ইহা একটি বমন নিবারণ কারী ঔষধ। ইহা পৌষ্টিকতন্ত্রে অবস্থিত স্নায়ুগ্ৰাহক অংশে প্রতিক্রিয়াশীল এবং মস্তিষ্কের স্নায়ুকেন্দ্রের বহনকারক অঞ্চলের উপর ক্রিয়াশীল ইহা পাকস্থলী ও অন্নবহানালীর নিম্নংশে গ্ৰাহক অঞ্চলের কাজে বাধা দান করে। ঐ অংশের উত্তেজনাকে মস্তিষ্কের স্নায়ুকেন্দ্রের পৌঁছেতে দেয় না এবং ঐ অংশের বহন কারক স্নায়ুকেও বমনের নির্দেশ প্রেরণে বাধা দেয় ফলে বমননিবারণী ক্রিয়া সংঘটিত হয়। এই ঔষধ ও রক্তের প্রোল্যাকটিন লেভেল বৃদ্ধি করে। ইহা খুব দ্রুত পাকস্থলীকে শূন্য করতে সাহায্য করে ফলে অন্নবহানালীর প্রদাহ বা পাকস্থলীর সমস্যা দূরীভূত হয়। এই ঔষধ (রক্তবাহ হতে সুষুম্নারজ্জুর সংযোগকারী অংশ) অতিক্রম করতে পারে না ফলে স্নায়ুঘটিত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়া যায়। এই ঔষধ পাকস্থলী হতে খুব দ্রুত এবং সম্পূর্ণ রূপের শোষিত হয়। ইহা গ্রহনে ৩০ মিনিটের মধ্যে রক্ত রসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা যকৃতে পাচিত হয়। অপরিবর্তিত অবস্থায় ১% মূত্রপথে এবং ৬% মলের সাথে নির্গত হয়। পরিবর্তন অবস্থায় ৩০% মূত্রপাথে এবং
৬০% মলের সাথে নির্গত হয়।
ব্যবহার
যেকোনো কারণে বমি বা বমি ভাব পাকস্থলীর প্রদাহ x ray জনিত কারণ হেপাটাইটিস পেট ফাঁপা অন্নবহানালীর প্রদাহ অজীর্ণ প্রভৃতি রোগ ব্যবহার করা হয়।
মাত্রা
বয়স্কদের বমি বা বমি ভাব থাকলে ১০ মিগ্রা ট্যাবলেট থেকে ২ টি দিনে ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া হয়। পেট ফাঁপা ও অজীর্ণ রোগের ১০ মিগ্রা ট্যাবলেট ১ টি করে দিনে ৩ বার দেওয়া হয়। অন্নবহানালীর প্রদাহ ২ টি ট্যাবলেট একত্রে দিনে ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া হয়।
শিশুদের বমি বা বমি ভাব থাকলে ১ থেকে ৩ বছরের বয়সের ¼থেকে ½ চামচ সিরাপ দিনে ৩ বার থেকে ৪ বার দেওয়া যায়। ৩ থেকে ৬ বছর বয়সে ½থেকে ১ চামচ সিরাপ দিনে ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া যাবে। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুদের ১ থেকে ২ চামচ সিরাপ দিনে ৩ থেকে ৪ বার দেওয়া যাবে। সকল মাত্রাই খাবার ১৫ মিনিট আগে দিতে হবে।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
খুবই কম হয় পেটের কামড়ানি ব্যাথা মুখে শুষ্কতা স্তনের বিবৃদ্ধি স্তনদুগন্ধ বৃদ্ধি-প্রভৃতি হতে পারে।
আন্তঃবিক্রিয়া
ডাইগক্সিন অ্যাসপিরিন প্যারাসিটামল ডায়াজিপ্যাম ফেনো থায়াজিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।
সাধারণত
গর্ব অবস্থায় ব্যবহার নিষিদ্ধ। স্তন্য দানকারী মাতাদের খুব সাবধানতা অবলম্বন করে ব্যবহার করতে হবে। পিটুইটারি গ্রন্থের টিউমার থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ।
ঔষধের ব্র্যান্ডনেম
Domnorm Domstal ইত্যাদি
এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত।
