বিবরণ
ইহা অন্ত্রের বীজাণু দূষণ জনিত কারণে এক প্রকার জ্বর। ইহাকে Enteric Fever বা আন্ত্রিক জ্বর ও বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র ফুসফুস চর্ম এবং কঙ্কাল তন্ত্র এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়। আক্রমণে বয়স এই রোগ সব বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা এবং পুরুষ সমান হারে এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
Causes of infection কারণ
মানুষের খাদ্য ও পানির জীবাণু দ্বারা দূষিত হয়ে এই রোগ সঞ্চয় করে। রোগীর মল বা মূত্র পানি সাথে মিশে বা মাছির দ্বারা এইসব জিনিস বাইত হয়ে খাদ্য বা পানীয়ের সাথে মিশে বা মাছির দ্বারা ঐসব জিনিস বাহিত হয়ে খাদ্য বা পানীয় মিশে থাকে।
সংক্রমণের সময় শরীরে রোগের জীবানু প্রবেশের ৭-২১ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়
রোগের জীবাণু স্যালমোনেল্লা টাইফি ( Salmonella typhi) এই রোগের বীজাণু।
Symptoms of the disease লক্ষণ
১. প্রথমদিকে অল্প জ্বর হয়। ১০১ -১০২ ফাঃ ও পর্যন্ত জ্বর ওঠা নামা করে
২. চোখ এবং মুখ লালাভ হয়
৩. মাথা ধরা থাকে
৪. জিভ লেপাবৃত থাকে
৫. ক্রমশঃ জ্বর বৃদ্ধি পেতে পেতে পেতে ১০৩⁰ থেকে ১০৪⁰ ফাঃ পর্যন্ত ওঠে। শীত ও কাঁপুনি থাকে
৬. পাতলা পায়খানা শুরু হয়
৭. পেট ফাঁপা থাকে
৮. মলে রক্ত থাকতে পারে
৯. লিভার ও প্লীহা বৃদ্ধি পায়
১০. প্রচন্ডভাবে মাথার যন্ত্রণা হয়
১১. রোগী কখনো ও কখনো ও তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে
১২. নাড়ির গতি কমে যায়
১৩. যতদিন যায় রোগী তত ক্ষীণ ও দুর্বল হতে থাকে
১৪. ক্ষুধামন্দা
১৫. গা-বমি বা বমি হতে পারে
১৬. চর্মে লালচে উদ্ভিদ বের হতে পারে
১৭. শুকনো কাশি হতে পারে
symptoms উপসর্গ
• আন্ত্রিক রক্তক্ষরণ (Intestinal Haemorrhage) পাকস্থলী বা অন্ত্র ফুটো হওয়া প্রভৃতি ঘটতে পারে
• ক্রনিক ডায়েরিয়ার সৃষ্টি হতে পারে
• মেনিনজাইটিস বা এন্ডোকার্ডাইটিস হতে পারে
• ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়া হতে পারে
• বধিরতা (Deafness) দেখা দিতে পারে
• দীর্ঘদিন ভুগলে শয্যাক্ষত (Bed Sore) হতে পারে
• অস্থির প্রদাহ হতে পারে
Adjunctive treatment চিকিৎসা
• রোগীকে প্রথমে কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে
• শুষ্ক ঘরে বাস করা এবং গরম জলে স্নান করা উপকারী
• রোগের লক্ষণ হ্রাস পেলে হালকা ব্যায়াম
• নিয়মিত সাঁতার কাটা প্রভৃতি উপকারী
• দুপুরে ভাত ও রাতে রুটি খেতে হবে
• এছাড়া সবুজ শাকসবজি সুমিষ্ট ফল মূল, দুধ, ঘোল, ছানা, মাখন, প্রভৃতি খাওয়া চলবে
• মাছ মাংস ডিম পেঁয়াজ প্রভৃতি কম খেতে হবে
এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন
