Asthma Symptoms Use In Bangali হাঁপানি রোগের টিপস



রোগের বিবরণ 

শ্বাসনালী ও ক্লোমশাখা অর্থাৎ শ্বাসনালী গাছ তে সামান্য অধিক পরিমাণে অপরাধ হেতু অত্যধিক শ্বাসকষ্ট হওয়ার এবং বায়ু চলাচলে ব্যাঘাত ঘটাই হল হাঁপানি।

আক্রান্ত তন্ত্র

ফুসফুসে এই রোগে আক্রান্ত হয়।
বংশগত প্রভাব এই রোগ বংশগত ভাবে হয়ে থাকে। অবশ্য প্রত্যেকের যে বংশগত তাহা নহে।
আক্রমণের বয়স যে কোন বয়সে এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ শিশুদের মধ্যে বালকরা অধিক আক্রান্ত হয়। কৈশোর কালে মহিলা ও পুরুষ সমান হারে এই রোগ হয়। বৃদ্ধদের মধ্যে মহিলাদের মধ্যে বেশি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।

রোগের কারণ

অ্যালার্জি ঘটিত কারণ যেমন বাতাসবাহিত পরাগ বাড়ির ধূলো ধাতব অ্যালার্জি প্রাণীর গায়ের ধূলো বা খুস্কি থেকে  অ্যালার্জি পশু পক্ষীর পালক থেকে অ্যালার্জি বস্ত প্রভৃতি নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের সময় ফুসফুসে যায়। এর থেকে হাঁপানি হতে পারে। এছাড়া ধূমপান ভাইরাস সংক্রমণ ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খাদ্য বহানালীর আক্ষেপ রক্তে ঈওসিনোফিল বৃদ্ধি ফুসফুসের পেশীর ইমিউনো গ্লোবিউলিন এর অভাব প্রভৃতি থেকে হাঁপানি হতে পারে।ব্রঙ্কাইটিস রোগীদের হাঁপানিকে ব্রঙ্কিয়াল অ্যজমা বলে।

রোগের লক্ষণ

হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়। কাশি গলায় ও বুকে সাঁই সাঁই শব্দ হয় রোগীর প্রচন্ডভাবে হাঁপাতে শুরু করে। শুয়ে থাকলে কষ্ট হয়। ‌রোগীর সর্বদা সামনে ঝুঁকে বসতে চায়। শ্বাস-প্রশ্বাসের খুব ধীরে চলে এবং তার শব্দের প্রতিধ্বনি হয়। নাড়ী এলোমেলো হয়। রোগীর নিলবর্ণ ধারণ করে। হৃদপিন্ডে গতি বৃদ্ধি পাওয়া প্রভৃতি ঘটে।
 প্রথম প্রথম ১ থেকে ২ ঘন্টার মধ্যে হাঁপানি কমে যায় তবে রোগ যত দিন পুরানো হয়। তত ঘন ঘন আক্রান্ত এবং দীর্ঘক্ষণ চলতে থাকে। এক টানা হাঁপানি চলতে থাকলে তাকে অবস্থা  হাঁপানি বলা হয়। ক্রনিক হয়ে গেলে প্রায় সবসময় কম বেশি হাঁপানি চলতেই থাকে। হাঁপানি রোগীর বৃদ্ধি ও ব্যাপক হয় না। এদের বুকের খাঁচা সাধারণতঃ চ্যাপ্টা আকৃতির হয়।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

আক্রমণের প্রথম অবস্থায় জটিলতা প্রকাশ পেলে রোগীকে অবশ্যই হাসপাতালে বা নার্সিংহোমে পাঠাতে হবে প্রয়োজনের দ্রুত অক্সিজেনের ব্যবস্থা করতে হবে।

হাঁপানি রোগী চিকিৎসা বাড়িতে হলে রোগীকে আরাম কেদারা বা অন্যান্য কোন জায়গায় হেলান দিয়ে শোয়াতে হবে‌। এতে শ্বাসকষ্ট কম হয়। রোগীকে সর্বদা গরম খাদ্য ও পানীয় দিতে হবে। একটু সুস্থ হলে রোগীকে মুক্ত বাতাসে ঘিরে ফিরে বেড়াতে হবে। হালকা ব্যায়াম অনেক সময় হাঁপানি থেকে মুক্তি দেয়। খাদ্যবস্ত হালকা ও সহজ পাচ্য হওয়া বাঞ্ছনীয়। মাছ মাংস ও অঙ্গুরীমাল জাতীয় খাদ্য বর্জন করাই ভালো। হাঁপানি রোগীর রক্তে ঈওসিনোফিল বাড়লে তার চিকিৎসা করতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Piroxicam Tablets 20 Mg Use In Bangali পাইরক্সিক্যাম ট্যাবলেট ২০মিগ্ৰা

 


ইহা সাদা রঙের ঘনা কাকর বস্তু যা জলের খুব সামান্য পরিমাণে দ্রবী ভুত হয় এবং অ্যসিডেও কিছুটা দ্রবীভূত হয়। ইহা ক্ষারকীয় দ্রবণের অ্যালকোহলের আংশিক দ্রবণীয়।পাইরক্সিক্যাম একটি স্টেরয়েড বিহীন প্রদাহ নাশক ঔষধ। এই ঔষধ পৌষ্টিক নালী থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। ইহা গ্ৰহণের ২ ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা সাইনোভিয়্যাল ফ্লুইডে ব্যপকভাবে বিস্তার লাভ করে। এই ঔষধের ৬০শতাংশ পরিবর্তিত অবস্থায় মূত্র পথে ও মলের সাথে নির্গত হয়। ২ থেকে ৫% অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্র পথে নির্গত হয়। ইহা মৃদু জ্বর নাশক ক্ষমতা বিদ্যমান।

ব্যবহার

আঘাত হেতু সন্ধি মচকানো বা প্রদাহিত হওয়ার প্রদাহজনিত সন্ধিবাত পুরানো সন্ধিবাত মেরুদণ্ডের বাত ঘাড় শক্ত ভাব গেঁটে বাত দাঁতের যন্ত্রণা বাধক যন্ত্রণা প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়। অস্ত্রোপচারজনিত প্রদাহিও ব্যবহার করা যায়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

পেটের গন্ডগোল বমিভাব বা বমি পেটের ব্যাথা যন্ত্রণা উদয়রাম বা কোষ্ঠকাঠিন্য পেট ফাঁপা প্রভৃতি হতে দেখা যায়। মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কিছু হয় না। পাকস্থলীতে ক্ষত থাকলে তা থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে যার লক্ষণ স্বরূপ রক্ত বমি বা কালো আলকাতরার ন্যায় পায়খানা হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতা এবং ১২ বছরের নিচে শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ।  মাত্রা বেশি হলে স্নায়ু ঘটিত পীড়ার লক্ষণসমূহ প্রকাশ পায়। পাকস্থলী ও ডিওডে নামের ক্ষত থাকলে যে সকল রোগীকে পাইরক্সিক্যাম দেওয়া চলবে না। ফুসফুসের প্রদাহ নাকের পলিপ প্রভৃতির রোগ থাকলে এই ঔষধ ব্যবহার না করাই ভালো। বয়স্কদের হৃদপিণ্ড রোগ এবং প্রস্রাবের পীড়া থাকলে এই ঔষধ বিশেষ সাবধানতা সহ ব্যবহার করতে হবে। যকৃতের পীড়ায় ব্যবহার নিষিদ্ধ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Tablets Pirox Tablets Roxitis ইত্যাদি 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।


Cloxacillin Capsule Side Effects Uae In Bangali ক্লক্সাসিলিন ক্যাপসুল ব্যবহার

 


ইহা পেনিসিলিয়ামের সংয়োগসাধনে প্রস্তুত করা হয়। এই ঔষধ সকল প্রকার গ্ৰাম পজেটিভ বীজানুদের উপর সক্রিয়। এমনকি যে সমস্ত বীজাণু অন্যান্য বীজাণু নাশক ঔষধ দ্বারা প্রতিরোধী  দ্বারাও এই ঔষধ ধ্বংস হবে। এই ঔষধ খাবার খাওয়ার ১ ঘন্টা আগে অথবা ২ ঘন্টা পরে খেলে সর্বাপেক্ষা অধিক পরিমাণে পাকস্থলী থেকে শোষিত হয় এবং ৪ ঘন্টা যাবৎ রক্তদাসে উপস্থিত হয় থাকে। ইহা দেহের সকল কলা কোষের সমান ভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ক্লক্সাসিলিন ভাইরাস ছত্রাক পর জীবিদের উপর সক্রিয় হয়।

ব্যবহার

শ্বাসযন্ত্রের সব রকম রোগ এবং নাক কান ও গলার রোগ বা অন্য বীজাণু নাশক ঔষধে সারেনি অস্থি ও সন্ধান রোগ চর্মরোগ ও ক্ষত মূত্র যন্ত্রের পীড়া স্নায়ু তন্ত্রের বিভিন্ন বীজাণু সংক্রমণজনিত রোগ বিভিন্ন প্রকার স্ত্রীরোগ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়। অস্ত্রোপ্রচারে জনিত বীজাণু সংক্রমণ স্তনের সংক্রমণ পোড়া রোগীর সংক্রামণ সদ্যোজাত শিশুর বিভিন্ন সংক্রমণ প্রভৃতিতে ভালো ফল পাওয়া যায়। 

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

চর্মে উদ্ভিদ পেটের গন্ডগোল মলত্যাগের সামান্য নিউট্রোপেনিয়া অ্যাগ্ৰানুলোসাইটোসিস নিউরোটাক্সিসিটি  প্রভৃতি হতে দেখা যায়। মারাত্মক প্রতিক্রিয়া খুব কমই হয়।

আন্তঃবিক্রিয়া

ফ্লোরামফেনিকল টেট্রাসাইক্লিন সালফোনামাইড প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে কর্ম ক্ষমতা হ্রাস পায়।

সাবধানতা

পেনিসিলিয়ামে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার করা চলবে না। হাঁপানি প্রবল জ্বর প্রকৃতিতে ব্যবহার না করাই ভালো। শিশুদের জন্ডিস বা অন্যান্য লিভারের রোগ থাকলে ব্যবহার না করাই ভালো। গর্ভবতীর মহিলা এবং স্তন্য দানকারীদের উচ্চ মাত্রায় ব্যবহার নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।


