সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Limcee Tablet: ব্যবহার, উপকারিতা, ডোজ ও সতর্কতা

 

Limcee Tablet

Limcee Tablet কী?

Limcee Tablet হলো একটি জনপ্রিয় ভিটামিন C (Ascorbic Acid) সমৃদ্ধ সাপ্লিমেন্ট। এটি মূলত শরীরে ভিটামিন C-এর ঘাটতি পূরণ করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়। Limcee সাধারণত চিবিয়ে খাওয়া (Chewable tablet) বা পানিতে গুলে খাওয়ার জন্য তৈরি করা হয়।



উপাদান

প্রতিটি Limcee ট্যাবলেটে থাকে-

• Ascorbic Acid (Vitamin C) - সাধারণত 500 mg বা নির্দিষ্ট মাত্রা অনুযায়ী 

ভিটামিন C একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।



ব্যবহার

Limcee Tablet বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় উপকারী, যেমন-

১. ভিটামিন C-এর ঘাটতি পূরণ

যাদের শরীরে ভিটামিন C-এর অভাব রয়েছে, তাদের জন্য Lemcee অত্যন্ত কার্যকর।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

নিয়মিত Limcee সেবনে শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়, ফলে সর্দি-কাশি ও সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। 

৩. সর্দি-কাশি ও ফ্লু

ঠান্ডা লাগা, গলা ব্যথা ও হালকা জ্বরের সময় Lemcee হিসেবে কাজ করে।

৪. ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে 

ভিটামিন C ত্বকের কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে, ফলে ত্বক উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যবান থেকে।

৫. ক্ষত দ্রুত সারাতে

কাটা-ছেঁড়া বা অস্ত্রোপচারের পর ক্ষত দ্রুত শুকাতে Lemcee সাহায্য করে।



Uses Dosage (ডোজ)

• খাবারের পরে খাওয়া ভালো

• চিবিয়ে খাওয়া যায় অথবা পানিতে গুলে খাওয়া যায়

• সাধারণত প্রতিদিন ১টি ট্যাবলেট

ডোজ রোগীর বয়স ও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করাই উত্তম।



পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects)

সাধারণত Limcee নিরাপদ, তবে অতিরিক্ত সেবনের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে-

• বমি ভাব

• ডায়রিয়া

• পেট ব্যথা

• গ্যাস্ট্রিক সমস্যা

এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে ওষুধ সেবন বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।



ব্যবহারের সতর্কতা

• গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি

• শিশুদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ডোজ মেনে চলতে হবে

• অতিরিক্ত মাত্রা দীর্ঘদিন সেবন করা উচিত নয় 

• কিডনি স্টোনের সমস্যা থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে



কারা খেতে পারবেন?

• শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করলে 

• ধূমপায়ী ব্যক্তি (কারণ ধূমপানে ভিটামিন C দ্রুত নষ্ট হয়)

• বারবার সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হন এমন মানুষ

• ভিটামিন C-এর ঘাটতিতে ভোগা ব্যক্তি



অসাধারণ

Limcee Tablet একটি কার্যকর ও নিরাপদ ভিটামিন C সাপ্লিমেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে এবং সামগ্ৰিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। তবে যেকোনো ওষুধের মতোই এটি সঠিক মাত্রা ও নিয়ম মেনে সেবন করা উচিত।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



 








এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...