How to use in Bangali Carcinoma of the pancreas: কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use in Bangali Carcinoma of the pancreas

Description বিবরণ 

আইলেটরস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স টিউমার হয়ে তা থেকে অগ্ন্যাশয় গ্ৰন্থির মাথার দিক কঠিন অর্বুদ জাতীয় কর্কট রোগে আক্রান্ত হয় আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র 

আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে এবং মহিলাদের ৬০ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে এই রোগ হতে দেখা যায় আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষরাই এই রোগে অধিক আক্রান্ত হন 



Causes of the disease কারণ 

• পিত্তপাথরী 

• মাদকদ্রব্য সেবন 

• প্রচুর পরিমাণে ঔষধ খাওয়া 

• ডায়াবিটেস রোগে ভোগা 

• টিউমার 

• জোলিনজার এলিসন সিনড্রোম 

প্রভৃতিতে ভুগতে ভুগতে এই রোগ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• পেটের মাঝ বরাবর যন্ত্রণা 

• এবং চিৎভাবে শুয়ে থাকলে যন্ত্রণার বৃদ্ধি এই রোগের প্রধান কারণ 

• এবং তা পিঠের দিকে সঞ্চারিত হওয়া এই রোগের প্রধান লক্ষণ 

• উপুড় হয়ে শুয়ে থাকলে যন্ত্রণার উপশম 

• বমিভাব 

• বমি 

• অজীর্ণ 

• পেটে অস্বস্তিভাব প্রভৃতি হতে থাকে 

• জ্বর ১০০⁰ থেকে ১০২⁰ ফাঃ পর্যন্ত হতে পারে 

• নিম্ন রক্তচাপ 

• শক প্রভৃতি হতে দেখা যায় 

• জন্ডিস হতে পারে 

• লিভার বৃদ্ধি পায় এবং শক্ত হয়ে যায় 

• রক্তের শর্করা বৃদ্ধি পায় 



Treatment চিকিৎসা 

• রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে 

• নিয়মিত চিকিৎসা চালাতে হবে 

• খাওয়া দাওয়া নিয়মিত এবং হালকা ভাবে করতে হবে 

• পুষ্টিকর এবং ভিটামিন যুক্ত খাদ্য খেতে হবে 

• লবণ জাতীয় খাদ্য 

• মিষ্ট জাতীয় খাদ্য 

• চর্বি জাতীয় খাদ্য 

• এবং মাদকদ্রব্য নিষিদ্ধ 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


Pneumonia Symptoms of the disease: কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা



Pneumonia Symptoms of the disease

Description of the disease বিবরণ 

জীবাণুর আক্রমণে ফুসফুস প্যারেনকাইমাতে যে প্রদাহ সৃষ্টি হয়, তাকে নিউমোনিয়া বলে। এই রোগ ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস উভয়ের আক্রমণে হতে পারে। 

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত নিউমোনিয়াকে Bacterial Pneumonia বলে। ভাইরাস ঘটিত নিউমোনিয়াকে Viral নিউমোনিয়া বলে। নিউমোনিয়া ও ব্রঙ্কাইটিস একসাথে হলে তাকে ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া বলে।

আক্রান্ত তন্ত্র System's Affected শ্বাসতন্ত্র ও ফুসফুস এই রোগে আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স Predominant age সকল বয়সেই এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয় 



Causes of the disease কারণ 

হাঁচি, কাশি প্রভৃতির মাধ্যমে সংক্রামিত এলাকায় বসবাস করার ফলে এই রোগের বিস্তার ঘটে।


জীবাণু Bacterial pathogens

• স্ট্রেপটোকক্বাস নিউমোনিয়া 

• হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা 

• মরাক্সেল্লা ক্যাটারালিস 

• মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়া 

• সাইটোমেগালো ভাইরাস 

• ভ্যারিসেল্লা ভাইরাস 

Respiratory Syncytial Virus 

• Arboviruses 

• Hantann Virus প্রভৃতি 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• হঠাৎ শীত ও কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে 

• এক সাথে বুকে ব্যথা 

• সূচীবিদ্ধবৎ যন্ত্রণা 

• মাথার যন্ত্রণা 

• গা হাত পায়ে প্রচন্ড যন্ত্রণা 

• জ্বর ক্রমশ বেড়ে ১০৩⁰ থেকে ১০৪⁰ ফাঃ পর্যন্ত হয় 

• কর্কশ ও কষ্টকর কাশি 

• গাঢ় শ্লেষ্মা বার হয় তাতে রক্ত থাকতে পারে 

• শ্বাস প্রশ্বাসের হার বেড়ে যায় 

• মুখ চোখ নীলাভ হওয়া বুকে হিসহিস অথবা কড়কড়ে শব্দ হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 

• জ্বর ছাড়লেও কাশি বহুদিন চলতে থাকে 

• পেটের অস্বস্তি 

• ক্ষুধামন্দা 

• দুশ্চিন্তা 

• প্রলাপ 

• কাঁধে যন্ত্রণা 

• দুর্বলতা প্রভৃতি ও হতে দেখা যায় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• মারাত্মক রোগীকে অবশ্যই হাসপাতালে পাঠাতে হবে 

• প্রয়োজনে অক্সিজেন, ইন্ট্রাভেনাসফ্লুইড প্রভৃতি দিতে হবে 

• সুস্থ হলে দুধ বালির ফলের রস সুসিদ্ধ ভাত স্যাঁতস্যাঁতে স্থানে বসবাস নিষিদ্ধ 

• সর্বদা গরম পোষাক পরিচ্ছদ পরিধান বিধেয় 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন






Irregular Menstruation Symptoms of the disease: কারণ , লক্ষণ, চিকিৎসা

 

Irregular Menstruation Symptoms of the disease

বিবরণ 

একই রোগীর বিভিন্ন সময়ে অতিরজঃ, স্বল্পরজঃ, ঋতু রোগ প্রভৃতি ঘটতে পারে তাকে অনিমিত ঋতু বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয় 

আক্রমণের বয়স ১৪ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এই রোগ হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র মহিলারা এই রোগে আক্রান্ত হন।



Causes of the disease কারণ 

হর্মোনের গন্ডগোল 

• রক্তাল্পতা 

• জরায়ুর রোগে ভোগা 

• ডিম্বাশয় ও ডিম্বনালীর রোগে ভোগা 

অপুষ্টিতে ভোগা প্রভৃতি বিভিন্ন কারণে এই রোগ হতে পারে। 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• স্বাভাবিক ঋতু হতে দেখা গেল কয়েক মাস বন্ধ থেকে পুনরায় ঋতুস্রাব হয়ে গেল 

• অনেকের ২০ থেকে ২২ দিন অন্তর অন্তর ঋতু বন্ধ হয় 

• তলপেট ও কোমর পিঠের নিচের দিক প্রভৃতি অংশে ব্যথা যন্ত্রণা হয় 

অনেকের ঋতুস্রাব ৪ থেকে ৫ দিন হয় 

• অনেকের ১০ থেকে ১২ দিন পর্যন্ত চলে 

• কোনো ঋতুচক্রে স্রাব বেশি হয় 

• আবার কোন ঋতুচক্রে ফোঁটা ফোঁটা স্রাব হয় 

• দূর্বলতা 

• শীর্ণতা প্রাপ্তি মাথাঘোরা 

• গা বমি 

• জ্বর ভাব প্রভৃতি লক্ষণ ও থাকে 



Treatment চিকিৎসা 

• পুষ্টিকর অথচ সহজপাচ্য খাদ্য খেতে হবে 

• হালকা ব্যায়াম এই রোগের পক্ষে খুবই উপকারী 

• হরলিক্স কমপ্লান ও ভিভা প্রোটিনেক্স প্রোটিনিউলস প্রভৃতির যে কোনো একটি খাওয়া ভালো 

• পঞ্চমুখী জবার কুঁড়ি ২ থেকে ৩ টি নিয়ে দারুচিনির সাথে খেলে এই রোগের ভালো উপকার হয় 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Cholera: কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা

 

How to use Cholera

Description বিবরণ 

ইহা একটি অ্যাকিউট বীজাণু সংক্রমণ জনিত রোগ যা থেকে মারাত্মক উদরাময়, বমি ও জলশূন্যতা (Dehydration) এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। 

আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই বীজণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স সকল বয়সেই এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমানভাবে এই রোগ হতে পারে।



Causes of the disease কারণ 

বীজাণু দূষণ খাদ্যবস্তু, বীজাণু দূষণ পানীয় খাওয়া প্রভৃতির মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। খাদ্য বস্তু দূষিত হয় মাছির দ্বারা রোগীর সংস্পর্শে দীর্ঘসময় থাকলেও এই বীজাণু সংক্রামিত হতে পারে। 

রোগের জীবাণু ভিব্রিও কলেরী (Vibria Cholerae) নামক বীজাণু যা দেখতে কমার মত তার সাহায্যে এই রোগ হয় 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• পেটে পেটের অস্থিরতা 

• ভাব হঠাৎ ঘনঘন পায়খানা শুরু হয়ে যাওয়া 

• মল ক্রমশঃ পাতলা হওয়া 

• পরে মল থাকে না কেবল চাল ধোয়া জল বা ভাতের ফেনের মত নির্গত হয় 

• মলে আঁশটে গন্ধ থাকে 

• বেদনাহীন মল নিঃসরণ 

• পরে মল অসাড়ে নির্গত হতে শুরু করে 

• রোগীর কোনো বোধ জ্ঞান থাকে না 

• বমি শুরু হয় 

• ক্রমশঃ বমি বাড়তে থাকে 

• বমিও জলবৎ হয় 

• খাবার খেলেই তা সাথে সাথে পায়খানার মাধ্যমে এবং বমির সাথে উঠে যায় 

• ক্রমশঃ রোগী দূর্বল হয়ে যায় 

• নড়াচড়া করার ক্ষমতা থাকে না 

• চক্ষু কোটরাগত হয়ে যাওয়া 

• গাল চোপসানো ভাব 

• চোয়ালে খিল ধরা প্রভৃতি হতে পারে 

• প্রচন্ড পিপাসা বোধ হয় কিন্তু জল খেলেই বমি হয় 

• রোগী অস্থির হয়ে পড়ে 

• মুখ চোখ নীল হয়ে যায় 

• শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বৃদ্ধি পায় 

• নাড়ী ক্ষীণ এবং দ্রুত হয় 

• হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায় 

• সমস্ত শরীরের বিশেষতঃ আঙ্গুলের চামড়া কুঁচকে যায় 

• ঠিক ধোপানীদের ভিজে হাতের ন্যায় 

• চক্ষুর ভিতরের অংশ শুস্ক দেখায় 

• মূত্রের পরিমাণ কমতে কমতে মূত্রাবরোধ হয়ে যায় 

• রক্তচাপ খুব কমে যায় 

• এক সময় শরীরের তাপ স্বাভাবিকের নিচে নেমে যেতে পারে যা খুব মারাত্মক এবং বিপদজনক হয় 

• খিঁচুনি শুরু হতে পারে 

• শ্বাসকষ্ট হতে পারে 

চিকিৎসা না করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে দ্রুত ডাক্তার বাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে অ্যাকিউট অবস্থায় কোনো খাদ্য না দেওয়াই ভালো 

• উপরে বর্ণিত নিয়মে ORS তৈরি করে খেতে দেওয়া যাবে 

• রোগী একটু সুস্থ হলে কাঁচা কলার ঝোল ও ভাত দিতে হবে 

• জল ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে খেতে হবে 

• কাঁচা জল খাওয়া নিষিদ্ধ 

• পরে রোগীর দুর্বলতা কাটাতে মিষ্টি ফলের রস হরলিকস ডিম দুধ মাছ চারা পোনা প্রভৃতি দিতে হবে 

• কলেরা রোগীর পোষাক পরিচ্ছদ বিছানা ও ঘর ফিনাইল বা ডেটল জলে 

• অথবা ডিটারজেন্ট মিশ্রিত জল দ্বারা ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে 


এই আর্টিকেলটি করে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবু সঙ্গে পরামর্শ করুন।






How to use in Bangali Amenorrhoea: কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use in Bangali Amenorrhoea

 বিবরণ 

ঋতু বেশি কিছুদিন না হওয়ার বা অল্প অল্প স্রাব হওয়াকে স্বল্পরজঃ বলা হয় আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র এবং অন্তঃক্ষরাগ্ৰন্থি বিপাকতন্ত্র প্রভৃতি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয় 

আক্রমণের বয়স ১৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে যে কোনো সময়েই এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র মহিলারা এই রোগে আক্রান্ত হন 



Causes of the disease কারণ 

আমাদের দেশের অধিকাংশ অল্পরজের মূলে রয়েছে রক্তাল্পতা 

• এছাড়া হর্মোনের গন্ডগোল 

• ডিম্বাশয়ের প্রদাহ 

• মানসিক দুশ্চিন্তা 

• ঠান্ডা লাগা 

• খাদ্যবস্তু ঠান্ডা অবস্থায় খাওয়া 

প্রভৃতি কারণেও ঋতুস্রাবের স্বল্পতা লক্ষ্য করা যায়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• ঋতুস্রাব খুব কম হয় 

• ১ থেকে ২ দিন রজঃস্রাব হয়েই তা বন্ধ হয়ে যায় 

• কখনো কখনো রজঃস্রাব ৪ দিনই হয় কিন্তু তা পরিমাণে খুবই কম 

• তলপেট ব্যথা যন্ত্রণা হয় 

• কোমর যন্ত্রণা হয় 

• পেটের নিচের দিক প্রভৃতি অংশে ব্যথা ও যন্ত্রণা করে 

• তাপ ও আলোর শব্দ হলে তা সহ্য করতে পারা যায় না 

• মাথা ধরা 

• গা বমি ভাব প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 

• অনেক সময় রজঃরোধ ঘটে 

• নাক দিয়ে রক্তপাত হতে দেখা যায় 

• রক্তশূন্যতার লক্ষণ থাকে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগিনীকে সর্বদা বিশ্রামে থাকতে হবে এবং যাতে তার ঘুম ভাব হয় সে ব্যবস্থাও করতে হবে 

• গরম খাদ্য ও পানীয় খাওয়া 

• এবং তলপেট গরম সেঁক দেওয়া উপকারী 

• মাছ ও মাংস এবং ডিম, ফল ও মূল সবুজ শাকসবজি প্রভৃতি প্রচুর পরিমাণে খাওয়া ভালো 

• মাদকদ্রব্য ও উত্তেজক খাদ্যদ্রব্য খাওয়া নিষিদ্ধ 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 

How to use Pyelonephritis: কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Pyelonephritis

বিবরণ 

মূত্রযন্ত্রের প্যারেনকাইমা কোষকলা এবং সঞ্চয়থলি বীজাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে প্রদাহিত হতে থাকে একেই পাইলোনেফ্রাইটিস বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র মূত্রযন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয় 

আক্রমণের বয়স যেকোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে তবে ৫০ বছরের ঊদ্ধেই বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষদের চেয়ে মহিলারাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন 



Causes of the disease কারণ 

Escherichia Coli বীজাণুর আক্রমণ প্রধান কারণ। 

• এ ছাড়া প্রোটিয়াস মাইরাবিলিস 

• ক্লেবসিয়েল্লা 

• এন্টারোব্যাকটার 

• স্ট্যাফাইলোকক্বাস এপি ডারমিস 

• স্যাপ্রোফাইটিকাস এবং অরিয়াস 

• লেপ্টোস্পাইরা

প্রভৃতি বীজাণুদের আক্রমণেও এই রোগ হতে পারে।



Symptoms of the disease  লক্ষণ 

• হঠাৎ কাঁপুনি দিয়ে জ্বর হয় 

• ১০২⁰ থেকে ১০৩⁰ ফাঃ পর্যন্ত জ্বর হতে পারে 

• কোমরে ও তলপেটে ব্যথা হয় 

• বিশেষতঃ প্রস্রাবের সময় তলপেটে থেকে প্রস্রাবের দ্বার পর্যন্ত টনটনানি যন্ত্রণা হতে থাকে 

• শরীরে অস্বস্তিভাব 

• পেশীতে ব্যথা প্রভৃতি হতে থাকে 

• মাথা ধরা ভাব থাকে 

• ক্ষুধামন্দা 

• গা বমি ভাব বা বমি 

• উদরাময় প্রভৃতি হতে পারে 

• ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ আসে 

• এবং প্রস্রাব ধারনের ক্ষমতা হ্রাস পায় 

• প্রস্রাব করতে প্রচণ্ড কষ্ট হয় (Dysuria)



Diagnosis রোগ নির্ণয় 

• রোগের লক্ষণ অনুযায়ী 

• প্রস্রাব কালচার করলে জীবাণুর সন্ধান পাওয়া যায় 

• রক্তের কালচার করলে বীজাণুর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• পানীয় জল প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে 

• ডাবের জল ও মিছরির জল প্রভৃতি খাওয়ানো ভালো 

• সাগু, বালির, হরলিক্স, কমপ্লান, ঝোল ভাত প্রভৃতি খেতে হবে 

• কোমরে এবং তলপেটে গরম সেঁক দেওয়া ভালো 

• ঠান্ডা লাগলে চলবে না 

• নিয়মিত ঈষদুষ্ণ জল স্নান হিতকর 

• প্রস্রাবের বেগ ধারণ করা উচিত নয় 

• নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে প্রস্রাব ত্যাগ করতে হবে 

• ধূমপান ও মাদকদ্রব্য সেবন এবং অন্যান্য উত্তেজক খাদ্য খাওয়া নিষিদ্ধ 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


How to use in Bangali Pile or Haemorrhoids: কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use in Bangali Pile or Haemorrhoids

Description বিবরণ 

মলের দ্বারে শিরা ও রক্তজালক বিভিন্ন কারণে স্ফীত হয়। একেই অর্শ বলা হয়। পায়খানার সময় বা পরে এ থেকে রক্তপাত হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

হৃদপিণ্ড এই রোগের প্রভাব দ্বারা আক্রান্ত হয়। বংশগত কারণ এই রোগ বংশগত কারণে হয় না। আক্রমণের বয়স বয়স্কদেরই এই রোগ বেশি হয়।

তবে শিশুদেরও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমানভাবে এই রোগ হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

মলদ্বারের ভিতরে ও বাইরের শিরায় চাপ পড়া বা ফেটে যাওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগের সৃষ্টি হয়। যকৃতের রোগ, আমাশয় ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রভৃতিতে দীর্ঘদিন ভুগলে এই রোগে সৃষ্টি হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• মলদ্বারের দুই এক ইঞ্চি ভেতরে বা বাইরে অথবা উভয় দিকেই ছোট মটর দানার ন্যায় দু একটি অথবা আঙ্গুরের থোকার ন্যায় অনেক বলি হয়ে থাকে 

• মলত্যাগের কালে ভেতরের বলি ও বাইরে চলে আসে এবং এই সময় তা থেকে রক্তপাত হতে থাকে 

• মলত্যাগের কালে প্রচন্ড কোথানি Straining থাকে

• অনেক সময় বলি বাইরে না এলেও মলত্যাগের সময় বা তার কিছু সময় পরে টকটুকে লাল রক্ত নির্গত হতে থাকে 

• মলে মিউকাস থাকে 

• পাতলা পায়খানা হলে রক্তপাত হবার সম্ভাবনা কম থাকে

• মলের দ্বারে ব্যথা যন্ত্রণা হতে থাকে 

• মলাশয় মলদ্বার দিয়ে ঝুলে পড়তে পারে 

• অবশ্য মারাত্মক বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে 

• মলত্যাগের পর মনে হয় এখনোও মল রয়ে গেছে 

• মলদ্বার কুটকুট করে 

• মলদ্বারে ফোঁড়া বা নালী ঘা হতে পারে 

• অনেক সময় বলিতে রক্ত চলাচলের ব্যাঘাত ঘটে ফলে যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায় 

• একে Haemorrhoidal Strangulation বলা হয় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• ৩ নং পাউডার অথবা সাধারণত ইসবগুল ভূষি মিছরির জলে ভিজিয়ে খাওয়া ভালো, তাতে কোষ্ঠ দূর হয় এবং অর্শের রক্তপাত নিবারিত হয় 

• এছাড়া ডাবের জল, ফলের রস, বেল, কচু ও মান, ওল, আখ, ডুমুর প্রভৃতি খাওয়া ভালো। 

• ভাজা খাবার ঝাল মসলা মাদকদ্রব্য প্রভৃতি নিষিদ্ধ 

• মল ও মূত্রের বেগ চেপে রাখা উচিত নয় 

• মলত্যাগের উদ্দেশ্যে বেশিক্ষণ বসে থাকা ভালো নয় 

• মলত্যাগ কালে বেশি কোথ দেওয়া ভালো নয় 

• ঘোড়ায় চাপা সাইকেল বা মোটর চাপা উবু হয়ে বসা উপবাস রাত জাগে প্রভৃতি নিষিদ্ধ 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।







How to use Menopause: কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা

 

How to use Menopause

বিবরণ 

আমাদের দেশে মহিলাদের ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে মাসিক ঋতুস্রাব সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়াও অন্য সময় ও বন্ধ হয়ে থাকে একেই রজঃনিবৃত্তি বলা হয়।

আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র অন্তঃক্ষরাগ্ৰন্থি বিপাকতন্ত্র প্রভৃতি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স স্বাভাবিকভাবে 40 থেকে 50 বছরের মধ্যে বন্ধ হয় ।

তবে 14 থেকে 40 বয়সের মধ্যে বন্ধ হওয়া রোগের লক্ষণ। আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র মহিলারা এই রোগে আক্রান্ত হয় 



Causes of the disease কারণ 

• গর্ভধারণের ফলে মাসিক ঋতু স্রাব বন্ধ হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার 

• ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ঋতুচক্র বন্ধ হওয়াও স্বাভাবিক ব্যাপার 

• তবে এই সময় বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি হতে দেখা যায় 

• এছাড়া রক্তের রক্তাল্পতা, হর্মোনের গোলযোগ 

• জরায়ুর বিভিন্ন রোগ প্রভৃতি থেকে অনেক মহিলার ৫ থেকে ৭ মাস থেকে 

• এমনকি এক দেড় বছরও মাসিক রজঃস্রাব বন্ধ থাকে 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• অল্প বয়স্কা মেয়েদের ২ থেকে ৩ বার মাসিক রজঃস্রাব হওয়ার পর দীর্ঘদিন তা বন্ধ থাকে 

• প্রস্রাব নিয়ে Pregcolor Test করলে দেখা যাবে গর্ভধারণ ঘটেনি 

• অনেকের ২ থেকে ৩ মাস অন্তর ঋতুস্রাব হয় তবে তা খুবই কম 

• মাথা ঘোরা 

• বুক ধড়ফড়ানি 

• শরীর শীর্ণ হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 

• বয়স্কদের স্বাভাবিক ভাবে রজঃনিবৃত্তি ঘটার পর হঠাৎ ঘাম হওয়া 

• মানসিক অবসাদগ্ৰস্ত হওয়া 

• ভীত হওয়া ও অনিদ্রা 

• মূত্রের বেগ ধারণের অক্ষমতা 

• যৌনির শীর্ণ তার ফলে মিলনে কষ্ট 

• চামড়ার ভাঁজ পড়া 

• হাড় ভঙ্গুর হওয়া 

রক্তবহা নাড়ীর কাঠিন্যতা প্রাপ্তি প্রভৃতি উপসর্গের সৃষ্টি হতে দেখা যায় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• প্রত্যহ গরম জলে স্নান করা এই রোগের পক্ষে ভাল 

• মাছ, মাংস, দুধ, ঘি, ছানা ও পাকা ফল, মূল সবুজ শাকসবজি প্রভৃতি খাওয়া ভালো 

• অল্প বয়স্কাদের চিকিৎসা পরও ঋতু না হলে ভালো গাইনিকোলজিস্টকে দিয়ে D.C. অর্থাৎ ডাইলেট অ্যান্ড কিউরেট করিয়ে নিতে হবে 

• অন্যান্য রোগ থাকলে তারও চিকিৎসা করা দরকার 



How to use in Bangali Typhoid: কারণ, লক্ষণ, ও চিকিৎসা

 

How to use in Bangali Typhoid

বিবরণ 

ইহা অন্ত্রের বীজাণু দূষণ জনিত কারণে এক প্রকার জ্বর। ইহাকে Enteric Fever বা আন্ত্রিক জ্বর ও বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র ফুসফুস চর্ম এবং কঙ্কাল তন্ত্র এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স এই রোগ সব বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা এবং পুরুষ সমান হারে এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।



Causes of infection কারণ 

মানুষের খাদ্য ও পানির জীবাণু দ্বারা দূষিত হয়ে এই রোগ সঞ্চয় করে। রোগীর মল বা মূত্র পানি সাথে মিশে বা মাছির দ্বারা এইসব জিনিস বাইত হয়ে খাদ্য বা পানীয়ের সাথে মিশে বা মাছির দ্বারা ঐসব জিনিস বাহিত হয়ে খাদ্য বা পানীয় মিশে থাকে।

সংক্রমণের সময় শরীরে রোগের জীবানু প্রবেশের ৭-২১ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় 

রোগের জীবাণু  স্যালমোনেল্লা টাইফি ( Salmonella typhi) এই রোগের বীজাণু।



Symptoms of the disease  লক্ষণ 

১. প্রথমদিকে অল্প জ্বর হয়। ১০১ -১০২ ফাঃ ও পর্যন্ত জ্বর ওঠা নামা করে 

২. চোখ এবং মুখ লালাভ হয় 

৩. মাথা ধরা থাকে 

৪. জিভ লেপাবৃত থাকে 

৫. ক্রমশঃ জ্বর বৃদ্ধি পেতে পেতে পেতে ১০৩⁰ থেকে ১০৪⁰ ফাঃ পর্যন্ত ওঠে। শীত ও কাঁপুনি থাকে 

৬. পাতলা পায়খানা শুরু হয় 

৭. পেট ফাঁপা থাকে

৮. মলে রক্ত থাকতে পারে 

৯. লিভার ও প্লীহা বৃদ্ধি পায় 

১০. প্রচন্ডভাবে মাথার যন্ত্রণা হয়

১১. রোগী কখনো ও কখনো ও তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে 

১২. নাড়ির গতি কমে যায় 

১৩. যতদিন যায় রোগী তত ক্ষীণ ও দুর্বল হতে থাকে 

১৪. ক্ষুধামন্দা

১৫. গা-বমি বা বমি হতে পারে 

১৬. চর্মে লালচে উদ্ভিদ বের হতে পারে 

১৭. শুকনো কাশি হতে পারে 



symptoms উপসর্গ 

• আন্ত্রিক রক্তক্ষরণ (Intestinal Haemorrhage) পাকস্থলী বা অন্ত্র ফুটো হওয়া প্রভৃতি ঘটতে পারে 

• ক্রনিক ডায়েরিয়ার সৃষ্টি হতে পারে 

• মেনিনজাইটিস বা এন্ডোকার্ডাইটিস হতে পারে 

• ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়া হতে পারে 

• বধিরতা (Deafness) দেখা দিতে পারে 

• দীর্ঘদিন ভুগলে শয্যাক্ষত (Bed Sore) হতে পারে 

• অস্থির প্রদাহ হতে পারে 



Adjunctive treatment চিকিৎসা 

• রোগীকে প্রথমে কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে 

• শুষ্ক ঘরে বাস করা এবং গরম জলে স্নান করা উপকারী 

• রোগের লক্ষণ হ্রাস পেলে হালকা ব্যায়াম 

• নিয়মিত সাঁতার কাটা প্রভৃতি উপকারী 

• দুপুরে ভাত ও রাতে রুটি খেতে হবে 

• এছাড়া সবুজ শাকসবজি সুমিষ্ট ফল মূল, দুধ, ঘোল, ছানা, মাখন, প্রভৃতি খাওয়া চলবে

• মাছ মাংস ডিম পেঁয়াজ প্রভৃতি কম খেতে হবে 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 

 





How to use Rhinitis: রোগের কারণ, লক্ষণ, ও চিকিৎসা

How to use Rhinitis

ভূমিকা 

নাকের ভেতরের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীর প্রদাহকেই রাইনাইটিস বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র শ্বাসতন্ত্র, ত্বক, বহিঃক্ষরা তন্ত্র রক্তসংবহন তন্ত্র লসিকাবাহ রোগ প্রতিরোধ তন্ত্র প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।

আক্রমণে বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যেই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষ সমানভাবে এই রোগে আক্রান্ত হয়।

Causes of the disease কারণ 

অ্যালার্জি ঘটিত কারণেই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায় 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• নাক সেটে ধরা 

• এবং নিঃশ্বাস টানতে সমস্যা হয় 

• নাক দিয়ে জলবৎ সর্দি নিঃসরণ 

• চোখ দিয়ে সর্বদা জল ঝরা 

• চোখমুখ লাল হয়ে যায় 

• অনবরত হাঁচি হতে থাকে 

• কান সাটিয়া ধরা অর্থাৎ মনে হয় কানে কিছু আটকে আছে 

• ঘুমানোর সময় অস্থিরতার লক্ষণ 

• মুখ দিয়ে শ্বাস প্রশ্বাস চালানো 

• শ্বাস প্রশ্বাস সাধারণতঃ উষ্ণ হয় 

• গলা খুসখুস করা এবং শুকনো কাশি হতে পারে 

• গলায় জ্বালা ও থাকতে পারে 

• নাকের সর্বদা জ্বালা যন্ত্রণা হতে পারে 

• গলার স্বর বসে যাওয়া 

• ঘ্রাণ নেওয়ার ক্ষমতা থাকে না বা বিকৃত ঘ্রাণ অনুভূত হয় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• ঠান্ডা লাগানো বা স্যাঁতস্যাঁতে স্থানে বসবাস নিষিদ্ধ 

• গরম পানীয় সাগু, বালির রুটি মুড়ি প্রভৃতি খেতে হবে 

• রৌদ্রে কাজ করার সময় ঠান্ডা জল খাওয়া বা গায়ে ঘাম থাকাকালীন স্নান করা নিষিদ্ধ 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 

How to use Cancer of Stomach: রোগের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Cancer of Stomach

বিবরণ 

পাকস্থলী মধ্যস্থ কোষের উৎকট (Malignant) ধরণের বৃদ্ধিকে পাকস্থলীর ক্যান্সার বলা হয়। ইহা সচরাচর পাকস্থলীর greater Curvature এর দিকে হয়। এই রোগ ক্রমশঃ লসিকাগ্ৰন্থি 

ফুসফুস যকৃত এবং অন্ত্রপ্লাবক (Omentum) পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিক তন্ত্র এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয় বংশগত কারণ বংশগত কারণ সমস্যা থাকলে বিশেষ করে 

যাদের রক্তের গ্রুপ A তাদের ক্ষেত্রে এই ঘটনা বেশি ঘটে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদেরই তুলনাই পুরুষরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স ৫৫ বছর বয়সের উদ্ধ্যেই এই রোগ হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

সঠিক কারণ অজানা। তবে পাকস্থলীর ক্ষত, এইচ পাইলরি (H-Pylori) প্রভৃতি রোগে দীর্ঘদিন ভুগলে এই রোগ হতে পারে বলে ধারণা করা হয় 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• ক্রনিক এপিগ্যাসট্রিক পেইন যা অ্যান্টাসিড ব্যবহারে কমাতে চায় না 

• পেট ফাঁপা এবং পেটে অস্বস্তি ভাব লাগে 

• পেটে একটি শক্ত মাস অনুভব করা যায় 

• ক্ষুধামন্দা 

• বমিভাব প্রভৃতি হতে থাকে 

• ক্রনিক বদহজম 

• অপুষ্টি জনিত বিকৃতি এবং দেহ পান্ডুরবর্ণ হতে দেখা যায় 

• রক্তবমি বা রক্ত পায়খানা হতে দেখা যায় 

• বমিতে বা মলে নস্যি গুঁড়োর ন্যায় পদার্থ থাকে 



Adjunctive treatment চিকিৎসা 

• রোগীকে হালকা ও পুষ্টিকর খাদ্য খেতে দিতে হবে 

• প্রয়োজনে নলদ্বারা খাদ্য খাওয়ানো বা নিউট্রিয়েন্ট এনিমার ব্যবস্থা করতে হবে 

• খাদ্য পরিমাণে খুব কম খাওয়াতে হবে 

• রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

Nail or nail clipper use in Bengali: কারণ ও লক্ষণ এবং চিকিৎসা

 

Nail or nail clipper use in Bangali

Description বিবরণ 

নখের কোণের প্রদাহকে নখকুনি বা কুণখ (Acronyx) বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক বহিঃক্ষরা তন্ত্র প্রভৃতি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণে বয়স ১৫ থেকে ৪০ বছর বয়সেই এই রোগ হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ নারী পুরুষ উভয়েরই সমান ভাবে এই রোগ হয় 



Causes of the disease কারণ 

• নখের কোণে ময়লা জমে এবং তা থেকে জীবাণু দূষণ হয়ে 

• নখ বৃদ্ধি পেতে পেতে দু পাশের চামড়ার ভাঁজে গেঁথে গিয়ে 

• নখের কোণ কাটতে গিয়ে কেটে গিয়ে তাতে বীজাণু দূষণ হয়ে এই ঘটায় 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• এই রোগ সচরাচর পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের নখেই বেশি হতে দেখা যায়

• নখের কোণে ব্যথা হয় 

• হাঁটতে চলতে কষ্ট হয় 

• নখের কোণে পুঁজ জমে এবং তা থেকে দুর্গন্ধ বের হয় 

• সমগ্ৰ আঙ্গুলটি ফুলে ওঠে 

• স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় অর্থাৎ বর্ষায় এই রোগ বৃদ্ধি পায় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• নখের কোণে ময়লা জমলে তা বের করে দিতে হবে 

• প্রয়োজনে নখ কেটে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড দিয়ে তা পরিস্কার করে ফলে যাবে 

• নিয়মিত নখ কাটা উচিত 

• নখ কাটার সময় সাবধানে থাকতে হবে যাতে নখ ছাড়া অন্য কোন অংশ না কেটে যায় 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

How to use in Bangali Hyper Sex Appetite: বিবরণ, কারণ, লক্ষণ, ও চিকিৎসা

 

How to use in Bangali Hyper Sex Appetite

বিবরণ 

মানব শরীরে যৌনমিলনের অতিরিক্ত আকাঙ্খা সৃষ্টি হওয়াকে অতিরিক্ত যৌনক্ষুধা বা Hyper Sex Appetite বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র এবং স্নায়ুতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয় 

আক্রমণে বয়স নারীর ক্ষেত্রে ১৪ থেকে ৩০ বৎসর এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে ১৬ থেকে ১৮ বছর থেকে ৬০ থেকে ৬৫ বছর পর্যন্ত এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ নারী ও পুরুষ এই রোগে সমান ভাবে আক্রান্ত হন



Causes of the disease কারণ 

• হর্মোনের অনিয়মিত ক্ষরণ 

• কুসংসগে থাকা

• অশ্লীল চিত্র দেখা 

• অশ্লীল পুস্তক পাঠ 

• কৃত্রিম মৈথুন 

বহুদিন বিপরীত লিঙ্গের মানুষ থেকে দূরে থাকা প্রভৃতি কারণে এই রোগের সৃষ্টি হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• অতিকাম থেকে যত্রতত্র কামোত্তেজনা সৃষ্টি হওয়া এমনকি অসৎকর্মে লিপ্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে 

• সর্বদা বিপরীত লিঙ্গের মানুষের প্রতি আকর্ষণ বোধ বেশি হয় 

• হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে সম্পর্ক বা স্থান না মেনে অপরাধ করে ফেলে 

• স্বামী ও স্ত্রী বিরক্তিবোধ যা থেকে সাংসারিক গোলযোগের সৃষ্টি হয় 



Adjunctive treatment চিকিৎসা 

• সর্বদা আলো বাতাস পূর্ণ পরিবেশে থাকতে হবে 

• শিক্ষামূলক পুস্তক পাঠ এবং চিত্রাদি প্রদর্শন করা ভালো 

• কুসংসগ ত্যাগ করতে হবে 

• বিপরীত লিঙ্গের মানুষের সাথে খোলা মনে মিশতে হবে 

• যে কোন রোগ থাকলে তার চিকিৎসা করতে হবে 

• মাদকদ্রব্য তামাকু ঝাল মশলাদার খাবার প্রভৃতি নিষিদ্ধ 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।





How to use in Bangali Spermatorrhoea: কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা

 

How to use in Bangali Spermatorrhoea

বিবরণ 

যৌনমিলন ছাড়াই বীর্য (Semen) ও শুক্রের (Sperms) ক্ষরণ হওয়াকে স্পার্মাটোরিয়া বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়

আক্রমণে বয়স ১৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে বেশি হতে দেখা যায়। তদূদ্ধেও হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র পুরুষরা এই রোগে আক্রান্ত হয়।



কারণ 

• যৌবন শুরুর সাথে সাথে কৃত্রিম মৈথুন শুরু করা এবং পরে তা বন্ধ করে দেওয়া 

• বিভিন্ন রতিজ রোগে ভোগা 

• যেমন সিফিলিস বা গনোরিয়া 

• অতিরিক্ত যৌনতা বিষয়ক পুস্তক পাঠ বা চিত্র দেখা বা চিন্তা করা

• কমোত্তেজনাকে জোর করে দমন করা 

• অপুষ্টিতে ভোগা প্রভৃতি কারণে এই রোগ হতে দেখা যায়



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• শুক্র সংখ্যা কম যুক্ত বীর্যপাত হয় 

• প্রস্রাব এবং পায়খানার বেগ দেওয়ার সময় বীর্যপাত হয় 

• স্বপ্নে বা যৌনমিলনকালে স্ফূর্তিহীন বীর্যপাত ঘটে 

• শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে 

• মাথাঘোরা 

• বুক ধড়ফড় করা প্রভৃতি ঘটে 

• যৌনমিলনের ক্ষমতা লোপ পায় 

• ইন্দ্রিয় দৃঢ় হলেও খুব শীঘ্র বীর্যপাত হয়ে যায় 

• সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা লোপ পায় 

• মানসিক অবসাদ 

• দুশ্চিন্তা 

• অনিদ্রা প্রভৃতি হতে দেখা যায় বিশেষতঃ বেশি বয়স্কদের 



Adjunctive treatment চিকিৎসা 

• সহজপাচ্য অথচ পুষ্টিকর খাদ্য দিতে হবে। দুধ, জলসহ ছানা, ফলের রস, সবুজ শাকসবজি, চারাপোনার ঝোল, ডাল, ছোলা মটর, প্রভৃতি খাওয়া চলবে 

• ঝাল মশলা মাদকদ্রব্য এবং উত্তেজক খাবার নিষিদ্ধ 

• রাত্রি জাগরণ অশ্লীল ছবি বা দৃশ্য দেখা 

• ক্রাইম বা পর্ণোগ্রাফি পড়া প্রভৃতি নিষিদ্ধ 

• সকাল এবং সন্ধ্যার মুক্ত বাতাসে ভ্রমণ এবং হালকা ব্যায়াম করা উপকারী 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ কর

How to use Warts: কারণ, লক্ষণ, ও চিকিৎসা

 

How to use Warts

বিবরণ 

আঁচিল হল চামড়ার উপরে সৃষ্টি ছোট এবং কর্কশ মৃদু টিউমার বিশেষ। ইহা একটি ভাইরাস সংক্রমণজনিত রোগ। আক্রমণের স্থানভেদে আঁচিলকে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।

• হাত-পা 

• আঙ্গুলের পৃষ্ঠদেশ এবং মুখ মন্ডলে যে আঁচিল হয়

• তাদের সাধারণত আঁচিল বা Verruca Vulgaris বলা হয় 

• পায়ের তলদেশে যে আঁচিল হয় তাকে Plantor Warts বা Verruca Plantaris বলা হয় 

• গালে এবং মুখে ছোট এবং চ্যাপ্টা আঁচিল চামড়ার বা শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীতে যে আঁচিল হয় 

আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স যে কোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে তবে 

১৫ থেকে ৩২ বছরের মধ্যেই বেশি হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষদের প্রায় সমানভাবেই এই রোগ হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

হিউম্যান প্যাপিল্লোমা ভাইরাস (Human Papilloma Virus) এই আক্রমণে এই রোগ হয়। এই ভাইরাস আক্রমণ ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকার ফলে সুস্থ ব্যক্তির দেহে আসে। এই ভাইরাস 

সাধারণতঃ লোনছা উঠে যাওয়া জায়গা, কাটা ক্ষত, শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি প্রভৃতি অংশ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে এবং উপচর্মে আশ্রয় নেয়। বহু সংখ্যক নিম্নপ্রজাতির ভাইরাসের আক্রমণে এই রোগ হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• চামড়ার উপর তামাটে রঙের কর্কশ উদ্ভেদ হয়।

• এতে কোন পুঁজ থাকে না বা ফাটার ভয় থাকে না 

• আঁচিলে কোন ব্যথা যন্ত্রণা বা চুলকানি থাকে না

•  অনেক সময় আপনা হতেই সেরে যায় 

• এগুলি সংখ্যার বেশি হলে দেখতে খুব বিশ্রী লাগে 



Treatment চিকিৎসা 

• কোন ভাইরাস নাশক ওষুধ ব্যবহার করে আঁচিল নিরাময় সম্ভব নয়।

Kerasol Lotion (কেরাসল লোশন)

Acid Salicylic (অ্যাসিড স্যালিসাইলিক)

• এক্ষেত্রে মিশিয়ে আঁচিলে প্রলেপ দিতে হবে। ৬ ঘন্টা পর ধুয়ে ফেলতে হবে। সাত দিন অন্তর অন্তর এই চিকিৎসা চালাতে হবে যতদিন না নিরাময় হচ্ছে


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন 







Paronychia Symptoms of the disease: রোগের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

Paronychia Symptoms of the disease

Description of the disease বিবরণ 

নখ পার্শ্বস্থ ভাঁজের সংক্রমণ (Infection) জনিত কারণে প্রদাহ হওয়াকে আঙ্গুলহাড়া বলে। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণে বয়স যে কোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষ অপেক্ষা মহিলারাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন।



Causes of the disease কারণ 

• নখ কাটার সময় নখ পার্শ্বস্থ ভাঁজে শূলকানি ওঠা

• ঐ অংশে আঘাত লাগা 

• পুড়ে যাওয়া 

• সূচ ফোটা প্রভৃতি থেকে জীবাণু দূষণ হয়ে এই রোগ হয় 

স্ট্যাফাইলো কক্কাস অরিয়াস এবং স্ট্রেপটো কক্কাস প্রভৃতি বীজাণু সংক্রামিত হলে এই রোগের অ্যাকিউট অবস্থা প্রকাশ পায়। ক্যানডিডা অ্যালবিক্যানস এর সংক্রমণে রোগ ক্রনিক হয়ে যায়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• প্রথমে নখের গোড়ার দিক ব্যথা হয় 

• ক্রমশঃ তা লালবর্ণ ধারণ করে এবং গরম হয়ে যায় 

• এরপর দপদপানি বা চিড়িক মারা যন্ত্রণা শুরু হয় 

• নখের গোড়ায় দিক থেকে সমস্ত আঙ্গুল ফুলে যায় এবং ভিতরে পুঁজ জন্মে

• জ্বর ও মাথা ব্যাথা প্রভৃতি হতে দেখা যায় 

• ক্রনিক অবস্থায় ব্যথা যন্ত্রণা কম হয়

• সর্বদা নখের চারপাশ দিয়ে জলবৎ পুঁজ নিঃসরণ হয় 

• নখ নড়া চড়া করে এবং তাতে ভাঁজ পড়তে দেখা যায় 

• এই রোগ হাতের বুড়ো আঙুলেই বেশি হয় 

• তবে অন্য আঙ্গুলেও হতে পারে 



Treatment চিকিৎসা 

• প্রথম অবস্থায় গরম জলে নুন বা ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ফেলে সেঁক দিতে হবে।

• এবং Antibactrin Oil (অ্যান্টিব্যাকট্রিন অয়েল) এর পটি দিলে অনেক সময় আঙ্গুলহাড়া পেকে ফেটে পুঁজ বের হয়ে শুকিয়ে যায়।

• না ফাটতে চাইলে অস্ত্রোপচার করে পুঁজ বের করে দিতে হবে এবং Antibactrin Oil (অ্যান্টিব্যাকট্রিন অয়েল) 

Bacilol Oil (ব্যাসিলল অয়েল)

Wokadine Lotion (ওকাডিন লোশন)



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• অত্যধিক তাপ বা ঠান্ডা লাগালো নিষিদ্ধ 

• বেশি জল লাগানো চলবে না 

• ঝাল ও মশলাদার খাবার বেশি খাওয়া চলবে না 

• পুষ্টিকর ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার দ্রুত রোগ নিরাময়ের সাহায্য করে 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use in Bangali Otitis externa: রোগের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use in Bangali Otitis externa

বিবরণ 

বহিঃকর্ণপ্রদাহ (External Auditory Canal) বিভিন্ন কারণে প্রবাহিত হওয়াকে বহিঃকর্ণপ্রদাহ বা Otitis Externa বলে। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণে বয়স যে কোনো বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষ উভয়েরই এই রোগে আক্রান্ত হয়।



Causes of the disease কারণ 

• সিউডোমোনাস 

• স্ট্যাফাইলোকক্বাস 

• স্ট্রেপটোকক্বাস 

• ও অন্যান্য গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণু 

• অ্যাস্পারজিল্লাস

• ফাইকোমাইসিটেস 

• রাইজোপাস 

• অ্যাকটিনো মাইসেজ 

• ঈস্ট প্রভৃতি ছত্রাকের আক্রমণ থেকে এই রোগ হয় 

• ঠান্ডা লাগা 

• খোঁচা দেওয়া বা আঘাত করা

কানের পাতায় কোন চর্মরোগ ভেতরে প্রবেশ করা ইত্যাদি থেকে এই রোগের সৃষ্টি হয়। ছোট ফোঁড়া থেকেও এই ঘটনা ঘটতে পারে।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• কানের ভেতরে প্রচন্ড ব্যথা যন্ত্রণা হয় 

• কানে শুনতে না পাওয়া ও মনে হয় কানে ছিপি দেওয়া আছে 

• কানের বাইরে ও ভেতরে চুলকানি থাকে 

• ছোট ছোট ব্রণ আকৃতির ফোঁড়া হতে পারে 

• কান থেকে পুঁজ বা পাতলা রক্ত ঝরতে পারে 

• কানের গোড়ায় গ্ৰন্থি ফোলে এবং তাতে প্রচন্ড ব্যথা থাকে 

• জ্বর হতে পারে 

• মাথা ব্যথা হতে দেখা যায় 



Symptoms উপসর্গ 

• কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়ে মেনিনজাইটিস হতে পারে 

• কানের বা তৎসংলগ্ন অস্থি আক্রান্ত হতে পারে একে Mastoiditis বলা হয় 

• কানের পাতায় তরুণাস্থি প্রদাহ Chondritis হতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• কানে গরম সেঁক দেওয়া ভালো 

• পুকুরে স্নান করা নিষিদ্ধ 

• সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে 

• লাউপাতার রস কানে দিলে যন্ত্রণার উপশম ঘটে 

• কানের মল (খোল) জমে থাকলে Ceruminex Ear Drops (সেরুমিনেক্স ইয়ার ড্রপ) 

Waxolve Ear Drops (ওয়াক্সলভ ইয়ার ড্রপস 

Desol Ear Drops (ডেসল ইয়ার ড্রপস) 

ব্যবহার করে কান পরিষ্কার করতে হবে

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন


Causes and symptoms Eosinophilia: কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা

 

Causes and symptoms Eosinophilia

বিবরণ 

রক্তে ইওসিনোফিলের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে যাওয়াকে ইওসিনোফিলিয়া বলে। এর সাথে ফাইলেরিয়া রাত্রিকালীন তীব্র কাশি বা বুকে সাঁই সাঁই শব্দ প্রভৃতি হতে থাকে। 

আক্রমণে বয়স ১৪ থেকে ৪৫ বছর বয়সের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। তবে অন্য বয়সে ও হতে পারে আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষের উভয়ের সমানভাবে এই রোগ হতে পারে। 



Causes of the disease কারণ 

• Wuchereria bancrofti 

• brugia malayi worm

প্রভৃতি পরাশ্রয়ীদের আক্রমণে এই রোগ হয় 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• শুকনো কাশি বিশেষতঃ রাত্রে দারুণভাবে বৃদ্ধি পায় 

• হাঁপানি হতে শুরু করে 

• কখনো কখনো মারাত্মকভাবে হাঁপানি হয় 

• হাঁপানি ছাড়াও শ্বাসকষ্ট হয় 

• জোরে শ্বাস টানলে কাশি এবং হাঁপানির উদ্রেক হয় 

• সামান্য জ্বর ভাব থাকে 

• গাঢ় শ্লেষ্মা নির্গত হতে পারে 

• হৃদপিণ্ডের গতি দ্রুত হয় 

• ক্ষুধামন্দা থাকে 




How to use in Bangali Salpingitis: বিবরণ, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use in Bangali Salpingitis

বিবরণ 

বিভিন্ন কারণে ডিম্বাশয়, ডিম্বানালী, জরায়ু ও তৎসংলগ্ন সমগ্ৰ জননতন্ত্র প্রদাহিত হতে থাকলে, তাকে ডিম্বনালীর প্রদাহ বা পেলভিক ইনফ্লামেটরী ডিজিজ বলা হয়।

কেবলমাত্র ডিম্বনালী প্রবাহিত হলে, তাকে স্যালপিন জাইটিস বলা হয়। ডিম্বাশয়ের প্রদাহকে বলা হয় ওফোরাইটিস (Oophoritis) আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র এই (Reproductive System) 

রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এই রোগ হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র মহিলারা এই রোগে আক্রান্ত হন।



Causes of the disease কারণ 

• ক্লামাইডিয়া ট্রাকোম্যাটিস 

• নেইস্যেরিয়া গনোরিয়া 

• মাইকো প্লাজমা 

• পেপটো স্ট্রেপটোকক্বাস 

প্রভৃতি বিভিন্ন জীবাণুর আক্রমণ থেকে এই রোগ হয়। এই সকল বীজাণু যৌনি প্রভৃতি অংশ থেকে ডিম্বাশয় ও ডিম্বানালীকে আক্রমণ করে।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• কোমর 

• তলপেট

• পিঠের নিচের দিক প্রভৃতি অংশে ব্যথা ও যন্ত্রণা হয় 

• ঋতুর গোলযোগ 

• যোনি থেকে বিভিন্ন ধরনের স্রাব হতে থাকে 

• ডিম্বনালী ফুলে ওঠে 

• তলপেট শক্ত হয়ে ফুলে ওঠা প্রভৃতি ঘটে 

• গা বমি ভাব বা বমি হয় 

• জ্বর ভাব থাকে 

• প্রস্রাব ত্যাগে কষ্ট হতে থাকে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• তলপেটে গরম সেঁক দিলে উপকার হয় 

• খাদ্য পানীয় গরম হওয়া বাঞ্ছনীয় 

• জল বেশি পরিমাণে খাওয়া এই রোগের পক্ষে উপকারী 

• পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাদ্য খেতে হবে 

• রোগ ভোগাকালীন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে 

এই আর্টিকেল পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।



How to use Peritonitis কারণ ও লক্ষণ এবং চিকিৎসা

 

How to use Peritonitis

বিবরণ 

উদর গহ্বরের প্রাচীন এবং অন্ত্রের যে আবরক পর্দা থাকে তাদের প্রদাহকে পেরিটোনাইটিস বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র অন্তঃক্ষরা তন্ত্র বিপাক তন্ত্র এবং হৃদপিণ্ড এই রোগের দ্বারা 

আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স যে কোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদেরই চেয়ে পুরুষরাই এই রোগে অধিক আক্রান্ত হন।



Causes of the disease কারণ 

• অন্ত্রাবরক ঝিল্লীর উপর বীজাণুর আক্রমণ 

• অন্ত্রে ছিদ্র হয়ে বিভিন্ন বস্তু অন্ত্র থেকে বের হয়ে এই অংশে আসা

• অ্যাপেন্ডিসাইটিস 

• কোলাইটিস 

• ডাইভার 

• টিকিউলাইটিস আন্ত্রিক ক্ষত প্রভৃতি রোগে ভোগা 

• অস্ত্রোপ্রচার করার ক্রটি 

• মারাত্মক আঘাত লাগা প্রভৃতি থেকে অন্ত্রাবরক ঝিল্লীর প্রচার করার ক্রটি 



Symptoms of the disease 

• হঠাৎ সমগ্ৰ পেটে যন্ত্রণা শুরু হয়ে যাওয়া 

• পেট ফুলে ওঠে এবং শক্ত হয়ে যায় 

• পেটে প্রচন্ড ব্যথা যাওয়া 

• জ্বর হয় ১০২⁰ থেকে ১০৪⁰ ফাঃ পর্যন্ত 

• বমি ভাব বমি হতে দেখা যায় 

• পেটেঅস্বস্তি ভাব এবং শ্বাসকষ্ট হতে দেখা যায় 

• চলাফেরা করলে যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায় 

• শ্বাস-প্রশ্বাস ও নাড়ীর গতি হ্রাস পায়

• মুখমন্ডল সর্বদা কোঁচকানো থাকে 

• নিম্ন রক্তচাপ হতে দেখা যায় 

• জলশূন্যতা (Dehydration) হতে পারে 

• পেটে আঘাত করলে অর্থাৎ টোকা মারলে তার প্রতিধ্বনি শুনতে পাওয়া যায় 

• উদরী (Ascites) অর্থাৎ পেটে জল জমা হতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে প্রথম অবস্থায় ন্যাসোগ্যাসট্রিক টিউব দ্বারা তরল ও সহজপাচ্য খাদ্য খাওয়াতে হবে 

• পরে একটু সুস্থ হলে সুসিদ্ধ ভাত, ঝোল, হরলিক্স, প্রকৃতি খাওয়ানো চলবে।

• প্রথম অবস্থায় রোগীকে অদ্ধশায়িত অবস্থায় শোয়াতে হবে 

• পেটে গরম সেঁক দিলে যন্ত্রণার উপশম ঘটে 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।



How to use Carbuncles: বিবরণ, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Carbuncles

বিবরণ 

চর্মনিম্নস্থ তন্ত্র বীজাণু দূষণ হয়ে সে বড় ও চ্যাপ্টা ফোঁড়ার সৃষ্টি হয় তাকে দুষ্টব্রণ বা বার্কাঙ্কল বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণে বয়স এই রোগ মধ্য বয়সীদের ই বেশি হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েরই এই রোগের সমান ভাবে আক্রান্ত হন।


Causes of the disease কারণ 

রক্তে শর্করা বেশি থাকা এবং স্ট্যাফাইলোকক্বাস বীজাণুর সংক্রমণ এই রোগের প্রধান কারণ 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• শরীরের যে কোনো স্থানে তবে বেশির ভাগই পিঠে এই রোগ হয় 

• প্রথমে চামড়া লাল হয়ে ফুলে ওঠে 

• তবে প্রচন্ড টাটানি ব্যথা থাকে 

• ক্রমশ পুঁজ সঞ্চয় হতে থাকে 

• এবং ব্যাথা যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়

• এই ব্রণ চ্যাপ্টাকৃতির হয় এবং বহুমুখ বিশিষ্ট হয় 

• এর ভেতরে মৌচাকের কুঠুরীর ন্যায় অনেক নালী সৃষ্টি হয় তাতে পুঁজ জমে থাকে

• চাপ দিলে সব মুখ দিয়ে অল্প অল্প পুঁজ বের হতে থাকে 

• ফেটে গেলে বা অস্ত্রোপাচারের পর সহজে ঘা শুকোতে চায় না 

• অনেক সময় রোগী একসাথে অনেকগুলি কার্বাঙ্কলে ভোগে ফলে জ্বর ও মাথা ব্যথা সহ বহুরকম কষ্টে ভোগে 



Treatment চিকিৎসা 

• সর্বপ্রথম কার্বাঙ্কল আক্রান্ত স্থানটিতে বোরিক অ্যাসিড বা ম্যাগনেসিয়াম সালফেট মিশ্রিত গরম জল দ্বারা সেঁক দিতে হবে 

• না ফাটলে অস্ত্রোপচার করে পুঁজ বের করে দিতে হবে 

• এর পর গজ দ্বারা ওষুধ ক্ষতের মধ্যে প্রবেশ করাতে হবে 

• এর জন্য Antibactrin Oil (অ্যান্টিব্যাকট্রিন অয়েল

• অথবা Wokadine Ointment (ওকাডিন অয়েন্টমেন্ট

• বা Alphadine Ointment (আলফাডিন অয়েন্টমেন্ট) লাগাতে হবে 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন





How to use Candidiasis Symptoms: রোগের কারণ ও লক্ষণ

 

How to use Candidiasis Symptoms

রোগের বিবরণ 

চর্মে সৃষ্ট স্যাঁতসেঁতে এবং প্রদান যুক্ত ক্ষতকের হাজা বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি মুখের মিউকাস মেমব্রেন জননতন্ত্র প্রভৃতি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়

আক্রমণে বয়স সব বয়সেই এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদেরই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

ক্যানডিডা অ্যালবিক্যানস (Candida Albicans) ই এই রোগ সৃষ্টি কারী ছত্রাক। 

১. এছাড়া ক্যানডিডা ট্রপিক্যালিস

২. ক্যানডিড ত্রুশেয়ী

৩. ক্যানডিড স্টেল্লাটয়ডিয়া

৪. ক্যানডিড সিউডোট্রপিক্যালিস 

প্রভৃতি ছত্রাকরা এই রোগে ঘটায় তাপ এবং আর্দ্রতা এই রোগ সৃষ্টির সহায়ক। তাছাড়া মধুমেহ রোগে ভোগা অতিরিক্ত টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় বা গর্ভনিরোধক পিল খাওয়া এই রোগ সৃষ্টির সহায়ক 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• আক্রান্ত অংশের চামড়া সাদাটে হয় এবং তাতে Maceration অর্থাৎ সিক্ত ভাব থাকে

• সাধারণতঃ চামড়ার ভাঁজ 

• যেমন কুচকি 

• আঙ্গুলের মধ্যবর্তী অংশ 

• মুখের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী 

• যোনিদ্বার ও যোনিনালী 

• স্তনের নিম্নাংশের ভাঁজ 

• বগলের ভাঁজ 

• পায়ের সর্বত্র এই রোগ হতে দেখা যায় 

• আক্রান্ত অংশ চুলকায় এবং জ্বালা করে 

• মুখের মিউকাস মেমব্রেন হলে সাদা এবং গর্তাকার ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এগুলি ও জ্বালা ও প্রদাহযুক্ত হয় 

• এই রোগ বর্ষাকালে বাড়ে এবং শীতকালে কিছু কম হয় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• আক্রান্ত অংশ সর্বদা পরিস্কার রাখতে হবে এবং শুকনো রাখার চেষ্টা করতে হবে। 

• ঝাল ও মশলাদার খাবার খাওয়া এবং এলোমেলো ওষুধ খাওয়া নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 

How to use Tetracycline: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

How to use Tetracycline

Tetracycline কী?