Ofloxacin Tablets 200 Use In Bangali অফ্লক্সাসিন ট্যাবলেট ব্যবহার

 


ইহা ফ্লুয়োরিনেটেড কুইনোলোন গ্ৰুপের একটি ঔষধ।ইহা উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ব্যকটেরিয়ানালক ঔষধ। ইহা ঈ কোলি ক্লেবসিয়েল্লা প্রোটিয়াস স্পেসিজ সাইট্রোব্যাকটার স্পেসিজ সেরাসিয়া স্পেসিজ স্যালমোনেল্লা সিগেল্লা জার সিনিয়া এন্টারোকোলাইটিকা এ হাইড্রোফিলিয়া ভিব্রিও কলেরী ক্যামাপাইলোব্যাকটার হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা গার্ডেনেরেল্লা ভ্যাজাইনালিস অ্যাসিনেটোব্যাকটার। প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ ব্যাকটিরিয়া এবং স্ট্রেপটোকক্কাস পাইয়োজেনেস স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনিয়া মাইকোপ্লাজমা হোমিনিমা ট্রেপোনিমা প্যালিডাম প্রভৃতি গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া দের উপর সক্রিয়। এই ঔষধ ভাইরাস প্রোটোজোয়া এবং ছত্রাকদের উপর ও ক্রিয়াশীল। ইহা প্রোটিনতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। অফ্লক্সাসিন ব্যাপকভাবে শরীরের সকল কলাকোষে এবং তরল অংশের ছড়িয়ে পড়ে। এই ঔষধ অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রের মাধ্যমে প্রায় ৮০%  নির্গত হয়ে যায়।

ব্যবহার

সিসটাইটিস আকিউট ও ক্রনিক পাইলোনেফ্রাইটিস প্রস্ট্যাটাইটিস সহ সকল প্রকার নতুন ও পুরোনো মূত্রপীড়া সকল প্রকার অ্যাকিউট ও ক্রনিক শ্বাসযন্ত্রের পীড়া যেমন অ্যাকিউট ও ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস নিউমোনিয়া ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া নাক কান ও গলার রোগ বিভিন্ন প্রকার রতিজ ব্যাধি রক্তামাশয় কলেরা সহ সকল প্রকার পেটের রোগ টাইফয়েড প্যারাটাইফয়েড ঘা ফোঁড়া পীতবর্ণপীড়া সহ সকল বীজাণু ঘটিত চর্মরোগ জরায়ুসহ স্ত্রীজনন তন্ত্রের বিভিন্ন রোগ অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ চক্ষুর বিভিন্ন সংক্রমণ রক্তদুষ্টি মেনিনজাইটিস অস্থিসন্ধির বিভিন্ন সংক্রমণ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

স্নায়ুতন্ত্রের গোলোযোগ পেটের গোলোযোগ পেশীর প্রদাহ মাথা ব্যাথা ঘুম ভাব গা বমি ভাব পেটে ব্যাথা চর্মে উদ্ভেদ প্রভৃতি দেখা যেতে পারে। মারাত্মক প্রতিক্রিয়া খুব কমই হয়। কোনো কোনো রোগীর দুর্বলতা তৃষ্ণা জ্বর ভাব ভীত হওয়া হার্টের দুর্বলতা হাত-পা কাঁপা মুখগহ্বরের ক্ষত প্রভৃতি হতে দেখা যায়।

আন্তঃবিক্রিয়া

থিওফাইলিন রিফামপিসিন ফ্লোরামফেনিকল প্রোটিন অ্যান্টাসিড প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হয় ফলে এক সাথে ব্যবহার করলে কর্মক্ষমতা কমে যায়। এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। রক্তের স্বাভাবিক চিত্র বদলে দেয়।

সাবধানতা

শিশুদের এবং ১৬ বছরের নিচে কিশোকদের এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ। গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মাতা কে এই ঔষধ দেয়া চলবে না। মৃগী রোগীর এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ু তন্ত্রের অন্যান্য রোগের ভুগলে এই ঔষধ দেওয়া নিষিদ্ধ। বয়স্কদের কম মাত্রার প্রয়োগ করা দরকার। চিকিৎসা চলাকালীন সূর্য লোক লাগানো নিষিদ্ধ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Tablets Zanocin Tablets Tarivid ইত্যাদি 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Enlargement Of Spleen Cause Use in Bangali প্লীহা বৃদ্ধি পাওয়া

 

রোগের বিবরণ

প্লীহা বিভিন্ন কারণে ফুলে গেলে। তাকে প্লীহা বৃদ্ধি পাওয়া বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে এই রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়। 
আক্রমণের বয়স যেকোনো বয়স এই হতেই পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়ের হতে পারে তবে পুরুষেরাই বেশি হয়।

রোগের কারণ

ম্যালেরিয়া কালা জ্বর লিউকেমিয়া প্রভৃতিতে ভুগলে এই রোগ বেশি হয়।

রোগের লক্ষণ

১ বাম দিকের পেট ফুলে যায়।
২ হাত দিয়ে চাপলে প্লীহা হাতে ঠেকে।
৩ Splenic Anaemia থেকে হলে চোখের নিচে অংশ সাদা বা ঘোলাটে হয়।
৪ ঠোঁট সাদা হয়। 
৫ রক্তাল্পতার লক্ষণ ফুটে ওঠে।
৬ উদরী হতে পারে।
৭ হাত পা ফোলা রোগ হতে পারে।
৮ বমি ভাব বা বমি হতে পারে।
৯ জ্বর হয়।
১০ প্লীহা বেড়ে গেলে রোগী ভাবে পেটের ভিতরে কোন জিনিস ঝোলানো আছে।
১১ ক্ষুধামন্দা খাদ্য অরুচি কোষ্ঠকাঠিন্য বা রক্তামশায় হতে পারে।
১২ রোগী ক্রমশ শীর্ণকায় ও দুর্বল হয়ে পড়ে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

পুরোনো সরু চালের ভাত। কাঁচা পেঁপের ঝোল ডুমুরের ঝোল চারাপোনার ঝোল প্রভৃতি খেতে দেয়া যায়। রোগ খুব বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে দুধ সাগু বা বালিক হরলিকস বা প্রোটিনেস ফলের রস প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো। একটু সুস্থ হলে কাঁচা পেঁপে আঠা সমেত প্রচুর পরিমাণে খাওয়া ভালো। তেল ঘি ঝাল মশলা মাদকদ্রব্য প্রভৃতি সম্পন্নরূপে নিষিদ্ধ। ব্যাথা যন্ত্রণা কমাতে প্লীহার স্থলে গরম সেঁক দেওয়া ভালো।

এই আর্টিকেলটি পড়ি কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Health And Medicine Causes Of Diseases The Method Of Their Diagnosis রোগ সৃষ্টির কারণ ও তাদের নির্ণয় পদ্ধতি

 রোগ কি

রোগ বলতে জীবদেহের  বা তার অংশে বিশেষের স্বাভাবিক জৈবিক ক ক্রিয়া-কলাপ ব্যবহৃত হওয়াকে বোঝায়

রোগের কারণ

অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্রমতে রোগসৃষ্টির  বিভিন্ন কারণে। তবে অধিকাংশ রোগেই  জীবাণু সংক্রমণ জনিত কারণ হয়। এছাড়া ও কিছু রোগ বংশগত কারণে হয় যাদের জেনেটিক ফ্যাক্টর বলা হয়। অনেক সময় দিয়েও কোষের বিজাতীয় কেমিক্যাল পদার্থের জন্য পতিস্পর্শকাতরতা ( Allergy ) ঘটে কিছু রোগ সৃষ্টি হয়।
রোগ জীবাণু সদাসর্বদা জলে স্থলে বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে যা খালি চোখে দেখা যায় না এদের অনুবীক্ষণ যন্ত্র দ্বারা লক্ষ্য করা যায়। চিকিৎসা জগতে এই জীবানু তন্ত্রের সাহায্য রোগ সংক্রমণের কারণ প্রাকৃতিক বিস্তার প্রতিরোধ প্রভৃতি সম্বন্ধ ধারণা সহজবোধ্য হয়

জীবাণু প্রধানত চার প্রকারের

১জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া (Bacteria)
২অতি ক্ষুদ্র সংক্রমণ জীবাণু বা ভাইরাস(Viruses)
৩ছত্রাক বা ফাঙ্গাস (   Fungus)
৪পরজীবী বা প্যারাসাইট ( Parasite) 
জীবাণু সম্বন্ধীয় পাটকে জীবাণু তত্ত্ব বা ব্যাকটেরিয়া ওলজি  (Bacteriology) বলা হয় ভাইরাসের সম্বন্ধিত পাটকে তত্ত্ব বা ভাইরোলজি (virology) বলা হয় ছত্রাক সম্বন্ধিত পাটকে ছত্রাক তত্ত্ব  বা মাইকলজি( Mycology) বলা হয় এবং পরজীবী সম্বন্ধে পাট কে পরজীবী তত্ত্ব প্যারাসাইটোলজি (parasitology) বলা হয়।

জীবাণুতত্ত্ব( Bacteriology)

গঠন ও উপাদানের দিক থেকে এরা অনেক অংশে স্বাবলম্বী। জীবাণুর সবচেয়ে বাইরে স্তরে থাকে কোষ প্রাকাশ । তারপর  অদ্ধ স্বচ্ছ থকথকে সাইটোপ্লাজম থাকে এতে রাইবোজোম এবং RNA নামক প্রোটিন থাকে এই জীবাণুদের কোষের মধ্যস্থলে থাকে নিউক্লিয়াস। এই নিউক্লিয়ার ইলেকট্রিক বিভাজিত হয়ে নতুন ব্যাকটেরিয়া জন্ম দেয় অর্থাৎ বীজাণু কোষটি নিউক্লিয়ার সহ সমান দু ভাগে ভাগ হয়ে যায় জীবাণুদের আকৃতি বিন্যাশ রঞ্জিত কারণ পরিবেশের প্রভাব প্রাকৃতিক রোপন নির্ভর করে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।


How To Use Terfenadine Tablets Use in Bangali টারফেনাডিন ব্যবহার করার নিয়ম

 

ইহা একটি দ্রুত ক্রিয়াশীল হাইড্রোজেন গ্ৰাহী গ্ৰুপের রয়াসন যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের উপর কোন প্রভাব ফেলে না। এই ঔষধের কোন আচ্ছন্নভাব থাকে না। সেই সকল পরিস্থিতিতে টাযফেনাডিন ব্যবহার করা যাবে। অন্যান্য ঔষধের সাথে আন্তঃবিক্রিয়ার কম হয় বলে এই ঔষধ সকল রোগীদের ব্যবহার করা সহজ‌। এই ঔষধ পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। এবং তার লিভার অর্থাৎ যকৃত পাচিত হয়। ইহা গ্ৰহণের ১ থেকে ১½ ঘণ্টার মধ্যে কলা কোষের ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। এই ঔষধ ১২ ঘণ্টার যাবৎ কর্মক্ষম থাকে। এই ঔষধের পাচিত অংশের ৬০ শতাংশের উপর মল মাধ্যমে এবং ৩৮ শতাংশের উপর মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।

ব্যবহার

অ্যালার্জি ঘটিত নাসিকা স্রাব নাসিকা প্রদাহ হাঁচি চক্ষুর লালাভ ভাব জ্বালা অশ্রুস্রাব অ্যালার্জি ঘটিত চর্মরোগ যথা  আমবাত একজিমা সংস্পর্শ জনিত চর্মরোগ প্রুরিটাস প্রভৃতি অ্যালার্জি ঘটিত শ্বাসযন্ত্রের পীড়া কীট পতঙ্গের কামড় খাদ্যবস্তু ঔষধ বা প্রসাধনদ্রব্য থেকে সৃষ্টি চর্মের প্রতিক্রিয়া প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

এই ঔষধে খুব কমই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়। অল্প সংখ্যক রোগীর মৃদু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘটে তবে তার জন্য ঔষধ বন্ধ করে দেয়া কোন প্রয়োজন নেই। নিদ্রা ভাব ও ঝিমুনি ভাব মনোযোগের অভাব বমি ভাব বা বমি পেটে অস্বস্তি ভাব মলত্যাগের স্বাভাবিক অভ্যাসের গোলযোগ যকৃতের গোলমাল চুল উঠে যাওয়া চর্মে উদ্ভিদ প্রভৃতি হতে পারে। মুখের শুষ্কতা থাকতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

কেটোকোনাজোল এরিথ্রোমাইসিন রক্সিথ্রোমাইসিন অ্যাজিথ্রোমাইসিন লিনকোমাইসিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হয়। ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

গর্ভবতী মহিলাদের প্রয়োজন বোধে ব্যবহার করা যাবে। ৩  বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার করা চলবে না। স্তন্যদান কারী মাতাদের এই ঔষধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। যকৃতের রোগের হৃদপিণ্ডর রোগে এবং কিডনির রোগে এই ঔষধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Terfed বা terfenadine Tablets ইত্যাদি 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকম সিদ্ধান্ত আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

Norfloxacin Tablets 400 Mg Ues in Bangali নরফ্লক্সাসিন ব্যবহার হয়

 

ইহা একটি ব্যকটেরিয়া নাশক ঔষধ। ইহা গ্ৰাম নেগেটিভ ও গ্ৰাম পজিটিভ ব্যকটিরিয়াদের উপর সক্রিয়। এমনকি য়ে সমস্ত ব্যাকটেরিয়া পেনিসিলিয়াম গ্ৰুপের ঔষধ সেফালোস্পোরিন গ্ৰুপের ঔষধ এরিথ্রোমাইসিন সালফোনোমাইড প্রভৃতির দ্বারা প্রতিরোধী হয়ে গেছে তাও এই ঔষধে ধ্বংস হবে। ইহা পুষ্টিকতন্ত্র থেকে প্রায় ৮০ শতাংশ শোষিত হয়। ইহা শরীরে প্রায় সকল কোষেই বিস্তার লাভ করে। ইহা রক্ত রসের প্রায় ১২ ঘন্টা অবস্থান করে। ইহা প্রায় ৩০ শতাংশ অপরিবর্তিত অবস্থায় এবং ১০% পরিবর্তনের পর মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।

ব্যবহার

উদরাময় কলেরা সহ সকল প্রকার অন্ত্রের রোগ ও কিডনির প্রদাহ প্রস্রাবের জ্বালা প্রস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ সহ সকল প্রকার মূত্রযন্ত্রের পীড়া গণোরিয়া স্যাঙ্কার সহ সকল প্রকার জননতন্ত্রের ব্যাধি নতুন ও পুরোনো কর্ণ প্রদাহ চক্ষুর বিভিন্ন প্রকার বীজাণু ঘটিত পীড়া প্রকৃতিতে ব্যবহার করা হয়। চোখে ও কানের রোগে অবশ্য ড্রপ ঔষধ ব্যবহার করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

এই ঔষধ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব কম হয়। ঘুম ভাব মাথা ধরা সামান্য চুলকানি প্রভৃতি হতে পারে। গা বমি ভাব কোষ্ট বদ্ধতা পেট ফাঁপা অবসাদ প্রভৃতি ২ থেকে ১ জনার রোগীর হতে পারে। মুখে শুষ্কতা ভাব অনেক রোগীর হতে দেখা যায়।

আন্তঃবিক্রিয়া

অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড ও ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রক্সাইড যুক্ত অ্যান্টাসিডের সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে কর্ম ক্ষমতা হ্রাস পায়।কেটোকোনাজোল নিসট্যাটিন মাইকোনাজোল প্রোবেনেসিড থিওফাইলিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে কর্ম ক্ষমতা কমে যায় এবং বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

সাবধানতা

১২ বছরের নিচে শিশুদের এবং গর্ভবতী মহিলাদের ব্যবহার একেবারে নিষিদ্ধ। স্তন্যদানকারী মাতাকে ও এই ঔষধ না দেওয়াই ভালো। এই ঔষধ খেলে অধিক পরিমাণে জল খাওয়া ভালো। এই ঔষধ খাবার গ্ৰহণের  আধঘন্টা আগে খেতে হবে।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Negaflox বা Normax ইত্যাদি

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমে সিদ্ধান্ত আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।



Gentamicin Injection And Drop Side Effects Uses in Bangla জেন্টামাইসিন ব্যবহার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

 

ইহা গ্ৰাম পজিটিভ ও গ্রাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর  সক্রিয়। তবে ইহা গ্রাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর অধিক সক্রিয়। ইহা ঈসচেরেচিয়া কোলি ক্লেবসিয়েল্লা।এন্টারোব্যাকটার প্রোটিয়াস সেবাসিয়া প্রভৃতি বীজাণুদের খুব দ্রুত ধ্বংস করতে সক্ষম। এই ঔষধ ইঞ্জেকশন এর মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করানো হয় তাছাড়া চোখের ও কানের ড্রপ ঔষধ যা বাহ্যিক ব্যবহার করা যায় এবং মলম যা চর্মে বাহ্যিক প্রয়োগ করা যায়। এই ঔষধের বেশির ভাগ মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।

ব্যবহার

মূত্র যন্ত্রের সকল প্রকার পীড়া ও পোড়া ঘা ব্রঙ্কাইটিস নিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া চর্মের বীজাণু ঘটিত সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ উদরাময় কলেরা সহ সকল প্রকার আন্ত্রিক রোগ সেপটিসিমিয়া অর্থাৎ রক্তদুষ্টি মেনিনজাইটিস কর্ণ প্রদাহ কানে পূঁজ ও চোখের প্রদাহ বা অঞ্জলী কর্ণিয়ার ক্ষত প্রকৃতিতে ব্যবহার করা হয়। এই ঔষধ শিশুদের জন্মের পর থেকেই ব্যবহার করা চলে। সকল প্রকার শিশুরোগ এই ঔষধ ভালো ফল দেয়।

মলম ঔষধ আঘাত ও ক্ষতের এর ড্রেসিং করতে অস্ত্রোপাচার পর বাহিক প্রয়োগ করতে ফোড়া কম্বলে তো অন্যান্য ক্ষতির প্রয়োজন করতে ব্যবহার করে চলে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

মাথা ধরা চর্মে উদ্ভিদ ও সন্ধির প্রদাহ প্রভৃতি হতে পারে। মূত্রের কাস্ট সেল ও প্রোটিন প্রভৃতি নির্গত হয়।এছাড়া ঝিমুনি ভাব  মাথা ঘোরা কান ভো ভো করা প্রভৃতি দেখা যেতে পারে। অবসাদ অনিদ্রা ক্ষুধামন্দা বমিভাব চুল ওঠা প্রভৃতি কখনো কখনো হতে দেখা যায়।

আন্তঃবিক্রিয়া

ফ্রুসেমাইড লিগলোকেন এথাক্রাইনিক অ্যাসিড সেফালো স্পোরিন হাইড্রোকর্টিসোন ইন্ডোমেথাসিন এরিথ্রোমাইসিন সোডিয়াম বাই কার্বোনেট প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে ফলে বিভিন্ন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা 

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার না করাই ভালো জরুরী প্রয়োজনে সাবধানতা অবলম্বন করে ব্যবহার করা চলবে। শিশুদের প্রস্রাবের পীড়ায় বিশেষতঃ মূত্রাবরোধে খুব সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে।পারকিন সোনিজম রোগীদের এই ঔষধ ব্যবহার করা চলবে না।স্নায়ুতন্ত্রের রোগ থাকলে সাবধানতা অবলম্বন করে ব্যবহার করতে হবে।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Genticyn gentamicin ইত্যাদি ইঞ্জেকশন আকারে পাওয়া যায়
Garasol Gerfree ইত্যাদি প্রভৃতি Eye And Ear Drops পাওয়া যায়।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করা উচিত।


Respiration Chart And Stages uses in Bangali শ্বাস বা প্রশ্বাস এর উপদেশ গুলো

শ্বাস ও প্রশ্বাস সম্বন্ধে প্রথম অধ্যায় আলোচনা করা হয়েছে। এখন তাদের গতি সম্বন্ধে বলা হচ্ছে। শ্বাস প্রশ্বাসের গতি রোগীর পেট বুক দেখা বা চেপে অনুভব করা প্রভৃতির মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। এই গতি ও নাড়ীর গতি ন্যায় বিভিন্ন বয়সের বিভিন্ন হয়।

