Lomefloxacin কী?
এই রসায়ন দিনে একবার মাত্র গ্ৰহণ উপযোগী ডাইফ্লুয়োরিনেটেড কুইনোলোন গ্ৰুপের অন্তর্ভুক্ত। ইহা সকল প্রকার গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়।
সকল প্রকার গ্রাম নেগেটিভ বীজাণু যা নরফ্লক্সাসিন, সাইপ্রোফ্লক্সাসিন, ন্যালিডিক্সিক অ্যাসিডে ধ্বংস হয় না তাদের খুব দ্রুত ধ্বংস করে ফেলে। যে সমস্ত গ্ৰাম-পজিটিভ বীজাণু
অ্যাম্পিসিলিন, জেন্টামাইসিন, এবং সেফালোস্পোরিন দ্ধারা ধ্বংস হয় না তা এই ঔষধে ধ্বংস হয়। এই ওষুধ ঈসচেরেচিয়া কোলি, সাইট্রোব্যাকটার, এন্টারোব্যাকটার, হেমেফিলাস
মরগানেল্লা মোরগানি, প্রোটিয়াস ভালগারিস, সেরাসিয়া স্পেসিজ প্রভৃতি গ্ৰাম-নেগেটিভ এবং সকল প্রকার স্ট্যাফাইলোকক্বাস এবং স্ট্রেপটোকক্বাস বীজাণুদের উপর সক্রিয়।
এই ওষুধ পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। ইহা গ্রহণের এক থেকে দুই ঘন্টায় মধ্যে রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয়। ইহা শরীরের সকল কলা কোষে এবং
তরল অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। ইহার অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়। বাকী অংশ মলের সাথে নির্গত হয়।
ব্যবহার (Uses)
• অ্যাকিউট ও ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস
• নিউমোনিয়া
• ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার গলার রোগ
• নাক ও কানের সকল প্রকার সংক্রমণ
• অ্যাকিউট ও ক্রনিক মূত্রযন্ত্রের পীড়া
• খাদ্যদুষ্টি
• রক্তামাশয়
• কলেরাসহ সকল প্রকার পেটের রোগ
• যকৃতের রোগ
• সকল প্রকার স্ত্রী জননতন্ত্রের সংক্রমণ
• হাড় ও সন্ধির সংক্রমণ
• গণোরিয়া
স্যাঙ্কার প্রভৃতি রতিজ ব্যাধি বিভিন্ন প্রকার জীবাণু ঘটিত চর্মরোগ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)
• গা বমি
• মাথাধরা
• আলোকাতঙ্ক
• ঝিমুনি ভাব
• উদরাময়
• চর্মে উদ্ভেদ
• স্নায়ুতন্ত্রের পীড়া
• প্রুরিটাস
• আমবাত প্রভৃতি হতে পারে
তবে লোমেফ্লক্সসিনে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব কমই হতে দেখা যায়।
আন্তঃবিক্রিয়া
• থিওফাইলিন
• অ্যালুমিনিয়াম
• ম্যাগনেসিয়াম ও হাইড্রক্সাইড যুক্ত
• অ্যান্টাসিড সুক্রালফেট
• ক্যাফিন
• সিমেটিডিন
• সাইফ্লোস্পোরিন
• ব্যথা যন্ত্রণার ওষুধ
• প্রোবেনেসিড
• ওয়ার ফারিন
প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে এবং বিভিন্ন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় বা শোষণ কম হয় বা কর্মক্ষমতা লোপ পায়।
সাবধানতা
১. শিশুদের এবং ১৮ বছর বয়সের নিচে কিশোরদের এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।
২. গর্ভাবস্থায় জরুরী প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
৩. এই সময় প্রচুর পানি খাওয়া দরকার।
৪. স্তন্যদানকারী মাতাকে এই ওষুধ দেওয়া চলবে না।
৫. বছর ৬৫ বয়সের ঊদ্ধে ব্যবহার না করাই ভালো।
৬. খাবার খাওয়ার পূর্বে বা পরে এক ঘন্টার ব্যবধানে ওষুধ সেবন নিয়ম।
৭. মৃগীরোগী এবং পেশির দুর্বলতা বিশিষ্ট রোগীদের খুব সাবধানতা সহকারে ব্যবহার করতে হয়।
৮. চিকিৎসা চলাকালীন সূর্যালোক বা রশ্মি চিকিৎসা নিষিদ্ধ।
এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।
