রদাহ হওয়াকে বাধক বা Dysmenorrhoea বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

কেবলমাত্র জননতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ১৩ থেকে ১৪ বছর থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
কেবলমাত্র মহিলারাই এই রোগ আক্রান্ত হন।

রোগের কারণ

হর্মোনের স্বল্পতা জন্ম থেকে জননতন্ত্রের গঠনগত ত্রুটি থাকার জরায়ু সহ সমগ্র জননতন্ত্রের অপূর্ণতা রক্তাল্পতা অত্যধিক পরিশ্রম প্রভৃতি কারণে এই রোগের সৃষ্টি হয়।

 রোগের লক্ষণ

১ ঋতুর সময়ে মেয়েদের তলপেট কোমর পিঠের নিচের অংশ মেরুদন্ড প্রভৃতি অংশের দারুণভাবে যন্ত্রণা হতে থাকে।
২ ঋতুস্রাব খুব কম হয়।
৩ এক সময় যন্ত্রণার তীব্রতার হয়ে ওঠে ফলে রোগীনী  যন্ত্রণার ছটফট করতে থাকে। প্রথম দিন যন্ত্রণা কম হয় তবে দ্বিতীয় দিন ও তৃতীয় দিন যন্ত্রণা বেশি হয়। চতুর্থ দিন থেকে যন্ত্রণা কমতে শুরু করে।
৪ যন্ত্রণা নাশক ঔষধ খেলে সে বারের মতো কমে যায় কিন্তু পরে ঋতুচকের পুনরাবৃত্তি ঘটে।
৫ ঋতু শুরুর ২ দিন আগে থেকে পা দুটিতে এবং ঊরুতে ব্যাথা যন্ত্রণা শুরু হতে থাকে।
৬ ঋতু চলাকালীন অলস্যভাব গা হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা মাথা ধরা বুক ধড়ফড় করা মাথা ঘোরা গা বমি ভাব অক্ষুধা প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

চিকিৎসা

1 ঋতু চলাকালীন ব্যাথা যন্ত্রণা নাশক নিচের যেকোনো একটি ঔষধ খেতে দিতে হবে।
Tab Meftal Spas ট্যাবলেট মেফটাল স্প্যাস)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার প্রয়োজন অনুযায়ী ৩-৪ দিন খেতে হবে।
2 হর্মোনের গোলযোগ বা জননতন্ত্রের অপরিণতি থেকে এই সমস্যার সৃষ্টি হলে নিচে যে কোন টি ঔষধ ভালো ফল পাওয়া যায়
Tab Ovral- L (ট্যাবলেট ওভরাল এল )
ঋতুচকের পঞ্চম দিন থেকে শুরু করে প্রত্যহ ১ টি করে খেতে হবে ২১ দিন এগুলি পরস্পর ৩ থেকে ৪ টি ঋতু চক্র চালাতে হবে।
অথবা Tab Ovral-G (ট্যাবলেট ওভরাল জি )
ঋতুচক্রের পঞ্চম দিন থেকে শুরু করে প্রত্যহ ১ টি করে খেতে হবে ২০ দিন
 3 অপুষ্টি রক্তল্পতা জরায়ুর অপূর্ণতা প্রভৃতি দূর করতে নিচের ঔষধ দিতে হবে।
Syrup Cheri (সিরাপ চেরি)
৩ চামচ করে দিনে ১-২ বার খাবার পর খেতে হবে ১-২ মাস
অথবা Syrup Hemact (সিরাপ হিম্যাক্ট)

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ ঠান্ডা খাদ্য খাওয়া নিষিদ্ধ। গরম পানির খাওয়া এবং তলপেটে গরম সেঁক দেওয়া ভালো।
২ বিবাহিত মহিলাদের গর্ভধারণের উপদেশ দেওয়া ভালো। কারণ একটি সন্তান প্রসবের পর এই রোগ সচরাচর থাকে না।
৩ হালকা ব্যায়াম ও মুক্ত বাতাসের ভ্রমণ এই রোগে পক্ষে উপকারী।
৪ হালকা সহজপাচ্য অথচ পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া দরকার।


এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 


Metronidazole Health And Medicine Trips Bangla ( মেট্রোনাইডাজোল ব্যবহার মাত্রা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আন্তঃবিক্রিয়া সাবধানতা ঔষধের ব্র্যান্ডনেম)


ইহা একটি প্রটোজোয়া এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী ঔষধ।ইহা এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা ( Entamoeba Histolytica) জিয়ার্ডিয়া ল্যাম্বলিয়া (Giardia Lamblia) ট্রাইকোমনাস স্পেসিজ (Trichomonas spp) প্রভৃতি প্রোটোজোয়া এবং অ্যানায়রোবিক কক্কি ফিউসোব্যাকটেরিয়াম স্পেসিজ ক্লসট্রিডিয়াম স্পেসিজ ও গার্ডেনেরেল্লা ভ্যাজাইনালিস প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়। ইহা পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয় এবং তা লিভারের পাচিত হয়। ইহার ৮০% এর উপর  মূত্রপথে নির্গত হয় এবং বাকি অংশ মালের সাথে নির্গত হয়।

ব্যবহার

অ্যামিবাঘটিত আমাশয় জিয়ার্ডিয়া টাইকোমনা বীজাণু সংক্রমণঘটিত যোনি প্রদাহ পেলভিক প্রদাহ মলাশয় ও পেলভিক অংশের অস্ত্রোপচারজনিত সংক্রমণ অ্যাপেনডেকটমি মস্তিষ্ক ও ফুসফুসের ক্ষত মুখগহ্বরের ক্ষত ও তদজনিত প্রদাহ দাঁতের গোড়ায় সংক্রমণ প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়।

মাত্রা

অ্যামিবাঘটিত আমাশয় বয়স্কদের ৪০০ মিগ্ৰা ট্যাবলেট দিনে ৩ বার ৭ দিন। খাবার পর খেতে হবে। শিশুদের ২ বছরের নিচে ৫০-১০০ মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ৭ দিন খাওয়ার পর দেওয়া যায়। ২ বছরের উপরে শিশুদের ২০০ মিগ্রা  করে দিনে ৩ বার ৭ দিন খাওয়ার পর দেওয়া যায়।
জিয়ার্ডিয়াসিসে বয়স্কদের ২০০ মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ৫ দিন।
শিশুদের ১-৩ বছর ৫০ মিগ্ৰা ৩-১০ বছর ১০০ মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ৫ দিন খাবার পর দিতে হবে।
ট্রাইকোমনা বীজাণু সংক্রমণ হলে ২০০ মিগ্ৰা দিনে ২-৩ বার ৭ দিন খেতে দিতে হবে।
লিভারের ক্ষতে ৪০০ মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ৫  দিন দিতে হয়।
মুখগহ্বরের ক্ষত এবং দাঁতের সংক্রমনে (Infection,) ২০০ মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ৩ দিন দিতে হবে। রোগ সারতে না চাইলে সকল ক্ষেত্রেই ২ সপ্তাহ বাদ দিয়ে পুনরায় একই মাত্রায় এই ঔষধ ব্যবহার করতে হবে।
অস্ত্রোপচারের পূর্বে ব্যবহার করতে হলে ৫ টি, ৪০০ মিগ্ৰা  ট্যাবলেট একত্রে ১ বার দিতে হয় পরে ২০০ মিগ্রা দিনে ৩ বার করে চালাতে হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয় না। মুখে অস্বস্তিকর তিক্ত আস্বাদ জিহ্বা লেপাবৃত হওয়া বমি বমিভাব পেটের গোলমাল আমবাত ঘুমভাব মাথা ঘোরা মাথা ধরা মাথা যন্ত্রণা চর্মে উদ্ভেদ ঘোলাটে প্রস্রাব প্রুরিটাস পেশীর শিথিলতা প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

অ্যালকোহল সিমেটিডিন ফেনোবারবিটোন ডাইসালফিরাম প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হয় ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাধারণতা

থাইরয়েড গ্রন্থির রোগ স্নায়ুপীড়া প্রভৃতিতে মেট্রোনাইডাজোল ব্যবহার নিষিদ্ধ। গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মহিলাদের জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ব্যবহার করতে নেই।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Flaghl Metroghl ইত্যাদি 

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Otorrhoea Health And Medicine Trips Bangla (কানে পূঁজ রোগের বিবরণ রোগের কারণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের লক্ষণ চিকিৎসা

রোগের বিবরণ

মধ‍্যকর্ণ ও অন্তঃকর্ণে জীবাণু দূষণ হয়ে কান দিয়ে শ্লেষ্মাবৎ স্রাব নির্গত হওয়াকে পূঁজ বা Otorrhoea বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

শ্রবণ যন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স যেকোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ একটু বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

রোগের কারণ

কানের বাইরের রোগের সুচিকিৎসা না হলে বীজাণু বা ছত্রাক অন্তঃকর্ণকে আক্রমণ করে এই রোগ ঘটায়। কানে  জল ঢোকা মারাত্মক সর্দিতে ভোগা। ইউস্টেকিয়ান নালীর
গোলযোগ প্রভৃতি এই রোগ সৃষ্টির সহায়ক।

রোগের লক্ষণ

১ সর্বদা কান থেকে দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা গাঢ় পুঁজ নির্গত হতে থাকে।
২ কানে প্রচণ্ড ব্যাথা থাকে। মাথা যন্ত্রণা হয়।
৩ কানে কম শোনা বা একেবারে না শোনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে যায়।
৪ জ্বর হতে পারে। নাক দিয়ে সর্দি ঝরতে পারে।
৫ ওজন হ্রাস পাওয়া বা স্বস্থ্য ভেঙে যাওয়ার  লক্ষণ প্রকাশ পায়।
৬ মাথা ঘোরা এবং আক্রান্ত অংশের দিকে মাথা ভারী হওয়ার লক্ষ্য করা যায়।