ইহা জলে দ্রবণীয়, গন্ধহীন, তিক্ত আস্বাদ বিশিষ্ট হরিদ্রাবর্ণের স্ফটিকাকার বস্তু। ইহা অধিকাংশ গ্ৰাম-পজেটিভ বা গ্ৰাম-নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয়। ইহা পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত 

এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশের দ্রুত বিস্তার লাভ করে। ইহা ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হয়। এছাড়া মলের সাথে ও কিছু নির্গত হয়।



ব্যবহার Uses 

• নিউমোনিয়া 

• ব্রঙ্কাইটিস সহ সকল প্রকার শ্বাস যন্ত্রের পীড়া 

• সাইনুসাইটিস 

• টনসিলাইটিস 

• ফ্যারিংজাইটিস সহ সকল প্রকার গলার রোগ 

• নাক ও কানের সকল প্রকার সংক্রমণ 

• চক্ষুর সংক্রমণ 

• সকল প্রকার প্রস্রাবের পীড়া 

• উদরাময় 

• কলেরা 

• আমাশয় সহ সকল প্রকার পৌষ্টিকতন্ত্রের পীড়া 

• সকল প্রকার স্ত্রী জননতন্ত্রের সংক্রমণ 

• পীত জ্বর 

• গ্ৰন্থিজ্বর 

• ব্রণ ও তদজনিত ক্ষত

আরক্ত জ্বর (Scarlet fever) প্রভৃতি সকল প্রকার জ্বরে এই ওষুধ ব্যবহার করা যায়।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• বমি ভাব বা বমি 

• ক্ষুধা মন্দা 

• জিহ্বা ও মুখগহ্বরের ক্ষত

• চর্মে উদ্ভেদ 

• আমবাত 

• রক্তাল্পতা 

• ইওসিনোফিলিয়া 

• রক্তে নিউট্রোফিল

ও অনুচক্রিকার হ্রাসপ্রাপ্তি ঘটে থাকে। দীর্ঘকাল চিকিৎসা চালালে দাঁতের রং হরিদ্রাভ হয়ে যায়।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

১. পেনিসিলিন 

২. আয়রন 

৩. ক্যালসিয়াম প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হয় 

৪. ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় 

৫. অ্যালুমিনা ও ম্যাগনেসিয়া সমন্বয়ে অ্যান্টাসিডের সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে 

৬. ফলে শোষণ কম হয় এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় 

৭. এছাড়া কার্বামাজেপিন 

৮. ফেনাইটোইন 

৮. লিথিয়াম 

ডাইগক্সিন প্রভৃতির সঙ্গে ব্যবহারে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় এবং রক্তের চিত্রের পরিবর্তন ঘটায়।



সাবধানতা অবলম্বনের 

• গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মাতার ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• ১ থেকে ১২ বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

ইঞ্জেকশন কেবলমাত্র ইন্ট্রামসস্কুলার পথেই দেওয়া চলবে ইন্ট্রাভেনাস হলে তা বিপদজনক হবে।

• মলম নষ্ট হয়ে গেলে বা Expiry হয়ে গেলে তা ব্যবহার করা বিপদজনক।

• মারাত্মক কিডনির রোগ এবং যকৃতের জটিল রোগে ইহার ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• চিকিৎসা চলাকালীন দুধ এবং দই না খাওয়াই ভালো 

• চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।



How to use in Neuralgia: রোগের কারণ ও লক্ষণ এবং চিকিৎসা

 

How to use in Neuralgia

Description of the disease বিবরণ 

৫ম মস্তিষ্ক স্নায়ুর (Cranial Nerve) সংবেদক স্নায়ু কেন্দ্রের (Sensory Nucleus) এ গোলযোগ জনিত প্রদাহকে স্নায়ুশূল বলা হয় এই প্রদাহ মুখ মন্ডল মধ্যস্থ এবং একদিকে বহমান 

স্নায়ুসমূহের মধ্যে বিস্তার লাভ করে। এই স্নায়ুশূল অবশ্যই শরীরে অন্যান্য অংশের স্নায়ুতন্ত্রের হতে পারে। তখন ১২ জোড়া মস্তিষ্ক স্নায়ুই আক্রান্ত হয়। স্নায়ু তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণে বয়স ৩০ বছর থেকে ৬০ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদেরই চেয়ে পুরুষরাই এই রোগের অধিক আক্রান্ত হন।



Causes of the disease কারণ 

• আঘাত লাগা 

• ঠান্ডা লাগা 

• বিভিন্ন রোগে ভোগা 

• শিরা ও ধমনীর চাপে স্নায়ুসমূহ সঙ্কুচিত হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হয়ে থাকে



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• আক্রান্ত অংশ সমূহে ছুরিকাবিদ্ধবৎ যন্ত্রণা হয় 

• ঠোঁটের ও গালের মুখমন্ডলের অসহনীয় যন্ত্রণা হতে থাকে 

• মেরুদণ্ড ও কোমর এবং ঘাড় প্রভৃতি অংশের যন্ত্রণা হতে থাকে 

• স্পর্শ করলে বা আঘাত লাগলে যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায় 

• চোখ থেকে জল ঝরতে থাকে 

• লাল ঝরা চলতে থাকে 

• শরীর দুর্বল হওয়া 

• কর্মের অনিচ্ছা প্রভৃতি চলতে থাকে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে কিছুদিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে 

• হালকা সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাদ্য খেতে দিতে হবে 

• হাওয়া গরম বা ঠান্ডা লাগার হাত থেকে দূরে থাকতে হবে 

• তিন নম্বর এর ওষুধ খেলে একটি লিভার টনিক খাওয়া ভালো 

• গুরুতর খুব সমস্যা হলে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন 




How to use Gallstone: রোগের বিবরণ, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Gallstone

বিবরণ 

পিত্তনালী অর্থাৎ Bill Duet এর মধ্যে অবরোধ ঘটলে পিত্তরস (Bile) বা পিত্তরঞ্জক (Bile Pigment) ভালভাবে নির্গত হতে পারে না, ফলে তা পিত্তথলির মধ্যে জমে যায় এবং পাথরে পরিণত হয় 

কোলেস্টেরল (Cholesterol) থেকেও পাথরে সৃষ্টি হয়। পিত্তথলিতে পাথর জমে থাকা হল Gall Stone বা পিত্ত পাথরী  এখন এই পাথর বিভিন্ন আকৃতির হয়। ছোট বালুকণা থেকে শুরু 

করে পাখির ডিমের সাইজেরও হয়। ছোট আকৃতির হলে পাথরের সংখ্যা বেশি থাকে। এই পাথর যাদি পিত্তরস বাহিত হয়ে পিত্তনালীতে আটকে যায়, তাহলে প্রদাহের সৃষ্টি হয় অথবা 

পাথরের সংখ্যা বেশি হয়ে পিত্তথলিতে চাপে সৃষ্টি হয়ে যন্ত্রণা শুরু হয়, তাকে বলা হয় পিত্তশূল বা Cholecystitis কোলেসিস্টাইটিস অনেক সময় কোন প্রদাহ থাকে না, ফলে 

রোগী রোগ সম্বন্ধে জানতেও পারে না। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স ৫০ বছরের ঊদ্ধেই এই রোগ বেশি হয়, তবে ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যেও এই 

রোগ বেশি কিছু কিছু হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষের তুলনায় মহিলারাই এই রোগে অধিক আক্রান্ত হয়।



Causes of the disease কারণ 

১. যকৃতের রোগে দীর্ঘ দিন ভোগা বা অন্যান্য রোগ থেকেও পিত্তবাহী নালীতে অবরোধ সৃষ্টি হয়ে পিত্তরস নিঃসরণে বাধাদান করে 

২. রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি প্রভৃতি এই রোগ সৃষ্টির সহায়ক 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

১. ডানদিকের উপরে পেট এবং ডান পাঁজরের নিচে হঠাৎ তীব্র যন্ত্রণা আরম্ভ হয় 

২. যদি পাথরী পিত্তনালীর বেয়ে নেমে যায়

৩. আর পাথরী আটকে থাকলে যন্ত্রণা চলতেই থাকে তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত 

৪. বমি ভাব বা বমি হতে পারে 

৫. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় শীত ভাব থাকে 

৬. পেট ফুলে উঠতে পারে 

৭. শ্বাস প্রশ্বাস দীর্ঘ হয় 

৮. শতকরা ৫০ জনের জন্ডিস হতে দেখা যায় 

৯. কোষ্ঠকাঠিন্য বা কালচে মল হতে দেখা যাবে। 

১০. ফ্যাট জাতীয় খাবার হজম হয় না 

১১. ফলে মল পাতলা হতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

এই রোগের প্রধান চিকিৎসা হলো অস্ত্রোপ্রচার (Cholecystitis tomy) করে পাথর বের করা 

১. লঘু ও পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে 

২. গ্লুকোজের জল, ডাবের জল, আপেল, মুসুম্বী ও বাতাবি লেবুর রস, আখের রস, কাঁচা পেঁপে, উচ্ছে ও করলা প্রভৃতি খাওয়া ভালো। 

৩. যন্ত্রণা ও ব্যাথা কমাতে গরম সেঁক দেওয়া ভালো 

৪. ঘি, মাখন, দুধ, অন্যান্য চর্বি জাতীয় খাবার, মশলাদার খাবার, ভাজা খাবার, মাদকদ্রব্য প্রভৃতি না খাওয়াই ভালো 

৫. ডিম মাছ মাংস প্রভৃতি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ 

৬. তবে শিঙ্গি মাগুর মাছের ঝোল খাওয়া ভালো 

৭. দুধ ক্যালসিয়াম ল্যাকটেট দিয়ে ছানা কাটিয়ে খাওয়া চলবে 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।





Dicyclomine tablet uses in Bangali: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, আন্তঃবিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

Dicyclomine tablet uses in Bangali


Dicyclomine tablet কী

ইহা একটি পেশীর বিশেষতঃ পৌষ্টিকতন্ত্রের পেশির আক্ষেপ নিবারণী ওষুধ। ওষুধ এককভাবে অথবা প্যারাসিটামলের সাথে যৌথভাবে কিংবা সাইমেথিকেন বা ডাইমেথিকোনের সাথে 

একত্রে থেকে পেটের সকল অংশের যন্ত্রণা নিবারণ করে‌। ইহা মুখে খাবার ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট এবং ইঞ্জেক মাধ্যমে পুশ করতে ২০ থেকে ২৫ মিনিটে রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রা উপস্থিত হয় এবং 

সেখানে চার ঘন্টা পর্যন্ত অবস্থান করে। ইহার বিস্তার হল সমগ্র  পৌষ্টিকতন্ত্র, জননতন্ত্র, মূত্রগ্ৰন্থি প্রভৃতি অংশের। ঐ সকল অংশের পেশীর আক্ষেপ কমানোই ইহার প্রধান কাজ। এই 

রাসায়নিক অধিকাংশ টাই মূত্রপথের অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্র পথে এবং মলের সাথে নির্গত হয়।



ব্যবহার Uses 

• পৌষ্টিক তন্ত্রের ব্যথা ও বেদনা 

• মূত্রযন্ত্রের ব্যথা ও বেদনা 

• সকল প্রকার স্ত্রীরোগ জনিত ব্যথা ও বেদনা 

• উদরাময় 

• মলদ্বারের প্রদাহ 

• মলত্যাগের সময় প্রদাহ 

প্রভৃতি রোগে ব্যবহার করা হয়। যকৃত ও প্রদাহে প্রদাহ নাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

১. মুখের শুষ্কতা 

২. তীব্র জলপিপাসাবোধ 

৩. মাথা ধরা 

৪. ঝিমুনি ভাব 

৫. কোষ্ঠ বদ্ধতা 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন। 



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

হাইড্রোক্লোরো থায়াজাইড ট্রায়ামেট্রিন এর সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়ার ফলে ডাইসাইক্লোমাইন মূত্রপথে নির্গত হতে বাধা পায়, ফলে প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের 

১. ঝাপসা দৃষ্টি (Glaucoma) থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা চলবে না।

২. প্রোস্টেট গ্রন্থির রোগের ব্যবহার না করাই ভালো।

৩. শিশুদের ব্যবহার করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৪. গর্ভবতী মায়েরা এই ওষুধ ব্যবহার করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। 

৫. গর্ভাবস্থা স্তন্যদানকালে খুব সাবধানতা সহ ব্যবহার ডাক্তারবাবু পরামর্শ নিয়ে উচিত।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

Liver Abscess cause of disease: রোগের বিবরণ, রোগের কারণ, রোগের লক্ষণ

 

Liver Abscess cause of disease


Description of the disease বিবরণ 

যকৃতে জীবাণু দর্শন হয়ে বা অন্যান্য কারণে ফোঁড়ার সৃষ্টি হয়, তা পাকার পর ফেটে গিয়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে এবং তা থেকে প্রদান ও অন্যান্য জটিল তা দেখা দেয়, 

একেই যকৃতের ক্ষত বা Liver Abscess বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স বয়স্কদের এই রোগ বেশি হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষদেরই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

• জন্ডিস 

• হেপাটাইটিস 

• সিরোসিস 

• ক্রনিক চর্মরোগ 

• মাদকদ্রব্য সেবন 

প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে দেখা যায়। প্রধান কারণ হলো ক্রনিক অ্যামিবায়াসিসে ভোগা 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• ডানদিকের উপর পেটে প্রচন্ড ব্যথা হয় 

• টনটন করা ও চাপ দিলে ব্যথা লাগে 

• ব্যথা বুক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে 

• জন্ডিস থাকতে পারে 

• বমিভাব বা বমি হতে পারে 

• যকৃতের ক্ষত ডায়াফ্রাম ও পেরিটেনিয়াল ক্যাভিটি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে 

• দুর্বলতা বা ওজন হ্রাস ঘটে 

• জ্বর ছেড়ে ছেড়ে হয় 

• শীতভাব থাকে 

• ঘাম হয় 



Diagnosis রোগ নির্ণয় 

• রোগের লক্ষণ অনুযায়ী 

• X-ray করলে রোগ ধরা পড়ে 

• Liver Functions Test রিপোর্ট অস্বাভাবিক হয়



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগ ভোগাকালীন সময় গ্লুকোজের জল, ডাবের জল, পেঁপে, কাঁচা কলার ঝোল, সুসিদ্ধ ভাত অল্প পরিমাণে খেতে দেওয়া যাবে। 

• মাদকদ্রব্য সেবন, অতিরিক্ত ওষুধ সেবন, তেল, ঘি, চর্বি জাতীয় খাদ্য খাওয়া নিষিদ্ধ। 

• আমাশয় রোগীদের অসম্পূর্ণ চিকিৎসা করা মোটেই উচিত নয়।

• গুরুতর সমস্যা হলে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই করে পরামর্শ করুন।

How to use Hepatitis: রোগের কারণ, রোগের লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

How to use Hepatitis


Description of the disease বিবরণ 

বিভিন্ন রোগের জীবাণু বা ভাইরাসের আক্রমণের ফলে যকৃত  কোষে প্রদান হয়, একেই হেপাটাইসিস বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স এই 

রোগ সকল বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের খুব কমই হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ দ্বিগুণ হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

• টাইফয়েড 

• ম্যালেরিয়া 

• ইনফ্লুয়েঞ্জা 

• নিউমোনিয়া 

• কালা জ্বর 

হেপাটিসিমিয়া প্রভৃতিতে দীর্ঘদিন ভূগলে ঐ সব রোগের জীবাণুরা যকৃত কোষকে আক্রমণ করে

• ফলে এই রোগ হয় তাছাড়া ক্রনিক অ্যামিবায়াসিসে ভুগলে 

• লিভারের স্থানে মারাত্মক আঘাত লাগলে

• চর্বি জাতীয় খাদ্য বেশি খেলে এই রোগ হতে পারে 

• অত্যাধিক মাদকদ্রব্য সেবন থেকে ও এই রোগ হতে পারে 

• তাকে অ্যালকোহলিক হেপাটাইটিস বলা হয়

ভাইরাস আক্রমণ থেকে হেপাটাইসিস হয়, তাকে ভাইরাস হেপাটাইটিস বলা হয। হেপাইটাইটিস এ ভাইরাস (HAV) এবং হেপাটাইটিস ই ভাইরাস (HEV) দূষিত খাদ্য এবং পানীয়ের 

মাধ্যমে সংক্রামিত হয়। হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV) এবং হেপাটাইটিস ডি ভাইরাস (HDV) প্রভৃতি যৌন মিলন, দূষিত রক্ত প্রদান, দূষিত খাদ্য এবং পানীয় গ্রহণ প্রভৃতির মাধ্যমে সংক্রামিত 

হয়। হেপাটাইটিস সি ভাইরাস (HCV) দূষিত রক্ত প্রদানের মাধ্যমে সংক্রামিত হয়। হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV) ঘটিত হেপাটাইটিসই বেশি দেখা যায়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• ডান দিকের উপর পেটে প্রচন্ড ব্যথা হয় 

• মোচড়ানো যন্ত্রণা হতে থাকে 

• ব্যাথা পিঠের ডান দিকে ও বাম পেটের ও বুকে ছড়িয়ে পড়ে

• লিভারের স্থানে হাত দিলে তা অনুভব করা যায় 

• কাদার ন্যায় কালো পায়খানা হয় 

• উদরাময় বা কোষ্ঠ দেখা দিতে পারে 

• চক্ষুর শ্বেত অংশ এবং সারা শরীর হলুদ বর্ণ হয়ে যায় 

• জন্ডিস হয় 

• গা বমি দেয় 

• খাবার খেলেই বমি হয়ে যায় 

• গ্লুকোজের জল পান করলে কোন অসুবিধা হয় না 

• ক্ষুধামন্দ দেখা দেয় 

• মুখে ও গলার তিক্ত আস্বাদ লাগে 

• এমনকি বমি হলে তাও তেতো লাগে 

• অল্প অল্প জ্বর হতে দেখা যায় 

• শীত শীত ভাব লাগে 

• মাথা ভরা থাকে 

• জিহ্বাতে ময়লা জমে 

• রোগ যত বাড়তে থাকে রোগী ততই শীর্ণ দুর্বল হয়ে পড়ে

• ঘুম ভাব লাগে কিন্তু ঘুম ভালো হয় না 

• শরীরে অস্থিরতা সৃষ্টি হয় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. রোগীকে তিন থেকে চার সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে 

২. ডাবের জল 

৩. গ্লুকোজের জল

৪. মিষ্টি মুসুম্বী ও কমলালেবুর রস 

৫. মাঠাতোলা দুধ প্রভৃতি খাওয়ানো চলবে 

৬. রোগী একটু সুস্থ বোধ করলে কাঁচা কলা, পেঁপে, ডুমুর, প্রভৃতির ঝোল সুসিদ্ধ ভাত শাকসবজি প্রভৃতি খেতে দেওয়া চলবে 

৭. আখের রস দুবেলা খেতে দেওয়া ভালো 

৮. তেল, ঘি, মাখন, ডিম, পাকা মাছ, মাংস, ঝাল, মসলা, মাদকদ্রব্য প্রভৃতি এক বছর খাওয়া নিষিদ্ধ। 

৯. পরে অল্প অল্প খাওয়া চলবে 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।




 












How to use Ciprofloxacin: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, সাবধানতা

 

How to use Ciprofloxacin

Ciprofloxacin কী?

ইহা ফ্লুয়োরোকুইনোলোন গ্ৰুপের একটি ওষুধ। ইহা সকল প্রকার গ্রাম পজিটিভ এবং গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়। ইহা ঈ-কোলি, ক্লেবসিয়েল্লা স্পেসিজ, স্যালমোনেল্লা 

স্পেসিজ, সেরাসিয়া স্পেসিজ, ভিব্রিও কলেরী, নেইসেরিয়া গনোরী, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, প্রোটোজোমা, ফাঙ্গাল প্রভৃতি সকল প্রকার জীবাণু এবং যে সকল জীবাণু নাশক ওষুধে

Resistant হয়ে গেছে তারা প্রত্যেকেই এই ওষুধের ধ্বংস হয়। এই ওষুধ পৌষ্টিক তন্ত্রের থেকে দ্রুত শোষিত হয়। ৮৫ শতাংশ শোষণ হতে দেখা যায়। খাদ্যের সঙ্গে এই শোষণের কোন

সম্পর্কই নেই। মুখে খাবার ওষুধ গ্রহণের এক থেকে দেড় ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা শরীরের সকল প্রকার তরল এবং কোষে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। এই ওষুধের আশি শতাংশ পায়খানার মাধ্যমে নির্গত হয়। মূত্রের মাধ্যমেও অপরিবর্তিত অবস্থায় এই ওষুধ নির্গত হয়। 



ব্যবহার Uses 

• নিউমোনিয়া 

• ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া 

• প্লুরিসি 

• ফুসফুসের ক্ষত 

• ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস 

• ব্রঙ্কিয়েকট্যাসিস সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া

• নাক

• কান

• গলার রোগ 

• নতুন ও পুরোনো মূত্রতন্ত্রের পীড়া 

• গণোরিয়া ও অন্যান্য রতিজ ব্যাধি 

• সকল প্রকার বীজাণু ঘটিত চর্মরোগ 

• অস্ত্রপ্রচার জনিত ক্ষত

• উদরাময় 

• কলেরা সহ সকল প্রকার আন্ত্রিক পীড়া 

• টাইফয়েড 

• পৌষ্টিক তন্ত্রের অন্যান্য পীড়া 

• সকল প্রকার ইনফেকশন যেমন 

• স্যালপিনজাইটিস

• এন্ডোমেট্রিওসিস

• সংক্রমণ জনিত শ্বেতপ্রদর প্রভৃতি 

মেনিনজাইটিস প্রভৃতিতে সাইপ্রোফ্লক্সাসিন ব্যবহার করা হয় 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• গা বমি ভাব 

