সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Clavam Bid syrup: ব্যবহার, উপকারিতা, ডোজ ও সতর্কতা

Clavam Bid syrup

 Clavam Bid syrup কী

Clavam Bid syrup: একটি অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ, যা মূলত ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ (Bacterial Infection) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি শিশুদের জন্য বেশি ব্যবহৃত হলেও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ বড়রাও গ্রহণ করতে পারে।

এই সিরাপে সাধারণত দুইটি উপাদান থাকে-

Amoxicillin 

• Clavulanic Acid 

এই দুটি উপাদান একসাথে কাজ করে ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে এবং সংক্রমণ দ্রুত হারাতে সাহায্য করে। 



Clavam Bid syrup এর কাজ কী

এই ওষুধ শরীরে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বন্ধ করে এবং ব্যাকটেরিয়ার তৈরি এনজাইমের নিষ্ক্রিয় করে, যার ফলে সংক্রমণ ধীরে ধীরে সেরে যায়।



Clavam Bid syrup এর ব্যবহার 

নিম্নলিখিত সমস্যা গুলোর ক্ষেত্রে এই সিরাপ ব্যবহার করা হয়-

• গলা ব্যথা ও টনসিল ইনফেকশন 

• কান ও সাইনাসের সংক্রমণ 

• ফুসফুসের সংক্রমণ (নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস)

• দাঁতের সংক্রমণ 

• ত্বক ও নরম টিস্যুর সংক্রমণ 

• মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI)

শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের কার্যকর, ভাইরাসজনিত রোগে (যেমন সর্দি-কাশি) এটি কাজ করে না।



Clavam Bid Syrup এর ডোজ 

ডোজ রোগীর বয়স, ওজন ও সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

সাধারণ নির্দেশনা:

• শিশুদের ক্ষেত্রে: চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী 

• সাধারণত দিনে ২ বার (BID) দেওয়া হয়

• খাবারের পরে দেওয়া ভালো 

নিজে থেকে ডোজ পরিবর্তন করবেন না।



Clavam Bid Syrup কীভাবে খেতে হবে?

• বোতল ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে 

• মাপার চামচ বা ড্রপার ব্যবহার করতে হবে 

• নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী খাওয়াতে হবে 

• কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে, মাঝপথে বন্ধ করা যাবে না 



Clavam Bid Syrup এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সব ওষুধের মতো এরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, তবে সবার ক্ষেত্রে নয়।

সাধারণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

• বমি বমি ভাব
• ডায়রিয়া 
• পেট ব্যথা
• ত্বকে রেশ 

গুরুতর হলে: 

• শ্বাসকষ্ট 
• মুখ বা ঠোঁট ফুলে যাওয়া 
• তীব্র অ্যালার্জি

এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন। 


Clavam Bid Syrup খাওয়ার আগে সতর্কতা 

• পেনিসিলিনে অ্যালার্জি থাকলে জানাতে হবে 
• লিভার বা কিডনির সমস্যা থাকলে সতর্কতা প্রয়োজন 
• গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি 


Clavam Bid Syrup সংরক্ষণ পদ্ধতি 

• ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখুন 
• সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখুন 
• শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন 
• মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে ব্যবহার করবেন না 


উপসংহার 

Clavam Bid Syrup 

একটি কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক যা সঠিকভাবে ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করলে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ দ্রুত সারাতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই নির্ধারিত ডোজ ও সময় অনুযায়ী সম্পূর্ণ কোর্স করতে হবে।

আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...