চিকিৎসা

1 যে কোনো একটি জীবাণু নাশক ঔষধ মুখে খেতে দিতে হবে।
Tab Augmentin 625 mg (ট্যাবলেট অগমেনটিন ৬২৫ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার খাবার পর দিতে হবে ৫-৭ দিন।
অথবা Tab Clavam 625 mg (ট্যাবলেট ক্লাভাম ৬২৫ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার খাবার পর খেতে হবে ৫-৭ দিন

2 যেকোনো একটি বাহ্যিক প্রয়োগের ড্রপ ঔষধ ব্যবহার করতে হবে।
Drops Neosporin H- Ear (নিওসপোরিন এইচ সি ইয়ার ড্রপস্) 
২-৩ ফোঁটা করে দিনে ৩-৪ বার করে আক্রান্ত কানে লাগাতে হবে।
অথবা Otek-AC Ear Drops (ওটেক এসি ইয়ার ড্রপস্)
২-৩ ফোঁটা করে দিনে ৩-৪ বার করে আক্রান্ত কানে লাগাতে হবে।
3 যে কোনো একটি অ্যানালজেসিক ডেকনজেসট্যান্ট ঔষধ দিতে হবে
Tab Actifed Plus (ট্যাবলেট অ্যাক্টিফেড প্লাস)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার ৫-৭ দিন খাবার পর খেতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 কানের গোড়ায় গরম সেঁক দেওয়া ভালো। নদীতে পুকুরে ডুব দেওয়া একেবারেই নিষিদ্ধ। মাঝে মাঝে কান পরিষ্কার করতে হবে। জটিল পরিস্থিতিতে সৃষ্টি হলে EN T স্পেশালিস্ট এর পরামর্শ নিয়ে Mastoid Surgery করতে হবে।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 




Infertility Health And Medicine Trips Bangla (বন্ধ্যাত্ব রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগের লক্ষণ রোগ নির্ণয় চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা)

 

রোগের বিবরণ

গর্ভধারণ না হওয়াকে বন্ধ্যাত্ব বলা হয়। নারীর সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা থাকে না একথা ভুল। সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা সকল নারীরই আছে। তবে জননতন্ত্রের বিভিন্ন ত্রুটি অথবা পুরুষের জননতন্ত্রের কোন একটি ত্রুটি থাকার ফলেই সন্তান উৎপাদনে বাধার সৃষ্টি হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

জননতন্ত্রের ও অন্তঃক্ষরা তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ১৪ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এই রোগ হয় তবে ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যেই বেশি ঘটতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ এই রোগ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের কারণেই ঘটে তবে মহিলাদের ত্রুটি থেকেই বন্ধ্যাত্ব বেশি হতে দেখা যায়।

রোগের কারণ

নারীর জরায়ুর দুর্বলতা বা গঠনগত ত্রুটি থাকা। যার ফলে শুক্রাণু  দ্বারা নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ু গাত্রে প্রোথিত হতে পারে না। ডিম্বাশয়ের রোগ থাকা যার জন্য পরিপূর্ণ ডিম্বাণু নিঃসরণ হয় না। ফলে আদৌ নিষেক ই ঘটে না। হর্মোনের ক্ষরণের স্বল্পতা অথবা আধিক্য হেতু নিষেক না হওয়া বা নিষিক্ত ডিম্বাণুর ধ্বংসপ্রাপ্তি ঘটা যৌনপথ অতিরিক্ত আম্লিক থাকা যার ফলে শুক্রাণুর গরমকালে ধ্বংসপ্রাপ্তি ঘটে যৌন দুর্বলতার দরুন মিলনে অচিচ্ছ থাকা রতিজরোগ থাকায় দরুণ যোনি বা জরায়ুমধ্যে জীবাণু সংক্রমণ থাকা জরায়ু মুখের চাপ বেশি থাকায় শুক্রাণু প্রবেশে বাধাদান রক্তশূন্যতার ভোগা প্রভৃতি কারণে বন্ধ্যাত্বের সৃষ্টি হয়।
পুরুষের ক্ষেত্রে ধ্বজভঙ্গ বা Impotency রোগে ভোগা রতিজ রোগে ভোগা বীর্য গর্ভবতী হয় না। এর সাথে রক্তশূন্যতা মেদ-বৃদ্ধি স্তনের বিবৃদ্ধি প্রভৃতি লক্ষণ দেখা যায়।

রোগ নির্ণয়

১ পুরুষের বীর্যের ল্যাবরেটরী অ্যানালিসিস করলে কোন ত্রুটি আছে কিনা জানতে পারা যায়।
২ নারীর জননতন্ত্রের বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করলে কোন ত্রুটি আছে কিনা জানা যাবে।
৩ স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের রক্ত VDRL পরীক্ষা করলে কোন রমিজ রোগ আছে কিনা জানাতে পারা যাবে।
৪ রক্তের TSH FSH LH প্রভৃতি পরীক্ষা করলে হরমোনের গোলযোগ জনিত কারণ থাকলে তা ধরা পড়ে।

চিকিৎসা

1 পুরুষের বীর্যে শুক্রকীট কম থাকলে বা তা সবল না হলে নিচের ঔষধ খাওয়াতে হবে।
Tab Fertyl- M (ট্যাবলেট ফার্টিল এম)
2 নারীর ক্ষেত্রে ঋতুর গোলযোগ থাকলে তার চিকিৎসা সর্বপ্রথম করতে হবে। এছাড়া রক্তল্পতা জরায়ুর দুর্বলতা প্রভৃতি থাকলে নিচের যেকোনো একটি ঔষধ দিতে হবে।
Cheri Syrup (চেরি সিরাপ)
২ চামচ করে দিনে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ১-২ মাস।
অথবা Hemfer Tonic (হেমফার টনিক)
২ চামচ করে দিনে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ১-২ মাস।

3 যদি পরীক্ষা করে দেখা যায় নারী Anovulation অর্থাৎ ডিম্বক্ষরণ না হওয়ার রোগে ভুগছেন তাহলে নিচের ঔষধ খাওয়াতে হবে।
Tab Ovofar 50 mg (ট্যাবলেট ওভোফার ৫০ মিগ্ৰা)
১ টি করে ঋতুচক্রের ৫ম দিন থেকে শুরু করে ৫ দিন খেতে হবে।
4  নারীর যোনিনালী এবং জরায়ুগ্ৰীবা অর্থাৎ যৌন মিলনের সময় যে অংশে বীর্যপাত হয় সেই অংশ যদি অত্যাধিক আম্লিক(Acidic) হয় তাহলে বীর্যেস্থ শুক্রকীট ঐ স্থানে মারা পড়ে ফলে ডিম্বাণুর সাথে মিশতে পারে না এবং নিষেক (Fertilization) হওয়ার সম্ভাবনা নষ্ট হয়।
তাই এই ক্ষেত্রে ঋতুচক্রর  ৭ম দিবস থেকে ১০/১২ দিন যৌনমিলনের ঘটার ১ ঘন্টার পূর্বে নারীর যৌনপথ এবং জরায়ু মুখে ক্ষারকির (Alkaline) বস্তুর ডুস দিতে হবে। এর ফলে ঐ অংশে অম্লীকভাব নষ্ট হবে বা হ্রাস পাবে। এর এইভাবে মিলন ঘটতে বীর্যস্থ শুক্রকীট মারা পড়বে না।তার সবল অবস্থায় দ্রুত গতিতে জরায়ুতে এসে পৌঁছাবে এবং ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে জরায়ুর গাত্রে প্রোথিত হবে। ডুস দেওয়ার জন্য সোডিয়াম বাই কার্বোনেট ব্যাবহার করা যাবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

এই ধরনের রোগিনীদের আঁকাড়া চাল যাঁতা ভাঙ্গা আটা মাছ মাংস ডিম দুধ সয়াবিন  ও সয়াবিনের তেল বীট  গাজর টমেটো পালং শাক কলা  নারকেল পাকা আম পেঁপে প্রভৃতি প্রচুর পরিমাণে খাওয়া ভালো। 
দুশ্চিন্তা পরিত্যাগ করতে হবে। মন প্রফুল্ল রাখতে হবে এবং
সুনিদ্রার ব্যবস্থা করতে হবে। যৌন মিলনের উভয়ের ইচ্ছা এবং পূর্ণ উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়া দরকার।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Amoxicillin Health And Medicine Trips Bangla ( অ্যামক্সিসিলিন ব্যবহার মাত্রা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আন্তঃক্রিয়া সাবধানতা)

 


ইহাও পেনিসিলিয়ামের সংয়োগসাধনে প্রস্তুত অ্যাম্পিসিলিন সদৃশ একটি বহু ব্যাপক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী ঔষধ। ইহা স্ট্রেপটোকক্কাস স্ট্যাফাইলোকক্কাস

নিউমোকক্কাস ঈ-কোলি নেইসেরিয়াগণোরিয়া হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা স্যালমোনেল্লা টাইফি প্রোটিয়াস মাইরাবিলিস প্রভৃতি বীজাণুদের উপর সক্রিয়।ইহা অ্যাম্পিসিলিনের চেয়ে অধিক পরিমাণে শোচিত হয়।মুখে খাবার ঔষধ ৯০ শতাংশ পাকস্থলী থেকে শোষিত হয়। ইহা  শরীরের সমস্ত কলাকোষে এবং দেহরসে সমানভাবে পৌঁছায় এবং তা অ্যাম্পিসিলিনের চেয়ে অধিক মাত্রার। রক্তরসে ১ ঘন্টার অ্যাম্পিসিলিনের চেয়ে দ্বিগুণ মাত্রায় উপস্থিত হয়। এবং রক্ত রসের দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয় ইহার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম এবং মূল্য মাধ্যমে বেশি পরিমাণে নির্গত হয়ে যায়। এই ঔষধ সদ্যোজাত শিশু এবং গর্ভবতী মহিলাদের ব্যবহার করা চলে।

ব্যবহার

ফ্যারিংজাইটিস ল্যারিংজাইটিস টনসিলাইটিস ব্রঙ্কাইটিস নিউমোনিয়া প্রভৃতি শ্বাসযন্ত্রের পীড়া নাক ও কানের রোগ চর্ম রোগ টাইফয়েড প্যারাটাইফয়েড মেনিনজাইটিস প্রস্রাবপীড়া সিফিলিস গণোরিয়া প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।

মাত্রা

বয়স্কদের ২৫০-৫০০ মিগ্ৰা দিনে ৪ বার ৭- 10 দিন পর্যন্ত দেওয়া যায়। সদ্যোজাত শিশুদের ক্ষেত্রে ড্রপ ঔষধ ১০০ মিগ্ৰা/১মিলি অর্থাৎ ২০ ফোঁটা  ৫-১০ ফোঁটা দিনে ৩-৪ বার দিতে হয়। ৬ মাসের নিচের ড্রাই সিরাপ আধ চামচ বা কিউট্যাব অদ্ধেকটি করে দিনে ৪ বার দেওয়া যাবে। ৬ মাস ৪ বছর পর্যন্ত ১২৫ মিগ্ৰা করে দিনে ৪ বার অর্থাৎ ১ চামচ ড্রাই সিরাপ বা একটি ১২৫ মিগ্ৰা ডিসট্যাব দিনে ৪ বার  দেওয়া যাবে।তদূদ্ধের ১২ বছর বয়স পর্যন্ত ২৫০ মিগ্ৰা ক্যাপসুল বা ক্যাপসুল বা ডিসট্যাব দিনে ৩-৪ বার পর্যন্ত দেওয়া যাবে। বয়স্কদের গণোরিয়া রোগে ৩ গ্ৰাম অর্থাৎ ৫০০ মিগ্ৰা ক্যাপসুল ৬ টি দিনে ১ বার মাত্র খেতে দিতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

বমি গা বমি ভাব পাতলা পায়খানা চর্মে উদ্ভেদ আমবাত
লিউকোপেনিয়া নিউট্রোপেনিয়া অ্যানিমিয়া ইওসিনোফিলিয়া অ্যাগ্ৰানুলোসাইকোসিস প্রভৃতি হতে পারে।পেনিসিলিয়ামে অ্যালার্জি থাকলে ইজ্ঞেকশান ঔষধে বিপজ্জনক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

আন্তঃক্রিয়া

টেট্রাসাইক্লিন এরিথ্রোমাইসিন অ্যালোপুরিনল প্রভৃতি ঔষধের সঙ্গে আন্তঃক্রিয়া ঘটে ফলে কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।
ওর‍্যাল কন্ট্রাসেপটিভের সঙ্গে আন্তঃক্রিয়া হয়।ফলে একসাথে ব্যবহার করলে গর্ভনিরোধন চেষ্টা ব‍্যর্থ হয়।

সাবধানতা 

পেনিসিলিয়ামে অ‍্যালার্জি থাকলে অ‍্যামক্সিসিলিন ব‍্যবহার নিষিদ্ধ।গর্ভবতী ও স্তন‍্যদানকারী মহিলাদের উচ্চমাত্রায় ব‍্যবহার নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Diarrhoea Health And Medicine Trips Bangla (উদরাময় রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগ লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা )

 

রোগের বিবরণ

উদরাময় দু ধরনের হয। একপ্রকার হল অ্যাকিউট ডায়েরিয়া যা সাধারণতঃ বিভিন্ন ধরনের জীবাণু দুষণ থেকে হতে পারে। আর এক ধরণ হলো ক্রনিক ডায়েরিয়া যাতে একটানা মৃদু প্রকৃতির রোগ চলতে থাকে। উদরাময় বলতে পাতলা মল নিঃসরণ বোঝায়।

আক্রান্ত তন্ত্র 

র্পৌষ্টিক তন্ত্র এবং বিপাকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স অ্যাকিউট ডায়েরিয়া সব বয়সে হতে পারে। ক্রনিক ডায়েরিয়াও সব বয়সে হতে পারে। তবে শিশুদের ও বৃদ্ধদের বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের এই রোগ হয়। ক্রনিক ডায়েরিয়া মহিলাদের একটু বেশি হতে দেখা যায়।

রোগের কারণ

১ অ্যাকিউট ডায়েরিয়ার কারণ হল ঈ কোলি স্যালমোনেল্লা সিগেল্লা ক্যাসপাইলোব্যাকটার জেজুনি ভিব্রিও প্যারাহেমোলাইটিকাস জারসিনিয়া এন্টারোকোলাইটিকা প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া রোটাভাইরাস নরওয়াক ভাইরাস জিয়ার্ডিয়া  ল্যাম্বলিয়া ক্রিপটোস্পোরিডিয়াম এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা প্রভৃতির আক্রমণে এই রোগ হয়। সাধারণতঃ পচা বা বাসি খাদ্য গ্ৰহণ অশোধিত পানীয় জল আমিষ জাতীয় খাদ্য বেশি খাওয়া প্রভৃতির মাধ্যমে রোগ সংক্রমণ ঘটে।

২ ক্রনিক ডায়েরিয়ার কারণ হল

কষ্ঠি কাঠিন্য ভোগা থেকে পেটে জীবাণু সংক্রমণ হয়ে কয়েকদিন পর পর উদরাময়ের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া। ক্ষুদ্রন্ত্র ও বৃহদান্ত্রে পাচিত খাদ্যবস্তু ও তার জলীয় অংশ ঠিকমত শোষিত না হওয়া। কোন ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জনিত কারণে বৃহদান্ত্রের ক্ষত প্রভৃতি থেকে ক্রনিক ডায়েরিয়ার সৃষ্টি হয়।

রোগ লক্ষণ

১ পাতলা জলের মত মল নিঃসরণ তাতে রক্ত বা মিউকাস থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে। দিনে ৮ থেকে ১০ বারের ও বেশি পায়খানা হতে পারে।
২ পেটে ব্যাথা যন্ত্রণা কামড়ানি বা খোঁচানি ভাব থাকে।
৩ পেটে ভুটভাট করে আর পায়খানা হয়।পেটে ফাঁপা ভাব লক্ষ্য করা যায়।
৪ গা বমি ভাব থাকতে পারে। এমনকি দু'একবার বমিও হতে পারে।
৫ মাথার যন্ত্রণা ও জ্বর ভাব হতে দেখা যায়। শীতবোধ হয়।
৬ টক ঢেকুর গলা ও বুক জ্বালা প্রভৃতি থাকে।
৭ মলে এবং বমি হলে তার সাথে হজম না হওয়ার খাদ্যোর টুকরো আসতে পারে।
৮ পায়খানা হওয়ার পর শরীর দুর্বল হয়ে যায়। মাথা ঘুরে।
৯ জল শূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন হয়ে যেতে পারে।

চিকিৎসা

1 নিচের যেকোনো একটি জীবাণু নাশক ঔষধ দিতে হবে।
Tab Anquin 400 mg (ট্যাবলেট অ্যানক্যুইন ৪০০মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ২ বার ৫ দিন দিতে হবে।
অথবা Tab Norbactin 400 mg ( ট্যাবলেট নরব্যাকটিন ৪০০ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ২ বার ৫ দিন দিতে হবে।
2 এর সাথে নিচে যে কোন একটি অ্যান্টিডায়ারিয়াল ঔষধ দিতে হবে।
Tab Metrogyl - F (ট্যাবলেট মেট্রোজিল- এফ)
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার পর খেতে হবে।
অথবা Tab Lomofen (ট্যাবলেট লোমোফেন)
১-২ টি করে দিনে ৩-৪ বার অবশ্যই খাবার পর খেতে হবে।3 প্রত্যেকটির ক্ষেত্রেই প্রস্রাব হলুদ হবে। ভয়ের কোন কারণ নেই। জল বেশি করে খেতে হবে।
4 পেটে যন্ত্রণা খুব অসহ্য হলে দিতে হবে।
Tab Cyclopam(ট্যাবলেট সাইক্লোপ্যাম)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার পর দিতে হবে।
5 বমি ভাব বা বমি হতে থাকলে দিতে হবে।
Tab Perinorm-10 mg (ট্যাবলেট  পেরিনর্ম)
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার আগে খেতে হবে।

6 ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ দেখা দিলে অর্থাৎ খুব জল পিপাসা প্রস্রাব কম হওয়া হাত-পায়ে খিল ধরা প্রভৃতি হতে থাকলে নিচে যে কোন ORS অর্থাৎ ওর‍্যাল রিটাইড্রেশন সল্ট গরম জল ঠান্ডা করে তাতে মিশিয়ে খেতে হবে। অবশ্য বমি না হলে বা বমি বন্ধ হওয়ার পর তবেই এই জল দিতে হবে। এই জল অল্প অল্প করে বারংবার খেতে হবে। একসাথে অনেক জল খেলেই বমি হতে পারে।
১ Electral (ইলেকট্রাল) Walyte (ওয়ালাইট)
7 য়েকোনো  একটি ঔষধ বেশ কিছুদিন চালাতে হবে এই ঔষধ ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জনিত উদরাময় ও সারে।
Cap Vizylac (ক্যাপসুল ভিজিল্যাক)
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার পর খেতে হবে ১০-১২ দিন
8 নিচের যেকোনো একটি হজমিকারক ঔষধ কিছুদিন খেতে দিতে হবে।
Carmozyme Liquid ( কারমোজাইম লিক্যুইড)
২ চামচ করে দিনে ২ বার দুপুর ও রাত্রে খাবার পর খেতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

