ইহা ম্যাক্রলয়েডস গ্ৰুপের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকারী ঔষধ।
ইহা স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস স্ট্যাফাইলোকক্কাস অ্যালবাস বিটা হেমোলাইটিক স্ট্রেপটোকক্কাস স্ট্রেপটোকক্কাস ভিরিড্যানস ডিপ্লোকক্কাস নিউমোনিয়ী ক্লসট্রিডিয়াম টিটেনী করিনিব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়ী করিনি ব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনিস প্রভৃতি বীজাণু দের উপর অধিক সক্রিয়।লিনকোমাইসিন খাবার ঔষধ পাকস্থলী থেকে দ্রুত এবং অধিক পরিমাণে শোষিত হয়। ২ থেকে ৪ ঘন্টার মধ্যে ইহা রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয় এবং ২৪ ঘন্টার মূত্রের মাধ্যমে ১থেকে৩১ শতাংশ নির্গত হয়। এছাড়া পিত্তরসের সাথে কিছু পরিমাণে নির্গত হয়ে থাকে। শরীরের অধিকাংশ কলাকোষে এই ঔষধ বিস্তার লাভ করে।
এই ঔষধের ইঞ্জেকশন গ্রহণ করলে তা ৩০ মিনিটের রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয় এবং তা প্রায় ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
ব্যবহার
ব্রঙ্কাইটিস নিউমোনিয়া ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার নিম্ন শ্বাসযন্ত্রের পীড়া ফ্যারিংজাইটিস ল্যারিংজাইটিস সাইনুসাইটিস টনসিলাইটিস সহ সকল প্রকার উপর শ্বাসযন্ত্রের রোগ কানের সকল প্রকার সংক্রমণ ব্রণ ফোঁড়া কার্বাঙ্কল দূষিত ক্ষত কুনখে জীবাণু সংক্রমণের পোড়া ঘা ঈরিসিপেলাস অস্ত্রোপচার জনিত ক্ষত সহ সকল প্রকার চর্মরোগ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ রক্তদুষ্টি হ্নদঝিল্লীর প্রদাহ ডিপথেরিয়া টিটেনাস প্রভৃতির ব্যবহার করা হয়।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
জিহ্বা ও মুখ মন্ডলের ক্ষত গা বমি বা বমি উদরাময় প্রুরিটাস প্রভৃতি হতে দেখা যায়। এছাড়া রক্তের নিউট্রোফিল কমে যাওয়া শ্বেত কণিকা কমে যাওয়ার অনুচক্রিকা হ্রাস পাওয়া প্রভৃতি ঘটে। চর্মের উদ্ভেদ আমবাত ফোস্কার ন্যায় উদ্ভেদ যোনির প্রদাহ প্রভৃতি দু একজন রোগীর হতে দেখা যায়। যকৃত ও কিডনির উপর কোন প্রভাব পড়ে না তবে দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালালে সামান্য প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কিছু রোগীর মাথা ঘোরা বা কান ভোঁ ভোঁ করা হতে দেখা যায়।
আন্তঃবিক্রিয়া
নোভোমাইসিন ক্যালামাইসিন ক্লিন্ডামাইসিন এরিথ্রোমাইসিন কেওলিন পেকটিন প্রভৃতির সাথে আন্তঃবিক্রিয়ার ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।
সাবধানতা
সদ্যোজাত শিশুদের ব্যবহার নিষেধ মেনিনজাইটিসে ব্যবহার করা চলবে না। গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মাতাকে খুব সাবধানতা অবলম্বন করে কেবল মাত্র মুখে খাবার ঔষধ দেওয়া যেতে পারে। খুব বিদ্ধদের এবং মূত্রিবরোধ ও জন্ডিসের রোগীদের ব্যবহার না করাই ভালো।অ্যাজমা থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ।
ঔষধের ব্র্যান্ডনেম
Lynx ইত্যাদি
এই আর্টিকাল পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সাথে অবশ্যই পরামর্শ নেয়া উচিত।