সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

PZIDE Tablet বা Pyrazinamide: ব্যবহার, কাজ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

 

PZIDE Tablet বা Pyrazinamide

PZIDE Tablet কী?

ইহা নিকোটিনামাইডের পাইরাজিন অ্যানালগ। ইহা মাইক্রো ব্যাকটেরিয়াল বীজাণুর বংশবৃদ্ধি বাধাদান করে। কেবলমাত্র পাইরাজিনামাইড ব্যবহার করলে ঐ বীজাণু অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়ে তাই এর সাথে অবশ্যই অন্য যক্ষ্মা জীবাণু নাশক ঔষধ ব্যবহার করতে হবে। ইহা পৌষ্টিক তন্ত্রে থেকে খুব দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। গ্ৰহণের ২ ঘন্টার মধ্যে ইহা রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা শরীরের অধিকাংশ কলাকোষে এবং তরল অংশে দ্রুত বিস্তার লাভ করে 



কীভাবে কাজ করে?

PZIDE শরীরের ভেতরে গিয়ে যক্ষ্মার জীবাণুর বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার ক্ষমতা নষ্ট করে। এটি বিশেষভাবে নিষ্ক্রিয় (Dormant) অবস্থায় থাকা TB ব্যাকটেরিয়ার ওপর কার্যকর, যা অন্য অনেক ওষুধ সহজে দমন করতে পারে না।



ব্যবহার (uses)

ইহা অপর যক্ষ্মা বীজাণু নাশক ঔষধের সাথে শরীরের যে কোনো স্থানের যক্ষ্মা বা ক্ষয়রোগে ব্যবহার করা হয়। PZIDE সাধারণত নিচের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়:

• TB চিকিৎসার প্রাথমিক ২ মাসে কম্বিনেশন থেরিপির অংশ হিসেবে

• শরীরের অন্যান্য অঙ্গের যক্ষ্মা

• ফুসফুসের যক্ষ্মা 

PZIDE  কখনোই একা ব্যবহার করা হয় না; এটি সবসময় অন্যান্য TB ওষুধের সঙ্গে নেওয়া হয়।



পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects)

সব ওষুধের মতো এরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, তবে সবার ক্ষেত্রে নাও দেখা যেতে পারে।

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া 

1. বমি

2. বমি ভাব

3. চর্মে উদ্ভেদ

4. আলোকসংস্পর্শ জনিত চর্মরোগ

5. চুলকানি

6. গেঁটেবাত

7. যকৃতের পীড়া

8. পেট ব্যথা

9. ক্ষুধামন্দা

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

1. প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হওয়া

2. অতিরিক্ত দুর্বলতা

3. চোখ বা ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া

4. লিভারের সমস্যা

এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।



সাবধানতা

1. গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের ব্যবহার নিষিদ্ধ

2. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করা যাবে না 

3. লিভারের রোগ থাকলে আগে থেকেই ডাক্তারের জানাতে হবে 

4. শিশুদের ব্যবহার চলবে না 



আন্তঃবিক্রিয়া

ডায়াবেটিস রোগের ঔষধ এবং INH এর সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।PZIDE একটি প্রেসক্রিপশন ওষুধ। যক্ষ্মার চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ার নিয়মিত ও সম্পূর্ণ কোর্স শেষ না অত্যন্ত জরুরি। নিজের ইচ্ছায় ডোজ পরিবর্তন ওষুধ বন্ধ করবেন না রোগ আরও মারাত্মক হতে পারে।

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগেই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to Use Amikacin Usage

 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়  ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়  ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের ...

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...