আক্রমণের অবস্থায় রোগীকে ডাবের জল গ্লুকোজের জল প্রভৃতি খাওয়ানো ভালো। একটু সুস্থ হলে সুসিদ্ধ ভাত কাঁচা কলার ঝোল কচি মাছের ঝোল কাঁচা পোস্ত বাটা প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো। মশলাদার খাবার খাওয়া চলবে না। শাক-সবজি ফলমূল কম খেতে হবে। দই সন্দেশ প্রভৃতি অল্প অল্প খাওয়া চলবে।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Nausea or Vomiting Health And Medicine Trips Bangla (রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা )



রোগের বিবরণ

পৌষ্টিকতন্ত্র বিশেষতঃ পাকস্থলী মধ্যস্থিত পাচিত বা অপাচিত খাদ্যবস্ত্র উপরের দিকে উঠে আসা এবং তার মুখ গহ্বর দিয়ে নির্গত হয়ে যাওয়াকে বমি বলা হয়। বমি করার ইচ্ছা জাগাকে গা বমি বা Nausea বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

পৌষ্টিকতন্ত্র এবং স্নায়ুতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স সব বয়সে এই রোগ হতে পারে।
আক্রমণের লিঙ্গ স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়ের সমানভাবে এই রোগ হতে পারে।

রোগের কারণ

অধিক পরিমাণে খাদ্যগ্রহণ হেতু পাকস্থলীর গায়ে চাপ সৃষ্টি অতিরিক্ত অম্ল সৃষ্টি হওয়া মাদক দ্রব্য সেবন কৃমি রোগে ভোগা জন্ডিস বা হেপাটাইটিস রোগ হওয়া অ্যাপেন্ডিসাইটিস বা উপাঙ্গ প্রদাহ হওয়া ম্যালেরিয়া রোগে জ্বর বৃদ্ধি পাওয়া ক্রনিক আমাশয়ে ভোগা খাদ্যদুষ্টি কলেরা বা ডায়রিয়া রোগীদের ডিহাইড্রেশন অর্থাৎ জল শূন্যতা দেখা দিলে বমি হয় অথবা গা বমি ভাব থাকে। এছাড়া যানবাহনের ভ্রমণের কারণে অনেকের গা বমি বা বমি হতে দেখা যায়। মহিলাদের গর্ভধারণ ঘটলে স্বাভাবিক কারণে গা বমি ভাব বা বমি হতে দেখা যায়। অস্ত্রোপাচার বা রেডিওথেরাপির ফলে বমি ভাব বা বমি হতে পারে।

রোগের লক্ষণ

১ পেটের ভিতরে পাক দিয়ে গা গুলিয়ে ওঠে শরীরে আনচান করে বুক ধড়ফড় করে সশব্দে বমি বের হয়ে আসে।
২ মুখে নোনতা বা টক আস্বাদ বিশিষ্ট্য জল ওঠে।
৩ হজম না হওয়া খাদ্যবস্ত সব উঠে আসতে থাকে।
৪ বমি হতে হতে গলা চিরে রক্ত বের হয়ে আসে।
৫ পেট ব্যাথা হয়ে যায়।
৬ মাথা যন্ত্রণা হতে পারে অনিদ্রি হতে দেখা যায়।

চিকিৎসা

1 যেকোনো কারণে অত্যধিক বমি হতে থাকলে বা গা বমি দেখা দিলে দিতে হবে
Tab Reglan -10 mg (ট্যাবলেট রেগল্যান ১০ মিগ্ৰা)
১টি করে দিনে ৩ বার খাবার আগে খেতে দিতে হবে।
অথবা Tab Sigmet-10 mg (ট্যাবলেট পিগমেন্ট ১০ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার আধঘন্টা আগে খেতে দিতে হবে।
2 অস্ত্রোপচারের পর বা রাশ্মি চিকিৎসা (Radio therapy) পর বমি ভাব বা বমি হলে এবং তার সাথে মাথা ঘোরা থাকলে নিচের ঔষধ দিতে হবে।
Tab Ondem 8 mg (ট্যাবলেট অনডেম ৮মিগ্ৰা)
১ টি করে ১২ ঘন্টা অন্তর খেতে হবে যতদিন না রোগ লক্ষণ অপসারিত হচ্ছে।
অথবা Tab Emsetron-8 mg (ট্যাবলেট এমসেটরন -৮ মিগ্ৰা)
১ টি করে ১২ ঘন্টা অন্তর খেতে হবে যতদিন না রোগ লক্ষণ অপসারিত হচ্ছে।
3 গর্ভাবস্থায় বমি স্বাভাবিক ব্যাপার সামান্য হলেও বন্ধ না করাই ভালো। খুব বেশি হতে থাকলে বা খাবার মোটেই পেটে না থাকলে তখন নিচে যে কোন একটি ঔষধ ব্যবস্থা করা যাবে।
Tab Doxinate (ট্যাবলেট ডক্সিনেট) 
১ টি করে দিনে ২ বার সকালে ও সন্ধ্যা অথবা কেবলমাত্র রাত্রে শোয়ার সময় ২ টি দেওয়া যাবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

গ্লুকোজের জল ডাবের জল চিনির সরবৎ মুড়ি বা মেথি ভেজানো জল প্রভৃতি বরফে রেখে ঠান্ডা করে খেতে দিলে বমি বন্ধ হয়। এগুলি অল্প অল্প করে বারংবার  খাওয়াতে হয়। রোগীর সুস্থ বোধ করলে ঝোল ভাত দেওয়া যায়। অনেকের ভ্রমণ জনিত কারণে গা বমি বিভিন্ন সুগন্ধি  বস্তুর ঘ্রাণা নিলে ভালো হয়। অনেকে লেবুর ঘ্রাণ নেয় এতেও অনেক ক্ষেত্রে ভাল ফল হয়।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Typhus Fever Health And Medicine Trips Bangla (সন্নিপতি জ্বর বা টাইফাস ফিভার রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র সমূহ রোগ আক্রমণের বয়স আক্রান্ত লিঙ্গ রোগের কারণ রোগের জীবাণু রোগ সংক্রামণের সময় রোগ লক্ষণ রোগ নির্ণয় চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা )

 

রোগের বিবরণ

তিন ধরনের রিকিটসিয়ী স্পেসিজের আক্রমণের এই রোগ হয়। একটানা মারাত্মক জ্বর- এমন কি রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে এই রোগ থেকে।

আক্রান্ত তন্ত্র সমূহ

কস্কালতন্ত্র ফুসফুস চর্ম অন্তঃক্ষরণ গ্ৰন্থি রক্ত ও লসিকা তন্ত্র ও রোগ প্রতিরোধ তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয।

রোগ আক্রমণের বয়স

কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই সব বয়সেই হতে পারে।

আক্রান্ত লিঙ্গ

স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েরই এই রোগ হতে পারে।

রোগের কারণ

বিভিন্ন জন্তু জানোয়ারের গায়ের পোকা বা এঁটুলি  মানুষের গায়ের উকুন প্রভৃতির মাধ্যমে এই রোগের জীবাণু ছড়ায়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এই রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ। এপিডেমিক টাইফাস সচরাচর মানুষের গায়ের উকুন দ্বারা সংক্রমিত হয়। এনডেমিক টাইফাস ইঁদুরের গায়ের পোকা বা সংক্রামিত হয় এবং স্ত্রাব টাইফস Chigger দ্বারা সংক্রমণিত হয়।

রোগের জীবাণু

এপিডেমিক টাইফাস হয় Rickettsia Prowazekii (রিকিটসিয়া প্রোওয়াজকীয়ী) দ্বারা এনডেমিক টাইফাস হয় Rickettsia typhi (রিকিটসিয়া টাইফি) এবং স্ত্রাব টাইফাস হয় Rickettsia tsutsugamushi (রিকিটসিয়া সত্তসত্তগামুসি) নামক জীবাণু দ্বারা।

রোগ সংক্রামণের সময়

শরীরে রোগ জীবাণু প্রবেশের ১ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায।

রোগ লক্ষণ

সাধারণত লক্ষণ যা সব ক্ষেত্রেই থাকে।
১ হঠাৎ খুব শীত ও কাঁপুনিসহ জ্বর আসা। প্রথমে ১০১° থেকে ১০৩° ফাঃ পরে ১০৬° পর্যন্ত জ্বর হতে পারে।
২ প্রচন্ডভাবে মাথা যন্ত্রণা হতে পারে।
৩ শরীরের সর্বদা একটি অস্বস্তি বোধ হতে থাকে।
৪ সর্বাঙ্গের বেশিতে প্রচন্ড ব্যথা হয়।
৫ জিহ্বাতে  ময়লা কোষ্ঠ কাঠিন্য গায়ে দুর্গন্ধ প্রভৃতি হতে দেখা যায়।
এপিডোমিক পাইবাস
১ চামড়ার উপরে গোলাকার শক্ত এবং খানিকটা উঁচু এবং দাগ বিশিষ্ট উদ্ভিদ বের হয়। এটি সাধারণতঃ মধ্যদেহতেই হয়। এই উদ্ভিদ রোগাক্রমণের ৫ম দিনে থেকে হয়।
২ শুকনো কাশি হতে শুরু করে।
৩ রোগ জীবাণু ফুসফুসকে আক্রমণ করে।ব্রঙ্কাইটিসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
এনডেমিক টাইফাস
১ মধ্যদেহে উদ্ভিদগুলি রোগাক্রমণের তৃতীয় দিনেই বের হয়।
২ মস্তিষ্ক আক্রান্ত হয়। মেনিনজাইটিসের লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
৩ গায়ে ইঁদুরের গায়ের ন্যায় দুর্গন্ধ বের হয়।
স্ত্রাব টাইফাস
১ কীট দংশিত স্থানে মামড়ি পড়ে।
২ সংশ্লিষ্ট স্থানে লসিকাগ্ৰন্থি ফোলে এবং প্রদাহিত হয়।
৩ শরীরের অন্যান্য স্থানের গ্রন্থিতে ফোলা বা ব্যাথা লক্ষ্য করা যায়।
৪ মধ্যদেহের উদ্ভিদের ৫ ম দিনে হতে বের হতে শুরু করে।
৫ প্লীহা বৃদ্ধি পায়।
৬ চক্ষুতে যন্ত্রণা হয়।

