সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Yes D Capsule: ব্যবহার, উপকারিতা, ডোজ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

 

Yes D Capsule

ইহা পৌষ্টিক তন্ত্রে অবস্থিত স্নায়ু গ্রাহক অংশে প্রতিক্রিয়াশীল এবং মস্তিষ্কের স্নায়ু কেন্দ্রের বমনকারক অঞ্চলের উপর ক্রিয়াশীল। পাকস্থলী ও অন্নবহানালীর নিম্নাংশে স্নায়ুর গ্ৰাহক অঞ্চলের কাজে বাধা দান করে। এই ওষুধও রক্তের প্রোলাকটিন লেভেল বৃদ্ধি করে। খুব দ্রুত পাকস্থলীকে শূন্য করতে সাহায্য করে ফলে অন্নবহানালীর প্রদান পাকস্থলীর সমস্যা দূরীভূত হয়। অতিক্রম করতে পারে না, ফলে স্নায়ু ঘটিত পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়া যায়। এই ওষুধ পাকস্থলী হতে খুব দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। অপরিবর্তিত অবস্থায় ১% মূত্রপথে এবং ৬% মলের সাথে নির্গত হয়। পরিবর্তিত অবস্থায় ৩০% মূত্রপথে এবং ৫০% মলের সাথে নির্গত হয়।

বর্তমান সময়ে গ্যাস্ট্রিক, বুক জ্বালা, বমিভাব হজমের সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এসব সমস্যার কার্যকর ও সমাধান হিসেবে ডাক্তাররা প্রায়ই Yes D Capsule প্রেসক্রিপশন করে থাকেন। এই আর্টিকেলটি Yes D ওষুধ কি বিস্তারিত ব্যবহার, উপকারিতা, ও ডোজ, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা সম্পর্কে সহজ ভাষায় আলোচনা করা হলো। 



Yes D Capsule কী?

Yes D Capsule একটি কম্বিনেশন মেডিসিন, যা মূলত গ্যাস্ট্রিক ও হজমজনিত সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এটি পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড কমায় এবং বমি ও বমি ভাব প্রতিরোধে সহায়তা করে।



উপাদান (Composition)

Yes D সাধারণত দুইটি কার্যকর উপাদান দিয়ে তৈরি: 

১. Domperidone - বমি ভাব ও বমি প্রতিরোধ করে এবং খাবার হজমে সহায়তা করে

২. Esomeprazole পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণ কমায়

উপাদানের মাত্রা ব্র্যান্ডভেদে ভিন্ন হতে পারে।



ব্যবহার (Uses)

Yes D Capsule সাধারণত নিচের সমস্যাগুলোর ব্যবহার করা হয়:

1. X-ray জনিত কারণে

2. হেপাটাইটিস

3. গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি

4. বুকজ্বালা ও অম্বল

5. পাকস্থলীর প্রদাহ

6. গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD)

7. বমিভাব ও বমি

8. খাবার হজমে সমস্যা

9. পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি



কীভাবে কাজ করে?

Domperidone পাকস্থলীর খাবার দ্রুত অস্ত্রে পাঠাতে সাহায্য করে এবং বমিভাব কমায়

Esomeprazole পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কমিয়ে বুকজ্বলা ও জ্বালাপোড়া দূর করে



সঠিক ডোজ (Dosage)

• ডোজ রোগীর বয়স ও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে

• খাবারের ৩০ মিনিট আগে সেবন করা উচিত

• সাধারণত দিনে ১ বার সকালে খালি পেটে খাতে হয়

• পাকস্থলীর ক্ষতে ৩০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার সকালে খালি পেটে ২ মাস খেতে হবে

• অন্ননালীর প্রদাহে ৩০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার খালি পেটে ২-৩ মাস



পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects)

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি নিরাপদ, তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে নিচের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে: 

• উদরাময়

• ঘুম ভাব 

• অস্থিরতা 

• ক্লান্তি

• দুর্বলতা

• পেট ব্যথা

• মুখ শুকিয়ে যাওয়া

• ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য

• চর্মে উদ্ভেদ

• মাথা ধরা

• নাক সেটে

• মাথা ঘোরা

যদি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।



ব্যবহারের সতর্কতা

• গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন

• লিভার বা কিডনি রোগ থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করবেন 

• দীর্ঘদিন সেবন করা ঠিক নয় 

• শিশুদের ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করবেন না 



সাবধানতা

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার নিষিদ্ধ। স্তন্যদানকালে মাতাদের খুব সাবধানতা অবলম্বন করে ব্যবহার করতে হবে। পিটুইটারি গ্রন্থির টিউমার থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ। গ্যাস্ট্রিক, অ্যাসিডিটি ও বমি ভাব সমস্যার জন্য একটি কার্যকর ও বহুল ব্যবহৃত ওষুধ। সঠিক নিয়মে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করলে এটি দ্রুত আরাম দিতে সক্ষম।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to Use Amikacin Usage

 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়  ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়  ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের ...

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...