বিবরণ
মূত্রযন্ত্রের প্যারেনকাইমা কোষকলা এবং সঞ্চয়থলি বীজাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে প্রদাহিত হতে থাকে একেই পাইলোনেফ্রাইটিস বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র মূত্রযন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়
আক্রমণের বয়স যেকোনো বয়সেই এই রোগ হতে পারে তবে ৫০ বছরের ঊদ্ধেই বেশি হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ পুরুষদের চেয়ে মহিলারাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন
Causes of the disease কারণ
Escherichia Coli বীজাণুর আক্রমণ প্রধান কারণ।
• এ ছাড়া প্রোটিয়াস মাইরাবিলিস
• ক্লেবসিয়েল্লা
• এন্টারোব্যাকটার
• স্ট্যাফাইলোকক্বাস এপি ডারমিস
• স্যাপ্রোফাইটিকাস এবং অরিয়াস
• লেপ্টোস্পাইরা
প্রভৃতি বীজাণুদের আক্রমণেও এই রোগ হতে পারে।
Symptoms of the disease লক্ষণ
• হঠাৎ কাঁপুনি দিয়ে জ্বর হয়
• ১০২⁰ থেকে ১০৩⁰ ফাঃ পর্যন্ত জ্বর হতে পারে
• কোমরে ও তলপেটে ব্যথা হয়
• বিশেষতঃ প্রস্রাবের সময় তলপেটে থেকে প্রস্রাবের দ্বার পর্যন্ত টনটনানি যন্ত্রণা হতে থাকে
• শরীরে অস্বস্তিভাব
• পেশীতে ব্যথা প্রভৃতি হতে থাকে
• মাথা ধরা ভাব থাকে
• ক্ষুধামন্দা
• গা বমি ভাব বা বমি
• উদরাময় প্রভৃতি হতে পারে
• ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ আসে
• এবং প্রস্রাব ধারনের ক্ষমতা হ্রাস পায়
• প্রস্রাব করতে প্রচণ্ড কষ্ট হয় (Dysuria)
Diagnosis রোগ নির্ণয়
• রোগের লক্ষণ অনুযায়ী
• প্রস্রাব কালচার করলে জীবাণুর সন্ধান পাওয়া যায়
• রক্তের কালচার করলে বীজাণুর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়
Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা
• পানীয় জল প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে
• ডাবের জল ও মিছরির জল প্রভৃতি খাওয়ানো ভালো
• সাগু, বালির, হরলিক্স, কমপ্লান, ঝোল ভাত প্রভৃতি খেতে হবে
• কোমরে এবং তলপেটে গরম সেঁক দেওয়া ভালো
• ঠান্ডা লাগলে চলবে না
• নিয়মিত ঈষদুষ্ণ জল স্নান হিতকর
• প্রস্রাবের বেগ ধারণ করা উচিত নয়
• নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে প্রস্রাব ত্যাগ করতে হবে
• ধূমপান ও মাদকদ্রব্য সেবন এবং অন্যান্য উত্তেজক খাদ্য খাওয়া নিষিদ্ধ
এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।