চিকিৎসা

নিচের যেকোনো একটি জীবাণু নাশক ঔষধ ব্যবহার করতে হবে
Cap Lenteclin 100 mg ( ক্যাপসুল লেনটেকলিক ১০০মিগ্ৰা)
১টি করে দিনে ১ বার ৭-১০ দিন দিতে হবে।
অথবা Cap Paraxin 250 mg (ক্যাপসুল প্যারাক্সিন ২৫০ মিগ্ৰা)
১টি করে দিনে ৩-৪ বার ৫ দিন দিতে হবে।
*নিচে যেকোনো একটি স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ দিতে হবে।
Tab Betnelan-0.5 mg (ট্যাবলেট বেটানিল্যান ০.৫মিগ্ৰা)
১টি করে দিনে ৩ বার ৫-৭ দিন দিতে হবে।
**নিচের যেকোনো একটি ভিটামিন সমৃদ্ধ ঔ‌ষধ দিতে হবে।
Vipro- FE Syrup (ভাইপ্রো-এফ-ই সিরাপ)
৩ চামচ করে দিনে ২বার খাবার পর খেতে হবে ১ মাস।
অথবা Bioprot Liquid (বায়োপ্রট লিক্যুইড)
৩ চামচ করে দিনে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ১ মাস।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১ রোগীকে অবশ্যই আলো বাতাস পূর্ণ ঘরে রাখতে হবে।
২ জ্বর অবস্থায় গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে স্পঞ্জ করা ভালো এতে জ্বর কমে।
৩ জ্বর অবস্থায় এবং আক্রমণের প্রথম অবস্থায় রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তরল খাদ্য খেতে দিতে হবে। গ্লুকোজের জল ডাবের জল মিছরির জল সরবৎ সাগু বালিক ফলে রস প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো।
৪ জ্বরের প্রকোপ কমে গেলে সুসিদ্ধ ভাত মাছের ঝোল ডিমের সিদ্ধ দুধ হরলিক্স বা কমপ্লান প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো।
৫ রোগীকে বেশ কিছুদিন বিশ্রামে রাখতে হবে। দিনে ৩ থেকে ৪ বার মুখ ধোবার ব্যবস্থা করতে হবে।
 ৬ রোগীকে সুস্থ মানুষের থেকে পৃথকভাবে রাখতে হবে এবং তার ঘর সর্বদা পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।


এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Flatulence Health And Medicine Trips Bangla ( পেট ফাঁপা রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র বয়স আক্রান্ত লিঙ্গ রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা


রোগের বিবরণ 

পাকস্থলী বা অন্ত্রে বায়ু সঞ্চয় হয়ে পেট ফুলে ওটাকে পেট ফাঁপা বা Flatulence ( ফ্ল্যাটুলেন্স) বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র 

পুস্তিকতন্ত্র এই রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স

 এই রোগ যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

আক্রান্ত লিঙ্গ

স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়ের এই রোগ সমানভাবে হতে দেখা যায়।

রোগের কারণ 

অজীর্ণ ও অম্লরোগে ভোগা পায়খানা পরিষ্কার না হওয়া ক্রনিক আমাশয়ে ভোগা আমিষ জাতীয় খাদ্য বেশি খাওয়া অতিরিক্ত তেল ঝাল মশলা খাওয়া রাত্রি জাগরণ কৃমি রোগে ভোগা প্রকৃতি থেকে পেট ফাঁপা রোগ হয়ে থাকে।

রোগের লক্ষণ

১ সমগ্ৰ পেট উঁচু হয়ে ফুলে ওঠা এমনকি বুকের চেয়েও উঁচু হয়ে যেতে পারে।
২ পেটের আঙ্গুলের টোকা মারলে ঢপ ঢপ শব্দ হয়। এমন কি পেট ভুত ভাট গুড় গুড় শব্দ হতে থাকে।
৩ বুকে চাপ বোধ শ্বাসকষ্ট অস্বস্তি ভাব এবং পাঁজরের নিচে কনকনানি ভাব হতে থাকে।
৪ পাতলা পায়খানা অথবা কষ্ঠ কাঠিন্য হতে পারে।
৫ গা বমি এবং ক্ষুধামন্দ প্রভৃতি হতে দেখা যায়।
৬ বুকে ধড়ফড়ানি মাথা ও কপাল ভারী হওয়া এবং যন্ত্রণা হওয়া প্রভৃতি থাকে।
৭ পেটে খোঁচানো যন্ত্রণা হয়।
৮ গ্যাস ও  অন্ত্রের ভিতর দিয়ে চলাচলের অনুভূতি প্রকাশ পায়। মাঝে মাঝে বায়ু সরে।
৯ পেট খুব বেশি ফেঁপে গেলে মল মূত্র ত্যাগে বাধার সৃষ্টি করে।

চিকিৎসা

নিচে যেকোনো একটি বায়ু অপসারণকারি ঔষধ ব্যবহার করতে হবে
Tab Distenil (ট্যাবলেট ডিসটেনিল)
১-২টি করে দিনে ২-৩ বার চিবিয়ে খেতে হবে।
অথবা Nausifar MPS Liquid (নসিফার এম,পি,এস,লিক্যুইড)
২ চামচ করে দিনে ২-৩ বার জল মিশিয়ে খেতে হবে।
অথবা Carmicide Syrup (কারমিসাইড সিরাপ)
২ চামচ করে দিনে ২-৩ বার জল মিশে খেতে হবে।
অথবা Tab Unienzyme  MPS (ট্যাবলেট ইউনিএনজাইম)
১-২ টি করে দিনে ২-৩ বার খাবার পর খেতে হবে।
৩ বমি হলে বা গা বমি থাকলে অথবা পেট খুব ফেঁপে গিয়ে মল মূত্র ত্যাগে বাধা সৃষ্টি করলে নিচের ওষুধের ভালো ফল পাওয়া যায়।
Tab Perinorm-10 mg( ট্যাবলেট পেরিনর্ম ১০ মিগ্রা)
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার আগে দিতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

সরষের তেল বা সাবান জল মিশিয়ে পেটে মালিশ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখতে জল বেশি পরিমাণে খেতে হবে এবং প্রয়োজনে ইসবগুলের ভুষি মিছরি ভেজানো জলে ফেলে খাওয়া ভালো। ফল মূল শাকসবজি অল্প অল্প খাওয়া ভালো। মশলাদার খাবার এবং মাছ মাংস প্রভৃতি না খাওয়াই ভালো।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 


Indigestion Or Dyspepsia Health And Medicine Trips Bangla ( অজীর্ণ বা বদহজম রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র আক্রমণের বয়স আক্রান্ত লিঙ্গ রোগের কারণ রোগের লক্ষণ রোগ নির্ণয় চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা )

 

রোগের বিবরণ

খাদ্যবস্তু পাকস্থলীতে পুরোপুরি পাচিত না হয়ে তা ক্ষুদ্রান্ত্রে চলে আসা এবং সেখানে ও পাচন বা শোষণ কিছুই না ঘটে মলের মাধ্যমে অপাচিত এবং অশোষিত খাদ্য নির্গমন হয়ে যাওয়া এবং তার সঙ্গে পুষ্টিকতন্ত্রের বিভিন্ন গোলমাল ও অস্বস্তিভাব সৃষ্টি হওয়াকে অজীর্ণ রোগ বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

পুষ্টিকতন্ত্র এই রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স

বয়স্কদের বিশেষতঃ বৃদ্ধদের এই রোগ বেশি হয় তবে শিশুদের মধ্যে এই রোগ মাঝে মাঝে হতে দেখা যায়।

আক্রান্ত লিঙ্গ

পুরুষদের চেয়ে মহিলারাই এই রোগ অধিক আক্রান্ত হয়।

রোগের কারণ

অন্ত্র ও পাকস্থলীর বিভিন্ন রস ক্ষরণের ঠিকমত না হওয়া খাদ্য ভালোভাবে চিবিয়ে না খাওয়া অনিয়মিত খাবার খাওয়া প্রোটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাবার খুব বেশি খাওয়া শরীরে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাব লিভারের গন্ডগোল প্রভৃতি থেকে এই রোগ হয়।

রোগীর লক্ষণ

১ খাবার কিছুক্ষণের মধ্যেই পেট ফাঁপা এবং তার কিছুক্ষণের মধ্যেই পেট হড়হড় করা এবং পায়খানা বেগ আসা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। পায়খানার পাতলা হয়।
২ পেটে বায়ু সঞ্চয় এবং ব্যাথা হয়।
৩ গা বমি ভাব মুখে জল ওঠা এমনকি চোঁয়া  ঢেকুর ও উঠতে পারে।
 ৪ পেট সবসময় ভুট ভাট করা এবং খাবার কিছুক্ষণ পরে পায়খানায় যাওয়া।
৫ অনেক রোগীর এই রোগ একটানা চলতে থাকে অনেকের আবার ভাল হয়ে থেকে হয়। বিশেষতঃ বৃদ্ধদের শয্যাশিয়ী রোগীদের এমন হতে দেখা যায।
৬ ক্ষুধামন্দা হয়ে থাকে।
৭ অপুষ্টি ও অ্যানিমিয়ার লক্ষণ প্রকাশ পায়।

