সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ELOSONE-HT Skin Cream: ব্যবহার, উপকারিতা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা

 

ELOSONE-HT Skin Cream

বর্তমান সময়ের ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ফাঙ্গাল সংক্রমণ, চুলকানি, লালচে ভাব, অ্যালার্জি বা প্রদানজনিত সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শে যে ওষুধটি প্রায়ই ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে ELOSONE-HT Skin Cream একটি পরিচিত নাম। এই আর্টিকেল আমরা ELOSONE-HT ক্রিম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।



ELOSONE-HT Skin Cream কী?

ELOSONE-HT Skin Cream একটি কম্বিনেশন ট্রপিকাল (বাহ্যিকভাবে ব্যবহারের) মেডিসিন। এটি মূলত ত্বকের প্রদান, ফাঙ্গাল ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ এবং তীব্র চুলকানি কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।

এই ক্রিম সাধারণত স্বল্প সময়ের জন্য ব্যবহার করা পরামর্শ দেওয়া হয় এবং এটি অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।



ELOSONE-HT Skin Cream-এর উপাদান (Composition)

ELOSONE-HT সাধারণত তিনটি সক্রিয় উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি:

1. Mometasone Furoate - একটি স্টেরয়েড, যা ত্বকের লালভাব, ফোলা ও চুলকানি কমায়

2. Hydroquinone - ত্বকের কালো দাগ বা পিগমেন্টেশন হালকা করতে সাহায্য করে 

3. Tretinoin - মৃত ত্বক কোষ অপসারণ করে নতুন ত্বক গঠনে সহায়তা করে 

এই তিনটি উপাদান একসাথে কাজ করে ত্বকের সমস্যা দ্রুত কমাতে সাহায্য করে।



 ELOSONE-HT Skin Cream-এর ব্যবহার (Uses)

এই ক্রিম সাধারণত নিচের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়:

• অ্যালার্জিজনিত চুলকানি

• ডার্মাটাইটিস

• ত্বকের ফাঙ্গাল সংক্রমণ

• ত্বকের প্রদানজনিত সমস্যা 

• মেলাজমা বা কালো দাগ (ডাক্তারের পরামর্শে)

• একজিমা (Eczema)

• ত্বকের লালচে ভাব ও ফোলা



ELOSONE-HT Skin Cream কীভাবে কাজ করে?

• Mometasone ত্বকের প্রদাহ ও অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া কমায়

• Hydroquinone অতিরিক্ত মেলানির উৎপাদন করিমে ত্বকের কালচে দাগ হালকা করে

• Tretinoin ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে করে এবং ত্বককে মসৃণ করতে সাহায্য করে 

এই সম্মিলিত কার্যকারণেই ক্রিমটি দ্রুত ফল দেয়।



ELOSONE-HT Skin Cream ব্যবহারের নিয়ম

• দিনে সাধারণত ১ বার বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পাতলা করে লাগান 

• চোখ, মুখের ভিতর, ঠোঁট বা খোলা ক্ষতে ব্যবহার করবেন না 

•  ব্যবহার করা উচিত নয় 

• আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার ও শুকনো করে নিন

নিজে নিজে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা বিপজ্জনক হতে পারে 



ELOSONE-HT Skin Cream-এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, যেমন:

• ব্রণ বৃদ্ধি

• ত্বকের রঙ পরিবর্তন 

• অতিরিক্ত ব্যবহারের স্থায়ী ক্ষতি 

• ত্বকে জ্বালাপোড়া 

• শুষ্কতা

• ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া 

যদি গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন‌।



কারা ব্যবহার করবেন না?

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে এই ক্রিম ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত:

• শিশুদের ক্ষেত্রে

• ভাইরাস সংক্রমণ (যেমন হারপিস)

• দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের রোগে নিজে নিজে ব্যবহার 

• গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মা (ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া) 



গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা 

• মুখে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ 

• উপসর্গ ভালো হয়ে গেলে নিজে নিজে ব্যবহার বন্ধ করবেন না বা বাড়াবেন না 

• এটি স্টেরয়েডযুক্ত ক্রিম, তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করবেন না 



উপসংহার 

ELOSONE-HT Skin Cream একটি কার্যকর ত্বক চিকিৎসার ওষুধ হলেও এটি যথাযথ নিয়ম ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ। ভুল বা অতিরিক্ত ব্যবহার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

• এই আর্টিকেল পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।






এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...