সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Tablet Ondem MD 4: ব্যবহার, উপকারিতা, ডোজ ও সম্পূর্ণ তথ্য

 

Tablet Ondem MD 4

Tablet Ondem MD 4 কী?

Tablet Ondem MD 4: একটি অ্যান্টি-এমেটিক (Anti-Vomiting) ওষুধ, যা মূলত বমি ও বমি ভাব (Nausea and Vomiting) প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়। "MD" মানে Mouth Dissolving, অর্থাৎ ট্যাবলেট টি মুখে রাখলে সহজে গেলে যায় এবং দ্রুত কাজ শুরু করে।



Ondem MD 4 এর উপাদান

Ondansetron 4 mg

এই উপাদানটি মস্তিষ্কে বমি সৃষ্টিকারী রাসায়নিক সংকেতকে ব্লক করে। 



Tablet Ondem MD 4 কোন কোন সমস্যায় ব্যবহার হয়?

এই ওষুধটি নিচের অবস্থায় কার্যকর-

• ভ্রমণ জনিত বমি

• গর্ভাবস্থায় বমি (শুধু ডাক্তারের পরামর্শে)

• অপারেশনের পর বমি 

• বমি ও বমি ভাব 

• কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি পর বমি

• ফুড পয়জনিং-এর কারণে বমি



Ondem MD 4 কীভাবে কাজ করে?

Ondem MD 4 মস্তিষ্কের 5-HT3 receptor কে ব্লক করে। এই রিসেপ্টর বমি হওয়ার সংকেত পাঠায়। সংকেত বন্ধ হলে বমি ও বমি ভাব ধীরে ধীরে কমে যায়।



Tablet Ondem MD 4 খাওয়ার নিয়ম

• সাধারণত দিনে ১-২ বার

• ট্যাবলেটটি জিহ্বার উপর রেখে গলিয়ে নিন

• পানি ছাড়াই খাওয়া যায়

• খাবারের আগে বা পরে নেওয়া যেতে পারে

ডোজ অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত।



Ondem MD 4 এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এই ওষুধ নিরাপদ। তবে কিছু হালকা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে-

• কোষ্ঠকাঠিন্য 

• মুখ শুকিয়ে যাওয়া

• দুর্বলতা বা ক্লান্তি 

• মাথা ঘোরা 

• মাথাব্যথা

যদি গুরুতর কোনো সমস্যা দেখা দেয়, দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।



কারা Tablet Ondem MD 4 খাবেন না?

• চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শিশুদের 

• মারাত্মক লিভার ডিজিজ থাকলে

• গুরুতর হার্টের সমস্যা থাকলে

• যাদের Ondansetron-এ অ্যালার্জি আছে



• গর্ভাবস্থায়: শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শে

• স্তন্যদানকালে: সাধারণত নিরাপদ, তবে আগে ডাক্তারের সাথে কথা বলা ভালো 



সতর্কতা ও গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

• মাথা ঘোরা হলে গাড়ি চালাবেন না

• অন্য কোনো ওষুধ খেলে ডাক্তারকে জানান

• দীর্ঘদিন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন

• অ্যালকোহল গ্ৰহণ এড়িয়ে চলুন



সংরক্ষণ পদ্ধতি

• ঠান্ডা ও শুষ্কনো স্থানে রাখুন

• শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন

• সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন



উপসংহার

Tablet Ondem MD 4 একটি কার্যকর ও জনপ্রিয় অ্যান্ট-ভমিটিং ওষুধ। সঠিক নিয়ম ও ডোজ মেনে ব্যবহার করলে এটি নিরাপদ এবং দ্রুত উপকার দেয়। তবে যেকোনো ওষুধের মতোই এটি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করাই সর্বোত্তম।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...