সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

how to use diclofenac tablet uses in bengali ডাইক্লোফেনাক ব্যবহার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আন্তঃবিক্রিয়া সাবধানতা

 

ইয়া একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাথা যন্তনা না সব ঔষধ।
ইহার সামান্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ কারী ক্ষমতা বিদ্যমান। ইহাও স্টেরয়েড বিহীন প্রদাহ নাশক ঔষধ। পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। গ্রহণের ২ ঘণ্টার মধ্যে রক্ত রসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ৪ থেকে ৬ ঘন্টার পর ইহা সাইনোভিয়াল ফ্লুইডে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ৬০ শতাংশ পরিবর্তত অবস্থায় এবং ১% অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্র পথে নির্গত হয়। বাকি অংশের পিত্তরসের সাথে মলের মাধ্যমে নির্গত হয়।
এই ঔষধ পুশ করার ২০ মিনিটের মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাথায় উপস্থিত হয়। এই ঔষধ সাইনোভিয়াল ফ্লুইডে ৪ থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে উপস্থিত হয় এবং ১২ ঘন্টা যাবৎ সেখানে থাকে। এই ঔষধ মৌখিক ডাইক্লোফেনাকের ন্যায় একই মূত্রপথে  মলের সাথে নির্গত হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

পেটে ব্যাথা যন্ত্রণা বমি ভাব বা বমি উদরাময় পেট ফাঁপা অম্ল অজীর্ণ ক্ষুদা মন্দা রক্ত বমি রক্ত পায়খানা মুখে ক্ষত মাথার যন্ত্রণা মাথা ঘোরা মাথা ঝিম ঝিম করার ক্লান্তি স্মৃতিশক্তি হ্রাস দৃষ্টির বিকৃতি কান ভো ভো করা অনিদ্রা দুশ্চিন্তা অবসাদ চর্মে উদ্ভেদ আমবাত চুল ওঠা মূত্রাবরোধ প্রস্রাবে জ্বালা জন্ডিসসহ বিভিন্ন যকৃতের পীড়া রক্তের চিত্রের পরিবর্তন অ্যাজমা ও ব্রঙ্কাইটিস বৃদ্ধি বুকে ব্যাথা বুক ধড়ফড়ানি রক্তচাপ বৃদ্ধি রতিশক্তি হ্রাস পাওয়া প্রভৃতি ঘটতে পারে।

আন্তঃবইক্রইয়আ

লিথিয়াম ডাইগক্সিন মেথোট্রেক্সেট সাইক্লোস্পোরিন স্যালি সাইলেট ফ্রুসেমাইড প্রভৃতিতে সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়ার ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।

সাবধানতা

গর্ভবতী মহিলাদের চলবে না। ও শিশুদের ও চলবে না।
গর্ভবতী মহিলাদের এবং এই ঔষধ ব্যবহার করা চলবে না।
স্তন্যদানকারী মাতাদের অল্প মাত্রায় খাওয়া চলবে। পাকস্থলীর ও ডিওডেনামের ক্ষতে ব্যবহার নিষিদ্ধ। পেটের গন্ডগোল চলতে থাকলে খুব অল্প মাত্রার প্রয়োগ করতে হবে এবং ও সাথে অবশ্যই অ্যান্টাসিড দিতে হবে। বয়স্কদের খুব সাবধানতা অবলম্বন করে এই ঔষধ ব্যবহার করতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত অংশ কেটে গেলে মালিশ ঔষধ ব্যবহার করা চলবে না।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...