Lomeflixacin Tablets 400 Mg Uses in Bangali লোমেফ্লক্সাসিন 400 এমজি ট্যাবলেট ব্যবহার

ইহা সকল প্রকার গ্ৰাম নেগেটিভ বীজানণুদের উপর দারুণভাবে সক্রিয়। সকল প্রকার গ্রাম নেগেটিভ ও বীজাণু যা নরফ্লক্সাসিন সাইপ্রোফ্লক্সাসিন অ্যাসিডের ধ্বংস হয় না তাদের খুব দ্রুত ধ্বংস করে ফেলে। যে সমস্ত গ্রাম পজিটিভ বীজাণু অ্যাম্পিসিলিন জেন্টামাইসিন এবং সেফালোস্পোরিন দ্বারা ধ্বংস হয় না তা এই ঔষধ ধ্বংস হয়। এই ঔষধ নিউমোনিয়ী মোরাক্সেল্লা ক্যাটারহালিজ প্রোটিয়াস মাইরাবিলিস সিউডোমোনাস মরগানেল্ল মোরগানি প্রোটিয়াস ভালগারিস সেরাসিয়া স্পেসিজ প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ এবং সকল প্রকার স্ট্যাফাইলোকক্কাস এবং স্ট্রেপটোকক্কাস বীজাণুদের উপর সক্রিয়।

এই ঔষধ প্রোটিনতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। ইহা গ্রহণের ১ থেকে ২ ঘন্টার মধ্যে রক্ত রসের সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয়। ইহা শরীরের সকল কলাকোষে এবং তরল অংশের ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। ইহা ৭০% থেকে ৮০% অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়। বাকি অংশ মলের সাথে নির্গত হয়।

ব্যবহার

অ্যাকিউট ও ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস নিউমোনিয়া ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া সাইনুসাইটিস টনসিলাইটিস ফ্যারিংজাইটিস সহ সকল প্রকার গলার রোগ নাক ও কান ও কানের সকল প্রকার সংক্রমণ অ্যাকিউট ও ক্রনিক মূত্রযন্ত্রের পীড়া খাদ্য দুষ্টি রক্তামাশয় কলেরা সহ সকল প্রকার পেটের রোগ যকৃতের রোগ সকল প্রকার স্ত্রী জননতন্ত্রের সংক্রমণ হাড় ও সন্ধর সংক্রামণ গণোরিয়া স্যাঙ্কার প্রভৃতি রতিজ ব্যাধি বিভিন্ন প্রকার বীজাণু ঘটিত চর্মরোগ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।

 পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

গা বমি মাথা আলোকাতঙ্ক ঝিমুনি ভাব উদরাময় চর্মের উদ্ভিদ স্নায়ু তন্ত্রের পীড়া প্রুরিটাস আমবাত প্রভৃতি হতে পারে। তবে লোমেফ্লক্সাসিনে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব কমই হতে দেখা যায়।

আন্তঃবিক্রিয়া

থিওফাইলিন অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম হাইড্রক্সাইড যুক্ত অ্যান্টাসিড সুক্রালফেট ক্যাফিন সিমেটিডিন সাইফ্লোস্পোরিন ব্যথা যন্ত্রণার ঔষধ প্রোবেনেসিড ওয়ার ফারিন আয়রন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে এবং বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় শোষণ কম হয় বা কর্মক্ষমতা লোপ পায়।

সাবধানতা

শিশুদের এবং ১৮ বছরের বয়সে নিচের কিশোরদের এই ঔষধ ব্যবহার নিষিদ্ধ। গর্ভাবস্থায় জরুরি প্রয়োজন হলে খুব সাবধানতা অবলম্বন করে ব্যবহার করতে হবে। এই সময় প্রচুর জল খাওয়া দরকার। স্তন্যদান কারীর মাতা কে এই ঔষধ দেওয়া চলবে না। ৬৪ বছর বয়সের ঊদ্ধর ব্যবহার না করাই ভালো। খাবার খাওয়ার পূর্বে বা পরে ১ ঘন্টার ব্যবধানে ঔষধ সেবন নিয়ম। মৃগীরোগী এবং পেশীর দুর্বলতা বিশিষ্ট রোগীদের খুব সাবধানতা সহকারে ব্যবহার করতে হয়। চিকিৎসা চলাকালীন সূর্যালোক বা রশ্মি চিকিৎসা নিষিদ্ধ।

এই আর্টিকেলটি পড় কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।