Reglan Tablet কী?
ইহা পৌষ্টিক তন্ত্রের সাধারণ গতি প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই ওষুধ পৌষ্টিক তন্ত্রের গ্যাহক অংশুলিকে অনুভূতি গ্ৰহণে বাধা দেয় ফলে পৌষ্টিক তন্ত্রে উত্তেজনা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের পৌঁছতে পারে না, ফলে বমির পথও অবরুদ্ধ হতে পারে থাকে। এই ওষুধ পাকস্থলীর পিত্তরস অগ্ন্যাশয় রস প্রভৃতির স্বাভাবিক ক্ষরণে কোন ব্যাঘাত ঘটায় না। ইহা নিম্নখাদ্যবহা নালীর সংকোচনকে বিস্তৃত করে এবং অন্যবহা নালীর স্ফিংক্টারের চাপ বাড়ায়, ফলে অন্নবহানালীর প্রদান রোধ হয়। ফলেপ্রোল্যাকটিন রিলিজ ইনহিবিটিং হরমোন পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ বৃদ্ধি করে। ইহার ফলে স্তন্যদানকারী মাতার দুগ্ধক্ষরণ বৃদ্ধি করে। পৌষ্টিক তন্ত্রের থেকে দ্রুত এবং প্রায় ১০০% শোষিত হয়। ইহা খালিপেটে গ্ৰহণের ১ থেকে ২ ঘন্টার মধ্যে রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। খুব দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে পৌষ্টিক তন্ত্রে কলা কোষের ছড়িয়ে পড়ে এই ওষুধ প্রায় আশি শতাংশ পরিবর্তিত অবস্থায় এবং পরিবর্তিত অবস্থায় মূত্র পথে নির্গত হয়।
ব্যবহার (Uses)
১. বমি ভাব বা বমি
২. পাকস্থলীর প্রদাহ
৩. হেঁচকি
৪. পেটফাঁপা
৫. ক্ষুধামন্দা
৬. খাবার পর পেটে ব্যথা বেদনা
৭. X-ray করার পূর্ব প্রস্তুতিতে
৮. ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া জনিত পেটের গোলমালে ব্যবহার করা হয়
৯. বমি ভাব নিবারণার্থে ব্যবহার করা হয়
১০ স্তনদুগ্ধের স্বল্পতার ব্যবহার করা হয়
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)
অল্প কিছু খেতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে, যেমন-
• ঘুম ভাব
• অস্থিরতা
• ক্লান্তি
• দুর্বলতা
• চর্মে উদ্ভেদ
• মাথাব্যথা
• মাথাধরা
• স্তনের বিবৃদ্ধি
অঙ্গচালনায় শিথিলতা প্রভৃতি হতে পারে।
আন্তঃবিক্রিয়া
• অ্যাসপিরিন
• প্যারাসিটামল
• ডায়াজিপাম
• ডাইগক্সিন
• অ্যাট্রোপিন
• নাইট্রাজিপ্যাম
• লেভাডোপা
• অ্যালকোহল
• ফেনোথায়াজিনেস
• প্রোপ্রানোলল
• এথানল
• টেট্রাসাইক্লিন
• লেভাডোপা
ইনসুলিন প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে শরীরের মধ্যে ও বাইরে বিভিন্ন রকম প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
সাবধানতা
১. ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইডের সাথে মেটোক্লোপ্রামাইড জরুরী প্রয়োজন ছাড়া না মেশানোই ভালো।
২. আন্ত্রিক রক্তক্ষরণে ব্যবহার না করাই ভালো।
৩. মৃগী রোগীদের এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।
৪. স্তনের ক্যান্সার থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা চলবে না।
৫. গর্ভাবস্থার ব্যবহার করা নিষিদ্ধ
৬. শিশুদের ক্ষেত্রে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।
এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।
