Introduction ভূমিকা
সালফোনামাইড কম্বিনেশন অর্থাৎ (ট্রাইমেথোপ্রিম, সালফামেথোক্সাজোল) ঔষধ কে কো-ট্রাইমোক্সাজোল বলা হয়।
ইহা সকল প্রকার গ্ৰাম-পজিটিভ ও গ্ৰাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়। এই সংযুক্ত রসায়ন বর্ডিটেল্লা পার্টুসিস, ব্রুসেল্লা এবং সাইট্রোব্যাকটার এস পি পি, ঈ-কোলি
হেমেফিলাস ডুক্রেয়ি, সিগেল্লা, থারসিনিয়া, ভিব্রিও প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ এবং স্ট্রেপটোকক্বাস, স্ট্যাফাইলোকক্বাস, নোকারডিয়া
লিসটেরিয়া প্রভৃতি গ্ৰাম-পজিটিভ বীজাণুদের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়। মুখে খাবার ওষুধ প্রায় সম্পূর্ণরূপে এবং দ্রুত পাকস্থলী থেকে শোষিত হয়। খাদ্য গ্রহণের শোষণের কোন পরিবর্তন ঘটাতে পারে না।
ইহা গ্রহণের এক থেকে দুই ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। এই ওষুধ শরীরের সকল অংশে বিস্তার লাভ করে বিশেষত বৃক্ব এবং ফুসফুসের।
এছাড়া সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড, কফ প্রোস্টেট গ্রন্থির যোনির ক্ষরণ চক্ষুর ভিতরে জলীয় অংশের উপস্থিতি প্রমাণ হয় পঞ্চাশ শতাংশ ট্রাইমেথৈপ্রিম এবং ত্রিরশ শতাংশ সালফামেথোক্সাজোল অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রর মাধ্যমে নির্গত হয়।
ব্যবহার (Uses)
• সকল প্রকার মূত্র যন্ত্রের পীড়া
• ব্রঙ্কাইটিস
• সাইনুসাইটিস
• নিউমোনিয়া
• হুপিংকাশি সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া
• গণোরিয়া
• স্যাঙ্কার
• ডিম্বাশয়ের প্রদাহ সহ সকল প্রকার জননতন্ত্রের পীড়া
• নাক
• কান ও গলার রোগ
• টাইফয়েড
• কলেরা
• উদরাময়
• চর্মের সকল প্রকার বীজাণু ঘটিত পীড়া
• হাড় ও অস্থিসন্ধির পীড়া প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)
• বমি বা গা বমি ভাব
• মুখে ঘা
• চর্মে উদ্ভেদ
• আমবাত প্রভৃতি হতে পারে
• মারাত্মক প্রতিক্রিয়া খুব কমই হয়
• মাথা ধরা
• মাথা ঘোরা
• অবসাদ
• কান ভো ভো করা
প্রভৃতি দেখা দিতে পারে গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ডাক্তারের বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
আন্তঃবিক্রিয়া Interchange
• ওয়ার ফারিন
• ফেনাইটোইন
• সাইক্লোস্পোরিন
• রিফামপিসিন প্রভৃতি সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে
ফলে কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
সাবধানতা অবলম্বনের
১. সালফারে অ্যালার্জি থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ
২. গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদানকারী মায়েদের এই ওষুধ দেওয়া চলবে না
৩. অপুষ্টিতে ভুগলে এই ওষুধ ব্যবহার না করাই উচিত
৪. দেড় মাসের নিচের শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ
এই আর্টিকালটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।
