Anthrax uses in bangali বিষফোঁড়া হলে কি করবেন

 
বিবরণ

ইহা এক প্রকার জীবানু ঘটিত রোগ এবং খুব মারাত্মক ধরনের বিষাক্ত ত্বক এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয় এই রোগ বয়স্কদের বেশি হতে দেখা যায় এই রোগে মহিলাদের দেয়ে পুরুষেরাই বেশি আক্রান্ত হন এই রোগ শুরু শরীরের বীজাণু প্রবেশের তিন থেকে দশ দিনের পরে হয়!

কারণ

ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিজ নামক গ্ৰাম পজিটিভ জীবাণু আক্রমণে এই রোগ হয় এই রোগ জীবজন্তুর দেহ থেকে মানুষের দেহে সংক্রামিত হয় কসাই কৃষক পশম ব্যবসায়ী প্রভৃতি ব্যক্তিদের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।

লক্ষন

১) প্রচন্ড টাটানি ব্যথা এবং যন্ত্রণা থাকে
২) এই রোগ সাধারণত বাহু ঊদ্ধবাহু কাঁধ গাল প্রভৃতি স্থানে হয়।
৩) প্রথমে চুলকানি যুক্ত উদ্ভিদ সৃষ্টি হয় এবং তার চারিদিকে দাগ হয়
৪) ক্ষতের মধ্যস্থলে এর মামড়ি পড়তে পারে
৫) পরে ঐ অংশের একটি কালো পচা কোষ সৃষ্টি করে

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন

Haw to uses tetanus uses in bangali টিটেনাস হলে কি করবেন

 

বিবরণ

এক বিশেষ ধরনের জীবাণু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রেকে  আক্রমণ করলে সারা দেহের পেশীর আক্ষেপ দেখা দেয়
ফলে রোগীর ধনুকের মত বেঁকে যায় একেই ধনুষ্টঙ্কার রোগ বলা হয় স্নায়ুতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়

কারণ

লোহার কোন জিনিসে কেটে গেলে বিশেষতঃ মরচের ধরা লোহার রাস্তাঘাটে বা গোশালায় কোন খোঁচার কেটে গেলে বা য়ে কোন ক্ষতের জীবাণু দূষত হলে সেই জীবাণু দেহে নিঃসৃত রস যা ভয়ানক বিষাক্ত তা রক্তের মাধ্যমে সারা শরীরে তথা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের পৌঁছায় এবং এই রোগ হয়

লক্ষন

১) জ্বর খুব বেশি বেড়ে যায়
২) অতিরিক্ত ঘাম হয়
৩) রক্ত চাপ ওঠানামা করতে থাকে
৪) হাত পা সহ মুখ মন্ডলের পেশিতে খিল ধরা
৫) মুখ বেঁকে যাওয়া জ্বর ভাব প্রভৃতির দিকে শুরু হয়
৬) সারা শরীরে নীলবর্ণ হয়ে যায়
৭) বেশি শক্ত হয়ে যায় এবং ফুলে ফুলে ওঠে
৮) খেঁচুনি শুরু হয়
৯) রোগীর বেঁকে ধনুকের মত হয়ে যায়
১০) দাঁত কপাটি লেগে যায়

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

 


ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ 

ডেঙ্গির মশা

এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায়

ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ

জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি
শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা প্লেটলেট
কমে যায়।
রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে
নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে

অবশ্যই মনে রাখবেন

ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে
যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি

স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ

১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা
২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে
৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা
৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে
৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে
৬ আরো ইত্যাদি

রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা 

১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া
২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান
৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না
৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন
৫) অল্প অল্প করে পুষ্টিকর খাবার খান
৬) এটি একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ তাই এর চিকিৎসা উপসর্গ ভিত্তিক

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করে