বিবরণ
এটি একটি পরাশ্রয়ী কীটঘটিত রোগ। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা গ্ৰন্থি। আক্রমণে বয়স শিশুদেরই এই রোগ বেশি হয়। তবে সব বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা এবং পুরুষদের এই রোগা সমানভাবে হতে দেখা যায়।
Causes of the disease কারণ
• আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে থাকলে এই রোগাক্রমণ ঘটে
• এছাড়া শরীরে এই কীট থাকলে কোনো স্থানের ক্ষত সৃষ্টি হলেই এরা সেখানে আক্রমণ করে এবং ক্ষত নিরাময়ে ব্যাঘাত ঘটায়
• এই কীট সুস্থ চামড়ায় আক্রমণের পর সেখানে গর্ত করে বাসা বেঁধে এবং বংশবিস্তার করে
• এর ফলেই ঐ অংশের ক্ষতির সৃষ্টি হয়।
• এই ক্ষতে জীবাণু ও দূষণ ঘটলে তা আরও মারাত্মক হয়ে যায়
Symptoms of the disease লক্ষণ
• প্রথমে চর্মে ছোট ছোট এবং ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত উদ্ভিদ বের হয় এগুলি চুলকায়
• পরে এতে পুঁজ জমে এবং ক্ষতের সৃষ্টি হয়
• এই পুঁজ সুস্থ চামড়ায় লাগলে সেখানেও একইভাবে রোগের সৃষ্টি হয়
• উদ্ভেদ কখনো কখনো বড় ফাস্কার ন্যায় হয় এবং তাতে প্রচন্ড যন্ত্রণা হয়
• পরে তা গেল ক্ষতের সৃষ্টি হয়
• এই রোগ হতে ও পায়ের আঙ্গুলের
• পায়ের ফাঁক
• হাতের কব্জি
• পায়ের কনুই
• বগল
• পায়ের পাছা
• অগুকোষ এবং কখনো কখনো বুক ও পেটের হতে দেখা যায়
• কখনো কখনো পায়ে হতে দেখা যায়
• মুখ মন্ডল বা মাথায় এই রোগ হয় না
আনুষঙ্গিক চিকিৎসা
• নিয়ম মাফিক চিকিৎসা করলে এই রোগ সহজেই সেরে যায়
• কিন্তু চিকিৎসা এলোমেলো হলে বহুদিন রোগে ভুগতে হয়
• এই রোগে চিকিৎসা পরিবারের সকল রোগাক্রান্ত ব্যক্তির একসাথে করা উচিত
• নতুবা পুনরাক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায় না
• রোগ সারার সাথে সাথে সমস্ত বিছানা পত্র পোষাক পরিচ্ছদ এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসপত্র ভালোভাবে সামান দ্বারা ধৌত কারণ করা দরকার
• তিক্ত খাবার
• যেমন নিমপাতা
• পটলপাতা
• উচ্ছে
• করলা প্রভৃতি খাওয়া ভালো
• রোগ সারার পরে চাউলমুগরার তেল গায়ে মাখলে রোগের পুনরাক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া যায়
এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।
