সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Pefloxacin 400 mg Tablet: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, সাবধানতা ও সতর্কতা

 

Pefloxacin 400 mg Tablet

Pefloxacin কী?

এই ওষুধ পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে সম্পূর্ণভাবে শোষিত হয়। যা শরীরের প্রায় সকল তরল অংশ এবং কলা কোষে ব্যাপকভাবে বিস্তার হয়। ইহা গ্ৰহণে দুই ঘণ্টা মধ্যে রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয়। অধিকাংশটাই মূত্র মাধ্যমে এবং কিছু অংশ মলের সাথে অপরিবর্তিত অবস্থায় দেহের বাইরে নির্গত হয়। ইহা একটি বহু ব্যাপক ব্যাকটেরিয়া নাশক ওষুধ। ইহা পারপেরাজিন কার্বোক্সিলিক অ্যাসিডের থেকে উৎপন্ন একটি ফ্লুয়োরো কুইনোলোন গ্ৰুপের ঔষধ। ইহা সকল প্রকার গ্রাম-পজিটিভ ও গ্ৰাম-নেগেটিভ বীজাণু দের উপর সক্রিয়। ভিব্রিও কলেরী, ভিব্রিও প্যারাহেমোলাইটিকাস, নেইসেরিয়া গণোরিয়া প্রভৃতি গ্ৰাম-নেগেটিভ বীজাণু এই ওষুধের ধ্বংস হয়। মাইকো ব্যাকটেরিয়াম বীজাণু এবং অন্য বীজাণুনাশক ওষুধের যে সমস্ত বীজাণু ধ্বংস হয়নি তা এই ওষুধে ধ্বংস হয়।



ব্যবহার (Uses)

• ব্রঙ্কাইটিস

• নিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া

• নাক ও কানের সংক্রমণ

• গলার সকল প্রকার সংক্রমণ

• চক্ষুর বীজাণুঘটিত পীড়া

• নেফ্রাইটিস ও সিসটাইটিস প্রোস্টেটের প্রদাহ সহ সকল প্রকার মূত্রযন্ত্রের পীড়া 

• কলেরা

• উদরাময় সহ সকল প্রকার পেটের রোগ

• লিভারের পীড়া

• মস্তিষ্ক আবরণী ঝিল্লীর প্রদান

• রক্তদুষ্টি সকল প্রকার স্ত্রীরোগ

• রতিজ ব্যাধি সমূহ 

• হাড় ও সন্ধির সংক্রমণ

• বীজাণু ঘটিত চর্মরোগ সমূহ

অস্ত্রোপচারের পূর্বের ও পরের সংক্রমণ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

Pefloxacin হালকা কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, যেমন হল: 

• আলোকাতঙ্ক 

• স্নায়ুর পীড়া

• পেটের গোলমাল

• বমি ও বমি ভাব

• চর্মে উদ্ভেদ প্রভৃতি দেখা যেতে পারে

• মাথা ধরা 

• অনিদ্রা

• পেশীতে ব্যথা প্রভৃতি দেখা যেতে পারে

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা গেলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।


আন্তঃবিক্রিয়া (Interchange)

১. অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড দ্বারা প্রস্তুত অ্যান্টাসিড শোষণে ব্যাঘাত ঘটায়।

২. ওষুধ সমূহের সঙ্গে বিক্রিয়ার পেফ্লক্সাসিনের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় এবং পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।

৩. রিফামপিসিন 

৪. আয়রন 

৫. ওয়ারফরিন 

 সাইক্লোস্পোরিন প্রভৃতির সাথে আন্তঃবিক্রিয়ার ফলে কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় এবং পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



সাবধানতা

• ১৫ বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ 

• গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদানকারী মাতার ব্যবহার করা চলবে না

• মারাত্মক যকৃত পীড়ায় ব্যবহার নিষিদ্ধ

• রোগ চিকিৎসাকালীন সময় সূর্যালোক বা রশ্মি চিকিৎসা লাগানো নিষেধ

• ইঞ্জেকশন ওষুধ NaCl অর্থাৎ সোডিয়াম ক্লোরাইড 

• অন্য কোনো ক্লোরাইড আয়রন বিশিষ্ট ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইডের সাথে মেলানো চলবে না


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন




এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to Use Amikacin Usage

 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়  ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়  ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের ...

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...