 যেমন জন্ম থেকে ১ বছর বয়সের শিশুদের শ্বাস প্রশ্বাসের গতি মিনিটের ৩০ বারের ওপর বেশি হয়।তদূদ্ধর ৫ বছর পর্যন্ত শিশুদের শ্বাস প্রশ্বাসের গতি মিনিটে ২০ থেকে ২৫ বার হয়।

 ৫ বছরের ঊর্ধ্বে ১২ বছর পর্যন্ত শিশুদের শ্বাস প্রশ্বাসের গতি হবে মিনিটে ২০ বার।

 ১২ বছরের উদ্ধের বয়স্কদের শ্বাস প্রশ্বাসের গতি হবে মিনিটে ১৮ বার। বুদ্ধদের শ্বাস প্রশ্বাসের গতি খুব কম হয় অর্থাৎ তা হবে মিনিটে ১৫ থেকে ১৬ বার। নির্দিষ্ট বয়সের শ্বাস প্রশ্বাসের গতি স্বাভাবিকের বেশি হলে তা রোগ লক্ষণ ও নির্দেশ করে।

 অবশ্য পরিশ্রমের পর পানাহারের পর উত্তেজিত হলে শ্বাস প্রশ্বাসের গতি বৃদ্ধি পায়। এটা কোন রোগ লক্ষণ নয়। ঘুমানোর সময় এবং বিশ্রামের সময় এই গতি কম হয় সেটাও কোন অসুবিধা জনক নয়।

শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বৃদ্ধি পায় জ্বর হলে হাঁপানি ফুসফুসে রোগ বোগা জ্বর বৃদ্ধি পাওয়া প্রভৃতি থেকে।

শরীরের তাপমাত্রা ও শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি ও নাড়ীর গতি মধ্যে একটি সম্বন্ধ আছে সেটি হলো। ৪ বার নাড়ী ও স্পন্দিত হলে ১ বার শ্বাস প্রশ্বাসের বহে। জ্বর বাড়লে নাড়ীর স্পন্দন বাড়ে ও শ্বাস প্রশ্বাসের গতি ও বাড়ে। যদি জ্বর ১০২° হয় তাহলে নাড়ীর স্পন্দন ১০৮ থেকে ১২০ বার হয় এবং শ্বাস প্রশ্বাসের গতি ২৭ থেকে ৩০ বার হয়


 এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত



how to use Tongue Beneficial Uses in Bangali জিহ্বা উপকারী ও ব্যবহার কী

 


জিহ্বা পরীক্ষার মাধ্যমে বহু রোগ সম্বন্ধ ধারণা করা যায়। পরিষ্কার ও কোমল জিহ্বা সুস্থ দেহের পরিচালক। যেমন জ্বর পাকস্থলীর রোগ প্রভৃতি জিভ লাল হয়।

যকৃতের রোগ যেমন যেমন সিরোসিস বা জন্ডিস প্রকৃতির জিহ্বা হলুদ ভাব দেখায়। শরীরের রক্ত চলাচল ব্যাঘাত ঘটালে জিভ নীলচে হবে। জিভ সাদা আস্তরণ পড়লে বুঝতে হবে পরে পেটের গন্ডগোল গরহজম অপুষ্টি প্রভৃতি ঘটেছে। জিভ কালচে ভাব হওয়া মানে কোন বীজাণু সংক্রামণ জনিত রোগ হয়েছে বুঝতে হবে। লিভারের রোগ খুব বেড়ে গেলে জিভ কালচে ভাব হয়।

জিভে যদি পাতলা আবরণ পড়ে এবং কিনারা বরাবর লালভ ও খসখসে ভাব থাকে। তাহলে টাইফয়েড জ্বর বলে অনুমান করা হয়।

জিভের উপর ধূসর বর্ণের ময়লা ভাব জমে থাকলে পেটের রোগ কোষ্ঠকাঠিন্য সহ বিভিন্ন রোগের নির্দেশ পাওয়া যায়।

 জিভ একেবারে শুষ্ক ভাব হয়ে গেলে স্নায়ু গটিত পীড়া হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। ফ্যাকাসে রংয়ের জিভ রক্তশূন্যতার লক্ষণ প্রকাশ করে। ডিহাইড্রেশন হলে জিভ শুকনো এবং ফ্যাকাসে ভাব দেখায়।

জিভে ঘা বা উদ্ভিদ দেখা দিলে অপুষ্টি জনিত রোগব্যাধি আছে বলে সন্দেহ করা হয়। জিভের কিনারা বরাবর মসৃণ এবং এবং স‍্যাঁতস‍্যাতেঁ ভাব রোগের প্রকোপ কমে আসে বললে ধরা হয়।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত।

How to use Roxithromycin Tablets in Bangali রক্সিথ্রোমাইসিন ট্যাবলেট ব্যবহার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাবধানতা ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

 

ইহা একটি বহুব্যাপক বীজাণু নাশক ঔষধ। ইহা সকল প্রকার গ্রাম পজিটিভ ও গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া দের উপর সক্রিয়। ইহা পৌষ্টিক তন্ত্র হইতে প্রায় সম্পূর্ণ রূপে শোষিত হয়। ইহা ১ ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রা পরিলক্ষিত হয়। এই রাসায়নিকের শ্বাসতন্ত্রের সকল অংশের চর্মে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। এছাড়া অন্যান্য কলা কোষের বিস্তার লাভ করে বিভিন্ন বীজাণু মনে সমর্থ হয়। ইহার অধিকাংশ টাই পরিবর্তিত এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় মল এবং মূত্রের মাধ্যমে দেহের বাহিরে নির্গত হয়।

ব্যবহার 

নিউমোনিয়া অ্যাকিউট ও ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস ফুসফুসের ক্ষতসহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া মূত্রযন্ত্রের পীড়া রতিজ ব্যধিসমূহ নাক কান ও গলার সকল প্রকার রোগ চর্মের জীবাণু সংক্রমণ জনিত পীড়া প্রভৃতির ব্যবহার করা হয়।মেনিনগোকক্কাস ঘটিত মেনিনজাইটিসেও এই ঔষধ ব্যবহার করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

বমিভাব বমি পেটে ব্যাথা উদরাময় চর্মে উদ্ভেদ প্রভৃতি হতে দেখা যায়। এছাড়া দুর্বলতা গা হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা ক্ষুধামন্দা পেটফাঁপা কোষ্ঠকাঠিন্য মুখে ঘা মাথাধরা কান ভো ভো করা মাথা ঘোরা প্রভৃতির হতে পারে।

লিভারের গন্ডগোল হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

ডাইডাক্সিন টারফেনাডিন এরাটামিন ডাইসোপাইরামাইড প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে বিভিন্ন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

গর্ভবতী মহিলা স্তন্যদানকারী মাতা এবং সদ্যেজাত শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। খাদ্য গ্ৰহণের ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পূর্বে ঔষধ সেবন করা ভালো নতুবা ব্যাঘাত ঘটে। যকৃতের রোগের এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Roximol Roxyrol Roxithromycin ইত্যাদি

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Lansoprazole Capsules 30 Mg Use In Bangali ল্যানসোপ্রাজল 30 মিলিগ্রাম

 

ইহা একটি পৌষ্টিক তন্ত্রের ক্ষত নিরাময়কারী। ইহা পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড ও অন্যান্য রসের ক্ষরণে বাধা দেয় এবং তাদের ক্ষরণ স্বাভাবিক করে। এই ঔষধ দ্ধারা পৌষ্টিক তন্ত্রের ক্ষতের নিরাময় ৭৫ থেকে ১০০ শতাংশ সম্ভব। এই ঔষধ ওমেপ্রাজোলের চেয়ে আরও কম সময়ে ক্ষত নিরাময় করে। ওমেপ্রাজোল গ্যাস্ট্রিক পেন ১১ দিনের মুক্ত করে সেখানে ল্যানসোপ্রাজোল ৬ দিনের রোগীকে বেদনা মুক্ত করে। যে সকল রোগীর পাকস্থলী  ক্ষত বা ডিওডেনামের ক্ষতে অন্নানালীর প্রদাহ এবং জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম র‍্যা্যানিটিডিন বা ফ্যামোটিডিনে  নিরাময় হয়নি বা পুনরাক্রমণে ঘটছে তাঁদের ল্যানসোপ্রাজোন খুব ভালো কাজ দেয়। এই ঔষধ পাকস্থলী থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। গ্ৰহনের ১½থেকে ২ ঘন্টার মধ্যে ইহা রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রা উপস্থিত হয়।পাচিত অংশে মূত্রপথের এবং মলের সাথে নির্গত হয়।

ব্যবহার

ডিওডেনামের ক্ষতে পাকস্থলীর ক্ষতে অন্নবহানালীর ক্ষত জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম পুরোনো ক্ষতরোগ অন্যান্য অ্যান্টিআলসার দ্ধারা চিকিৎসিত ও পুনরাক্রান্ত ক্ষত ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়।

মাত্রা

ডিওডেনামের ক্ষতে ৩০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার সকালে খালি পেটে ১ মাস দিতে হবে। পাকস্থলী ক্ষতে ৩০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার সকালে খালি পেটে ২ মাস খেতে হবে। অন্নানালির প্রদাহ ৩০ মিগ্রা দিনে ১ বার খালি পেটে ২ থেকে ৩ মাস। অন্যান্য ঔষধের দ্বারা চিকিৎসিত এবং পুনরাক্রান্ত ক্ষতে ৩০ মিগ্রা ২ টি ক্যাপসুল একত্রে সকালে খালি পেটে ২ থেকে ৩ মাস খেতে হবে। জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম ২থেকে৩ টি ক্যাপসুল একত্রে দিনে ২ বার অর্থাৎ ৪ থেকে ৬ টি ক্যাপসুল ১২০ থেকে ১৮০ মিগ্ৰা দেওয়া যাবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

