সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to use Chloroquine phosphate: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, আন্তঃবিক্রিয়া

 

How to use Chloroquine phosphate

Chloroquine phosphate কী?

ইহা জলে দ্রবণীয়, তিক্ত আস্বাদ বিশিষ্ট সাদা রঙের পাওডার। ইহা মানুষের শরীরের যে কোনো স্থানে বসবাস কারীর ম্যালেরিয়া জীবাণুদের ধ্বংস করে দেয়, কেবলমাত্র যকৃতে অবস্থানকারী

প্যারাসাইটদের উপর কোন প্রভাব ফেলতে পারে না। ইহা চার প্রকার ম্যালেরিয়া প্যারাসাইটদের উপর সক্রিয় সেগুলি হল

পি. ভাইভ্যাক্স 

• পি. ওয়েল

• পি. ম্যালেহ্যরী 

• পি. ফ্যালসিপেরাম 

এছাড়া এই ঔষধের এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা জিয়ার্ডিয়া মাইক্রো ব্যাকটেরিয়াল লেপ্রী প্রভৃতির উপর যথেষ্ট প্রভাব আছে। 

এছাড়া এই ঔষধের প্রদান নিবারণী পেশীর আক্ষেপ নিবারণী অ্যালার্জি দমনকারী ক্ষমতা বিদ্যমান। এই রসায়ন পৌষ্টিক তন্ত্রে থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়

ইহা দ্রুত সমস্ত কলাকোষে পৌঁছে যায়। ইহা যকৃত, প্লীহা, ফুসফুসের ও কিডনিতে বেশি সময় স্থায়ী হয়। এই রসায়ন মলের সাথে এবং প্রস্রাবের সাথে অপরিবর্তিত অবস্থায় নির্গত হয়।



ব্যবহার (Uses)

• ম্যালেরিয়া 

• অ্যামিবিয়াসিস 

• রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস 

• কুষ্ঠের বিষক্রিয়া 

• চর্মের ক্ষয়রোগ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects

• বমি 

• বমিভাব 

• উদরাময় 

• পেটের ব্যথা 

• পেটের যন্ত্রণা 

• মাথার যন্ত্রণা 

• চুল ওঠা 

• চর্মের উদ্ভিদ 

• প্রুরিটাস 

• চক্ষুর জ্বালা 

• চোখের দৃষ্টি অস্বচ্ছ হওয়া 

• কান ভো ভো করা 

নখের নীচে নীলচে কাল দাগ প্রভৃতি দেখা যায়।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• অ্যান্টাসিড 

• ফিনাইলবিউটাজোল

• নিওস্টিগমিন

• পাইবিডোস্টি গমিন 

• অ্যাম্পিসিলিন 

• সিমেটিডিন 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের

• গর্ভবতী মহিলাদের স্বল্পমাত্রায় এবং সাবধানতা সহকারে ব্যবহার করতে হয়।

• চক্ষুর মারাত্মক রোগে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• মৃগী রোগ ও স্নায়ুর পীড়ায় ব্যবহার নিষিদ্ধ 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to Use Amikacin Usage

 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়  ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়  ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের ...

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...