সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Duphalac Syrup: ব্যবহার, উপকারিতা, ডোজ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (সম্পূর্ণ গাইড)

Duphalac Syrup


Duphalac Syrup কী?

Duphalac Syrup: একটি পরিচিত ল্যাক্সোটিভ (Laxative) ওষুধ, যা মূলত কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation) দূর করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি অন্ত্রে পানির পরিমাণ বাড়িয়ে মল নরম করে এবং সহজে মলত্যাগ সহায়তা করে।

এই ওষুধটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্ক-সব বয়সের মানুষের জন্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা যেতে পারে।



Duphalac Syrup-এর উপাদান 

Lactulose Solution IP

Lactulose একটি সিন্থেটিক চিনি, যা হজম না হলে সরাসরি বৃহদান্ত্রে গিয়ে কাজ করে।



Duphalac Syrup-এর কাজ কীভাবে করে?

Duphalac Syrup অন্ত্রে গিয়ে-

• পানির পরিমাণ বাড়ায় 

• মলকে নরম করে 

• অন্ত্রের স্বাভাবিক নড়াচড়া (Bowel Movement) বাড়ায়

• 

এর ফলে মলত্যাগ সহজ ও নিয়মিত হয়। 



Duphalac Syrup-এর ব্যবহার 

Duphalac Syrup সাধারণত নিচের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়: 

• দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য 

• অনিয়মিত মলত্যাগ 

• পাইলস (অর্শ) রোগে মল নরম রাখতে 

• এনাল ফিশার (Anal Fissure)

• লিভারের সমস্যা থেকে হওয়া Hepatic Encephalopathy (বিশেষ ক্ষেত্রে)



Duphalac Syrup-এর উপকারিতা 

• কোষ্ঠকাঠিন্য দ্রুত উপশম করে 

• মল নরম করে ব্যথাহীন মলত্যাগের সহায়তা করে 

• দীর্ঘদিন ব্যবহারেরও অভ্যাস তৈরি করে না 

• অন্ত্রের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ 



Duphalac Syrup-এর ডোজ 

ডোজ রোগীর বয়স, শারীরিক অবস্থা ও সমস্যার উপর নির্ভর করে। 

সাধারণ নির্দেশনা (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী):

 • প্রাপ্তবয়স্ক: দিনে ১-২ বার 

• শিশু: কম মাত্রায় 

• প্রয়োজনে ডোজ ধীরে ধীরে বাড়ানো বা কমানো হয

নিজে থেকে ডোজ পরিবর্তন করবেন না।



Duphalac Syrup খাওয়ার নিয়ম 

• খাবারের আগে বা পরে খাওয়া যেতে পারে 

• সরাসরি বা পানির সাথে মিশিয়ে নেওয়া যায় 

• প্রতিদিন একই সময় খেলে ভালো ফল পাওয়া যায় 



Duphalac Syrup-এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

সাধারণত এটি নিরাপদ হলেও কিছু ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে-

• পেট ফাঁপা 

• গ্যাস 

• পেট ব্যথা 

• পাতলা পায়খানা (ডায়রিয়া) 

বেশি সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।



Duphalac Syrup কারা সাবধানতার সাথে ব্যবহার করবেন?

• ডায়াবেটিস রোগী 

• অন্ত্রের কোনো গুরুতর রোগ থাকলে 

• দীর্ঘদিন ডায়রিয়া হলে

এই অবস্থায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।



Duphalac Syrup সংরক্ষণ পদ্ধতি 

• শীতল ও শুষ্ক স্থানে রাখুন 

• সরাসরি সূর্যের আলো থেকে দূরে রাখুন 

• শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন 



উপসংহার 

Duphalac Syrup কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার জন্য একটি কার্যকর ও নিরাপদ সমাধান। তবে যেকোনো ওষুধের মতোই এটি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।










এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...