সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to use Gallstone: রোগের বিবরণ, কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Gallstone

বিবরণ 

পিত্তনালী অর্থাৎ Bill Duet এর মধ্যে অবরোধ ঘটলে পিত্তরস (Bile) বা পিত্তরঞ্জক (Bile Pigment) ভালভাবে নির্গত হতে পারে না, ফলে তা পিত্তথলির মধ্যে জমে যায় এবং পাথরে পরিণত হয় 

কোলেস্টেরল (Cholesterol) থেকেও পাথরে সৃষ্টি হয়। পিত্তথলিতে পাথর জমে থাকা হল Gall Stone বা পিত্ত পাথরী  এখন এই পাথর বিভিন্ন আকৃতির হয়। ছোট বালুকণা থেকে শুরু 

করে পাখির ডিমের সাইজেরও হয়। ছোট আকৃতির হলে পাথরের সংখ্যা বেশি থাকে। এই পাথর যাদি পিত্তরস বাহিত হয়ে পিত্তনালীতে আটকে যায়, তাহলে প্রদাহের সৃষ্টি হয় অথবা 

পাথরের সংখ্যা বেশি হয়ে পিত্তথলিতে চাপে সৃষ্টি হয়ে যন্ত্রণা শুরু হয়, তাকে বলা হয় পিত্তশূল বা Cholecystitis কোলেসিস্টাইটিস অনেক সময় কোন প্রদাহ থাকে না, ফলে 

রোগী রোগ সম্বন্ধে জানতেও পারে না। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স ৫০ বছরের ঊদ্ধেই এই রোগ বেশি হয়, তবে ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যেও এই 

রোগ বেশি কিছু কিছু হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষের তুলনায় মহিলারাই এই রোগে অধিক আক্রান্ত হয়।



Causes of the disease কারণ 

১. যকৃতের রোগে দীর্ঘ দিন ভোগা বা অন্যান্য রোগ থেকেও পিত্তবাহী নালীতে অবরোধ সৃষ্টি হয়ে পিত্তরস নিঃসরণে বাধাদান করে 

২. রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি প্রভৃতি এই রোগ সৃষ্টির সহায়ক 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

১. ডানদিকের উপরে পেট এবং ডান পাঁজরের নিচে হঠাৎ তীব্র যন্ত্রণা আরম্ভ হয় 

২. যদি পাথরী পিত্তনালীর বেয়ে নেমে যায়

৩. আর পাথরী আটকে থাকলে যন্ত্রণা চলতেই থাকে তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত 

৪. বমি ভাব বা বমি হতে পারে 

৫. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় শীত ভাব থাকে 

৬. পেট ফুলে উঠতে পারে 

৭. শ্বাস প্রশ্বাস দীর্ঘ হয় 

৮. শতকরা ৫০ জনের জন্ডিস হতে দেখা যায় 

৯. কোষ্ঠকাঠিন্য বা কালচে মল হতে দেখা যাবে। 

১০. ফ্যাট জাতীয় খাবার হজম হয় না 

১১. ফলে মল পাতলা হতে পারে 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

এই রোগের প্রধান চিকিৎসা হলো অস্ত্রোপ্রচার (Cholecystitis tomy) করে পাথর বের করা 

১. লঘু ও পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে 

২. গ্লুকোজের জল, ডাবের জল, আপেল, মুসুম্বী ও বাতাবি লেবুর রস, আখের রস, কাঁচা পেঁপে, উচ্ছে ও করলা প্রভৃতি খাওয়া ভালো। 

৩. যন্ত্রণা ও ব্যাথা কমাতে গরম সেঁক দেওয়া ভালো 

৪. ঘি, মাখন, দুধ, অন্যান্য চর্বি জাতীয় খাবার, মশলাদার খাবার, ভাজা খাবার, মাদকদ্রব্য প্রভৃতি না খাওয়াই ভালো 

৫. ডিম মাছ মাংস প্রভৃতি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ 

৬. তবে শিঙ্গি মাগুর মাছের ঝোল খাওয়া ভালো 

৭. দুধ ক্যালসিয়াম ল্যাকটেট দিয়ে ছানা কাটিয়ে খাওয়া চলবে 


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।





এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...