• পেটের গন্ডগোল 

• মাথা ধরা 

• ঘুম ভাব 

• পেটে ব্যথা 

অস্থিরতা প্রভৃতি হতে পারে। মারাত্মক প্রতিক্রিয়া খুব কমই লক্ষ্য করা যায়।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড মিশ্রিত অ্যান্টাসিডের

• থিওফাইলিন প্রভৃতির সাথে বিক্রিয়ায় কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়

• রিফামপিসিন আয়রন ও জিঙ্ক প্রভৃতিও সাইপ্রোফ্লক্সাসিনের শোষণ কমিয়ে দেয় 



সাবধানতা অবলম্বনের Precautions

• মৃগীরোগ সহ সকল প্রকার স্নায়ু ঘটিত পীড়ায় এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মহিলাদের এই ওষুধ মোটেই ব্যবহার করা চলবে না 

• শিশুদের ব্যবহার করা চলবে না। 

• ডাক্তারবাবু পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন। 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবু সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Tinidazole Tablet: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, আন্তঃবিক্রিয়া

How to use Tinidazole Tablet


ভূমিকা 

ইহা ইমিডাজোল থেকে প্রাপ্ত রাসায়নিক পদার্থ বিশেষ। ইহা হালকা হলুদ বর্ণের স্ফটিকাকার কঠিন পদার্থ। ইহা জলে অদ্রবণীয়, তবে মেথানল ও ক্লোরোফর্মে দ্রবণীয় ইহা 

প্রোটোজোয়া এবং অবাত বীজাণুদের (Anaerobic Bacteria) ধ্বংস করতে সক্ষম টাইকোমোনাস ভ্যাজাইনাল, এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা, জিয়ার্ডিয়া ল্যাম্বলিয়া প্রভৃতি প্রোটোজোয়া এবং 

ব্যাকটেরয়ডস ফ্র্যাজিলিস ও ফিউসোব্যাকটেরিয়াম স্পেসিজ, পেপটোকক্কাস স্পেসিজ, ভেইল্লোনেল্লা স্পেসিজ প্রভৃতি অবাত বীজাণুদের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়।

টিনিডাজোল পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। ইহা গ্ৰহণের ১ থেকে ২ ঘন্টার মধ্যে রক্তে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়।

ইহার অধিকাংশটাই মূত্রের সাথে পরিবর্তিত এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত হয়। ইহা শরীরের সকল কলা কোষে ভালভাবে বিস্তার লাভ করে।



ব্যবহার Uses 

• অ্যামিবাঘটিত আমাশয়

• জিয়ার্ডিয়ার উপস্থিতি 

• টাইকোমনা

• অন্যান্য আণুবীক্ষণিক কীটের উপস্থিতি 

• পেরিটোনাইটিস

• এন্ডোমেট্রাইটিস

• ডিম্বাশয়ের ও ডিম্বাশয় নালীর ক্ষত

• ফুসফুসের ক্ষত 

যকৃতের ক্ষত প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

মারাত্মক প্রতিক্রিয়া খুব কমই হয়, যেমন: 

• মুখে তিক্ত আস্বাদ 

• ক্ষুধামন্দা 

• উদরাময় 

• বমিভাব বা বমি 

• মাথাঘোরা 

• জল পিপাসা বৃদ্ধি পাওয়া

• চর্মে উদ্ভেদ 

• আমবাত 

প্রুরিটাস প্রভৃতি হতে পারে। এছাড়া ঘোলাটে প্রস্রাব ও রক্তের চিত্রের পরিবর্তন ঘটাতে দেখা যায়।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• অ্যালকোহল 

• অ্যাম্পিসিলিন

• ডক্সিসাইক্লিন 

• কোট্রাইমোক্সাজোল

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের 

• স্নায়ুর পীড়া 

• রক্তের রোগ 

গর্ভাবস্থা কালীন

• স্তন্যদানকালে 

• এবং অ্যালকোহলের সাথে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Anaemia: রোগের কারণ, রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা

How to use Anaemia


Description of the disease বিবরণ 

রক্তাপ্লতা বহু রকমের হয়। যেমন, যখন অস্থি মজ্জা (Bone marrow) রক্তের উপাদান সমূহ উৎপাদনের ব্যর্থ হয় তখন যে রক্তল্পতা ঘটে।

তাকে বলা হয় Aplastic Anaemia। জন্মগতভাবে অর্জিত রক্তশূন্যতা যা অটো অ্যান্টিবডি এবং অন্যান্য রক্তের প্রোটিন যৌগাকে লোহিত কণিকা ধ্বংসকারী ক্ষমতাকে বিনাশ করার 

কাজে বাধা দেয়, তাকে বলা হয় Haemolytic auto immune Anaemia। ভিটামিন বি১২ অন্ত্র থেকে ঠিকমতো শোচিত না হলে রক্তকণিকাদের উৎপাদনের ব্যাঘাত ভাবে ফলে রক্তাল্পতা। 

দেখা দেয় একে বলা হয় Pernicious Anaemia এবং বংশ গতভাবে হিমোগ্লিবিন রোগ যুক্ত হওয়ার ফলে সৃষ্টি রক্তাল্পতাকে Sickle Cell Anaemia বলে।

আক্রান্ত তন্ত্র সংবহন তন্ত্র, লসিকাবাহ, রোগ প্রতিরোধে তন্ত্র, স্নায়ু পৌষ্টিক তন্ত্র, কঙ্কাল ও পেশীতন্ত্র প্রভৃতি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণে বয়স যে কোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষের সমানভাবে এই রোগ হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

১. অস্থি মজ্জার বিভিন্ন রোগে ভোগা

২. মারাত্মক ইনফেকশন হওয়া এবং তার জন্য অত্যধিক বীজাণুনাশক ওষুধ সেবন 

৩. নিওপ্লাজম 

৪. লিউকোরিয়া 

৫. ভাইরাস হেপাটাইটিস 

৬. হেমোলাইটিক জন্ডিস 

৭. পৌষ্টিক তন্ত্রের বিভিন্ন রোগে ভোগা 

৮. হিমোগ্লোবিন ও লোহিত কণিকার দুর্বলতা বা ক্রটি থাকা 

৯. খাদ্যে আয়রনের ঘাটতি 

অত্যধিক রক্তপাত প্রভৃতি থেকে এই রোগের সৃষ্টি 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

১. লক্ষণ 

• বুক ধড়ফড় করা 

• মাথা ঘোরা 

• ক্লান্তি

• দুর্বলতা 

অবসাদ প্রভৃতি হতে দেখা যায়।

২. লক্ষণ

• জ্বর ভাব 

• শীত করা 

• গা ম্যাজম্যাজ করে 

• মাথা ঝিমঝিম করা প্রভৃতি হতে থাকে 

৩. লক্ষণ 

• শ্বাসকষ্ট 

• হৃদপিণ্ডের গতি বৃদ্ধি পাওয়া 

• মানসিক দ্বিধাগ্ৰস্ত হওয়া প্রভৃতি ঘটে 

৪. লক্ষণ 

• ক্ষুধা মন্দা 

• ওজন কমে যাওয়া 

• হাত ও পায়ের আঙ্গুলের কুঁচকে যাওয়া প্রভৃতি ঘটে 

৫. লক্ষণ 

• মুখ ও হাত পা প্রভৃতি ফোলে 

• এবং সর্বদা জ্বালা ভাব করে 

৬. লক্ষণ 

• যকৃৎ 

• প্লীহা প্রভৃতি বৃদ্ধি পায় 

৭. লক্ষণ 

• শরীর পান্ডুরবর্ণ হওয়া

• এবং বিভিন্ন স্থানে কালশিরা পড়া প্রভৃতি হয় 

৮. লক্ষণ 

• চোখের ও ঠোঁটের ভেতরে অংশে সাদা হয়ে যায় 

৯. লক্ষণ 

• মহিলাদের ঋতুর গোলযোগ যেমন 

• স্বল্পঋতু

• ঋতুবন্ধ 

• এবং সাদা স্রাব প্রভৃতি হতে থাকে 

১০. লক্ষণ 

• গর্ভাবস্থায় এই রোগ হলে 

• গর্ভপাত হবার ভয় থাকে 

• এবং প্রসবের সময়ও কষ্ট হয় 

১১. লক্ষণ 

• এছাড়াও জিভে ঘা হওয়া

• হাত ও পায়ের অসাড়তা 

• হৃদপিণ্ডের দুর্বলতা 

• অঙ্গ প্রত্যঙ্গের নড়া চড়া করার ক্ষমতা কমে যাওয়া প্রভৃতি ঘটে 

১২. লক্ষণ 

• স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া 

• কর্মবিমুখ হওয়া প্রভৃতি ও হতে দেখা যায় 

গুরুতর সমস্যা হলে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

প্রথম চিকিৎসা 

• কাঁচা কলা 

• ডুমুর

• কুলে খাড়া 

• কপি 

• বিভিন্ন শাক 

• ডিম 

• দুধ 

• মাছ 

• মাংস 

• ফল মূল 

• টমেটো প্রভৃতি খাওয়া ভালো 

দ্বিতীয় চিকিৎসা 

• ট্রোফাক্স পাওডার 

• সাইউ সুপার পাওডার 

• স্পার্ট 

• প্রোটাল এম হাওড়ার

• নারিস হাওড়ার

জেফরিচ পাওডার প্রভূতি খাওয়া ভালো 

তৃতীয় চিকিৎসা 

• উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক বিশেষতঃ Chloramphenicol ঔষধ খাওয়া নিষিদ্ধ।

আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন

How to use Breast Cancer: রোগের কারণ ও রোগের লক্ষণ

How to use Breast Cancer


Description of the disease রোগের বিবরণ 

স্তনের ম্যালিগন্যান্ট নিওপ্লাজমকেই স্তনের ক্যান্সার রোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র চর্ম এবং বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

বংশগত কারণ শতকরা ২০ জন রোগীর ক্ষেত্রে বংশগত কারণ লক্ষ্য করা যায়‌। আক্রমণে বয়স ৪০ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যেই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।

আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদেরই এই রোগ বেশি হয়। তবে শতকরা ১ জন পুরুষের এই রোগ হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

১. সঠিক কারণ অজানা 

২. তবে সন্তানকে স্তন্যপান করতে না দেওয়ার ফলে 

৩. প্রোলাকটিন হরর্মোনের আধিক্য

৪. স্তনের ক্ষত অথবা টিউমার 

৫. ইস্ট্রোজেনের আধিক্য 

৬. স্তনে আঘাত লাগা 

৭. খুব চাপমুক্ত অন্তর্বাস ব্যবহার 

৮. আমিষ জাতীয় খাদ্য প্রচুর পরিমাণে খাওয়া 

প্রভৃতি থেকে এই রোগ হয় বলে অনুমান করা হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

১. স্তন আকারে বড় হয় 

২. এবং তার রং পরিবর্তন ঘটে 

৩. স্তনের ছোট ছোট দলাকৃতি মাস অনুভূতি হয় 

৪. এমনকি বগলে ও হতে পারে 

৫. স্তনের চামড়া কুঁচকে যায় 

৬. এবং স্তন টোল খাওয়া দেখায় 

৭. স্তন বৃন্ত দুটি অসমান হয় 

৮. এবং তাদের বক্ররেখায় থাকতে দেখা যায় 

৯. স্তন হতে রক্ত ঝরতে পারে 



রোগ নির্ণয় 

• ম্যামোগ্রাফি 

• আল্ট্রাসাউন্ড 

• বায়োপসি প্রভৃতি রোগ নির্ণয় সাহায্য করে 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।