উদরাময় বমি ভাব পেটে ব্যথা কোষ্ঠ বদ্ধতা মাথা ধরা ঝিমুনি ভাব ক্লান্তি ঘুম ভাব নাক থেকে তরল সর্দির স্রাব কাশি গলায় ব্যাথা চর্মে উদ্ভিদের দুশ্চিন্তা পেশীর ব্যাথা পুরুষদের রতিশাক্তির হ্রাসপ্রাপ্তি প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

প্রোপ্রানোলল ওয়ারফ্যারিন প্রেডনিসলোন ফিনাইটোইন থিওফাইলিন এথিনিল এস্ট্রাডিওল লেভোনরজেন্ট্রল প্রভৃতির সঙ্গে আন্তরিকরা ফলে কার্যক্ষমতা হ্রাস প্রাপ্তি ঘটে এবং বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাধারণত

গর্ভাবস্থায় এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।স্তন্যদানকারী মাতা এবং সকল বয়সের শিশুদের এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ। পাকস্থলীর বা অন্ত্রের যে কোন অংশের ক্যানসার রোগ থাকলে এই ঔষধ ব্যবহার করা চলবে না।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Lan এবং Lanzol ইত্যাদি 

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Stool And Urine uses in Bangali মল এবং মূত্র কী

 


মলের স্বাভাবিক রঙ হলুদ রঙের হয়। স্বাভাবিক মলত্যাগ বয়স্কদের দিনে ১ বার এবং শিশুদের ২ থেকে ৩ বার হতে থাকে। বৃদ্ধদের ২ থেকে ৩ দিন অন্তর ১ দিন মলত্যাগ ঘটে।

স্বাভাবিক রঙের সমস্যা পরিবর্তন কোন অশুভ লক্ষণ নয়। অন্যান্য রঙের মল কি কি রোগ নির্দেশ করে তারপরে আলোচনা করা হবে। স্বাভাবিক রঙ দেখলে মল পরীক্ষা করতে হবে।

 মূল খুব শুকনো বা শক্ত হলে কোষ্ঠকাঠিন্য নির্দেশ করে এবং তার লিভারের ও অন্যান্য পৌষ্টিকতন্ত্রের যন্ত্রাংশের গোলযোগ বলে ধরা হয়।

চালধোয়া জল বা ভাতের ফেনের মত পায়খানা কলেরা নির্দেশ করে।এতে আঁশটে গন্ধ থাকে। এবং মলত্যাগ অসাড়ে ঘটে। পাতলা মলত্যাগ উদরাময় নির্দেশ করে।

মূত্র

প্রস্রাবের স্বাভাবিক রং হালকা হলুদ হয়। মূত্রত্যাগ কালে কোন অসুবিধা না বুঝলে মূত্র যন্ত্রের কোন পীড়া নেই বলে ধরা হয়। স্বাভাবিক প্রস্রাবের কোন গন্ধ থাকে না। যদি কোন মানুষের ২৪ ঘন্টায় ৫ থেকে ৬ বার প্রস্রাব হয় এবং তার মোট পরিমাণ ১ থেকে ২ লিটারের মধ্যে হয় তাকে স্বাভাবিক প্রস্রাব ত্যাগ বলা যাবে। এর কম হলে রোগ লক্ষণ প্রকাশ করে আবার ৩ থেকে ৪ লিটার প্রস্রাব হলে তাও রোগ লক্ষণ প্রকাশ করে।
প্রস্রাব ঘন হলে বা অন্য রঙের হলে তা পরীক্ষা করতে হবে অন্য রঙের প্রেস্রাব বিভিন্ন রোগের নির্দেশ দেয়া তা পরিবর্তন অংশে আলোচনা করা যাবে।

Cervical Spondylosis Disease Description Disease Symptoms Adjunctive Treatment ঘাড়ের বাত রোগের বিবরণ রোগের কারণ লক্ষণ চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা


রোগের বিবরণ

Cervical vertebra  অর্থাৎ গ্ৰীবাদেশীয় কশেরুকার অপকর্ষ জনিত পরিবর্তন এবং ঐ অংশের চাকরিতে কন্টকযুক্ত বস্তুর গঠন যা পরিবর্তনকালে সংকীর্ণ গ্ৰীবাদেশীয় নালীসমূহের স্নায়ু উপাদানের আঘাত করে ফলে সমস্ত গ্ৰীবাদেশে আড়ষ্টভাব বা প্রদাহের সৃষ্টি হয় একেই Cervical Spondylosis বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র পেশী কলঙ্ক তন্ত্র এবং স্নায়ু তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
 আক্রমণের বয়স ৪০ বছরের ঊর্ধ্বেই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। তবে তার নিচেও হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরাই এই রোগ অধিক আক্রান্ত হন।

রোগের লক্ষণ

১ গলার সামনে ঝোকানো সম্ভব হয় না।
২ স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হলে মাথা ঘোরা হয়।
৩ মাথা ঝিমঝিম করে কান ভোঁ ভোঁ করে প্রভৃতি হতে পারে।
৪ দৃষ্টি শক্তির ক্ষীণতর প্রভৃতি হতে পারে।
৫ ঘাড়ের পিছনে দিকে ব্যাথা যন্ত্রনা হতে পারে।
৬ ক্রমশ এই যন্ত্রণা স্ক্যাপুলা ও বাহুতে বিস্তার লাভ করে।
৭ ঘাড়ের ব্যাথা নাও থাকতে পারে।
৮ ঘাড় নড়াতে বা ঘোরাতে প্রচন্ড কষ্ট হয়।
৯ সর্বাঙ্গে আড়ষ্ট ব্যাথা হতে পারে।

রোগের কারণ

চাকতি মধ্যের ফাঁকা স্থানের দূরত্ব কমে যাওয়া।ঠান্ডা লাগা উঁচু বালিশে শয়ন মাথায় অধিকক্ষণ হেলমেট ব্যবহার সুষুম্না রজ্জুতে রক্ত সরবরাহের ব্যাঘাত ঘটে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স অভাবে অধিক সময় যান বাহন চালানো প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে।

চিকিৎসা

1 যেকোনো একটি যন্ত্রণা নাশোক ঔষধ দিতে হবে।
Tablet Voveran sr (ট্যাবলেট ভোভেরান এস আর)
১ টি করে দিনে ১ থেকে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ৫ থেকে ৭ দিন
অথবা Tablets Nise 100 mg (ট্যাবলেট নাইস ১০০ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ১ থেকে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ৫ থেকে ৭ দিন

2 ঘাড়ে মালিশ করার জন্য যেকোনো একটি ঔষধ ব্যবহার করতে হবে।
Naprosyc gel (ন্যাপ্রোসিন জেল)
প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার আক্রান্ত অংশে লাগাতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ ব্যায়ামাই হলো এই রোগের সর্বোচ্চ ভালো চিকিৎসা।
২ হালকা সহজপাচ্য খাদ্য খাওয়া একান্ত জরুরী।
৩ প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ অনুযায়ী কলার বা ট্রাকশন ব্যবহার করা দরকার।
৪ শক্ত চেয়ারে সোজা হয়ে বসতে হবে।
৫ পড়াশোনা সোজা ভাবে বসেই করতে হবে।
৬ ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ।
৭ গরম জলে স্নান করা খুবই উপকারী।
৮ পাতলা বালিশের বা বালিশ বিহীন বিছানায় শ্রেয়।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

How To Use Vitamin K Uses In Bangali এর ব্যবহার কাজ কী

 


ভিটামিন কে তিন প্রকার যথা ভিটামিন কে ১ বা ফাইটোমেনাডিওন। ভিটামিন কে ২ বা মেনাকুইনোন এবং ভিটামিন কে ৩ বা মেনাডিওন একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন খাদ্য কমপক্ষে ৫ মিগ্রা ভিটামিন কে থাকার প্রয়োজন।

উৎস পালং শাক লেটুস বাঁধাকপি টমেটো সয়াবিন ডিমের কুসুম প্রভৃতির ভিটামিন কে থাকে এছাড়া অন্যান্য সবুজ শাকসবজিতে ভিটামিন কে থাকে।

কাজ রক্তের প্রোপ্রম্বিন ও ফ্যাক্টর vii এর স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখে যা স্বাভাবিক রক্ততঞ্চনে সাহায্য করে।

অভাবজনিত লক্ষণ ক্ষতস্থান বা কাঁটা অঙ্গ থেকে রক্তপাত শুরু হলে তা সহজে বন্ধ হতে চায় না। যকৃতের রোগ থাকলে রক্তক্ষরণ হয় যা সহজে কমতে চায় না। রক্ত চলাচলে ব্যথা ঘটে থাকে স্ত্রীলোকেদের অতিরজ হয়ে থাকে।


How To Use Vitamin E Capsule Use in Bangali ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে কি হয়

 


ভিটামিন ঈ বা টোকো ফেরল তিন প্রকার যথা আলফা টোকোফেরল এবং বিটা টোকোফেরল এবং গামা টোকো ফেরল। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন খাদ্য কমপক্ষে ১২ থেকে ১৬ মিগ্ৰা ভিটামিন ঈ থাকার প্রয়োজন।

উৎস শস্যদানা থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন প্রকার তেল সোয়াবিন তেল মাংস ডিম দুধ সকল প্রকার সবুজ শাকসবজি নারকেল কলা ঢেঁকি ছাঁটা চাল গম প্রভৃতির ভিটামিন ঈ প্রচুর পরিমাণে থাকে।

কাজ স্বাভাবিক প্রজনন ক্রিয়ায় সহায়তা করা মাংস পেশীর গঠনে এবং স্বাভাবিক সক্রিয়তা বজায় রাখতে সাহায্য করা গর্ভ বস্থায় ভ্রমণের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করা বন্ধ্যাত্ব মোচন করা প্রভৃতি এই ভিটামিনের কাজ।

অভাব জনিত লক্ষণ গর্ভধারণ না করায় বারংবর গর্ভপাত হওয়া বেশি দুর্বল হওয়া এবং তা থেকে হাতে ও পায়ে খিল ধরা স্তনে অর্বুদ হওয়া হৃদপিণ্ড ধমনী কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর পরামর্শ নেয়া উচিত 

Erythromycin Tablets 500 mg Dosage Use In Bangali এরিথ্রোমাইসিন 500 ডোজ

 


