সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to use Depression: ব্যবহার, বিবরণ, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Depression

Description of the disease বিবরণ

যদি কোন মানুষ তার কৃতকর্মের তুলনায় অনেক বেশি ব্যর্থতা বা নৈরাশ্যে ভোগে তখন তাকে মানসিক অবসন্নতা বলা হয়। প্রতিটি মানুষ নির্দিষ্ট পরিমাণ নৈরাশ্য বা ক্রোধ ধারণের উপযুক্ত।

 কিন্তু এক্ষেত্রে মস্তিষ্কের লিম্বিক তন্ত্রের সাইন্যাপস অংশে স্নায়ুর গ্ৰাহক ও প্রেরক অস্বাভাবিক ক্রিয়ার ফলে উল্টো ঘটনা ঘটে। 

আক্রান্ত তন্ত্র স্নায়ু তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স ৩০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষদের তুলনায় মহিলারা একটু বেশি এই রোগে আক্রান্ত হন।



Causes of the disease কারণ

• নিউরোট্রান্সমিটার ক্ষতিকারক সংযোগসাধনে এই রোগ হয় 

• নিউরোট্রান্সমিটারের অত্যধিক ভাঙ্গন বা বিপাক কার্যের ফলে 

• সাইন্যাপসে রাসায়নিক পদার্থের অত্যধিক ক্ষরণ হয় 

নিউরোট্রান্সমিটারের প্রেরণ ক্ষমতাকে বিকৃত করে দেয় প্রভৃতি বিভিন্ন কারণে এই রোগ হতে দেখা যায়।



Symptoms of the disease লক্ষণ

• রোগী সামান্য থেকে চুড়ান্ত হতাশা বা নৈরাশ্যে ভোগে 

• অক্ষুধা ওজন খুব কমে যাওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়া পরিলক্ষিত হয় 

• পরিশ্রমের তুলনায় ক্লান্তি অনেক বেশি হয়

• ঘুম হয় না বা খুব বেশি হয়

• সর্বদা অস্থিরতা অথবা ঝিমানো ভাব থাকে 

• আনন্দ বিষয়ে আনন্দ না পাওয়া 

• যৌনক্ষুধা নষ্ট হওয়া প্রভৃতি ঘটে 

• নিজের মনে সর্বদা অপরাধবোধ বা পাপবোধ জাগে 

• কোন কিছুতে মনঃসংযোগ করতে না পারা 

• স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া 

• কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে না পারা প্রভৃতি ঘটে 

• অবসন্নতা চরম পর্যায়ে পৌঁছালে রোগীর আত্মহত্যা প্রবণতা বেড়ে যায় 

• এবং অনেক আত্মহত্যার ঘটনাও এভাবে ঘটতে দেখা গেছে 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে সর্বদা নজরে রাখতে হবে 

• সাইকোথেরাপি প্রয়োজন হলে তার ব্যবস্থা করতে হবে 

• রোগীর সাথে তাঁর ব্যক্তিগত সমস্যা 

• সামাজিক সমস্যা 

• আত্মহত্যার প্রবণতা সম্পর্কিত প্রভৃতি সম্বন্ধে খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে 

• রোগীকে সাহস দিতে হবে যে

• তিনি খুব শীঘ্রই সকল সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to Use Amikacin Usage

 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়  ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়  ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের ...

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...