সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to use Hepatitis: রোগের কারণ, রোগের লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

How to use Hepatitis

Description of the disease বিবরণ 

বিভিন্ন রোগের জীবাণু বা ভাইরাসের আক্রমণের ফলে যকৃত  কোষে প্রদান হয়, একেই হেপাটাইসিস বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স এই 

রোগ সকল বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের খুব কমই হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ দ্বিগুণ হতে দেখা যায়।



Causes of the disease কারণ 

• টাইফয়েড 

• ম্যালেরিয়া 

• ইনফ্লুয়েঞ্জা 

• নিউমোনিয়া 

• কালা জ্বর 

হেপাটিসিমিয়া প্রভৃতিতে দীর্ঘদিন ভূগলে ঐ সব রোগের জীবাণুরা যকৃত কোষকে আক্রমণ করে

• ফলে এই রোগ হয় তাছাড়া ক্রনিক অ্যামিবায়াসিসে ভুগলে 

• লিভারের স্থানে মারাত্মক আঘাত লাগলে

• চর্বি জাতীয় খাদ্য বেশি খেলে এই রোগ হতে পারে 

• অত্যাধিক মাদকদ্রব্য সেবন থেকে ও এই রোগ হতে পারে 

• তাকে অ্যালকোহলিক হেপাটাইটিস বলা হয়

ভাইরাস আক্রমণ থেকে হেপাটাইসিস হয়, তাকে ভাইরাস হেপাটাইটিস বলা হয। হেপাইটাইটিস এ ভাইরাস (HAV) এবং হেপাটাইটিস ই ভাইরাস (HEV) দূষিত খাদ্য এবং পানীয়ের 

মাধ্যমে সংক্রামিত হয়। হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV) এবং হেপাটাইটিস ডি ভাইরাস (HDV) প্রভৃতি যৌন মিলন, দূষিত রক্ত প্রদান, দূষিত খাদ্য এবং পানীয় গ্রহণ প্রভৃতির মাধ্যমে সংক্রামিত 

হয়। হেপাটাইটিস সি ভাইরাস (HCV) দূষিত রক্ত প্রদানের মাধ্যমে সংক্রামিত হয়। হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV) ঘটিত হেপাটাইটিসই বেশি দেখা যায়।



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• ডান দিকের উপর পেটে প্রচন্ড ব্যথা হয় 

• মোচড়ানো যন্ত্রণা হতে থাকে 

• ব্যাথা পিঠের ডান দিকে ও বাম পেটের ও বুকে ছড়িয়ে পড়ে

• লিভারের স্থানে হাত দিলে তা অনুভব করা যায় 

• কাদার ন্যায় কালো পায়খানা হয় 

• উদরাময় বা কোষ্ঠ দেখা দিতে পারে 

• চক্ষুর শ্বেত অংশ এবং সারা শরীর হলুদ বর্ণ হয়ে যায় 

• জন্ডিস হয় 

• গা বমি দেয় 

• খাবার খেলেই বমি হয়ে যায় 

• গ্লুকোজের জল পান করলে কোন অসুবিধা হয় না 

• ক্ষুধামন্দ দেখা দেয় 

• মুখে ও গলার তিক্ত আস্বাদ লাগে 

• এমনকি বমি হলে তাও তেতো লাগে 

• অল্প অল্প জ্বর হতে দেখা যায় 

• শীত শীত ভাব লাগে 

• মাথা ভরা থাকে 

• জিহ্বাতে ময়লা জমে 

• রোগ যত বাড়তে থাকে রোগী ততই শীর্ণ দুর্বল হয়ে পড়ে

• ঘুম ভাব লাগে কিন্তু ঘুম ভালো হয় না 

• শরীরে অস্থিরতা সৃষ্টি হয় 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. রোগীকে তিন থেকে চার সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে 

২. ডাবের জল 

৩. গ্লুকোজের জল

৪. মিষ্টি মুসুম্বী ও কমলালেবুর রস 

৫. মাঠাতোলা দুধ প্রভৃতি খাওয়ানো চলবে 

৬. রোগী একটু সুস্থ বোধ করলে কাঁচা কলা, পেঁপে, ডুমুর, প্রভৃতির ঝোল সুসিদ্ধ ভাত শাকসবজি প্রভৃতি খেতে দেওয়া চলবে 

৭. আখের রস দুবেলা খেতে দেওয়া ভালো 

৮. তেল, ঘি, মাখন, ডিম, পাকা মাছ, মাংস, ঝাল, মসলা, মাদকদ্রব্য প্রভৃতি এক বছর খাওয়া নিষিদ্ধ। 

৯. পরে অল্প অল্প খাওয়া চলবে 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।




 






এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...

How to Use Amikacin Usage

 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়  ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়  ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের ...

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...