ইহা স্বাদহীন গন্ধহীন সাদা স্ফটিকাকার বস্তু। ইহা গ্ৰাম পজিটিভ কক্কাস এবং ব্যাসিলাসদের উপর অধিক সক্রিয়। ইহা স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনিয়ী স্ট্রেপটোকক্কাস পাইয়োজিনের ক্লসট্টিডিয়াম করিনি ব্যাকটেরিয়া ডিপথেরিয়া লিস্টেরিয়া মনোসাইটোজিনেস প্রভৃতির ওপর অধিক সক্রিয়। তাছাড়া হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা

এরিথ্রোমাইসিন দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে পুষ্টিকতন্ত্র থেকে শোষিত হয়ে থাকে। খাদ্য গ্রহণের সাথে এই শোষণের কোন সম্পর্ক থাকে না। ইহা গ্ৰহণের ২ ঘণ্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা শরীরের সকল কলাকোষে এবং তরল অংশের ছড়িয়ে পড়ে কেবলমাত্র মস্তিষ্ক ও মস্তিষ্কের সুষুম্নারস ব্যতীত। ইহা যকৃতে এবং প্লীহাতে দীর্ঘ সময় ব্যাপী স্থায়ী হয়। ইহা 2% থেকে ৫% মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়। ইয়া যকৃতে বেশি পৌঁছায় এবং পিত্তের মাধ্যমে নির্গত হয়।

ব্যবহার

ব্রঙ্কাইটিস নিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া ফ্যারিংজাইটিস ল্যারিংজাইটিস টনসিলাইটিস সাইনুসাইটিস সহ সকল প্রকার নাক ও গলার রোগ কর্ণ প্রদাহ কানে পূঁজ দাঁতের সকল প্রকার সংক্রমণ মাড়িতে ফোঁড়া শিশুদের হুপিং কাশি চর্মের সকল প্রকার সংক্রমণ যেমন ফোঁড়া ক্ষত কার্বাঙ্কল ঈরিসিপেলাস সিফিলিস গণোরিয়া স্যাঙ্কার প্রভৃতি রতিজ ব্যাধি হৃদঝিল্লীর প্রদাহ ডিপথেরিয়া অ্যামিবিক আমাশয় প্রভৃতির ব্যবহার করা হয়।

মাত্রা

সাধারণ সংক্রমণের ২৫০ মিগ্ৰা করে দিনে ৩ থেকে ৪ বার দিতে হয়। মারাত্মক সংক্রমণের ৫০০ মিগ্ৰা দিনে ৪ বার দেওয়া হয়। গণোরিয়াতে ৫০০ মিগ্ৰা ট্যাবলেট ৪ টি একত্রে একবার ৭ দিন খেতে দেওয়া হয়। সিফিলিস রোগীকে ৫০০ মিগ্ৰা ট্যাবলেট ২ টি করে দিনে ২ বার ১০ দিন দিতে পারা যায়। গর্ভাবস্থায় গণোরিয়া বা সিফিলিস হলে ২৫০ মিগ্ৰা দিনে ৪ বার কমপক্ষে ১৪ দিন দিতে হবে। এসব ক্ষেত্রে ১ মাস পর্যন্ত ঔষধ চালানো যাবে।

শিশুদের ৩০ থেকে ৫০ মিগ্ৰা ও কিলোগ্রাম দেহের ওজন সারা দিনে ৪ বারে ভাগ করে দেওয়া হয়। অর্থাৎ ৬ মাসের নিচের শিশুদের ড্রপ ঔষধ ১০ থেকে ২০ ফোঁটা দিনে ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া যাবে। ৬ মাস হইতে ৪ বছর পর্যন্ত শিশুদের ১২৫ মিলি সিরাপ ১ চামচ করে দিনে ৪ বার দেওয়া যায়।৪ বছরের উদ্ধার শিশুদের ২৫০ মাগ্ৰা ট্যাবলেট বা সিরাপ ১ টি বা ১ চামচ করে দিনে ২ থেকে ৩ দেওয়া হয়। এই চিকিৎসার ৭ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত চালাতে হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

এরিথ্রোমাইসিন ঔষধের পেটের গন্ডগোল হাতেই বেশি দেখা যায়। বমি ভাব বমি উদরাময় পেটের কামড়ানি ভাব প্রভৃতি হতে পারে বিশেষতঃ এরিথ্রোমাইসিন স্টিয়ারেটে এরিথ্রোমাইসিন এস্টোলেটে তত অসুবিধা হয় না। এ ছাড়া আম্বাত চর্মে উদ্ভিদ জ্বর ভাব ইওসিনোফিলিয়া প্রভৃতি দেখা যেতে পারে। দীর্ঘদিন এই ঔষধ খেলে লিভারের গন্ডগোল দেখা যায় বা বৃদ্ধি পায়।

আন্তঃবিক্রিয়া

থিওফাইলিন কার্বামাজেপিন সাইক্লোস্পোরিন ফিনাইটোসিন টারফেনাডিন লোভাস্ট্যাটিন ডাইসোপাইরামাইড ওয়ারফেরিন ডাইজক্সিন প্রভৃতির সঙ্গে একসাথে ব্যবহার করলে আন্তঃবিক্রিয়া হয় ফলে বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

হেপাটাইটিস সহ সকল প্রকার যকৃতের রোগের এরিথ্রো মাইসিন ব্যবহার নিষিদ্ধ। কোলাইটিস রোগের ব্যবহার করা চলবে না। এই ঔষধ স্তনদুগ্ধের মাধ্যমে নির্গত হয় তাই স্তন্যদানকারী মাতা কে ও দেওয়া ঠিক নয়। গর্ভবস্থায় খুব প্রয়োজন ছাড়া ব্যবহার না করাই ভালো।প্রয়োজনে অল্পমাত্রায় ব্যবহার করতে হবে।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

E- Mycin Erythrocin ইত্যাদি


এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

How to Use Cephalexin Tables Side Effects Use In Bangali সেফালেক্সিন 250 মিলিগ্রাম

ইহা সেফালোস্পোরিন এর সংযোগসাধনে প্রস্তুত হয় ইহা সাদা রংয়ের তিক্ত আস্বাদ বিশিষ্ট স্ফটিকার বস্তু ইহা জলে আংশিক ভাবে দ্রবণীয়

গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু এবং ঈ কোলি প্রোটিয়াস মিরাবিলিস ক্লেবসিয়েল্লা স্পেসিজ প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয়। ইহা পেনিসিলিয়াম ঔষধ যে সমস্ত বিজনু ধ্বংস হয়নি তাও ধ্বংস হবে। সেফালোক্সিন এন্টারোব্যাকটার স্পেসিজ অ্যাসিনোব্যাকটার স্পেসিজ সিওডোমোনাস স্পেসিজ প্রোটিয়াস ভালগারিস স্ট্রেপটোকক্কাস ফেক্যালিস ইত্যাদি বীজানুদের উপর মোটেই সক্রিয় নয়।

খাদ্য গ্ৰহন এই শোষণে কোন ব্যাঘাত ঘটায় না। খালি পেটে খেলে ১ ঘন্টা এবং খাবার খাওয়ার পর খেলে ২ ঘণ্টার মধ্যে রক্ত রসের সর্বোচ্চ মাত্রা উপস্থিত হয় গ্রহনের ৮ ঘন্টার মধ্যে ইহা প্রায় ৯০% অপরিবর্তিত অবস্থার প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়। ইহা শরীরের প্রায় অধিকাংশ অংশে বিস্তার লাভ করে। লিভার এবং কিডনিতে সর্বোচ্চ পরিমাণ বিস্তৃত হয় তাছাড়া আকোয়াস হিউমার প্রভৃতি তরলে ও বিস্তার লাভ করে। তবে ইহা মস্তিষ্ক সুষুস্না রসে খুব কম মাত্রায় বিস্তার লাভ করে।

ব্যবহার

ব্রঙ্কাইটিস ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া নাক কান ও গলার  সংক্রামণ নতুন ও পুরোনো মূত্রযন্ত্রের পীড়া অস্থি সন্ধির ও সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘটিত রোগ সমূহ শিশুদের হাম অথবা পক্সের pox পরের বীজাণু সংক্রমণ ঘটিত উপসর্গ প্রভৃতিতে ভালো ফল দেয়।

মাত্রা

বয়স্কদের সাধারণত সংক্রমনের ২৫০ মিগ্ৰা দিনের ৪ বার দিতে হয়। মাঝারি কেশে ৫০০ মিগ্রা ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া হয়। মারাত্মক সংক্রমণে ১ গ্রাম দিনে ৪ বার দেওয়া যায়। এই ঔষধ কমপক্ষে ৭ থেকে ৫ দিন দিতে হয়।

শিশুদের ৬ মাসের নিচে ১২৫ মিগ্ৰা দিনে ২ বার। ৬ মাস থেকে ১ বছরের শিশুদের ১২৫ মিগ্ৰা দিনে ৩ থেকে ৪ বার। ১ থেকে ৫ বছরের শিশুদের ২৫০ মিগ্রা দিনে ৩ বার।৫ বছর থেকে ১২ বছর পর্যন্ত শিশুদের ২৫০থেকে৫০০ মিগ্ৰা দিনে ৪ বার দেওয়া যায়। সাধারণ কেশে এই মাত্র অদ্ধেরক হবে। সদ্যো জাত শিশুদের ড্রপ ঔষধ যাতে ১০০ মিগ্ৰা/ মিলি থাকে তা ৫ থেকে ১০ ফোঁটা করে দিনে ২থেকে ৩ বার দিতে হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

এই ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুব কম হতে দেখা যায়। তবে বমি ভাব বমি উদরাময় প্রভৃতি হতে পারে। এছাড়া প্রুরিটাস চর্মে উদ্ভেদ আমবাত প্রভৃতি হতে পারে। মাথা ধরা মাথা ঘোরা ঝিমুনি ভাব ইউনিক ইউসিনোফিলিয়া প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

ফ্রুসেমাইড এথাক্রাইনিক অ্যাসিড জেন্টামাইসিন অ্যামিকাসিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটায় কর্ম ক্ষমতা লোপ পায় বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

