সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Neopeptine syrup: ব্যবহার, উপকারিতা, ডোজ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায (সম্পূর্ণ গাইড)

 

Neopeptine syrup

পেটের সমস্যা যেমন গ্যাস, বদহজম, পেট ফাঁপা বা শিশুর কোলিক পেইন-এই ধরনের সমস্যায় খুব পরিচিত একটি নাম হলো Neopeptine syrup এটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয় এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে।



Neopeptine syrup কী?

Neopeptine syrup একটি ডাইজেস্টিভ এনজাইম ও অ্যান্টি-ফ্ল্যাটুলেন্ট সিরাপ, যা খাবার হজমে সাহায্য করে এবং পেটে জমে থাকা গ্যাস কমায়। এটি বিশেষ করে শিশুদের কোলিক ব্যথা বদহজমের জন্য বহুল ব্যবহৃত।



Neopeptine syrup এর উপাদান (Composition)

সাধারণত Neopeptine syrup-এ থাকে-

Diastase (Digestive Enzyme) খাবার হজমে সাহায্য করে

Pepsin - প্রোটিন হজমে সহায়ক

Simethicone - পেটের গ্যাস ভাঙতে সাহায্য করে

এই উপাদানগুলোর সম্মিলিত হজম প্রক্রিয়া সহজ হয় এবং পেটের অস্বস্তি কমে।



Neopeptine syrup এর ব্যবহার (Uese)

Neopeptine syrup ব্যবহার করা হয়-

• পেট ফাঁপা ও গ্যাস

• খাবার খাওয়ার পর ভারী লাগা

• বুকজ্বালা

• বদহজম (Indigestion)

• শিশুদের কোলিক পেইন

• পেটে অস্বস্তি ও ব্যথা



Neopeptine syrup কীভাবে কাজ করে?

এই সিরাপ খাবারকে ছোট ছোট অংশে ভেঙে দ্রুত হজমে সাহায্য করে। একই সঙ্গে পেটে জমে থাকা গ্যাসকে ভেঙে বের করে দেয়, ফলে পেট হালকা লাগে এবং ব্যথা করে।



Neopeptine syrup এর ডোজ (Dosage)

ডোজ রোগীর বয়স বা শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে।

সাধারণ ডোজ:

শিশু: ½-১ চা চামচ দিনে ২-৩ বার

প্রাপ্তবয়স্ক: ১-২ চা চামচ দিনে ২-৩ বার

খাবারের পর বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা ভালো। 



Neopeptine syrup এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects)

সাধারণত এটি নিরাপদ, তবে কিছু ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে-

• বমিভাব

• হালকা ডায়রিয়া

• পেটে অস্বস্তি

• অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া (খুব বিরল)

যদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি হয়, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।



কারা Neopeptine syrup ব্যবহার করবেন না?

• যাদের উপাদানগুলোর প্রতি অ্যালার্জি আছে

• গুরুতর পেটের রোগ থাকলে 

• দীর্ঘদিন ব্যবহার করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন 



গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার

গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সাধারণত এটি নিরাপদ ধরা হয়, তবে ব্যবহার করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।



Neopeptine syrup সংরক্ষণ পদ্ধতি

• ঠান্ডা ও শুষ্কনো জায়গায় রাখুন

• সরাসরি সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখুন 

• শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন



উপসংহার

Neopeptine syrup হলো বদহজম, গ্যাস ও পেটের অস্বস্তির জন্য একটি কার্যকর ও পরিচিত ওষুধ। সঠিক ডোজে ও প্রয়োজনে ব্যবহার করলে এটি দ্রুত আরাম দিতে সাহায্য করে। তবে যেকোনো ওষুধের মতোই, প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়।


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...