সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Cream NO SCARS: দাগ কমানোর একটি কার্যকর সমাধান

 

Cream NO SCARS


বর্তমান সময়ে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে দাগ বা স্কার (Scars) একটি খুবই সাধারণত বিষয়। ব্রণ, কাটা-ছেঁড়া, অপারেশন, পোড়া ক্ষত কিংবা আঘাতের কারণে ত্বকে যে দাগ পড়ে, তা অনেক সময় দীর্ঘদিন থেকে যায় এবং আত্মবিশ্বাসের প্রভাব ফেলে। এই ধরনের দাগ হালকা করতে বা ধীরে ধীরে কমাতে সহায়ক একটি পরিচিত নাম হলো Cream NO SCARS।


Cream NO SCARS কী?

Cream NO SCARS হলো একটি টপিক্যাল (বাহ্যিক ব্যবহারের) স্কার রিমুভাল ক্রিম, যা ত্বকের উপরিভাগে ব্যবহারের জন্য তৈরি। এটি নিয়মিত ব্যবহারে পুরোনো ও নতুন দাগ হালকা করতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক রং ও গঠন ফিরিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।


Cream NO SCARS এর কাজ কীভাবে করে?

এই ক্রিমটি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে দাগের টিস্যুকে ধীরে ধীরে নরম করে। একই সঙ্গে এটি ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে, ফলে দাগের রঙ হালকা হয় এবং ত্বক আগের তুলনায় মসৃণ দেখায়। নিয়মিত ব্যবহারে দাগের স্পষ্টতা ধীরে ধীরে কমে আসে।


Cream NO SCARS এর উপকারিতা 

Cream NO SCARS ব্যবহারের প্রধান উপকারিতা নিচে তুলে ধরা হলো-

• ত্বকের স্বাভাবিক রঙ বজায় রাখতে সহায়ক

• কাটা বা আঘাতের পরের দাগ কমাতে সাহায্য করে 

• ত্বকের নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে 

• ব্রণ বা একনের দাগ হালকা করতে সহায়ক 

• পোড়া ক্ষতের পুরোনো দাগের ক্ষেত্রে সহায়তা করে

• অপারেশন বা সিজারিয়ান স্কার হালকা করতে উপকারী


 কোন কোন দাগের জন্য Cream NO SCARS ব্যবহার করা যায়?

এই ক্রিমটি সাধারণত নিচের ধরনের দাগের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়-

• পোড়া ক্ষতের দাগ

• দুর্ঘটনাজনিত আঘাতের দাগ

• ব্রণের দাগ

• সার্জারির দাগ

• কাটা বা সেলাইয়ের দাগ 


Cream NO SCARS ব্যবহারের নিয়ম 

সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এই ক্রিম থেকে ভালো ফল পাওয়া যায়-

1. নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ ব্যবহার করলে ফলাফল বোঝা যায় 

2. হালকা হাতে বৃত্তাকারে ম্যাসাজ করুন

3. দিনে ২ বার (সকাল ও রাতে) ব্যবহার করা ভালো 

4. প্রথমে আক্রান্ত স্থানটি পরিষ্কার ও শুকনো করে নিন

5. অল্প পরিমাণ Cream NO SCARS দাগের উপর লাগান


ব্যবহার করার সময় সতর্কতা

• শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন 

• গর্ভবতী বা ত্বকের জটিল সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

• শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য

• চোখ, মুখের ভেতর বা খোলা ক্ষতে ব্যবহার করবেন না

• জ্বালা, চুলকানি বা অ্যালার্জি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন


Cream NO SCARS এর সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

সাধারণত এটি নিরাপদভাবে ব্যবহার করা যায়। তবে সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে হালকা জ্বালা, লালচে ভাব বা চুলকানি দেখা দিতে পারে। এমন হলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


কারা ব্যবহার করতে পারবেন?

• যাদের ত্বকে পুরোনো বা নতুন দাগ রয়েছে 

• নারী ও পুরুষ উভয়েই

• কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্করা


উপসংহার

ত্বকের দাগ অনেকের জন্য বিরক্তিকর একটি সমস্যা‌। Cream NO SCARS নিয়মিত ও সঠিকভাবে ব্যবহার করলে দাগ হালকা করতে সহায়তা করতে পারে এবং ত্বককে আরও সুন্দর ও স্বাভাবিক দেখাতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে, দাগ পুরোপুরি চলে যেতে সময় লাগে এবং ফলাফল ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।







এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...