সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Tablet Drotin DS: ব্যবহার, উপকারিতা, ডোজ ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

Tablet Drotin DS

 Tablet Drotin DS: একটি বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিস্পাসমো ডিক (Antispasmodic) ওষুধ। এটি মূলত পেট ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গের মাংসেপেশির খিঁচুনি (Spasm) কমাতে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে নারীদের মাসিকের তীব্র ব্যথা, পেটব্যথা ও বিভিন্ন ধরনের কোলিক পেইন কমাতে এই ওষুধটি কার্যকর।



Tablet Drotin DS কী?

Tablet Drotin DS-এ সাধারণত Drotaverine Hydrochloride 80 mg থাকে। এই উপাদানটি শরীরের মসৃণ মাংসপেশিকে শিথিল করে ব্যথা খিঁচুনি উপশম করতে সাহায্য করে।



Tablet Drotin DS এর কাজ 

এই ওষুধটি শরীরের স্মুথ মাসল রিল্যাক্স করে, যার ফলে:

• পেটের খিঁচুনি কমে 

• ব্যথার তীব্রতা হ্রাস পায় 

• রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হতে সাহায্য করে 



Tablet Drotin DS এর ব্যবহার 

Tablet Drotin DS সাধারণত নিচের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়: 

মাসিকের সময় তীব্র পেট ব্যথা (Menstrual Pain)

• পেটের খিচুনি বা পেট ব্যথা

• পেটের খিচুনি বা পেট ব্যথা 

• কিডনি স্টোনের ব্যথা (Renal colic)

• গলব্লাডার স্টোনের ব্যথা 

• ইউরিনারি ট্র্যাক্টের খিঁচুনি 

• গ্যাস্ট্রোইনটেস্টোইনাল স্পাজম 



Tablet Drotin DS খাওয়ার নিয়ম ও ডোজ 

সাধারণত দিনে ১-২ বার খাওয়া হয় 

• খাবারের পরে বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা ভালো 

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন সমান করবেন না। 



Tablet Drotin DS এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

সাধারণত এই ওষুধটি নিরাপদ হলেও কিছু ক্ষেত্রে নিচের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে: 

• মাথা ঘোরা 

• বমি ভাব 

• রক্তচাপ কমে যাওয়া 

• অ্যালার্জি (দুর্লভ ক্ষেত্রে)

যদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি হয়, দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।



Tablet Drotin DS কারা খাবেন না 

নিচের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন: 

• লিভার বা কিডনির গুরুতর সমস্যা থাকলে 

• খুব কম রক্তচাপ 

• গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালীন সময়ে (ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নয়) 



Tablet Drotin DS সংরক্ষণের নিয়ম 

শুঙ্ক ও ঠান্ডা স্থানে রাখুন 

• সরাসরি সূর্যলোক থেকে দূরে রাখুন 

• শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন 



Tablet Drotin DS সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ 

এই ওষুধটি ব্যথা সাময়িকভাবে উপশম করে, কিন্তু ব্যথার মূল কারণ নির্মল করা অভ্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বারবার পেট ব্যথা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...