সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to use Anaemia: রোগের কারণ, রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Anaemia

Description of the disease বিবরণ 

রক্তাপ্লতা বহু রকমের হয়। যেমন, যখন অস্থি মজ্জা (Bone marrow) রক্তের উপাদান সমূহ উৎপাদনের ব্যর্থ হয় তখন যে রক্তল্পতা ঘটে।

তাকে বলা হয় Aplastic Anaemia। জন্মগতভাবে অর্জিত রক্তশূন্যতা যা অটো অ্যান্টিবডি এবং অন্যান্য রক্তের প্রোটিন যৌগাকে লোহিত কণিকা ধ্বংসকারী ক্ষমতাকে বিনাশ করার 

কাজে বাধা দেয়, তাকে বলা হয় Haemolytic auto immune Anaemia। ভিটামিন বি১২ অন্ত্র থেকে ঠিকমতো শোচিত না হলে রক্তকণিকাদের উৎপাদনের ব্যাঘাত ভাবে ফলে রক্তাল্পতা। 

দেখা দেয় একে বলা হয় Pernicious Anaemia এবং বংশ গতভাবে হিমোগ্লিবিন রোগ যুক্ত হওয়ার ফলে সৃষ্টি রক্তাল্পতাকে Sickle Cell Anaemia বলে।

আক্রান্ত তন্ত্র সংবহন তন্ত্র, লসিকাবাহ, রোগ প্রতিরোধে তন্ত্র, স্নায়ু পৌষ্টিক তন্ত্র, কঙ্কাল ও পেশীতন্ত্র প্রভৃতি এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়।

আক্রমণে বয়স যে কোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা ও পুরুষের সমানভাবে এই রোগ হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

১. অস্থি মজ্জার বিভিন্ন রোগে ভোগা

২. মারাত্মক ইনফেকশন হওয়া এবং তার জন্য অত্যধিক বীজাণুনাশক ওষুধ সেবন 

৩. নিওপ্লাজম 

৪. লিউকোরিয়া 

৫. ভাইরাস হেপাটাইটিস 

৬. হেমোলাইটিক জন্ডিস 

৭. পৌষ্টিক তন্ত্রের বিভিন্ন রোগে ভোগা 

৮. হিমোগ্লোবিন ও লোহিত কণিকার দুর্বলতা বা ক্রটি থাকা 

৯. খাদ্যে আয়রনের ঘাটতি 

অত্যধিক রক্তপাত প্রভৃতি থেকে এই রোগের সৃষ্টি 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

১. লক্ষণ 

• বুক ধড়ফড় করা 

• মাথা ঘোরা 

• ক্লান্তি

• দুর্বলতা 

অবসাদ প্রভৃতি হতে দেখা যায়।

২. লক্ষণ

• জ্বর ভাব 

• শীত করা 

• গা ম্যাজম্যাজ করে 

• মাথা ঝিমঝিম করা প্রভৃতি হতে থাকে 

৩. লক্ষণ 

• শ্বাসকষ্ট 

• হৃদপিণ্ডের গতি বৃদ্ধি পাওয়া 

• মানসিক দ্বিধাগ্ৰস্ত হওয়া প্রভৃতি ঘটে 

৪. লক্ষণ 

• ক্ষুধা মন্দা 

• ওজন কমে যাওয়া 

• হাত ও পায়ের আঙ্গুলের কুঁচকে যাওয়া প্রভৃতি ঘটে 

৫. লক্ষণ 

• মুখ ও হাত পা প্রভৃতি ফোলে 

• এবং সর্বদা জ্বালা ভাব করে 

৬. লক্ষণ 

• যকৃৎ 

• প্লীহা প্রভৃতি বৃদ্ধি পায় 

৭. লক্ষণ 

• শরীর পান্ডুরবর্ণ হওয়া

• এবং বিভিন্ন স্থানে কালশিরা পড়া প্রভৃতি হয় 

৮. লক্ষণ 

• চোখের ও ঠোঁটের ভেতরে অংশে সাদা হয়ে যায় 

৯. লক্ষণ 

• মহিলাদের ঋতুর গোলযোগ যেমন 

• স্বল্পঋতু

• ঋতুবন্ধ 

• এবং সাদা স্রাব প্রভৃতি হতে থাকে 

১০. লক্ষণ 

• গর্ভাবস্থায় এই রোগ হলে 

• গর্ভপাত হবার ভয় থাকে 

• এবং প্রসবের সময়ও কষ্ট হয় 

১১. লক্ষণ 

• এছাড়াও জিভে ঘা হওয়া

• হাত ও পায়ের অসাড়তা 

• হৃদপিণ্ডের দুর্বলতা 

• অঙ্গ প্রত্যঙ্গের নড়া চড়া করার ক্ষমতা কমে যাওয়া প্রভৃতি ঘটে 

১২. লক্ষণ 

• স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া 

• কর্মবিমুখ হওয়া প্রভৃতি ও হতে দেখা যায় 

গুরুতর সমস্যা হলে ডাক্তারবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

প্রথম চিকিৎসা 

• কাঁচা কলা 

• ডুমুর

• কুলে খাড়া 

• কপি 

• বিভিন্ন শাক 

• ডিম 

• দুধ 

• মাছ 

• মাংস 

• ফল মূল 

• টমেটো প্রভৃতি খাওয়া ভালো 

দ্বিতীয় চিকিৎসা 

• ট্রোফাক্স পাওডার 

• সাইউ সুপার পাওডার 

• স্পার্ট 

• প্রোটাল এম হাওড়ার

• নারিস হাওড়ার

জেফরিচ পাওডার প্রভূতি খাওয়া ভালো 

তৃতীয় চিকিৎসা 

• উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক বিশেষতঃ Chloramphenicol ঔষধ খাওয়া নিষিদ্ধ।

আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...

How to Use Amikacin Usage

 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়  ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়  ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের ...

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...