রোগের বিবরণ
কোমরের পিছনদিকে কশেরুকার পার্শ্ববর্তী অংশের প্রদাহকে প্রতিবাদ বা লাম্বাগো বলা হয়।
আক্রান্ত তন্ত্র
কঙ্কলতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়
আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা এবং পুরুষ সমান হারে এই রোগ আক্রান্ত হন।
রোগের কারণ
ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাব ঠান্ডা লাগা আঘাত লাগা পৌষ্টিকতন্ত্রের রোগ প্রভৃতি থেকে এই রোগ সৃষ্টি হয়।
রোগের লক্ষণ
১ নড়া চড়া ওঠা বসা উঁচুতে ওঠা উপুড় হওয়া প্রভৃতিতে যন্ত্রণা বৃদ্ধি ঘটে।
২ মাথা যন্ত্রণা হতে পারে।
৩ ঠান্ডা লাগালে রোগের বৃদ্ধি পায়।
৪ পায়ের অসাড়তা সৃষ্টি হতে পারে।
৫ পেটের নিচে দিক থেকে কোমর পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা হতে থাকে।
৬ আড়ষ্ট ব্যাথা হয় কোমরের ওদিকে এদিকে ঘোরানো কষ্টকর হয়।
৭ বিশ্রামে এবং মলত্যাগের পর যন্ত্রণার সামান্য উপশম ঘটে।
৮ ক্রমশঃ যন্ত্রণা পাছা ঊরু হাঁটু এবং পা পর্যন্ত বিস্তর লাভ করে।
চিকিৎসা
1 যেকোনো একটি ব্যথার যন্ত্রণা নাশক ঔষধ দিতে হবে।
Tab Meftal forte (ট্যাবলেট মেফটাল ফোর্ট)
১ টি করে দিনে ২ বার খাবার পর খেতে হবে ৫ দিন।
অথবা Tab Ibugesic - MR (ট্যাবলেট আইবুজেসিক- এম-আর)
১ টি করে দিনে ৩ বার খাবার পর খেতে হবে ৫-৭ দিন।
2 যেকোনো একটি মালিশ ব্যবহার করা ভালো।
Dicloran- gel (ডাইক্লোর্যান জেল)
প্রতিদিন ২-৩ বার কোমরের মালিশ করে গরম সেঁক দিতে হবে।
অথবা Myolaxin-D Ointment (মাইওল্যাক্সিন - ডি অয়েন্টমেন্ট)
প্রতিদিন ২-৩ বার কোমরের মালিশ করতে হবে।
আনুষঙ্গিক চিকিৎসা
১ ঠান্ডা লাগানো নিষিদ্ধ।
২ অধিক পরিশ্রম ভারী জিনিস তোলা বা বহন করা নিষিদ্ধ।
৩ হালকা ব্যায়াম ও ফিজিওথেরাপি খুবই উপকারী।
৪ রোগীর পায়খানা পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
পেটের গোলযোগ থাকলে তার চিকিৎসা করতে হবে।
৫ পুষ্টিকর এবং হালকা সহজপাচ্য খাদ্য খেতে হবে।
৬ মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য নেশার বস্তু ত্যাগ করতে হবে।
৭ কিছুদিন রোগীকে শক্ত বিছানায় শোয়ানো দরকার।
এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত।
