How to use Calcium channel blockers


সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে 

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ!

অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ

ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অর্থাৎ রক্তবাহতে অবরোধ সৃষ্টি জনীত কারণে হৃদরোগ হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় মাত্রা ২০ মিগ্ৰা করে দিনে ৩ বার খাবার পর দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গা বমি বমি পেটের গন্ডগোল প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিষিদ্ধ 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ

How to use Subcutaneous injectionসাবকিউটেনিয়াস ইঞ্জেকশন দেওয়া পদ্ধতি

সাবকিউটেনিয়াস ইঞ্জেকশন 



সাবকিউটেনিয়াস কথার অর্থ চামড়ার নিচে এই ইঞ্জেকশন চামড়ার নিচে পেশীর উপরের স্তরে পুশ করা হয় শরীরের যে অংশের চামড়া নরম ও আলগা সেই অংশেই এই ইঞ্জেকশন পুশ করা হয় এই ইঞ্জেকশন বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাহুর সামনের দিকে চামড়ার নিচে দেওয়া হয়। চামড়ার নিচে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় চর্মরোগ মাথায় টাকের স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন প্রভৃতির ক্ষেত্রে এছাড়া কোন ঔষধে রোগীর অ্যালার্জি আছে কিনা তা জানার জন্য চামড়ার নিচে সামান্য ঔষধ পুশ করে টেস্ট করা হয় প্রথমে উল্লিখিত পদ্ধতিতে সিরিঞ্জ ঔষধ ভরে নিতে হবে তারপর যে স্থানে ইঞ্জেকশন দেওয়া হবে সেখানের চামড়ার স্পিরিট বা অ্যালকোহল সিক্ত তুলো ঘষে নিতে হবে তারপর বাম হাত বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ ও তর্জনী দ্ধারা ঐ স্থানের চামড়া টেনে সামান্য উপরে 

দিকে তুলতে হবে তারপর সূঁচ সহ সিরিঞ্জটাকে বাহুর সমান্ত রালভাবে রেখে ঐ অংশের চামড়া তলদেশ পুশ করতে হবে আর যদি রক্তকণা না আসে তাহলে খুব ধীরে ধীরে পিস্টন ঠেলে ঔষধ পুশ করাতে হবে গোড়ায় হালকা ভাবে চেপে সূঁচ টেনে বের করতে হবে এবং তা হালকা ভাবে মর্দন করে দিতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন