সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Tablet Montas-L: ব্যবহার, উপকারিতা, ডোজ ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

 

Tablet Montas-L

Tablet Montas-L কী

Tablet Montas-L: একটি জনপ্রিয় অ্যান্টি-অ্যালার্জি ওষুধ। এটি মূলত অ্যালার্জিজনিত সমস্যা, হাঁপানি (Asthma) ও নাকের অ্যালার্জি (Allergic Rhinitis) নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এই ট্যাবলেটটি নিয়মিত সেবনে অ্যালার্জির লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে।


Tablet Montas-L এর উপাদান 

সাধারণত Tablet Montas-L এ দুটি প্রধান উপাদান থাকে:

• Montelukast 

• Levocetirizine

এই দুটির উপাদান একসাথে কাজ করে শরীরের অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া কমায়। 


Tablet Montas-L এর ব্যবহার 

এই ওষুধটি নিচের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়:

• হাঁচি ও নাক দিয়ে পানি পড়া 

• নাক বন্ধ থাকা 

• চোখ চুলকানো ও চোখ দিয়ে পানি পড়া 

• ধুলাবালি পরাগ রেণু বা আবওয়া পরিবর্তনজনিত অ্যালার্জি 

• হাঁপানি রোগে শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে 

• রাতে কাশি কমাতে 


Tablet Montas-L কীভাবে কাজ করে?

Montelukast শরীরের লিউকোট্রিন নামক রাসায়নিককে ব্লক করে, যা শ্বাসনালী ফোলা ও শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করে।

Levocetirizine হিস্টামিনের কার্যকারিতা কমিয়ে অ্যালার্জি লক্ষণ হ্রাস করে।

ফলে অ্যালার্জি উপসর্গ ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে


Tablet Montas-L এর ডোজ 

• সাধারণত দিনে ১ বার রাতে খাবার পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা হয়।

• শিশু, বয়স্ক বা বিশেষ রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ ভিন্ন হতে পারে।

ডোজ সব সময় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নেয়া উচিত। 


Tablet Montas-L এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

সব ওষুধের মতো Montas-L এরও কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে, যেমন: 

• মাথা ঘোরা 

• ঘুম ঘুম ভাব 

• মুখ শুকিয়ে যাওয়া 

• দুর্বলতা 

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হালকা ও সাময়িক। 


কখন সতর্কতা অবলম্বন করবেন?

• গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে 

• লিভার বা কিডনি সমস্যায় ভুগলে 

• অন্য কোন অ্যালার্জির ঔষুধ একসাথে খেলে 

এই পরিস্থিতিতে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।



Tablet Montas-L খাওয়ার নিয়ম 

• প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধটি সেবন করুন 

• ডোজ মিস হলে একসাথে ডাবল ডোজ নেবেন না 

• অ্যালকোহল পরিহার করা ভালো 


Tablet Montas-L কি দীর্ঘদিন খাওয়া নিরাপদ?

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খেলে সাধারণত এটি নিরাপদ। তবে দীর্ঘদিন ব্যবহার করার আগে অবশ্যই নিয়মিত ফলো-আপ করা উচিত। 


উপসংহার 

Tablet Montas-L অ্যালাজি ও হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে একটি কার্যকর ও বহুল ব্যবহৃত ওষুধ। সঠিক ডোজ ও নিয়ম মেনে সেবন করলে এটি অ্যালার্জির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। তবে যে কোনো ওষুধ গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...