রোগ নির্ণয়

১ রোগের লক্ষণ অনুযায়ী
২ মলের রুটিন পরীক্ষা করলে তাতে ফুড পার্টিকলস উপস্থিত থাকে।
৩ জটিলতা থাকলে এন্ডোস্কোপি করে অন্য রোগ আছে কিনা তা দেখতে হবে।

চিকিৎসা

*উৎসেচকের ঘাটতি জনিত কারণে এই রোগ হলে নিচের যে কোন একটি এনজাইম ঔষধ দিয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।
Aristozyme Liquid ( অ্যারিস্টোজাইম লিক্যুইড)
২ চামচ করে দিনে ২ বার খাবার পর জলে মিশিয়ে খেতে হবে
অথবা Bestozyme Syrup (বেস্টোজাইম সিরাপ)
২ চামচ করে দিনে ২ বার খাবার পর জল মিশিয়ে খেতে হবে।
অথবা Neopeptine Liquid ( নিওপেপটাইন লিক্যুইড)
২ চামচ করে দিনে ২ বার খাবার পরে জল মিশিয়ে খেতে হয়
অথবা Vitazyme Liquid (ভিটাজাইম লিক্যুইড)
২-৩ চামচ করে দিনে ২ বার খাবার পরে জল মিশে খেতে হয়।
**লিভারের দুর্বলতাজনিত কারণে এই রোগ হলে দিতে হবে
Liv 52 Syrup (লিভ ৫২ সিরাপ)
২ চামচ করে দিনে ২ থেকে ৩ বার খাবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে খেতে হবে
*** অগ্ন্যাশয় নিঃসৃত রস এবং পিত্তরসের ঘাটতির  ফলে হজমের গগুগোল হলে নিচে যে কোন একটি ঔষধ দিতে হবে
Tab Festal N( ফেসটাল এন ট্যাবলেট)
১টি করে দিনে ২ থেকে ৩ বার খাবার পর খেতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

সরু চালের সুসিদ্ধ ভাত কচি মাছের ঝোল কাঁচকলা পেঁপে ডুমুর প্রভৃতির ঝোল হজম শক্তি বাড়ায়। কাঁচা পেঁপে প্রভৃতি খাওয়া চলবে। মাছ মাংস ডিম বাদাম ছোলা মটর ময়দা তেল ঘি শাক-সবজি মসলাদার অন্যান্য খাবার প্রভৃতি বর্জন করতে হবে। নির্দিষ্ট সময় খাবার খেতে হবে। রাত্রি জাগরণ অধিক পরিশ্রম প্রভৃতি বন্ধ করতে হবে।

******এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Acidity Health And Medicine Trips Bangla (অম্লরোগ রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের আক্রমণের বয়স রোগের লিঙ্গ রোগের কারণ রোগের লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা)



রোগের বিবরণ

পাকস্থলীর গা থেকে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড বেশি নিঃসৃত হওয়া এবং পিত্তরস পিত্ত হতে সঠিক পরিমাণে নির্গত না  হওয়ার জন্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড প্রশমিত হয় ফলে তা সঞ্চিত থেকে বিভিন্ন উপসর্গের সৃষ্টি করে। এই অ্যাসিডের অধিক্যকেই অম্লরোগ বা অ্যাসিডিটি বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র 

পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়

রোগ আক্রমণের বয়স

এই রোগ সব বয়সেই হতেই পারে তবে বয়স্কদের বেশি হয়।

আক্রান্ত লিঙ্গ 

স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়েই রোগ সমান হারে হতে দেখা যায়

রোগীর কারণ

পাকস্থলীতে ক্ষরিত হওয়া HCI এ্যসিডের এর পরিমাণ বেশি হওয়া অন্যান্য উৎসচকের ক্ষরণ কম হওয়া পিত্তরস কম আসা প্রভৃতি প্রধান কারণ। এছাড়া খালি পেটে থাকা ও পরে রসাল এবং গুরুপাক খাদ্য খাওয়া একেবারে অতিরিক্ত খাওয়া অসময়ে খাওয়া রাত জাগা খাওয়ার পর কোন বিশ্রাম না নিয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম করা প্রভৃতি থেকে এই রোগের সৃষ্টি হয়।

রোগের লক্ষণ

১ পেট ভার বোধ এবং উপর দিকে বায়ুর ঠেল দেওয়া  বুঝতে পারা যায়।
২ টক ও জ্বালাকরা ঢেকুর ওঠে।
৩ মুখে টক জল ওঠে। পেটে জ্বালা ভাব হতে দেখা যায়। খোঁচানো বেদনা হতে পারে।
৪  গলা ও বুক জ্বালা করা এবং পাঁজর কনকন করা হতে পারে।
৫ পেট ফাঁপা এবং কখনো কখনো দুর্গন্ধযুক্ত বায়ুনিঃসরণ প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।
৬ মাথা ধরা মাথা যন্ত্রণা কপালের দিকে ভারীবোধ প্রভৃতি লক্ষণ ও থাকে।

চিকিৎসা

*নিচে যে কোন একটি অম্লনাশকারি (Antacid) ঔষধ দিতে হবে।
* Siloxogene-gel( সাইলক্সোজেন জেল)
২ চামচ করে দিনে ৩ বার জল মিশিয়ে খেতে হবে
অথবা Diovol ( ট্যাবলেট ডায়োভল)
২টি করে দিনে ৩ বার চিবিয়ে খেতে হবে।
**পাতলা পায়খানা বা আমযুক্ত মল দেখা দিলে নিচে যে কোন ওষুধ দিতে হবে
Tab Enteroguanidine(ট্যাবলেট এন্টারোগুয়ানিডিন 
১-২ টি করে দিনে ৩ বার খাবার পর দিতে হবে
***পাকস্থলীর ক্ষত থাকলে নিচে ঔষধ দিতে হবে
Tab Aciloc 300 mg( ট্যাবলেট অ্যাসিলক ৩০০মিগ্ৰা)
১টি করে প্রত্যহ রাতে শোবার সময় দিতে হবে
অথবা Tab Faltidin 40 mg ( ট্যাবলেট ফলটিডিন ৪০ মিগ্ৰা)
১ টি করে প্রত্যহ রাত্রে শোবার সময় দিতে হবে

অনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

কেবলমাত্র ঔষধ খেলেই রোগ সারবে না। খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা এই রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে। নিয়মিত আহারই এই রোগের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা। খাদ্য তালিকা অনুযায়ী খাদ্য খাওয়া ভালো।
 সকালে খালি পেটে ডিমসিদ্ধ তারপরে শুকনো মুড়ি বা রুটি সেঁকে খেতে হবে। এই সময় ছোলা মটর ভেজানো খাওয়া ভালো। ২ ঘণ্টা পর পুনরায় সব শুকনো খাবার খাওয়া ভালো।
দুপুরে সুসিদ্ধ ডাল হালকা ঝোল সুসিদ্ধ ও মশলা কমযুক্ত তরিতরকারি খেতে হবে। বিকেলে মুড়ি চিঁড়া বিস্কুট ছানা ফলমূত্র দুধ প্রভৃতি খেতে হবে।
 রাত্রিতে সুসিদ্ধ ভাত হালকা ঝোল সুসিদ্ধ তরকারি অল্প দই এবং অধিক পরিমাণে জল খেতে হবে।
 নিষিদ্ধ ভক্ষ‍্য --পাকা মাছ মাংস মশলাদার বা ভাজা খাবার টক বা ঝাল অধিক পরিমাণে শাক পাকা মাছ চিংড়ি কাঁকড়া বেশি ডিম বা দুধ প্রভৃতি।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত

Omeprazole 20mg Capsule Health And Medicine Trips Bangla ( ওমেপ্রাজোল ২০মিগ্ৰা ব্যবহার মাত্রা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাবধানতা ওষুধের ব্যান্ডনেম


ইহা একটি নতুন শ্রেণীর পৌষ্টিকতন্ত্রের ক্ষত নিবারনকারী ঔষধ। ইহা অ্যান্টাসিড বা হাইড্রোজেন গ্ৰাহী( H2- receptar) গ্রুপের ঔষধ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। ইহা প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর অর্থাৎ ইহা যাবতীয় আন্ত্রিকরসের অতিরিক্ত ক্ষরণে বাধা দান করে এবং স্বাভাবিকক্ষরণ হতে সাহায্য করে, ফলে ক্ষত নিরামন বা প্রতিরোধ সহজ হয়। এই ঔষধ পুষ্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত শোষিত হয় এবং পাচনের পর ৮০ শতাংশ মূত্র পথে নির্গত  হয়। বাকী অংশ মলের সাথে নির্গত হয়। এই ঔষধ ২ সপ্তাহের মধ্যে ক্ষত নিরাময় করতে এবং পাকস্থলীর রসক্ষরণকে স্বাভাবিক করতে সমর্থ হয়।

ব্যবহার

ডিওডেনামের ক্ষত পাকস্থলীর ক্ষত অন্ননালীর ক্ষত বা প্রদাহ জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়।

মাত্রা

ডিওডেনামের ক্ষতে ২০ মিগ্ৰা ক্যাপসুল প্রত্যহ সকালে খালি পেটে ১ টি করে ১ মাস খেতে হবে। পাকস্থলীর ক্ষতে ২০ থেকে ৪০ মিগ্রা দিনে ১ বার সকালে খালি পেটে ২ মাস খেতে হবে।  অন্ননালীর প্রদাহে ২০ মিগ্রা দিনে ১ বার থেকে ১ মাস খেতে হবে। জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম ৬০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার সকালে খালি পেটে কয়েকমাস  খেতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

গা বমি বা বমি মাথার যন্ত্রণা উদয়রাম কোষ্ঠকাঠিন্য পেট ফাঁপা চর্মে উদ্ভেদ মুখের শুস্কতা ভাব ঝিমানিভাব পেটে ব্যাথা ও প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

ডায়াজিপাম, ওয়ারফ্যারিন,ফিনাইটোইন,অ্যামিনোফাইলিন,ট্রাপসিন,
কাইমোট্রিপসিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া  হতে দেখা যায় এবং ওমেপ্রাজোলের  কর্মক্ষমতা কমে যায়।

সাবধানতা

গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতা এবং সকল বয়সের শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ। পাকস্থলী ক্যান্সার রোগের এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ‌। কিডনির রোগ এবং যকৃতের রোগ থাকলে এই ঔষধ ব্যবহার করা চলবে না।

ওষুধের ব্র্যান্ডনেম

Omez,Omepraz,Ome,Omebloc,Omezol,Omepren, ইত্যাদি

******এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 



Famotidine Health And Medicine Trips Bangla ব্যবহার মাত্রা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আন্তঃবিক্রিয়া সাবধানতা ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

 

ইহা পৌষ্টিকতন্ত্রে ক্ষত নিবারণকারী হাইড্রোজেন গ্ৰাহী গ্রুপের রসায়ন। ইহা পাকস্থলীর সকল রসক্ষরণে বাধা দেয়। ইহা খাদ্য পূর্ণ অবস্থায় রাত্রিতে এবং উত্তেজনক ভোজনের পর পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ক্ষরণকে নিয়মিত করার ঔষধ গ্রহণের ১০-১২ ঘন্টার পর পর্যন্ত এই ঔষধ অ্যাসিড ক্ষরণকে নিয়মিত করতে পারে। ইহা পুষ্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং অনেকটাই শোষিত হয়। গ্রহণের ১-৩ ঘন্টার মধ্যে ইহা রক্তরসে সর্বোচ্চমাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহার সামান্য অংশ যকৃত পাচিত হয়। এই ঔষধের প্রায় অধিকাংশটাই অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্র পথে ও মলের সাথে দেহের বাইরে নির্গত হয়।

ব্যবহার

ডিওডেনামের ক্ষত পাকস্থলীর ক্ষত অন্ননালীর ক্ষত এবং জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়

মাত্রা

ডিওডেনামের ক্ষতে ২০ মিগ্ৰা ট্যাবলেট দিনে ২ বার ১-২ মাস। পরে প্রত্যেক রাতে শোবার সময় ২০ মিগ্ৰা ট্যাবলেট ১ টি করে ৬ মাস থেকে ১ বছর চালাতে হবে।
 পাকস্থলীর ক্ষতে ৪০ মিগ্রা ট্যাবলেট রাত্রে শোবার সময় ১ টি করে অথবা ২০ মিগ্রা দিনে ২ বার ২ মাস চালাতে হবে। পরে কেবল মাত্র রাত্রে শোবার সময় ২০ মিগ্রা ট্যাবলেট ১ টি করে ১ থেকে ২ মাস চালাতে হবে। 
অন্ননালীর প্রদাহে ৪০ মিগ্ৰা রাত্রে শোবার সময় ১ বার ১ মাস চালাতে হবে। পরে ২০ মিগ্রা ১ মাস। জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম ২০ মিগ্ৰা ট্যাবলেট দিনে ৪ বার কয়েক মাস চালাতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 

এই ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব কমই হতে দেখা যায়।তবে মাঝে মধ্যে উদরাময় বা কোষ্ঠ কাঠিন্য বমি ভাব বা বমি ক্ষুধা মন্দা মাথা ধরা ঝিমানোভাব প্রভৃতিতে অভিযোগ থাকে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালাতে রক্তের স্বাভাবিক চিত্র পরিবর্তিত হয়।

আন্তঃবিক্রিয়া কোন আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে না।

সাবধানতা

গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতা সকল বয়সের শিশুদের এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ। মূত্রাবরোধে এই ঔষধ ব্যবহার চলবে না। পাকস্থলী বা অন্ত্রের ক্যানসার রোগে এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Acipep,Famocide,Famonit, Famotidine ইত্যাদি

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 


Ibuprofen Health And Medicine Trips Bangla (আইবুপ্রোফেন)

ইহা একটি স্টেরয়েডবিহীন ব্যাথা যন্ত্রণানাশক ঔষধ। ইহার সামান্য জ্বর নিবারণকারী ক্ষমতা বিদ্যমান। ইহা পুষ্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। ইহা গ্রহণের ১ থেকে ২ ঘন্টার মধ্যে রক্তসরে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা যকৃতে পাচিত হয় এবং মূত্রপদে নির্গম হয়। এই ঔষধ প্রোপাইওনিক অ্যাসিডের ডেরিভেটিভ অর্থাৎ বংশোদ্ভুত।

ব্যবহার

অস্থিসন্ধির প্রদাহ প্রদাহজদনিত সন্ধিবাত মেরুদণ্ড বাত কটি বাত ঘাড়ের বাত দূর্ঘটনারজনিত আঘাত মচকানো ব্যাথা যন্ত্রণা অস্ত্রপাচারজনিত প্রদাহ দাঁতের সর্বপ্রকার প্রদাহ কানের প্রদাহ সাইনাসের প্রদাহ টনসিলের প্রদাহ পেলভিক প্রদাহ মাথার যন্ত্রণা সহ মানব দের সকল প্রকার প্রদাহে ব্যবহার করা হয়।

মাত্রা

বয়স্কদের সাধারণত প্রদাহের ২০০- ৪০০  মিগ্ৰা দিনে ৩ বার ব্যবহার করা হয়। মারাত্মক প্রদাহে ৬০০ মিগ্ৰা দিতে দিনে ৩ বার দেওয়া যায়। অ্যাকিউট ইনফ্ল্যামেশনে ১-২ টি ট্যাবলেট প্রয়োজন অনুযায়ী দেওয়া হয়।
শিশুদের সিরাপ ঔষধ বয়সানুযায়ী ১ থেকে ২ চামচ  করে দেওয়া যায়। বড়দের ১ থেকে ২ টি ট্যাবলেট দেওয়া যায়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 

অম্ল পেট ফাঁপা বমি ভাব লিভারের গগুগোল অন্ত্রে বা পাকস্থলীতে প্রদাহ বা ক্ষতের সৃষ্টি চর্মে উদ্ভেদ শোথ রক্তে
থ্রম্বোসাইট কমে যাওয়া প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

অ্যাসপিরিন ফিনাইটোইন মেথোট্রেক্সেট সালফোনামাইড
প্রোবেনেসিড প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে ফলে বিভিন্ন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

 সাবধানতা

পাকস্থলী বা ডিওডেনামের ক্ষত রক্তবমন অ্যাজমা ব্রস্কাইটিস প্রভৃতি রোগের ব্যবহার নিষিদ্ধ। গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদানকারী মাতাদের খুব সাবধানতাসহ অল্প মাত্রায় দেওয়া যেতে পারে। এই ওষুধ সর্বদা কিছু খাবার পর খেতে হবে।

ঔষধের ব্রান্ডনেম

Alflam, Ibuflamar, Ibugesic, ইত্যাদি 

******এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Epilepsy Health And Medicine Trips Bangla মৃগীরোগ

 
রোগের বিবরণ

মস্তিষ্ক ও ব্রেনের অস্বাভাবিকতা ও তার জন্য খিঁচুনি জ্ঞান লোভ পাওয়া প্রভৃতিকে মৃগীরোগ বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

স্নায়ুতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
বংশগত কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বংশগত কারণে জড়িত থাকে।
আক্রমণের বয়স সকল বয়সে এই রোগ হতে পারে।
আক্রমণের লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমানভাবে এই রোগ হতে পারে।

রোগের কারণ

মস্তিস্কে অক্সিজেনের সরবরাহ ঠিকমতো না হওয়ার মস্তিষ্কে টিউমার হওয়া মস্তিষ্কে মারাত্মক আঘাত হওয়া সীমা অ্যালকোহল পাইক্রোটক্সিন ট্রিকনিস প্রভৃতির  বিষক্রিয়া বাহ‍্যিক কারণ যেমন শব্দ আলোকও  অনুভূতির বিকৃত জনিত সমস্যা মারাত্মকভাবে জ্বরে ভোগা প্রভৃতি থেকে এই রোগের সূচনা হয়।।

রোগের লক্ষণ

১ মাথা ঘোরা মাথা ঝিমঝিম করা সেইসঙ্গে চৈতন্য লোপ হয়
২ সর্বঙ্গে ব্যাথা কান ভোঁ ভোঁ করা ঝাপসা দৃষ্টি প্রভৃতি থাকতে পারে।
৩ মুখে ফেনা এবং গায়ে ঠান্ডা চটচটে ঘাম হয
৪ জ্ঞান লোপ পাওয়ার সাথে সাথে রোগীর সারা দেহের পেশী সমূহ শক্ত ও দৃঢ় হয়ে যায়। এই অবস্থায় ৩০ থেকে ৪৫ মিটার পর্যন্ত থাকতে পারে মুখে গোঁয়ানির শব্দ হয়।
৫ ২থেকে৫ মিনিট খিচুনি হয় তারপরে খিচুনি বন্ধ হয়ে রোগীর নিস্তেজ ভাবে কিছুক্ষণ পরে থাকে
৬ রোগীর জিভ কামড়ে ফেলতে পারে। কখনো কখনো মল মূত্র ত্যাগ করে বসে।
৭ হৃদপিন্ডে অনিয়মিত কাজ উচ্চ বা নিম্নরক্ত চাপ হতে পারে।
৮ জিহ্বার ও অসাড়তা হতে পারে।
৯ মস্তিষ্কের পরিচালনা ক্ষমতার লোপ পাওয়া মস্তিষ্কের রক্ত সরবরাহ হলে অবরোধ মস্তিষ্কের শোথ প্রভৃতি থাকতে পারে।

রোগ নির্ণয় 

১ রোগের লক্ষণ অনুযায়ী।
২ বংশ ইতিহাস থাকে।
৩ EEG Analysis অর্থাৎ ইলেকট্রো এসেফালোগ্ৰাম  পর্যবেক্ষণ থেকে রোগীর হদিস পাওয়া যায়।
৪ C.T.Scan,MRI প্রভৃতি থেকেও রোগের হদিস পাওয়া যায়
৫ সিরাপ গ্লুকোজ সোডিয়াম পটাশিয়াম ক্যালসিয়াম ফসফরাস  ম্যাগনেসিয়াম BUNঅ্যামোনিয়া প্রভৃতি টেস্ট করলে রোগের হদিস মেলে। এগুলির মাত্রা অস্বাভাবিক হয়।।

চিকিৎসা

1 অ্যাকিউট অবস্থায় অর্থাৎ আক্রমণের প্রথম অবস্থায় যখন সংজ্ঞা লোপ খিঁচুনি মুখে ফেনা ওঠে প্রভৃতি চলতে থাকে তখন নিচে চিকিৎসা চালাতে হবে
Tab versizur 200mg( ট্যাবলেট ভারসিজার ২০০মিগ্ৰা)
১টি করে ৩বার পরে ২ টি করে দিনে ৩ বার দেওয়া যাবে।
অথবা Tab Tegretol 200 mg ( ট্যাবলেট টেগ্ৰেটল২০০ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ৩ বার ১ সপ্তাহ, পরের সপ্তাহে ৪০০ মিগ্ৰা ট্যাবলেট দিনে ৩ বার দেওয়া যাবে।
2 Grand Mal Epilepsy অর্থাৎ সম্পূর্ণভাবে চৈতন্য লোপ প্রাপ্ত মৃগী রোগের চিকিৎসা নিম্নরূপ হবে।
Tab Epsolin-100 mg ( ট্যাবলেট এপসোলিন ১০০ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার পর দুধসহ খেতে হবে।
অথবা Cap Epileptin 100 mg ( ক্যাপসুল এপিলেপটিন ১০০ মিগ্ৰা
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার পর দুধসহ খেতে হবে।

অনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

মৃগী রোগের নাকের কাছে শুকনো চামড়া অথবা চামড়ার জুতো দিয়ে তার ঘ্রাণের ফলের শীঘ্র চৈতন্য লাভ হয়।
মৃগীরোগেকে লঘু পথ্য নিরামিষ ভোজন ও শীতল জলে স্নান প্রভৃতি করানো ভালো। মৃগী রোগের মৃত্যুর কারণ হয় আকস্মিক দুর্ঘটনা। তাই তাদের সর্বদা সাধারণত অবলম্বন করা দরকার। মৃগী রোগের পুকুরে নামা বা সাঁতার কাটা নিষিদ্ধ ।মেশিন চালানো গাড়ি চালানো পাহাড়ে ওটা প্রভৃতি বন্ধ রাখতে হবে তাহলে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 




Cuts And Wounds Health And Medicine Trips Bangla কাটা বা আঘাত লাগা

 

রোগের কারণ

যেকোনো কাজের সময় খেলাধুলা করতে গিয়ে যানবাহনে ধাক্কায় বা পড়ে গিয়ে আঘাত লাগা বা কেটে যায়।।

রোগের লক্ষণ

শরীরের যেকোন অংশের সামান্য কেটে গিয়ে রক্ত ঝরে আবার কখনো কখনো অনেকটা কেটে গিয়ে রক্ত বন্ধ হতে চায় না। বীজাণু ও সংক্রমণে ঘুরলে ঐ অংশে ক্ষতির সৃষ্টি হয়।

চিকিৎসা

1 সহজে রক্ত বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষতস্থান প্রথমে Dettol (ডেটল) বা Savlon(স্যাভলন) নামক যেকোনো  অ্যান্টিবায়োটিক লোশন দিয়ে পরিষ্কার করে ঐ স্থান মারকিউরোক্রোম লোশন  লাগাতে হবে। শুকিয়ে গেলে যে  কোন একটি মলম দিয়ে ঐ স্থান ব্যান্ডেজ করতে হবে
Soframycin Skin Cream ( সোফরামাইসিন স্কিন ক্রিম
অথবা Neosporin Powder ( নিওসপোরিন পাওডার) 
অথবা Betadine Ointment ( বেটাডাইন অয়েন্টমেন্ট)
অথবা Supragent Ointment ( সুপ্রাজেন্ট অয়েন্টমেন্ট

2 যদি ধমনী বা শিরা কেটে যায় তাহলে কাটার অঙ্গের দু । পাশে পাতলা ব্যান্ডেজ দ্বারা তাগার ন্যায় বেঁধে দিতে হবে। তারপরে কাটা অংশে পরিচর্যা করতে হবে।
3 কাটা অংশ যদি গভীর হয় তাহলে সেলাই দেয়ার প্রয়োজন হয়।না দিলে রক্ত বন্ধ হতে চায় না এবং ক্ষত নিরাময়ে বিলম্ব ঘটে। ঐ অংশের প্রয়োজন অনুযায়ী সেলাই দেয়ার পর এক নম্বর পদ্ধতিতে ব্যান্ডেজ করতে হবে।
১ ঘা শুকোবার জন্য দিতে হবে বড় দের জন্য 
Cap Ampoxin 500 mg ( ক্যাপসুল অ্যাম্পক্সিন ৫০০ মিগ্ৰা
১টি করে দিনে ৩ বার ৫ দিন খেতে হবে 
অথবা E-mycin-250 mg ( ট্যাবলেট ঈ- মাইসিন ২৫০)
১টি করে দিনে ৪ বার ৫ দিন খেতে হবে
২ ব্যাথা যন্ত্রণা নাশে দিতে হবে
Tab Flexon(ট্যাবলেট ফ্লেক্সন) + Tab Digene (ট্যাবলেট ভাইজিন)
১+১টি করে দিনে ২থেকে৩ বার ৩ দিন খেতে হবে  

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১ দিন অন্তর অন্তর ব্যান্ডেজ খুলে ক্ষতস্থান রিকটিফায়েড স্পিরিট দিয়ে পরিষ্কার করে পুনরায় একইভাবে ব্যান্ডেজ করতে হবে। ব্যান্ডেজ সহ ক্ষতে জল লাগানো নিষিদ্ধ। কোন কারণে ব্যান্ডেজ ভিজে গেলে তা খুলে ফেলতে হবে।
সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে ।যেমন ঘি ঘিয়েভাজা খাবার খাওয়া ভালো। মিষ্টদ্রব্য কম খেতে হবে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও সি মিশ্রিত ঔষধ খাওয়া ভালো।

এই আর্টিকাল পরে কোনরকমে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত

Epistaxis Health And Medicine Trips Bangla (নাক থেকে রক্তস্রাব)

 

রোগের বিবরণ 

নাসিকাগহর বা নাসিকারছিদ্র দিয়ে সামান্য বা অধিক পরিমাণের রক্ত বের হওয়াকে এপিসট্যাক্সিস বা নাক হতে রক্তপাত বলা হয়। এটি অন্য রোগের লক্ষণ মাত্র।

আক্রান্ত তন্ত্র

শ্বাসতন্ত্রে এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয় ।
যেকোনো বয়সের এই রোগ হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষ সমানভাবে এই রোগ আক্রান্ত হয়

রোগের কারণ

নাকের বাইরে কোন ব্স্ত প্রবেশজনিত আঘাত দুর্ঘটনাজনিত আঘাত ক্রমিক সাইনাস প্রদাহ ক্রনিক নাসিকা প্রদাহ নাকের মধ্যে polyp বা মাংসাষ্কর থাকা শুষ্ক আবহাওয়া  অর্থাৎ বাতাসের অপেক্ষিত আর্দ্রতা খুব কমে যাওয়ার জায়গায়  বসবাস নাসিকায় অর্বুদ থাকে রক্ত বা রক্তবাহনে রোগে ভোগা উচ্চ  রক্তচাপের ভোগা নাসিকা ভেদকের ছেদন প্রভৃতি  বিভিন্ন কারণ এই রোগ হয়। মেয়েদের ঋতুর গোলযোগ থেকেও এই রোগ হতে পারে।

রোগের লক্ষণ

১ হঠাৎ মাথা যন্ত্রণা বা মাথা ঘোরা দেখা যায়।
২ নাক দিয়ে তরল রক্তস্রাব অথবা চাপ চাপ কালো রক্ত আসতে থাকে।
৩ মুখের থুতুর মাধ্যমে টুকরো টুকরো রক্ত আসতে পারে।

চিকিৎসা বড় দের জন্য 

1 উচ্চ রক্তচাপ অর্থাৎ Hypertension থেকে হলে রক্তপাত শুভ লক্ষণ এবং বন্ধ করার চেষ্টা না করাই ভালো। তবে বেশি হতে থাকলে চিকিৎসা করতে হবে।
2 আঘাত প্রাপ্তি অথবা অন্য কারণে সামান্য সামান্য রক্তপাত হতে থাকলে আর অ্যারোমেটিক স্পিরিট অব অ্যামোনিয়া ( Spirit Ammon Aromate) এর ঘ্রণ নিলে অনেক সময় ভালো ফল পাওয়া যায়
Tab Styptovit ( ট্যাবলেট স্টিপটোভিট) 
১ একটি করে দিনে ৩ বার যতদিন না রক্তপাত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়
অথবা Tab Kerutin C ( ট্যাবলেট কেরুটিন সি)
১ টি করে দিনে ২ থেকে ৩ বার যতদিন না রক্তপাত
 সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়
3 কোন রোগ থেকে হচ্ছে তার নিরূপণ করে তার চিকিৎসা অবশ্যই করাতে হবে

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত।