সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to use Normax Tablet: ব্যবহার, উপকারিতা, ডোজ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

 

How to use Normal Tablet

ভূমিকা

একটি বহুব্যাপক ব্যাকটেরিয়া নাশক ঔষধ, ইহা সব রকম ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়। এমনকি, যে সমস্ত ব্যাকটেরিয়া পেনিসিলিয়াম গ্ৰুপের ঔষধ, সেফালোস্পোরিন গ্ৰুপের টেট্রাসাইক্লিন গ্ৰুপের ঔষধ, এরিথ্রোমাইসিন, সালফোনোমাড প্রভৃতির দ্ধারা Resistant হয়ে গেছে তাও এই ওষুধে ধ্বংস হবে। ইহা পৌষ্টিক তন্ত্রে থেকে প্রায় শোষিত হয়। ইহা শরীরের প্রায় সকল কোষেই বিস্তার লাভ করে। ইহা রক্তরসে প্রায় অবস্থান করে। ইহার প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় এবং পরিবর্তনের পর মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।



ব্যবহার (Uses)

• উদরাময়

• কলেরা সহ সকল প্রকার অন্ত্রের রোগ

• কিডনির প্রদাহ

• প্রস্রাবের জ্বালা

• প্রস্টেট গ্ৰন্থির প্রদাহ সহ সকল প্রকার মূত্রযন্ত্রের পীড়া

• গণোরিয়া

• স্যাঙ্কার সহ সকল প্রকার জননতন্ত্রের ব্যাধি

• নতুন ও পুরোনো কর্ণ প্রদাহ

• চক্ষুর বিভিন্ন প্রকার বীজাণু ঘটিত পীড়া

প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়, চোখ ও কানের রোগে অবশ্য ড্রপ ওষুধ ব্যবহার করা হয়।



পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects)

এই ওষুধের হালকা কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় বা হতে পারে:

১. ঘুম ভাব

২. মাথা ধরা

৩. সামান্য চুলকানি প্রভৃতি হতে পারে 

৪. গা বমি ভাব

৫. কোষ্ঠবদ্ধতা

৬. পেটফাঁপা

৭. অবসাদ প্রভৃতি দু-একজন রোগীর হতে পারে

৮. শুষ্কতা ভাব অনেক রোগীর হতে দেখা যায়

গুরুতর সমস্যা হলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া 

অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড যুক্ত অ্যান্টাসিডের সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া।

১. ফলে কর্ম ক্ষমতা হ্রাস পায়

২. কেটোকোনাজোল

৩. নিসট্যাটিন

৪. মাইকোনাজোল

৫. প্রোবেনেসিড

৬. থিওফাইলিন

৭. নাইট্রোফুরামটোইন 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে।



সাবধানতা

• ১২ বছরের নিচে শিশুদের এবং গর্ভবতী মহিলাদের ব্যবহার একেবারে নিষিদ্ধ।

• স্তন্যদানকারী মাতাকেও এই ওষুধ না দেওয়াই ভালো।

• এই ওষুধ খেলে অধিক পরিমাণে জল খাওয়া ভালো।

• এই ওষুধ খাবার গ্ৰহণের ½ ঘন্টা আগে খেতে হবে।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবু সঙ্গে পরামর্শ করুন।


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to Use Amikacin Usage

 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়  ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়  ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের ...

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...