যাদের পেনিসিলিয়াম ঔষধে অ্যালার্জি আছে তাদের সেফালেক্সিন খুব সাবধানতা সরকারে  ব্যবহার করতে হবে গর্ভাবস্থায় প্রথম দিকে এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Cephaxin Cephadil Sporidex ইত্যাদি

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Fluconazole 150 Tablet Dogse Uses in bangali ফ্লুকোনাজোল মাত্রা



ইহা একটি বহুব্যাপক ছত্রাকনাশক ঔষধ। ইহা মুখে খাবার পর প্রায় সম্পূর্ণরূপে পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে শোষিত হয়ে রক্তরসে পৌঁছায় এবং তা ২৪ ঘন্টা যাবৎ বর্তমানে থাকে ইহা নখ লালা গ্রন্থি যোনি এবং মাথার মস্তিষ্ক কোষের ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। ইহা শেষ মাত্রা প্রয়োগের ১০ দিন পর্যন্ত শরীরের ইহার ক্রিয়া বর্তমান থাকে। এই রসায়নের অধিকাংশটাই পরিবর্তিত এবং অপরিবর্তন অবস্থায় মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়। 

ব্যবহার

দেহের ত্বকের চর্মের হেজে যাওয়া মুখ গহ্বরের হাজা যোনির হাজা খাদ্যনালীর হাজা অন্যান্য ছত্রাক ঘটিত রোগে ব্যবহার করা যায়।

মাত্রা

মুখগহ্বরের ও খাদ্য নালীর হাজায় ২০০ মিগ্ৰা প্রথম দিন ১ বার পরে প্রত্যহ ১০০ মিগ্ৰা করে ২ সপ্তাহ। যোনির হাজায়
১৫০ মিগ্ৰা ১ বার করে মাত্র দিতে হয়।চর্মের হাজা ৪০০ মিগ্ৰা প্রথম দিন পরে প্রত্যহ ২০০ মিগ্ৰা ১ বার করে ৪ সপ্তাহ দিতে হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

বমি বা বমি ভাব মাথা যন্ত্রণা চর্মে উদ্ভেদ নির্গম পেটে ব্যাথা উদরাময় যকৃতের রোগ হওয়ার রক্তের থ্রম্বোসাইট কমে যাওয়ার প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

ফিনাইটোইন ওয়ারফারিন সাইক্লোস্পোরিন রিফামপিসিন
প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হয় ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাধারণত

যকৃতের রোগ কিডনির রোগ প্রভৃতিতে ব্যবহার না করাই ভালো‌। গর্ববস্থায় স্তন্যদানকালে এবং ১৩ বছরের নিচে শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Fluzide Fluzon ইত্যাদি

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 


Domperidone Usage Dosage Side Effects Interactions Precautions Drug Brand Name Health And Medicine Trips Bangla (ডোমপেরিডোন ব্যবহার মাত্রা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আন্তঃবিক্রিয়া সাবধানতা ঔষধের ব্র্যান্ডনেম)



ইহা একটি বমন নিবারণ কারী ঔষধ। ইহা পৌষ্টিকতন্ত্রে অবস্থিত স্নায়ুগ্ৰাহক অংশে প্রতিক্রিয়াশীল এবং মস্তিষ্কের স্নায়ুকেন্দ্রের বহনকারক অঞ্চলের উপর ক্রিয়াশীল ইহা পাকস্থলী ও অন্নবহানালীর নিম্নংশে গ্ৰাহক অঞ্চলের কাজে বাধা দান করে। ঐ অংশের উত্তেজনাকে মস্তিষ্কের স্নায়ুকেন্দ্রের পৌঁছেতে দেয় না এবং ঐ অংশের বহন কারক স্নায়ুকেও বমনের নির্দেশ প্রেরণে বাধা দেয় ফলে বমননিবারণী ক্রিয়া সংঘটিত হয়। এই ঔষধ ও রক্তের প্রোল্যাকটিন লেভেল বৃদ্ধি করে। ইহা খুব দ্রুত পাকস্থলীকে শূন্য করতে সাহায্য করে ফলে অন্নবহানালীর প্রদাহ বা পাকস্থলীর সমস্যা দূরীভূত হয়। এই ঔষধ (রক্তবাহ হতে সুষুম্নারজ্জুর সংযোগকারী অংশ) অতিক্রম করতে পারে না ফলে স্নায়ুঘটিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়া যায়। এই ঔষধ পাকস্থলী হতে খুব দ্রুত এবং সম্পূর্ণ রূপের শোষিত হয়। ইহা গ্রহনে ৩০ মিনিটের মধ্যে রক্ত রসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা যকৃতে পাচিত হয়। অপরিবর্তিত অবস্থায় ১% মূত্রপথে এবং ৬% মলের সাথে নির্গত হয়। পরিবর্তন অবস্থায় ৩০% মূত্রপাথে এবং 

৬০% মলের সাথে নির্গত হয়।

ব্যবহার

যেকোনো কারণে বমি বা বমি ভাব পাকস্থলীর প্রদাহ x ray জনিত কারণ হেপাটাইটিস পেট ফাঁপা অন্নবহানালীর প্রদাহ অজীর্ণ প্রভৃতি রোগ ব্যবহার করা হয়।

মাত্রা

বয়স্কদের বমি বা বমি ভাব থাকলে ১০ মিগ্রা ট্যাবলেট  থেকে ২ টি দিনে ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া হয়। পেট ফাঁপা ও অজীর্ণ রোগের ১০ মিগ্রা ট্যাবলেট ১ টি করে দিনে ৩ বার দেওয়া হয়। অন্নবহানালীর প্রদাহ ২ টি ট্যাবলেট একত্রে দিনে ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া হয়।
শিশুদের বমি বা বমি ভাব থাকলে ১ থেকে ৩ বছরের বয়সের ¼থেকে ½ চামচ সিরাপ দিনে ৩ বার থেকে ৪ বার দেওয়া যায়। ৩ থেকে ৬ বছর বয়সে ½থেকে ১ চামচ সিরাপ দিনে ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া যাবে। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুদের ১ থেকে ২ চামচ সিরাপ দিনে ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া যাবে। সকল মাত্রাই খাবার ১৫ মিনিট আগে দিতে হবে।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

খুবই কম হয় পেটের কামড়ানি ব্যাথা মুখে শুষ্কতা স্তনের  বিবৃদ্ধি স্তনদুগন্ধ বৃদ্ধি-প্রভৃতি হতে পারে।

আন্তঃবিক্রিয়া

ডাইগক্সিন অ্যাসপিরিন প্যারাসিটামল ডায়াজিপ্যাম ফেনো থায়াজিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাধারণত

গর্ব অবস্থায় ব্যবহার নিষিদ্ধ। স্তন্য দানকারী মাতাদের খুব সাবধানতা অবলম্বন করে ব্যবহার করতে হবে। পিটুইটারি গ্রন্থের টিউমার থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Domnorm Domstal ইত্যাদি 

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 



Lincomycin Capsule Uses Health And Medicine Trips Bangla ( লিনকোমাইসিন ব্যবহার মাত্রা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আন্তঃবিক্রিয়া সাবধানতা ঔষধের ব্র্যান্ডনেম)

 

ইহা ম্যাক্রলয়েডস গ্ৰুপের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী ঔষধ।

ইহা স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস স্ট্যাফাইলোকক্কাস অ্যালবাস বিটা হেমোলাইটিক স্ট্রেপটোকক্কাস স্ট্রেপটোকক্কাস ভিরিড্যানস ডিপ্লোকক্কাস নিউমোনিয়ী ক্লসট্রিডিয়াম টিটেনী করিনিব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়ী করিনি ব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনিস প্রভৃতি বীজাণু দের উপর অধিক সক্রিয়।লিনকোমাইসিন খাবার ঔষধ পাকস্থলী থেকে দ্রুত এবং অধিক পরিমাণে শোষিত হয়। ২ থেকে ৪ ঘন্টার মধ্যে ইহা রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয় এবং ২৪ ঘন্টার মূত্রের মাধ্যমে  ১থেকে৩১ শতাংশ নির্গত হয়। এছাড়া পিত্তরসের সাথে কিছু পরিমাণে নির্গত হয়ে থাকে। শরীরের অধিকাংশ কলাকোষে এই ঔষধ বিস্তার লাভ করে।

 এই ঔষধের ইঞ্জেকশন গ্রহণ করলে তা ৩০ মিনিটের রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয় এবং তা প্রায় ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

ব্যবহার

ব্রঙ্কাইটিস নিউমোনিয়া ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার নিম্ন শ্বাসযন্ত্রের পীড়া ফ্যারিংজাইটিস ল্যারিংজাইটিস সাইনুসাইটিস টনসিলাইটিস সহ সকল প্রকার উপর শ্বাসযন্ত্রের রোগ কানের সকল প্রকার সংক্রমণ ব্রণ ফোঁড়া  কার্বাঙ্কল দূষিত ক্ষত কুনখে জীবাণু সংক্রমণের পোড়া ঘা ঈরিসিপেলাস অস্ত্রোপচার জনিত ক্ষত সহ সকল প্রকার চর্মরোগ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ রক্তদুষ্টি হ্নদঝিল্লীর প্রদাহ ডিপথেরিয়া টিটেনাস প্রভৃতির ব্যবহার করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

জিহ্বা ও মুখ মন্ডলের ক্ষত গা বমি বা বমি উদরাময় প্রুরিটাস প্রভৃতি হতে দেখা যায়। এছাড়া রক্তের নিউট্রোফিল কমে যাওয়া শ্বেত কণিকা কমে যাওয়ার অনুচক্রিকা হ্রাস পাওয়া প্রভৃতি ঘটে। চর্মের উদ্ভেদ আমবাত ফোস্কার ন্যায় উদ্ভেদ যোনির প্রদাহ প্রভৃতি দু একজন রোগীর হতে দেখা যায়। যকৃত ও কিডনির উপর কোন প্রভাব পড়ে না তবে দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালালে সামান্য প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কিছু রোগীর মাথা ঘোরা বা কান ভোঁ ভোঁ করা হতে দেখা যায়।

আন্তঃবিক্রিয়া

নোভোমাইসিন ক্যালামাইসিন ক্লিন্ডামাইসিন এরিথ্রোমাইসিন কেওলিন পেকটিন প্রভৃতির সাথে আন্তঃবিক্রিয়ার ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাবধানতা

সদ্যোজাত শিশুদের ব্যবহার নিষেধ মেনিনজাইটিসে ব্যবহার করা চলবে না। গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মাতাকে খুব সাবধানতা অবলম্বন করে কেবল মাত্র মুখে খাবার ঔষধ দেওয়া যেতে পারে। খুব বিদ্ধদের এবং মূত্রিবরোধ ও জন্ডিসের রোগীদের ব্যবহার না করাই  ভালো।অ্যাজমা থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Lynx ইত্যাদি

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

How To Use Azithromycin Tablets 500 Use In Bangali অ্যাজিথ্রোমাইসিন ট্যাবলেট 500

 


ইহা ম্যাক্রোলাইড গ্ৰুপের একটি রসায়ন। ইহার বীজাণু নাশক ক্ষমতা অধিক এবং ইহা দারুণভাবে কলা কোষের বিস্তার লাভ করে। ইহা পুষ্টিকতন্ত্র থেকে সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয় এবং ২থেকে ২ ½ ঘন্টার মধ্যে রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা ফুসফুসের টনসিল পাকস্থলীর গাত্র পেশি অস্থি মূত্র যন্ত্র স্ত্রীজননতন্ত প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। এই ঔষধ ক্রিয়া ঔষধে গ্রহণের পর ৪ দিন পর্যন্ত থাকে। এই রাসায়নের প্রায় অধিকাংশই অপরিবর্তিত অবস্থায় মলের সাথে নির্গত হয়ে যায়। সামান্য অংশের মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়। ইহা গ্ৰাম পজিটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ উভয় প্রকার ব্যাকটেরিয়া উপর অধিক সক্রিয় হয়।

ব্যবহার

নিউমোনিয়া ব্রঙ্কাইটিস ব্রঙ্কায়েকট্যাসিহ ফুসফুসের ক্ষত টনসিলাইটিস সাইনুসাইটিস ফ্যারিংজাইটিস ল্যারিংজাইটিসসহ সকল প্রকার উপর এবং নিম্ন শ্বাসযন্ত্রের পীড়া এবং গলার পীড়া নাক ও কানের সকল প্রকার সংক্রমণজনিত পীড়া চর্মের  বীজাণু  সংক্রমণ ঘঠিত পীড়া মূত্রের ও জননতন্ত্রের পীড়া সমূহ প্রভৃতির ব্যবহার করা হয়‌।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

বমিভাব বা বমি পেটে ব্যাথা ও যন্ত্রণা। উদরাময় পেট ফাঁপা অজীর্ণ রোগ মাথা ধরা মাথা ঘোরা প্রভৃতি হতে দেখা যায়। এছাড়া বুকে ব্যাথা বুক ধড়ফড়ানি অস্বাভাবিক ঝিমুনি ক্লান্তি প্রভৃতি হতে দেখা যায়।

আন্তঃবিক্রিয়া

ডাইগক্সিন ও সাইক্লোস্পোরিনের সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হতে দেখা যায়। অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রক্সাইড মিশ্রিত অ্যান্টাসিড এবং খাদ্যবস্তুর শোষণে ব্যঘাত ঘটায়।
কার্বামাজেপিন এর সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

সাধারণত

যে কোন ম্যাক্রলয়েডসে এলার্জি থাকলে ব্যবহার করা চলবে না। ক্ষতিকর বৃহদন্ত্র প্রদাহ যকৃতের রোগ মূত্রাব রোধ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা চলবে না। গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মাতাদের এই ঔষধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

ঔষধের ব্র্যান্ডনেম

Azithral Zithromax ইত্যাদি

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

How to Use Jaundice details uses in Bangali জন্ডিস রোগের বিবরণ

 রোগের বিবরণ

জন্ডিস তিন প্রকার। যথা হেমোলাইটিক জন্ডিস হেপাটোসেলুলার এবং অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস।রক্তে লোহিতকণারা বিভিন্ন কারণে ধ্বঃস হয়ে গিয়ে যে জন্ডিস হয় তাকে হিমোলাইটিস জন্ডিস যকৃত কোষের প্যারেনকাইমা কোষকলা বিভিন্ন কারণে নষ্ট হয়ে জন্ডিস রোগ সৃষ্টি করলে তাকে হেপাটোসেলুলার জন্ডিস এবং পিত্তনালী অবরুদ্ধ হয়ে পিত্তরস ও পিত্তরঞ্জক ডিওডেনামে না এসে রক্তবাহতে মিশে য়ে জন্ডিস রোগে সৃষ্টি তাকে অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস বলা হয়।জন্ডিস হল চামড়া এবং শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীর নিচে পিত্তরঞ্জক জমা হয়ে রোগীর বাহ্যিক রূপকে হলুদ করে দেওয়া এবং যকৃতের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা নষ্ট হওয়া রক্তের লোহিতকণা ধ্বংস হওয়া প্রভৃতি।

আক্রান্ত তন্ত্র

পৌষ্টিকতন্ত্র রক্তের হৃদপিণ্ড চর্ম প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স যে কোন বয়সেই এই রোগ হতে পারে।
আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়েরই এই রোগ হতে পারে।

রোগের কারণ

যকৃতের গোলযোগ অর্থাৎ স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা নষ্ট হওয়ার চর্বি জাতীয় খাদ্য যেমন তেল ঘি মাছ মাংস প্রভৃতি বেশি খাওয়া মাদকদ্রব্য সেবন ম্যালেরিয়া কালাজ্বর পিত্তপাথরী প্রভৃতি রোগে ভুগতে ভুগতে এই রোগের সৃষ্টি হয়‌। এর ফলে রক্তের লোহিত কণিকার ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। একে বলা হয় হেমোলাইটিক জন্ডিস। 
বিভিন্ন প্রকার বীজাণু সংক্রমনের বা বিষাক্ত বস্তুর প্রভাবে যকৃত কোষের প্যারেনকাইমা কোষ কলা নষ্ট হয়ে হেপাটোসেলুলার জন্ডিস হয়।
পিত্ত নিঃসরণের ব্যাঘাত জনিত কারণে হয় অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস।

রোগের লক্ষণ

১ হেমোলাইটিক জন্ডিস প্রকট লক্ষণ কিছু থাকে না। এতে Plasma Billirubin 4 mg/100 ml এর নিচে থাকে।
প্লীহা বৃদ্ধি পায়।
২ জ্বর থাকে দিন দিন জ্বর বাড়তে থাকে কোন ঔষধেই জ্বর সারতে চায় না।
৩ সকল প্রকার জন্ডিসের ক্ষেত্রেই ডান দিকের উপরে পেট ব্যাথা হয়।
৪ অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিস রোগীর চোখের সাদা অংশ হাত ও পা নখ এবং মূত্র গাঢ় হলুদ বর্ণ হয়ে যায়। মলের রং মাটির ন্যায় বা সাদা হয়। মলের পরিমাণ ও বেশি হয়।
৫ খাবার খাওয়ার পরে মলত্যাগের ইচ্ছা জাগে। মলের ফ্যাট থাকে। মুখে তিক্ত আস্বাদ লাগে রোগীর সর্বদা ঘুম ঘুম ভাব লাগে।
৬ ক্ষুধা মন্দ গা বমি ভাব দুর্বলতা কোষ্ঠকাঠিন্য বা উদরাময় প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।
৭ হেপাটোসেলুলার জন্ডিস মূত্রের সাথে পিত্ত নির্গত হয়।
৮ চক্ষুর শ্বেত অংশ হলুদ বর্ণ ধারণ করে। ক্ষুধা থাকে কিন্তু খেলে বমি আসে। যকৃত বৃদ্ধি পায়।

চিকিৎসা

1 (গ্লুকোন-ডি ) বা (গ্লুকোন-সি) ৪-৫ চামচ ১গ্লাস জলে গুলে দিনে ২ থেকে ৩ বার করে খাওয়াতে হবে। এটি জন্ডিসের প্রধান চিকিৎসা।
যেকোনো একটি লিভারের ঔষধ বেশ কিছুদিন চালাতে হবে।।
Syrup Sorbiline (সিরাপ সরবিলিন )
২ চামচ করে দিনে ২ বার দুপুরে ও রাতে খাবার আগে খেতে হবে।
অথবা Syrup Liv 52 (লিভ ৫২ সিরাপ)
২ চামচ করে দিনে ২ বার খাবার আগে খেতে হবে।
3 যেকোনো একটি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও সি মিশ্রিত ঔষধ দিতে হবে।
Cap Becosule (ক্যাপসুল বিকোসুল)
১ টি করে প্রতিদিন ১-২ বার খাবার পর খেতে হবে।
4
জ্বর খুব বেশি হতে থাকলে দিতে হবে।
Tab Parasafe (ট্যাবলেট প্যরাসেফ)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার খাবার পর ৩-৫ দিন।
5
গা বমি ভাব বা বমি হলে দিতে হবে নিচে যে কোন একটি ঔষধ।
Tab Zemetil- 5 mg ( ট্যাবলেট জেমেটিল ৫ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ২-৩ বার খাবার আগে খেতে হবে।
6
অবস্ট্রাকটিভ জন্ডিসের ক্ষেত্রে ওপরে চিকিৎসার সাথে নিচে যে কোন একটি ঔষধ দিতে হবে।
Cap Terramycin 250 mg ( ক্যাপসুল টেরামাইসিন ২৫০মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ৪ বার খাবার পর খেতে হবে ৭ দিন।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

রোগীকে কমপক্ষে তিন থেকে চার সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে হবে। দিনে একবার সরু চালের ভাত পেঁপে সিদ্ধ কচি পোনা মাছ ঝোল প্রভৃতি দেওয়া যাবে। এছাড়া। বিস্কুট রুটি কমলালেবু বাতাবি বা মুসুম্বী লেবুর রস আর আখের রস কাঁচা পেঁপে কাল মেঘের পাতার রস পাকা কলা আঙ্গুর পাতলা দুধ প্রভৃতি খাওয়া ভালো। তেল ঘি মশলা ডিম পাকা মাছ মাংস ভাজা খাওয়া মাদকদ্রব্য গাঢ় দুধ ঢ্যাড়শ মাষকলাই প্রভৃতি খাওয়া নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত।