Vitamin D Health And Medicine Trips Bangla ভিটামিন ডি

 


ভিটামিন ডি ২ প্রকৃতির হয়। একটিকে D২বা Ergocalciferol(এরগো ক্যালসিফেরল) এবং অপরটিকে ডি৩ বা  Cholecalciferol (কোলোক্যালসিফেরল) বলা হয়। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৮-১০ um এবং শিশু ও গর্ভবতীর এবং স্তন্যদানকারী কি মহিলাদের দৈনিক ১৪-১৫ um ভিটামিন আবশ্যক।

উৎস সামুদ্রিক মাছ যথা কড ও হ্যালিবাট-এর যকৃত নিঃসূর্ত তেল এর ভিটামিনের প্রধান উৎস। সূর্যলোকের অতিবেগুনি রশ্মি হতেও মানবদের এই ভিটামিন সংশ্লেষিত হয়।এছাড়া মানুষের ডিম ডিমের কুসুম ঘি জলসহ ছানা দুধ মাখন প্রভৃতিতে এই ভিটামিন অল্প পরিমাণ থাকে। ভিটামিন ডি রান্নার ফলে নষ্ট হয় না।

কাজ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ অস্থি অর্থাৎ হাড়ের গঠন এবং দাঁতের গঠন রক্ত ক্যালসিয়াম ও ফসফেটের মাত্রা স্বাভাবিক রাখার প্রভৃতি ভিটামিন ডি এর কাজ

অভাবজনিত লক্ষণ শিশুদের রিকেট রোগ এবং বয়স্কদের বিশেষঃ গর্ভবতীদের ও স্তন্যদানিকারী  মহিলাদের অস্টিওম্যলেসিয়া (Oesteomalacia) রোগ হয়। এছাড়া ভিটামিন ডি এর অভাবে দাঁতও মাড়ি র রোগ ও। হতে দেখা যায়


Vitamin B Complex Health And Medicine Trips Bangla ভিটামিন বি কমপ্লেক্স

 

ভিটামিন বি কমপ্লেক্স 

ভিটামিন বি কমপ্লেক্স হলো কতগুলি ভিটামিন এর সমষ্টি। এই গ্রুপে অন্তর্গত প্রধান প্রধান ভিটামিন গুলি হল বি1 বি2 বি3 বি4 বি5 বি6 এবং বি12।

ভিটামিন বি1 বা থায়ামিন(Thiamin)

একজন বয়স্ক মানুষের প্রত্যেকদিন খাদ্যের ১.৫ মিগ্রা ভিটামিন বি1 থাকার প্রয়োজন। গর্ভবতী মহিলাদের প্রত্যেহ ১.৮-২ মিগ্রা প্রয়োজন‌।
উৎস ঈষ্ট ঢেঁকি ছাঁটা চাল ডাল বাদাম মটর শুঁটি বরবটি বিট গাজর শালগম ফুলকপি গম যব ডিমের কুসুম ইত্যাদি
কজ শর্করা ফ্যাট ও প্রোটিন সংশ্লেষে উৎসেচকদের কাজে সাহায্য করা এই ভিটামিনের প্রধান কাজ
অভাবজনিত লক্ষণ বেরিবেরি স্নায়ুর দুর্বলতা হার্টের দুর্বলতা পলিনিউরাইটিস শ্বাসযন্ত্রে পীড়া প্রভৃতির রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়।

ভিটামিন বি2 বা রাইবোফ্ল্যাভিন (Riboflavin)

পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রত্যেকদিন খাদ্যের এই ভিটামিন ১.৬-২ মিগ্রা হওয়া দরকার।
উৎস ঈষ্ট সকল প্রকার শস্যদানা সবুজ শাকসব্জি দুধ ডিম মাছ মাংস বিভিন্ন প্রকার ডাল ইত্যাদি
কাজ দেহের সবই বৃদ্ধি বজায় রাখার হজম ও বিপাক ক্রিয়ার সাহায্য করা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির সক্রিয়তা বজায় রাখা।
অভাবজনিত লক্ষণ জিহ্বার প্রদাহ ঠোঁট ফাটা ঠোঁটের কোণে ঘা চোখের বিভিন্ন রোগের আক্রান্ত হওয়ার চুল উঠে যাওয়া চামড়া শুকনো ও খসখসে হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

ভিটামিন বি3 বা নিয়াসিনামাইড বা নিকোটিনিক অ্যাসিড ( Niacinamide or nicotinic acid)

একজন বয়স্ক মানুষের প্রত্যেকদিন খাদ্যের কমপক্ষে ১৫ থেকে ১৮ মিগ্ৰা এবং গর্ভবতী স্ত্রী লোকের খাদ্য ২০ থেকে ২২ মিগ্রা ভিটামিন  বি৩ থাকা প্রয়োজন।
উৎস ঈষ্ট শস্যদানা  সকল প্রকার ডাল সবুজ শাকসব্জি মটরশুঁটি বরবটি টমেটো দুধ ডিমের কুসুম মাছ মাংস প্রভূতি
কাজ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখা শর্করা ও ফ্ল্যাটে জাতীয় খাদ্যের পরিপাক ও বিপাক ক্রিয়ার সাহায্য করা  স্নায়ুতন্ত্রের সতেজতা বজায় রাখার পেলেগ্ৰা নিবারণ প্রভৃতি।
অভাবজনিত লক্ষণ চামড়া শুকনো ও খসখসে হয়ে যাওয়ার জিভ ফুলে ওঠা এবং তার রং কালো অথবা লাল হওয়া পেটের বিভিন্ন গন্ডগোল মানসিক বিকলতা ওজন হ্রাস পাওয়া। প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

ভিটামিন বি4 বা ফলিক অ্যাসিড (Folic Acid)

প্রতিদিন খাদ্য কমপক্ষে ১০০০ মাইক্রোকগ্রাম ভিটামিন বি৪ থাকার প্রয়োজন ।
উৎস ঈষ্ট ঢেঁকি ছাঁটা চাল গম যব ভুট্টা সবুজ শাকসব্জি টমেটো গাজর ডিমের কুসুম প্রভৃতি।
কাজ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখার রক্তের R B Cও  হিমোগ্লোবিন  এর মাত্রা বজায় রাখা প্রভৃতি ভিটামিন বি৪ এর কাজ
অভাবজনিত লক্ষণ  রক্তল্পতা বিশেষঃ গর্ভবস্থায় দুর্বলতা ওজন হ্রাস পাওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

ভিটামিন বি5 ফাইভ বা প্যানটোথেনিক অ্যাসিড( Pantothenic acid)

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রত্যেক দিনের খাদ্য কমপক্ষে ১০ মিগ্ৰা ভিটামিন বি ৫ থাকার প্রয়োজন।
উৎস ঈষ্ট সকল প্রকার শস্যদানা বিভিন্ন প্রকার ডাল আলু রাঙা আলু মটরশুটি দুধ ডিমের কুসুম মাংস আখের রস গুড় প্রভূতিতে ভিটামিন বি৫ বতর্মান 
কাজ শর্করা চর্বি জাতীয় খাদ্য বিপাকে সাহায্য করে।
অভাবজনিত স্পাইন্যাল কর্ডের ক্ষয়সাধন থাইমাস ও অ্যাড্রোনাল গ্রন্থির কার্যক্ষমতা হ্রাস পায় ত্বকের ক্ষয় চুলের ফেটে  যাওয়া বা অকাল পক্কতা হজমের গোলমাল প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

ভিটামিন বি6 বা পাইরিডক্সিন(Pyridoxin)

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রত্যেক দিনের খাদ্য কমপক্ষে এক দুই দশমিক 2.1-2.2 মিগ্ৰা একজন শিশুর প্রত্যেক দিনের খাদ্যের কমপক্ষে 0.4-0.5 মিগ্ৰা এবং গর্ভবতী মহিলার প্রত্যেকদিন খাদ্য কমপক্ষে ২.৫-২.৭ মিগ্ৰা ভিটামিন বি৬ থাকা প্রয়োজন
উৎস বিভিন্ন প্রকার শস্যদানা যেমন চাল গম যব ভুট্টা জোয়ার-সবুজ শাকসবজি ঈষ্ট মাংস ডিম মাছ ভাতের ফেনা প্রভূতিতে ভিটামিন বি ৬ থাকে।
কাজ এই ভিটামিন সর্তকা জাতীয় জাতীয় খাদ্য আমিষ জাতীয় খাদ্য ও চর্বি জাতীয় খাদ্য বিপাক ক্রিয়ার সাহায্য করে
অভাবজনিত লক্ষণ স্নায়ু দুর্বলতা বৃদ্ধি ঠিকমত না হওয়ার। ওজন হ্রাস পাওয়ার ক্রোধ বৃদ্ধি হওয়া।  গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়ার জনন ক্ষমতা কমে যাওয়া হজমের গোলমাল চর্মরোগ দেখা দেওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রবেশ পায়।

ভিটামিন বি বা সায়ানোকোবালামিন (Cyanocobalamin) 

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন খাদ্য কমপক্ষে ৩ মিগ্ৰা একজন গর্ভবতী মহিলার প্রত্যেকদিন খাদ্য কমপক্ষে ১০-১২ মিগ্ৰা এই ভিটামিন থাকা প্রয়োজন।
উৎস সবুজ শাকসব্জ সব রকমের ফলমূল মাছ মাংস ডিম দুধ ঘি প্রভৃতি ভিটামিন বি১২ যথেষ্ট পরিমাণে থাকে।
কাজ রক্তের গ্লুকোজ অর্থাৎ শর্করার স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করার রক্তের লোহিত রক্তকণিকা বৃদ্ধিতে সাহায্য করা প্রভৃতি ভিটামিন বি১২ এর কাজ।
অভাবজনিত রক্তেল্পতা স্নায়ুর দুর্বলতা অপুষ্টি লক্ষণ রক্তের শর্করা বৃদ্ধির পাওয়ার প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

Vitamin C Health And Medicine Trips Bangla ভিটামিন সি

 

ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড(Ascorbic Acid)

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রত্যেকদিন কমপক্ষে ১০০ মিগ্ৰা ভিটামিন সি গ্ৰহন করা প্রয়োজন।
উৎস মাছ মাংস দুধ প্রভৃতি সামান্য পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। তবে স্তনদুগ্ধে যথেষ্ট পরিমাণে এই ভিটামিন থাকে। এই ভিটামিনের প্রধান উৎস গুলি হল বিভিন্ন প্রকার সবজির যেমন বাঁধাকপি পালং শাক ফুলকপি লেটুস বীন বটবডি কাঁচা লঙ্কা বিভিন্ন ফলমূল যেমন কমলালেবু মুসুম্বী লেবু আনারস আপেল আম পেয়ারা কলা আমলকী আখ তরমুজ টমেটো আঙ্গুর পেঁপে শসা পিঁয়াজ ভিজে ছোলা প্রভূতি। ভিটামিন সি অধিক তাপে নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্নার সময় ঢাকনা দেয়ার পাত্রে স্বল্প তাপে এই সকল খাদ্যবস্তু রান্না করতে হবে
কাজ শর্করা জাতীয় খাদ্য বিপাক ক্রিয়ার  সাহায্য করা রক্তের লোহিত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি করা আগ্ন্যাশয়ের ইনস্যুলিন উৎপাদনের সাহায্যে করা হাড় তরুণাস্থি দাঁত মাড়ি প্রভূতির স্বাভাবিক গঠন ও কার্যকারিতা বজায় রাখার প্রভৃতি ভিটামিন সি এর কাজ।
অভাবজনিত লক্ষণ স্কর্ভিরোজ ভিটামিন সি এর অভাবে হয়। শিশুদের দাঁত ও হাড়ের গঠন বিকৃতি হয়। মাড়ির স্পঞ্জের মত হয়। মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হয়। ওজন হ্রাস পাওয়া মেজাজ খিটখিটে হওয়া, রক্তল্পতা দেখা দেওয়ার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ

নেয়া উচিত। 

Health And Medicine Trips Bangla Vitamin A ভিটামিন এ এর কাজ কী


ভিটামিন এ দুই প্রকারের যথা ভিটামিন এ১ বা রেটিনল এবং ভিটামিন এ২ ডিহাইড্রোরেটিনল। এই ভিটামিন মানব শরীরে প্রত্যক্ষ হাজার থেকে বারোশো মাইক্রোগ্রাম গ্রহণ করা আবশ্যক।

উৎস ডিম বিভিন্ন প্রকার মাছ মাছের তেল পাঁঠার মেটুলি খাসি ও ভেড়ার মাংস এবং চর্বির দুধ মাখন গাজর টমেটো ও পালংশাক পাকা হলুদ ফল রাঙা আলু নোটেশাক মটরশুঁটি লাউ পেঁপে সিম পাকা আম সবুজ শাক সবজি। এই ভিটামিন বেশি তাপে নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্নার সময় ঢাকা দেয়ার পাত্রে রেখে রান্না করতে হবে

কাজ মানব দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি ঘটেনো স্নায়ুর কর্ম ক্ষমতা বজায় রাখা চোখ কান স্বাসয়ন্ত্রের মূধ্ন্ত্র প্রভৃতি রোগ সংক্রমিত প্রতিরোধ করা শরীরে সমস্ত অংশের  মিউকাস মেমব্রেন অর্থাৎ শ্লৈস্মিক ঝিল্লীর স্বাভাবিক সংক্রয়তা বজায় রাখার প্রভৃতি ভিটামিন এ র কাজ।

অভাবজনিত লক্ষণ রাতকানা জিরপথ্যালিয়াম চক্ষুর ছানি দেহত্বক ও শুষ্ক ও খসখসে হওয়াকে বৃক্কীয় পাথুরী (Kidney stone) সৃষ্টি হওয়ার স্বাভাবিক বৃদ্ধি না হওয়ার প্রভৃতির রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়।

এই ভিটামিন গ্রহণ বেশি হয়ে গেলে গা বমি ভাব মাথা যন্ত্রণা ঘুম ভাব চুল ওঠা ত্বকের ক্ষয় হঠাৎ ওজন হ্রাস পাওয়া চোখের ক্ষত আকারের রক্তক্ষরণ প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায়।





How To Use Burn Uses In Bangali আগুনে পোড়া রোগের বিবরণ রোগের কারণ

রোগের বিবরণ

তাপ, রাসায়নিক পদার্থ, অন্যান দাহ্য বস্তুর দ্বারা ত্বককলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কে Burn বা পোড়া বলা হয়। পোড়া ঘাকে তিনটে ভাগে ভাগ করা যায়। First degree burn অর্থাৎ বাইরের স্তর ও উপচর্ম অর্থাৎ এপিডারমিস তাপের সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াকে। Second degree burns অর্থাৎ চামড়ার স্তরে অর্থাৎ Dermis ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ফোসকা পড়ে।Third degree burns অর্থাৎ সমস্ত ত্বক পুড়ে নষ্ট হয়ে যায় এবং ত্বকের নিচে রক্তজালকগুলি ও সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় 

আক্রান্ত তন্ত্

ত্বক ও বহিঃক্ষরা গ্রন্থি আক্রান্ত হয়।

রোগের লক্ষণ

1 St Degree burn এর ক্ষেত্রে চামড়া লালভ হয় এবং শক্ত হয়ে ফুলে ওঠে। 
2nd Degree burns এর ক্ষেত্রে চামড়া লাল হয় জলপূণর ফোসকা পড়ে। চামড়া ফুলে শক্ত ভাব হয়।
3rd Degree burns এর ক্ষেত্রে উপরের ত্বক উঠে চলে যায় অর্থাৎ ঝলসানো চামড়া নিচের স্তর দেখা যায়। Secondary infection হলে ক্ষতের সৃষ্টি হয়।

চিকিৎসা বড় দের জন্য 

1 St Degree burn এর ক্ষেত্রে চিকিৎসা বাড়িতে সম্ভব।
2nd  degree burns  3 rd degree burns এর ক্ষেত্রে রোগীকে অবশ্যই হাসপাতালে পাঠাতে হবে
১ সামান্য পোড়ার চিকিৎসা নিম্ন রূপ করতে হবে
২ প্রথম আগূন পড়ার জায়গাগুলিতে ২% জেনসিয়াম ভায়োলেট লোশন লাগাতে হবে। তারপরে ওই অংশ সুইতে গেলে নিচের যেকোনো একটি মলম লাগাতে হবে
১ Silverex Cream( সিলভারেক্স ক্রিম)
প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার আক্রান্ত অংশ লাগাতে হবে
২ Furacin Cream( ফুরাসিন ক্রিম)
প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার আক্রান্ত অংশে লাগাতে হবে
২ যেকোনো একটি জীবাণু নাশক ঔষধ দিতে হবে
১ Cap Ampoxin- 500 mg ( ক্যাপসুল অ‍্যাম্পক্সিন ৫০০মিগ্রা)
১ টি করে দিনে ৩ বার ৫ থেকে ১০ দিন খেতে হবে

এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত। 

How to use Ranitidine Tablets Uses in Bangali

ইহা  একটি পৌষ্টিক তন্ত্রের  ক্ষত নিরাময়কারী ঔষধ।ইহা প‍্রদাহিত স্থানে শরীরের  প্রতিক্রিয়া পদার্থকে  Histamine 

বাধাদানকারী হাইড্রেজেন গ্রাহী গ্রুপের পদার্থ। ইহা পাকস্থলীর  অ‍্যাসিড ক্ষরণে বাধাদান করে। তব ইহা অগ্ন‍্যাশয় বা যকৃত রসের ক্ষরণকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না 

ব‍্যবহার 

পেপটিক আলসার  অর্থাৎ ডিওডেনামের ক্ষত পাকস্থলীর ক্ষত অন্ননালীর প্রদাহ আলসার ছাড়াই পেটফাঁপা জোলিনজার  এলিশন  সিনড্রোম প্রভতিতে ব‍্যবহার করা হয়  আন্ত্রিক রক্তক্ষরণে এই ঔষধের ব‍্যবহার করা  হয় 

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

মাথার যন্ত্রণা ঝিমুনিভাব অনিদ্রা মাথাঘোরা চর্মে উদ্ভেব  প্রভৃতি শতকরা 2 থেকে 3 জন রোগীর হতে পারে। এছাড়া পাতলা মল মূত্র ভাব ক্ষুধামন্দা প্রভৃতি হতে পারে। 
সমস্যা হলে  ডাক্তার বাবু পরামর্শ করুন 

সাবধানতা 

পাকস্থলীর  ক‍্যানসার রোগের ব‍্যবহার নিষিদ্ধ। গর্ভাবস্থায় স্তন‍্যদান কালে  মহিলাদের ব‍্যবহার নিষিদ্ধ। শিশুদের  এই ঔষধ ব‍্যবহার  চলবে  না। মূএপীড়ায়  উচ্চমাত্রায় ব‍্যবহার নিষিদ্ধ 

ঔষধের ব্র‍্যাণ্ডনেম

Aciloc Histac R-loc

এই পোস্টটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর পরামর্শ নেবেন। 
ধন্যবাদ। 

Cataract Medical Adjuvant Treatment Health And Medicine Trips Bangla চোখের ছানি চিকিৎসা আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

রোগের  বিবরণ 

চোখের লেন্স অস্বচ্ছ হয়ে যাওয়ার ফলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হওয়ার বা একেবারে নষ্ট হওয়াকে চক্ষুর ছানি রোগ বলা হয়

আক্রান্ত তন্তু 

স্নায়ুতন্ত্রে এই রোগের দ্বারায় আক্রান্ত হয়
 আক্রমণের বয়স 40 থেকে 80 বছরের মধ্যে এই রোগ হতে দেখা যায়
আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষ ও মহিলা সমানভাবে এই রোগ আক্রান্ত হয়

রোগের কারণ

 বাদ্ধক‍্যই এই রোগের প্রধান কারণ। বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের বায়ে কেমিক্যাল ও অসমোটিক ব্যালেন্স অর্থাৎ ভারসাম্য নষ্ট হয় ফলে এই রোগ হয় স্টেরয়েড  জাতীয় ঔষধ এর অত্যাধিক ব্যবহার ভিটামিনের অভাবে অপুষ্টিতে ভোগা প্রভুতি এই রোগ সৃষ্টির সহায়ক

রোগের লক্ষণ

১ প্রথমে রাতে দেখতে অসুবিধা হয়।ক্রমশঃ দিনের আলোতে ও দেখতে না পাওয়ার এই রোগের লক্ষণ।
২  চোখের উপরে এবং লেন্সের উপর স্বচ্ছ পড়তে দেখা যায়
৩   এই রোগ একটি অথবা দুইটি চোখই আক্রান্ত হতে পারে

চিকিৎসা

চক্ষু রোগ ডাক্তারবাবু ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে হবে। 
এই ঔষধ গুলি ব্যবহার করলে কিছুটা ফল পাওয়া যায়
১ ‌‌‌‌ Catalina Eye Drops ( ক্যাটালিন আই ড্রপস)
১ থেকে ২ ফোঁটা করে আক্রান্ত চোখে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা অন্তর ব্যবহার করতে হবে ৪ থেকে ৬ মাস
 Cap Antoxid ( ক্যাপসুল অ‍্যানটক্সিড ) ১করে দিনে ১ থেকে ২ বার ২ থেকে ৩ সপ্তাহ খেতে হবে খেতে হবে

  অনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

 সহজপাচ‍্য অথবা পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে। টক জাতীয় খাদ্য খাওয়া নিষিদ্ধ। স্টরয়েড ঔষধের এ ব্যবহার নিষিদ্ধ। অপারেশনের পর ডাক্তারবাবু ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ অনুযায়ী চশমা ব্যবহার করতে হয়।

Pediculosis Description Of The Diseases Causes Of The Diseases Health And Medicine Trips Bangla উকুন রোগের বিবরণ রোগের কারণ

 
রোগের বিবরণ

মানবদেহের বিভিন্ন স্থানে উকুন (Lice) নামক পরাশ্রয়ী  ক্ষুদ্র কিটের আক্রমণজনিত লক্ষণসমূহ কে পেডিকিউলো সিস বলা হয়

আক্রান্ত তন্ত 

ত্বকের এই রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স যে কোন বয়সেই হতে পারে।
আক্রমণের লিঙ্গ পুরুষের তুলনায় মহিলাদের এই রোগে অধিক আক্রান্ত হন

রোগের কারণ

মানুষের শরীরে তিন ধরনের উকুন হয়
প্রথম প্রকার হলো মাথার উকুন বা( pediculus humans capitis, যা দেখতে তামাকে রঙের। এই উকুন আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকা বা এক বালিশে শয়ন করা বা এক চিরুনিতে চুল আঁচড়ালে প্রকৃতি মাধ্যমে সুস্থ ব্যক্তির দেহে আসে । এইবে যদি একটি গর্ভিনী উকুন সুস্থ ব্যক্তির মাথায় আসে তা থেকে ১০০ টির ও বেশি ডিম প্রবেশ হয় থাকে এই ডিমকে বলা হয় নিকি ( nits) এই নিকি ৭ থেকে ১০ দিন পর ফুটে নতুন উকুনের জন্ম দেয়।এইভাবে এরা বংশবিস্তার করে।
দ্বিতীয় প্রকার হলো দেহের উকুন বা ( pediculus humans corporis) যা দেখতে সাদাটে রঙের।এরা সাধারণত পোশাকে থাকে এবং খাবার সময় মানুষের শরীরে আসে। পোশাক পরিচ্ছন্ন বদল বা আক্রান্ত ব্যক্তির বিছানায় শয়নে মাধ্যমে এই উকুন সুস্থ ব্যক্তির পোশাকে চলে আসে
তৃতীয় প্রকার হলো পেডিকিউলাস পিউবিস ( pediculus pubis) বা phthirus pubis, যা দেখতে চকোলেটের রঙের । এরা বিট প্রদেশের লোম বগল গোঁফ দাড়ি চোখের পাতা প্রভূতি অংশে থাকে। এরা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে  বিস্তার লাভ করে।

রোগের লক্ষণ

১মাথার উকুন মাতার চাঁদিতে কামড়ায় ফলে মাতা চুলকায় মাথার চাঁদিতে ঘাও হতে পারে। চিরুনি ব্যবহারের পর লক্ষ্য করলে তাতে উকুন দেখা যাবে। তবে নিকি কোনভাবেই তোলা যায় না সেগুলি চুলের গায়ে লেগে থাকতে দেখা যায়।
২ গায়ের উকুন গায়ে কামড়ালে গা চুলকায় এবং ছোট ছোট উদ্ভিদ বের হয়।
৩ বিটপদেশে বা বগলের  উকুনেও সর্বদা সুরসুরি করা বা কামড়ানোর ভাব লক্ষ্য করা হয়। এই উকুন আবাস ছাড়াও ১০ দিন পর্যন্ত বাঁচে।

চিকিৎসা 

১ চোখের পাতায় উকুন ছাড়া বাকি সকল স্থানে উকুনের চিকিৎসা করা নিম্নরূপ
Scarab Lotion ( স্ক‍্যারাব লোশন ) 
অথবা Gab Lotion ( গ‍্যাব লোশন )
এই ঔষধ গুলি মাতা বা অন্যান্য আক্রান্ত অংশে ভালোভাবে লাগাতে হবে এবং সেই অংশের কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখতে হবে যাতে উকুন বাইরে অন্যএ আশ্রয় না নিতে পারে। ১০ থেকে ১২ ঘন্টা পর সাবান বা শ্যাম্পু ব্যবহার করে ভালোভাবে স্নান করে ফেলতে হবে। এবং সরু চিরুনি ব্যবহার করে সমস্ত উকুন মাথা থেকে বের করে ফেলতে হবে
প্রথম চিকিৎসা ১ সপ্তার পর পুনরায় একদিন  ঐ ঔষধ একইভাবে ব্যবহার করতে হবে কারণ ঐ সময়ের মধ্যে নিকিগুলি ফুটে বাচ্চা বের হয় তাই সেগুলিকে ধ্বংস করতে পুনরায় লোশন ব্যবহার অপরিহার্য নচেৎ চিকিৎসা বিফলে যাবে
২ চোখের পাতায় বা  ভ্রুতে উকুন থাকলে(  petrolatum jelly) পেট্রোলেটাম জেলি অর্থাৎ ভ্যাসেলিন লাগাতে উকুনগুলি শ্বাস রুদ্ধ  হয়ে মারা যায় নিকি গুলিকে নষ্ট করতে এই ব্যবহারের দিনে 2 থেকে 3বার 7 থেকে 10 দিন চালাতে চালানো উচিত
এর সাথে যদি সংগ্রহ করা যায় তাহলে (হাইড্রাগ  অক্সিডাম ফ্লেভাম ) মিশে নিলে ভালো ফল পাওয়া যায়

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

নিয়মিত পোশাক পরিচ্ছন্ন বিছানা পত্র প্রথমে D D T পাওডার মিশ্রিত জলে ভিজিয়ে পরে ডিটারজেন্ট পাউডার দ্বারা কাচতে হবে।
মাতায় নিয়মিত শ্যাম্পু সাবান  ও তেল প্রভৃতি ব‍্যবহার করতে উকুনের পুনরাক্রমণ ঘটে না। ছোট করে চুল কাটা এবং তিন থেকে চার বার ভালো চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ালে উকুন হয় না উকুন  কামড়ানোর ফলে চর্মে ক্ষতের  এর সৃষ্টি হয় জীবাণুর নাশক ঔষধ ব্যবহার করা চলবে। 

Diseases Of Teeth Health And Medicine Trips Bangla দাঁতের রোগ রোগের বিবরণ রোগের কারণ চিকিৎসা

রোগের বিবরণ

দাঁতের এনামেল ডেন্টিন টুথপাল্প মাড়ি প্রভূতি অংশ বিভিন্ন কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত বা প্রদাহিত হতে থাকাকেই দাঁতের রোগ বলা হয়।

রোগের কারণ

ক্যালসিয়াম ফসফরাস ভিটামিন সিট প্রভৃতির অভাব ঠান্ডা লাগা দাঁতের ফাঁকে ময়লা জমা অতিরিক্ত ডিটারজেন্ট যুক্ত মাজন ব্যবহার বীজাণু সংক্রমনের প্রভৃতি বিভিন্ন কারণে দাঁতের রোগ হয়।

রোগের লক্ষণ

১ দাঁতের গোড়া ফুলে ওঠা এবং ব্যাথা হয় চাপ দিলে আরাম বোধ হয়
২ দাঁতের গোড়ায় পুচ জমা তথ্যসহ প্রচন্ড প্রদান হতে থাকে
৩ দাঁতের গোড়া দিয়ে রক্ত বের হয় মুখে দুর্গন্ধ বের হয়
৪ দাঁতের গোড়ায় ঘা হয় ঠান্ডা পানি খেলে দাঁত কনকন করে
৫ দাঁত ক্ষয়ে যায় এবং মাঝে বরাবর গর্ত হয়ে যায়

চিকিৎসা

১ দাঁতের গোড়ায় ফোলা ও যন্ত্রণা হতে থাক
 cap Ampoxin 500 mg ( ক্যাপসুল অ‍্যাম্পক্সিন ৫০০ মিগ্রা
১ করে দিনে ৩ বার ৫ দিন খেতে হবে
অথবা Cap Hipenox 500 mg (  ক্যাপসুল হাইপেনক্স ৫০০মিগ্রা 
 ১ টি করে দিনে ৩ বার ৫ দিন খেতে হবে
২ গোড়া খুব ফুলে গেলে গরম জলে কুলি করতে হবে। পেকে গেলে ফোড়া কেটে পুজ রক্ত বার করে দিতে হবে দাঁতের ক্ষয় খুব বেশি হলে গেলে  দাঁত তুলে ফেলতে হয়। ক্ষয় সামান্য হলে ভালো ডেন্টিস্ট দিয়ে শীল করে নেওয়া যায়
৩ দাঁতের গোড়া থেকে রক্তপাত হলে নিচে যে কোন মাজন দিয়ে দাঁত মাজতে হবে
Descent Toothpaste ( ডিসেন্ট টুথপেস্ট)
অথবা Senolin Toothpaste ( সেনোলিন টুথপেস্ট) 
অথবা Thermosil Toothpaste ( থামোসিল টুথপেস্ট)
এগুলি ১ থেকে ২ সেমি পরিমাণে নিয়ে আঙ্গুল দিয়ে অথবা সফট ব্রাশ দিয়ে ধীরে ধীরে দাঁত মাজতে হবে ২বার
 ৪ জিজ্ঞিভাইটিস Gingivitis এর লক্ষণ থাকলে দিতে হবে
Tab Flagyl 200  mg ( ট্যাবলেট ফ্লাজিল ২০০ মিগ্ৰা)
১ টি করে দিনে ৩ বার ৪ দিন খেতে হবে

অনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

ভিটামিন জাতীয় খাদ্য অধিক পরিমাণে খেতে হবে শতকরা জাতীয় খাদ্য কম খেতে হবে প্রতিবার খাবার খাওয়ার পর ভালোভাবে মুখ ধুতে হবে পেয়ারা পাতা নুন ও জল ফুটে কুলি করলে দাঁতের রোগের উপকার হয় আবোল তাবোল মাজন ব্যবহার কর উচিত নয়। মাজনের অভাবে সরিষার তেল নুন ও ফেরেন্ডার আটা এক্ষেত্রে মিশে দাঁত মজাই ভালো।
আপনার ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন

Versicolor Skin Care Trips Bangla Health And Medicine ছুলি রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ

রোগের বিবরণ 

চর্মে ছত্রাক আক্রান্তমণ জনিত  করণে সাদা বা বাদামি ছোপ পড়তে থাকে এবং এগুলো  সংখ্যায় অনেক হয় এদের ছুলি বলা হয় 

আক্রান্ত তন্ত্র

ত্বক ও বহিঃক্ষরা গ্রন্থি এই রোগের দ্ধারা আক্রান্ত হয় 

আক্রমণের বয়স 

১৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যেই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায় 

আক্রান্ত লিঙ্গ 

মহিলা ও পুরুষদের প্রায় সমান ভাবেই এই রোগ হতে দেখা যায় 

রোগের কারণ 

আক্রান্ত রোগীর পোষাক পরিচছদ ব‍্যবহার সহ তার সংস্পর্শে থাকলে এই রোগ হয়। pityrosporon Orbiculare  ( পিটিরোস্পোরন অরবিকুলারি )নামক ছত্রাক যাকে আগে ম‍্যালাস‍্যেজিয়া ফারফার Malassezia furfur  বলা হত তার আক্রমণের এই রোগ হয়। তাই একে পিটিরিয়াসিস ভারসিকলার  (pityriasis versicolor) ও বলা হয় 

রোগের লক্ষণ

১ এই রোগে সাধারণত  বুকে পেট পিঠ কাঁধ বাহুর উপরের অংশ ঘাড় মুখমণ্ডল প্রভৃতি অংশে চামড়ার সাদা সাদা ছোপ পড়ে।কখনো হলুদ বা বাদামি ছোপও হয় 
২ এই ছোপ গ্রীষ্মকালে অধিক হতে দেখা যায় 
৩  ঘাম লাগলে এই ছোপগুলি হালকা আঁশ যুক্ত হয়  এবং  ত্বককে কু্ৎসিত করে দেয় 

চিকিৎসা 

1 Karpin Lotion (কারপিন লোশন )
প্রথমে ১ নং শিশির ঔষধ লাগাতে হবে ২ মিনিট পর তার উপরেই ২নং শিশির  ঔষধ লাগাতে হবে প্রতিদিন ২বার এভাবে লাগাতে হবে ২ সপ্তাহ যাবৎ 
2 অথবা Candid Lotion( ক‍্যানডিড লোশন ) 
প্রত্যহ ৩ বার করে 2 থেকে ৩ সপ্তাহ আক্রান্ত অংশে  লাগাতে হবে 
১ ক্রনিক হয়ে গেলে বা বহু পুরোনো রোগে নিচের ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে 
1 Funginoc Shampoo ( ফাঙ্গিনক  শ‍্যামপু 
প্রত‍্যহ ১ থেকে ২ বার আক্রান্ত অংশে লাগাতে হবে ১ মাস 

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১ সাবান ব‍্যবহার নিষিদ্ধ। সরিষার তেল নিয়মিত মাখলে রোগ প্রতিরোধ সহজসাধ‍্য হয় 
২কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখার ব‍্যবস্থা করতে হবে। সহজপাচ‍্য ও পুষ্টিকর খাদ‍্য খেতে হবে 
৩ প্রতিদিন পোষাক পরিচ্ছদ পরিষ্কার করতে হবে 
৪ পোষাক পরিচ্ছদ সূতীর হওয়া বাঞ্ছনীয়। 

Enema Health And Medicine Trips Bangla (ডুস দেওয়ার পদ্ধতি )

 


ডুস দেওয়ার জন‍্য ডুস রাবার টিউব এবং ক‍্যাথিটার ও নজর  এর প্রয়োজন হয়। এর মাধ‍্যমে কোষ্ঠকাঠিন‍্য রোগীর বাওয়েল ওয়াশ মহিলাদের জরায়ু  ওয়াশ প্রভৃতি করা হয় 

প্রথমে যন্ত্রপাতি সমূহ গরম জলে ভালভাবে ধুয়ে নিতে হবে। তারপর ডুস ক‍্যানটি ঈষদুষ্ণ জলে পূর্ণ করে কোনো  উঁচু জায়গায় ঝুলেয়ে দিতে হবে। ঐ জলে প্রয়োজন অনুযায়ী পটাশিয়াম পারম‍্যাঙ্গনের  বা অ‍্যাণ্টিসেপটিক লোশন বা অন‍্যান‍্য ঔষধ মেশানো হয়। জরায়ু ধৌত করার জন্য  ডুস দিলে  একটি ক‍্যাথিটার যোনি মধ্যে প্রবেশ করাতে হবে। রোগীকে নিচের চিত্রে ন‍্যায় শুইয়ে ঐ ক‍্যাথিটারে  প্রবেশ করাতে হবে।এরপর একটি রাবার নল উপরে ডুস ক‍্যানে এবং নিচে ক‍্যাথিটারে সংযুক্ত করতে হয়।ডুস ক‍্যানের স্টপকক খুলে তার মধ‍্যস্থিত তরলের প্রবাহ চালু করলে ঐ তরল যোনিপথে প্রবেশ  করে এবং  তা জরায়ুতে চলে যায়। পরে প্রবাহ বন্ধ করে ক‍্যাথিটার বার করে নিলে তরল জরায়ু ওয়াশ করে বার হয়ে আসবে।

জরায়ু ওয়াশ করার প্রয়োজন হয় গর্ভপাত হবার পর প্রসবের পর গর্ভফুল ঠিকমত নির্গত না হলে জরায়ুতে ঘা ব পূঁজ  হলে প্রসবের পর জরায়ু ও যোনিমধ্যে বীজাণু দূষণ হলে লিউকোরিয়া বা শ্বেত প্রদরে দীর্ঘ দিন ভূগলে। 

মলদ্বারে ডুস দিয়ে পায়খানা করাতে হলে ডুস ক‍্যানে হালকা  গরম জল নিতে হয় তাতে গ্লিসারিন অথবা সাবান জল   মেশাতে হয়। রোগীর মলদ্বারে নলটি 2-3 ইঞ্চি প্রবেশ করিয়ে ডুস ক‍্যানের ষ্টপকক  খুলে তরলের প্রবাহ চালু  করতে হবে।


সমস্ত তরল মলাশয়ে  যাওয়ার পর তা খুলে নিতে হবে এবং রোগীকে পা মুড়ে মলদ্বার রুদ্ধ করে শুয়ে থাকতে দিতে হবে। এরপর মলত্যাগের বেগ বাড়লে মলত্যাগ করতে হবে। এভাবে 2-3 দিন করলে কোষ্ঠকাঠিন‍্য সেরে যায় 


Bronchial Carcinoma Description Of The Diseases Affected System ফুসফুসের ক‍্যানসাররোগের বিবরণ, আক্রান্ত তন্ত্র, আক্রান্ত লিঙ্গ, রোগের লক্ণ ইত্যাদি

 
রোগের বিবরণ 

কোষের বৃদ্ধিকে মালিগন‍্যাণ্ট গ্রোথ বলা হয়। ফুসফুসীয় কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ফুসফুসের ক‍্যানসার বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র

ফুসফুস তন্ত্র এই রোগ আক্রান্ত হয়।

রোগ আক্রমণের  বয়স 

50 থেকে 70 বছর বয়সের মধ্যে  এই রোগ বেশি হতে দেখা য়ায়।

আক্রান্ত লিঙ্গ 

স্ত্রী লোক অপেক্ষা পুরুষরাই এই রোগের  অধিক আক্রান্ত হয়। তার মধ্যে ধূমপায়িরাই বেশি আক্রান্ত হয়।

রোগের কারণ  

অধিকাংশ ব‍্যক্তির ধূমপান জনিত কারণে হয় বলেন ধরা হয়। শ্বাসের সাথে পরিবেশ থেকে আগত বিষাক্ত পদার্থ ফুসফুসের জমা হওয়া। ঈথার আর্সেনিক তেজস্ক্রিয় পদার্থ প্রভৃতির প্রভাব  ইত্যাদি থেকে ও এই রোগ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। সঠিক করণ অজানা 

রোগের লক্ষণ 

১ কাশি  বেশির ভাগ ক্ষেএেই শুকনো হয় সামান্য কফ থাকতে পারে  

২ শ্বাসের গতি কম হয় 

৩ কাশির সময় রক্ত ওঠা কফের সাথে রক্ত থাকা মাঝে মাঝে  কাশির সময়ে এই  যে রক্ত পাত হয় ক্রমশ  তা বাড়িতে থাকে শেষে রক্ত পাত খুব বেড়ে  তখন কোন রক্তপাত নিবারণকারী  ঔষধ দিলেও রক্তপাত বন্ধ হয় না 
৪ বুকে ব‍্যাথা ও যন্ত্রণা হতে থাকে 
৫ গলার স্বর বসে যায় 
৬ বুকে সাঁই সাঁই ঘড়ঘড় করে শব্দ হয় 
৭ প্লুরিসি হতে পারে। তার জন্যে বুকে ভার বোধ লাগে 
৮ ওজন হ্রাস পায়। 
৯ ক্ষুধামন্দা থাকে 
১০ জরভাবহতে  পারে
১১ রক্ত ল্পতা হতে পারে

চিকিৎসা 

1 রোগেকে অবশ্যই কোন হাসপাতালে ভর্তি করে দিতে হবে রাশ্মি চিকিৎসা Radiation Therapy চালাতে হবে।
Capsule Etosid-100 mg (ক‍্যাপসুল এটোসিড 100 মিগ্রা )
১ টি করে দিনে  ৪ বার ৫দিন  মাঝে ৩ সপ্তাহ বন্ধ দিতে পুনরায় ৫দিন  এভাবে কিছু দিন চালাতে হবে 

আনুষঙ্গিক  চিকিৎসা 

রোগীকে বিশ্রামে এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত অবস্থায় থাকতে হবে। নিয়মিত সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে বা স্বাস্থ‍্যকেন্দ্রে পরীক্ষা করতে হবে। খাওয়া দাওয়া স্বাভাবিক ভাবে চলবে তাতে কোন অসুবিধে নেই 

Cold Cough Fever Description Of The Diseases The Affected System Causes The Diseases সর্দি কাশি জ্বর রোগের বিবরণ আক্রান্ত তন্ত্র রোগের কারণ

 
রোগের বিবরণ 

শ্বাসযন্ত্রে অর্থাৎ  নাসিকাঝিল্ল সাইনাস গলবিল ফুসফুস প্রভৃতি অংশ বীজাণূ দূষণ হয়ে তরল বা গাঢ্ সর্দিস্রাব সর্দি বসে কাশি এবং জ্বর প্রভৃতি হওয়াকে সাধারণ সর্দি জ্বর ও কাশি বলা হয় 

আক্রান্ত  তন্ত্র

শ্বাস তন্ত্র আক্রান্ত হয় 

আক্রমণের বয়স 

সব বয়সেই এই রোগ হতে পারে 

রোগক্রমণের কারণ  

ঠান্ডা লাগা জলে ভেজা ঠান্ডা বাতাস লাগা ঘাম বন্ধ হওয়া  থেকে সর্দি কাশি  জ্বর হয়। বিভিন্ন প্রকার রোগজীবাণু  শরীরের প্রবেশ করার  পর তা শ্বাসযন্ত্রের বিভিন্ন অংশ  এবং তাদের কোষ সমূহকে আক্রমণ করে ঐ সকল কোষ হতে জলভাব নিঃসরণ হয় যা নাক 
দিয়ে ঝরে বা ফুসফুসে জমে যায়। ও বিভিন্ন উপসর্গের সৃষ্টি করে 

রোগের জীবাণু 

স্ট্রেপটাকক্কাস স্ট‍্যফাইলোকক্কাস প্রভৃতি বীজাণুর আক্রমণের এই রোগ হয় 

রোগের লক্ষণ 

জীবাণু শরীরের  প্রবেশের কয়েক দিনের  মধ্যেই  গা হাত ও পা ম‍্যাজ ম‍্যাজ করা.মাথার  যন্ত্রণা প্রভৃতি সহ সামান্য 
জ্বরের সৃষ্টি হয়। হাঁচি হতে থাকে নাক দিয়ে কাঁচা সর্দি অর্থাৎ জলের  মত সর্দি বের হতে থাকে। গা হাত 
ও পায়ে কামড়ানি শুরু হয় জ্বর বাড়িতে থাকে গ্রন্থিতে ব‍্যাথা বুকে সামান্য কাশি প্রভৃতি হতে থাকে
ডাক্তার বাবু সঙ্গে পরামর্শ  করুণ।

চিকিৎসা  বড়ো দের জন্য 

নাক দিয়ে তরল সর্দি  স্রাব চোখ মুখ লাল হয়ে জল ঝরা জ্বরে মাথার যন্ত্রণা নাক সেঁটে ধরা 
Tablets  flucold ( ফ্লুকো লড়
1 টি করে দিনে 3 বার 3দিন খেতে হবে 
 অথবা Tablets  Febrex plus / ট‍্যাবলেট ফেবরেক্স
1টি করে দিনে 3 বার 3 বার খেতে হবে 

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

ঠান্ডা  লাগনো সম্পরূর্ণ নিষিদ্ধ। রোগীকে শুকনো এবং আলো বাতাস পূর্ণ ঘরে রাখতে হবে। ঈষদুষ্ণ জলে স্নান  উপকারী।
খাদ্য বস্তু  গরম হওয়াই ভাল দুপুরে সুসিদ্ধ ভাত শাক সবজি ডিম দুধ ঘি মাখন প্রভৃতি খেতে দেওয়া যাবে।  এছাড়া আপেল পেয়ার বেদানা প্রভৃতি ফলে রস রুটি পরটা সুজি ছানা  প্রভৃতিও খেতে দেওয়া চলবে।
এছাড়া ও ডাক্তার বাবু সঙ্গে পরামর্শ করুন 

Anti Allerics Use Dimension Side Effects অ‍্যালার্জির ঔষধসমূহ

 

অ‍্যান্টি অ‍্যলার্জির ঔষধ  বহু আছে। এখানে নতুন ও বহুল প্রচলিত ঔষধ সম্বন্ধে  আলোচনা  করা  হচ্ছে 

সেট্রিজাইন  Cetrizine

ইহা একটি  অতসক্রিয়  অ‍্যান্টি অ‍্যালার্জির ঔষধ। ইহা (H.receptor  ) অর্থাৎ  হাইড্রোজেন  গ্রাহী  গ্রুপের ঔষধ।
অ‍্যাস্টেমিজোন।  টারফেনাডিন প্রভৃতি অ‍্যান্টি অ‍্যালার্জিদের চেয়ে অনেক নিরাপদ  এবং কর্মক্ষম। ইহা পৌস্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণ রুপে  শোষিত হয় 

ব‍্যবহার 

অ‍্যালার্জিঘটিত নাসিকা  প্রদাহ নাসিকা স্রাব চক্ষুর  লালাভ  ভাব অশ্রুস্রাব অ‍্যলার্জিক কনজাংটিভাইটির  আমবাত একজিমা সংস্পর্শজনিত  চর্মরোগ ঔষধের  পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জনিত  চর্মরোগ কীট পতঙ্গের  কামড়
প্রসাধনসামগ্রী ব‍্যবহার খাদ‍্য বস্তু  প্রভৃতি  প্রতিক্রিয়া জনিত চর্মের উদ্ভেদ প্রভৃতিতে ব‍্যবহার করা হয় 

মাএা 

বয়স্কদের 10 মিগ্রা ট‍্যাবলেট দিনে 1  বার মাএ খেতে হয় 

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া  

খুব কমই হয় অল্প সংখ‍্যর রোগের  মাথাধরা ঝিমুনিভাব
ঘুমভাব ক্লান্তি মুখের শুস্কতা পেটের গোলমাল প্রভৃতি হতে পারে

সাবধানতা 

গর্ভবতী মহিলা স্তন‍্যদানকারী মাতা ও 2 বছরের নিচের শিশুদের  ব‍্যবহার নিষিদ্ধ। অতিবৃদ্ধদের ব‍্যবহার করা  উচিৎ হবে না। এই রোগের জন্য  ডাক্তার বাবু সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে 

ঔষধের ব্র‍্যান্ডনেম

alday cetzine cetiriz ইত্যাদি 

Diverticulosis Cause Of Diseases Description Of Diseases ডাইভারটিকিউলোসিস রোগের বিবরণ. আক্রমণের বয়স.আক্রন্ত.ইত‍্যাদি

 
রোগের বিবরণ 

বৃহদান্ত্র ও কোলন ভেতরের গহর  কমে যাওয়া বৃহদন্ত্রের ও কোলনের গাএের মিউ কাস পেশীর স্তরে  প্রবেশ করে ফলে ঐ গাএ শক্ত  ভাব ধারন করে এর ফলে কোলন  ও
বৃহদন্ত্রের ভেতরের চাপ বৃদ্ধি পায় একে ডাইভারটি কিউলোসিস বলা হয়।তাকে ডাইভারটিকিউলাইটিক বলে 

আক্রান্ত বয়স 

60 থেকে 90 বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। 40 বছরের এই রোগ হয় না বললেই চলে 
পুরুষ ও মহিলা উভয়ের  এই রোগ সমানভাবে হয় 

রোগের কারণ 

বৃহদন্ত্রের ও কোলনের গাএে পেশীর  দুর্বল তা তার ভেতরে  রক্ত বাহের চাপ  বৃদ্ধি  কোলন  ও বৃহদন্ত্রের শক্ত  ও নরম  ভাগ ভাগ হয়ে যাওয়া প্রভৃতি  থেকে  এই রোগের সৃষ্টি হয় 
প্রোটিন কম খাওয়াই  এই রোগের কারণে বলে ধারণা করা  হয় 

রোগের লক্ষণ 

১ বাম শ্রোনী গহুর তে ব‍‍্যাথা যন্ত্রণা  অনুভূতি  হয়
২ খাবার পর ব‍্যাথা যন্ত্রণা  বৃদ্ধি  পায় মলত্যাগ পর  কিছু টা উপশম  ঘটে 
৩ মলত্যাগ অনিয়মিত হয়ে য়ায়।কখনো মারাত্মক কোষ্ঠকাঠিন‍্য কখনো হতে দেখা য়ায়।
৪ যখন তখন পায়খানার বেগ আসে কিন্তু  মলত্যাগ হয় না
৫ মলত্যাগ ছাড়াই রক্ত পাত হতে  পারে 
৬ গা বমি বমি এবং ক্ষুধামন্দা প্রভৃতি হতে দেখা  যায় 

অনুষঙ্গিক ব‍্যবস্থা

রূটি বিস্কুট কেক ফলের রস  শাকসবজি প্রভৃতি খাওয়া ভাল। রোগ ভোগকালীন সময়ে  দুধ সাগু বালির হরলিকস প্রভৃতি  দিতে হবে।
একটু  সুস্থ হলে সুসিদ্ধ ভাত টাটকা চারা পোনার ঝোল  ছানা  দই প্রভৃতি খাওয়া চলবে 
ভাজা ও মশলাদার খাবার নিষিদ্ধ।বারংবার খাওয়া নিষিদ্ধ প্রয়োজন ভালো চিকিৎসাকের পরামর্শ  অপারেশন করতে হবে।

Zerodol p Tablets জিরোডোন পি ট‍্যাবলেট সংক্ষিপ্ত বিবরন.ব‍্যবহার. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া


সংক্ষিপ্ত বিবরন 

জিরোডোল পি ট‍্যাবলেট (Zerodol p tablets ) সংযোগ 
ব‍্যাথা.জ্বর. তন্মমূল. মাথা ব‍্যাথা ঠান্ডা ia কনের ব‍্যাথা
Febrility. দাঁত ব‍্যাথা Cephalalgia আথরালজিয়া অন্য অবস্থায় চিকিৎসার জন্য ব‍্যবহ্নত হয়।

Zerodol p Tablets জিরোডোন পি ট‍্যাবলেট 

সংক্ষিপ্ত বিবরন 


জিরোডোল পি ট‍্যাবলেট zerodol p tablets নিম্নলিখিত সত্রিুয়  উপাদান  রয়েছে Aceclofanac and paracetamol tablets ফর্ম পাওয়া য়ায

জিরোডোল পি ট‍্যাবলেট  Zerodol p tablets ব‍্যবহারসমৃহ. কম্পোজিশন.ডোজ  পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও পর্যালোচনা এই সাথে সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য নিচের 
তালিকাভুক্ত  করা হলো।

ব‍্যবহার

চিকিৎসায় ব‍্যবহ্নত জিরোডোল পি ট‍্যাবলেট  Zerodol p tablets  নিম্নলিখিত  রোগের উপসর্গ প্রতিরোধও করে

দাঁত ব‍্যাথা

জ্বর 

মাথা ব‍্যাথা
কানে ব‍্যাথা
গলা ব‍্যাথা
সংযোগ ব‍্যাথা
পায়ে  ব‍্যাথা
কমরে ব‍্যাথা
তন্তমূল 

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

জিরোডোল পি ট‍্যাবলেট zerodol p tablets এর কম্পােজিশনের ফলে  পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে কিন্তু সবসময়ই নয়। কিন্তু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মারাত্মক হতে পারে
কিন্তু  বিরল  লিখিতভাবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে  আপনার  ডাক্তার সঙ্গে পরামর্শ করুন । বিশেষ করে যদি না যায়।

অসুস্থা অনুভূতি 
মাথা ঘোরা 
পেটে ব‍্যাথা
গ‍্যাস
অম্বল
এলার্জি

লাল লাল ফুসকুড়ি 

Paracetamol প‍্যারাসিটামল এর উপকারিতা কি

Paracetamol প‍্যারাসিটামল এর উপকারিতা কি

হালকা  অ‍্যালেনেজিক হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ জ্বরের চিকিৎসা 

জন্য ব‍্যবহ্নত এবং এটি সর্বধিক ব‍্যবহ্নত ব‍্যাথা রিলিভারে দ্বারা হয়ে থাকে. এটি ব‍্যাথা ও মাথাব‍্যাথা আর্থথ্রিটিস এবং দাঁত ব‍্যাথা করার ক্ষেএে ব‍্যাথা উপশম করতে ব‍্যবহ্নত হয়, এটি জ্বর এর কারণে সৃষ্টি শরীরের ব‍্যাথা হ্রাস পায়,

Paracetamol প‍্যারাসিটামল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের

দুধ খাওয়ানো সময় ঔষধটি ব‍্যবহার করা  নিরাপদ তবে 

বিরল ক্ষেএে ত্বকের ঝাপসা হতে পারে  বমি বমি ভাব পেটে ব‍্যাথা এবং ক্ষুধা হ্রাস।


Paracetamol. প‍্যারাসিটামল বেশি খেলে কী হতে পারে.......

ছবির ক‍্যাপশান শরীরের ব‍্যাথা জন্য সারা বিশ্বের বহুল বাভে ব‍‍্যবহ্নত হয় প‍্যারাসিটামল। উচচ রক্ত চাপের  সামান্য থাকা  যেসব ব‍্যক্তি ড়াক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প‍্যারাসিটামল গ্রহণ করেন তাদের হার্ট  অ‍্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িতে পারে বলে উঠে এসেছে  এই গবেষণায় 

Paracetamol 650.500.খাওয়ার নিয়ম  প‍্যারাসিটামল


প্রাপ্তবয়স্কেরদের জন্য প‍্যারাসিটামল650 এম জি ট‍্যাবলেট

(paracetamol 650.500. mg tablets) জ্বর  এবং  ব‍্যাথা এর সাধারণ ডোজ প্রতি 6 থেকে 8 ঘন্টা  একবার 

প্রতি 4 থেকে 6 ঘন্টা  বা 1000 মিগ ট‍্যাবলেট একবার 

325-650 মিঃ গ্রাঃ ট‍্যাবলেট থাকে 

Heart Attack Life Trips Bangla হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে কি ভাবে বাঁচাবেন


কিছু  গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেব  য়া অবলম্বনে  করে আপনি  হার্ট অ‍্যাটারকের মতো মারাত্মক রোগ থেকে নিজেকে বাঁচতে পারেন সেই  সঙ্গে জেনে নিন কোনো ব্যক্তির হার্ট  অ‍্যাটাক হলে কী করবেন 

হার্ট অ‍্যাটাক হলে কীভাবে বাঁচবার উপায় 

মানসিক চাপের কারণে আজকাল শুধু বয়ঙ্কাই নয় তরুণীর  ও হার্ট অ‍্যাটাক প্রাণ  হারাছেন

তরুণরাই এই বিপজ্জনক রোগের শিকার  হচ্ছেন এই মারাত্মক রোগের হওয়া শিকার থেকে বাঁচতে পারি 

খবরে আমরা আপনদের এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেব সেগুলো  অবলম্বন আপনি হার্ট অ‍্যাটাক মতো মারাত্মক রোগ থেকে নিজেকেই বাঁচতে পারবেন.জেনেনিন কোনো 

ব্যক্তি হার্ট অ‍্যাটাক হলে কী করা উচিত যতে রুগীর জিবন  বাঁচতে পারে

আপনার হার্ট স্শাস্থ‍্যের উন্নতি করতে এই  গুলি মাথায় রাখা উচিত 

আপনি যদি ধূমপান করেন চিরতরে বিদায় করুক 

বাস্তবতা কারণে আমরা নিজের জন্য 10 মিনিটও বারকরতে পারি না যার কারণে আমাদের চারপাশে 

বিপজজক  রোগ ঘিরে ধরে আপনি যদি একটি বস্তু রুটিনে ও থাকেন তাহলে এখন আপনাকে পরিবর্তন করতে হবে নিজের জন্য 10 মিনিট সময় বার করুন

আপনার খাদ্য থেকে  স‍্যাচুরেটেড় ফ‍্যাট চিনি বা মিস্টি এবং সোড়িয়াম গ্রহণ অত্যন্ত কময়ে দিন

আপনি যদি হার্টকে তরুণ ও সুস্থ রাখতে চান আপনার ডাযেট থেকে চিনি বাদ দিন সোডার প্রচুর পরিমাণ চিনি থাকে য়া আপনার রক্তের  মাএা শর্তবার বাড়িতে তে কাজ করে  এমন পরিস্থিতি আপনার ধমনীতে  চাপ পড়ে এবং রক্তের চাপ বেড়ে যায় যা হার্ট অ‍্যাটাকের সস্ভাব বড়িয়ে দেয় 

হার্ট অ‍্যাটাক হলে কী করবেন পড়িন এই টিপস 

কারো হার্ট অ‍্যাটাক হলে সবার আগে খেয়াল রাখুন যাতে  আতঙ্কির না হন বুদ্ধিমানের মতো কাজ করুন আতঙ্কের মধ্যে থাকলে রুগী আরো আতঙ্কি শুরু করে

হার্ট অ‍্যাটাকের  ক্ষেত্রে প্রথমে রুগীকে শুইয়ে আরামদায়ক অবস্থান   নিয়েই  আসুন তারপর রুগী  অ‍্যাসপিরিনের ট‍্যাবলেট চুঘতে দিতে হবে অ‍্যাসপিরিন  চুঘলে রক্ত জমাট বাঁধা   প্রতিরোধ করা যাবে মৃত্যুর হার 15% কমা যায়