১.প্রোটিন ভিটামিন ও মিনারেলস অর্থাৎ খনিজ পদার্থের অভাব থেকে এই রোগ হয়।
২. প্রথমে শিশুর জন্মের এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সন্তান জন্ম নিলে।
৩. শিশুকে স্তন্যপান বাধা দিয়ে ফিডিং বোতল দ্বারা গাভীর দুধ খাওয়ানো হলে।
৪. দুই বছরের নিচে শিশুকে ইচ্ছাকৃত স্তন্যপান থেকে বঞ্চিত করলে শিশুরা অপুষ্টিতে ভোগে।
৫. ধরিলে উপরিউক্ত পদার্থ গুলি অভাব ঘটে এবং এই রোগ হয়।
৬. অনেকে এই সময় শিশুকে বিভিন্ন প্রকার বেবি ফুড খাওয়ান কিন্তু স্তন্যপান ব্যতীত প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক উপাদান সমূহ পাওয়া সম্ভব নয়।
Symptoms লক্ষণ
১. শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও ওজন দৈর্ঘ্য প্রভৃতি কমে যায় বা স্বাভাবিকের চেয়ে কম হয়।
২. পেশির দুর্বল হয়।
৩. হাত ও পা ফোলে শিশু অনেক সময় পর্যন্ত দাঁড়াতে বা হাঁটতে পারে না।
৪. ক্ষুধামন্দ দেখা দেয়।
৫. লিভারের গোলযোগ উদরাময় প্রভৃতি হতে থাকে।
৬. সর্বদা জ্বর ভাব এই রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ।
আনুষঙ্গিক চিকিৎসা
• এই রোগের রোগাক্রান্ত শিশুদের অবশ্যই দীর্ঘদিন স্তন্যপান চাইলে যেতে হবে।
• ঐ স্তন্যদানকারী মাতা ও ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাদ্য প্রচুর পরিমাণে খাবেন এবং শিশুকেও ঐ সমস্ত খাবার পরিমান মত নিয়মিত খাওয়াতে হবে।
• মায়েদের হরলিক্স ভেভা কমপ্লান কমপ্লিট প্রভৃতি খাবেন এবং শিশুদের হরলিক্স জুনিয়র Milk Care 2, Lactodex, Dexolac-Hp প্রভৃতি খাওয়ানো চলবে।
• ছোট্ট শিশুদের চার মাস বয়স থেকে পরিপূরক খাদ্য অর্থাৎ ভাত, ডাল, কচি মাছের ঝোল, শাকসবজি সিদ্ধ, বিট, গাজর সিদ্ধ, কাঁচা কলা ঝোল, সিদ্ধ ডিম, দই, সন্দেশ, লেবু, আপেল, আঙ্গুর, বেদনা, খেজুর, কিসমিস, কলা, প্রভৃতি খাওয়াতে শেখালে এই রোগের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
তোমাদের অনুরোধ এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।
