সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Heart Attack Life Trips Bangla হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে কি ভাবে বাঁচাবেন


কিছু  গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেব  য়া অবলম্বনে  করে আপনি  হার্ট অ‍্যাটারকের মতো মারাত্মক রোগ থেকে নিজেকে বাঁচতে পারেন সেই  সঙ্গে জেনে নিন কোনো ব্যক্তির হার্ট  অ‍্যাটাক হলে কী করবেন 

হার্ট অ‍্যাটাক হলে কীভাবে বাঁচবার উপায় 

মানসিক চাপের কারণে আজকাল শুধু বয়ঙ্কাই নয় তরুণীর  ও হার্ট অ‍্যাটাক প্রাণ  হারাছেন

তরুণরাই এই বিপজ্জনক রোগের শিকার  হচ্ছেন এই মারাত্মক রোগের হওয়া শিকার থেকে বাঁচতে পারি 

খবরে আমরা আপনদের এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেব সেগুলো  অবলম্বন আপনি হার্ট অ‍্যাটাক মতো মারাত্মক রোগ থেকে নিজেকেই বাঁচতে পারবেন.জেনেনিন কোনো 

ব্যক্তি হার্ট অ‍্যাটাক হলে কী করা উচিত যতে রুগীর জিবন  বাঁচতে পারে

আপনার হার্ট স্শাস্থ‍্যের উন্নতি করতে এই  গুলি মাথায় রাখা উচিত 

আপনি যদি ধূমপান করেন চিরতরে বিদায় করুক 

বাস্তবতা কারণে আমরা নিজের জন্য 10 মিনিটও বারকরতে পারি না যার কারণে আমাদের চারপাশে 

বিপজজক  রোগ ঘিরে ধরে আপনি যদি একটি বস্তু রুটিনে ও থাকেন তাহলে এখন আপনাকে পরিবর্তন করতে হবে নিজের জন্য 10 মিনিট সময় বার করুন

আপনার খাদ্য থেকে  স‍্যাচুরেটেড় ফ‍্যাট চিনি বা মিস্টি এবং সোড়িয়াম গ্রহণ অত্যন্ত কময়ে দিন

আপনি যদি হার্টকে তরুণ ও সুস্থ রাখতে চান আপনার ডাযেট থেকে চিনি বাদ দিন সোডার প্রচুর পরিমাণ চিনি থাকে য়া আপনার রক্তের  মাএা শর্তবার বাড়িতে তে কাজ করে  এমন পরিস্থিতি আপনার ধমনীতে  চাপ পড়ে এবং রক্তের চাপ বেড়ে যায় যা হার্ট অ‍্যাটাকের সস্ভাব বড়িয়ে দেয় 

হার্ট অ‍্যাটাক হলে কী করবেন পড়িন এই টিপস 

কারো হার্ট অ‍্যাটাক হলে সবার আগে খেয়াল রাখুন যাতে  আতঙ্কির না হন বুদ্ধিমানের মতো কাজ করুন আতঙ্কের মধ্যে থাকলে রুগী আরো আতঙ্কি শুরু করে

হার্ট অ‍্যাটাকের  ক্ষেত্রে প্রথমে রুগীকে শুইয়ে আরামদায়ক অবস্থান   নিয়েই  আসুন তারপর রুগী  অ‍্যাসপিরিনের ট‍্যাবলেট চুঘতে দিতে হবে অ‍্যাসপিরিন  চুঘলে রক্ত জমাট বাঁধা   প্রতিরোধ করা যাবে মৃত্যুর হার 15% কমা যায়

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...