How to use Hysteria: কারণ, লক্ষণ, ও চিকিৎসা

 

How to use Hysteria


বিবরণ

যখন কোন রোগী অনিচ্ছাকৃত ভাবে নিজের অবচেতন মনের প্রভাবে প্রভাবান্বিত হয়ে অসুখের লক্ষণ প্রকাশ করে, যেগুলো তার জীবনের স্বার্থসিদ্ধিতে সাহায্য করবে অথচ শরীরের কোন 

রোগ নয়, তাকেই মূর্চ্ছা-বায়ুরোগ বা হিস্টিরিয়া বলে। স্নায়ু তন্ত্র এই রোগের দ্ধারা আক্রান্ত হয়। ১৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যেই এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়। পুরুষদের চেয়ে মহিলারা দ্বিগুণ হারে এই রোগে আক্রান্ত হন।



Reason কারণ 

এই রোগ পরিবেশের প্রভাবেই বেশি হয়। যে সমস্ত শিশু বা কিশোরদের অত্যধিক আদর যত্ন করা হয় এবং অধিক বয়স পর্যন্ত অভিভাবকদের আজ্ঞাবহ করে রাখা হয় তারা

 পরবর্তীকালে রূঢ় বাস্তবের সম্মুখীন হলে, দ্বিধাগ্ৰস্ত হয়ে পরে এবং তার থেকে রেহাই পেতে অচেতন ভাবে হিস্টিরিয়া লক্ষণ

 প্রকাশ করে থাকে। অত্যধিক যৌনাকাঙ্ক্ষা এবং তা নিবৃত্তির বা পুরণের কোন উপায় না পেয়ে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে থাকে বলে ধারণা করা হয়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• হঠাৎ করে কাউকে চিনতে না পারার বা দেখতে না পাওয়া লক্ষণ প্রকাশ পায়

• হঠাৎ বধিরতার সৃষ্টি হয়

• কোনো কিছুই শুনতে পায় না

• হাত বা পায়ের অসাড়তা দেখা যায়

• কথা বন্ধ হয়ে যায়

• মাথার যন্ত্রণার কথা মাঝে মাঝে প্রকাশ করে

• হঠাৎ শিশুর মত আচরণ করতে শুরু করে

• নিজের তারা, সে আমাদেরকে প্রভৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করে

• নিজের কথা সব ভুলে যায় 

• নিজের খাওয়া দাওয়া ভুলে যায় 

• চলা ফেরা সম্পূর্ণ বদলে অস্বাভাবিক রকমের হয়

• একটানা বহুক্ষণ ফিট হয়ে থাকে

• কিন্তু প্রস্রাবের পায়খানা সময় নিজেই উঠে পরে 

• অজ্ঞান অবস্থায় চোখে হাত দিলে চোখ পাছড়ায় 

• অনেক সময় সামান্য খেচুনির লক্ষণও দেখা যায়



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১. রোগীকে শিক্ষামূলক বই পত্র পড়তে দিতে হবে।

২. মানসিক শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে।

৩. রোগীর যে আত্মীয়স্বজন বা বন্ধু বান্ধবকে পছন্দ করেন না বা এড়িয়ে চলতে চান।

৪. তাদের রোগীর কাছে যাওয়া চলবে না।

৫. মুক্ত বাতাসে ভ্রমণ হিতকর 

৬. বসবাসের ঘর হবে নির্জন এবং আলোকোজ্জ্বল।