সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Gomela Cream: ত্বকের সংক্রমণে কার্যকর একটি পরিচিত নাম

Gomela Cream

 ত্বকের সমস্যা এমন একটি বিষয়, যা প্রায় প্রতিটি মানুষের জীবনেই কোনো না কোনো সময় দেখা দেয়। দাদ, চুলকানি, ফাঙ্গাল সংক্রমণ বা ত্বকের লালচে ভাব-এই সমস্যাগুলো দৈনন্দিন জীবনে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এসব সমস্যার চিকিৎসায় ডাক্তাররা যে ক্রিমটি প্রায়ই ব্যবহার করতে বলেন, সেটি হলো Gomela Cream


Gomela Cream কী?

Gomela Cream একটি টপিক্যাল স্কিন মেডিসিন, অর্থাৎ এটি শুধু ত্বকের ওপর ব্যবহার করা হয়। এই ক্রিমটি মূলত ত্বকের সংক্রমণ, প্রদান এবং চুলকানি কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ফাঙ্গাল ও ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং ত্বককে দ্রুত স্বস্তি দিতে সহায়তা করে।


Gomela Cream করে ব্যবহার করা হয়?

নিচের ত্বকের সমস্যাগুলোতে Gomela Cream সাধারণত ব্যবহৃত হয়-

• দাদ (Ringworm)

• ফাঙ্গাল ইনফেকশন

• চুলকানি ও জ্বালাপোড়া

• ত্বকের লালচে ভাব

• কিছু ক্ষেত্রে একজিমা (ডাক্তারের পরামর্শে)

• অ্যালার্জিজনিত ত্বকের সমস্যা

• ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ 


Gomela Cream কীভাবে কাজ করে?

এই ক্রিমে থাকা উপাদানগুলো একসাথে কাজ করে ত্বকের ক্ষতিকর জীবাণুর বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি এটি-

• সংক্রমিত অংশকে দ্রুত ভালো হতে সাহায্য করে

• চুলকানি ও অস্বস্তি প্রশমিত করে

• ত্বকের ফোলাভাব কমায়

ফলে ত্বক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। 


Gomela Cream ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

Gomela Cream ব্যবহারের সময় কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি-

1. আক্রান্ত স্থান ভালোভাবে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন

2. অল্প পরিমাণ ক্রিম নিয়ে পাতলা স্তর করে লাগান

3. ব্যবহারের পর হাত ধুয়ে ফেলুন

4. দিনে সাধারণত ১-২ বার ব্যবহার করা হয়

চোখ, মুখ, মুখের ভিতরে বা খোলা ক্ষতে এই ক্রিম লাগাবেন না।


Gomela Cream ব্যবহারের সময় সতর্কতা 

• মুখ বা সংবেদনশীল ত্বকে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন

• শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন 

• দীর্ঘদিন নিজের সিদ্ধান্তে ব্যবহার করবেন না

• গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের অনুমতি প্রয়োজন 


Gomela Cream-এর সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

সাধারণত এই ক্রিম নিরাপদ হলেও কিছু ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে-

• শুষ্কতা

• ত্বকের লালচে ভাব

• দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া 

• হালকা জ্বালাপোড়া 

এই ধরনের সমস্যা বেশি হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। 


Gomela Cream কি স্টেরয়েডযুক্ত?

অনেক সময় Gomela Cream-এ স্টেরয়েড উপাদান থাকতে পারে, যা দ্রুত আরাম দিলেও ভুলভাবে বা দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। তাই এটি অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত।


Gomela Cream ব্যবহারের আগে যেগুলো জানা জরুরি 

• অন্য কোনো স্কিন মেডিসিন একসাথে ব্যবহার করলে ডাক্তারকে জানাতে হবে

• এটি বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য

• উপসর্গ কমে গেলেও সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা জরুরি (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)


উপসংহার

Gomela Cream ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ ও চুলকানি সমস্যায়  কার্যকর একটি মেডিসিন। তবে মনে রাখতে হবে, ত্বকের প্রতিটি সমস্যার কারণ এক নয়। তাই সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়া দীর্ঘদিন এই ক্রিম ব্যবহার করা ঠিক নয়, নিরাপদ ও ভালো ফল পাওয়ার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত।

অনুরোধ এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...