How to use in Bangali Whooping cough: কারণ ও লক্ষণ

 

How to use in Bangali Whooping cough

Whooping cough কী

পারটুসিস বা হুপিং কফ হল শিশুদের শ্বাসযন্ত্রের একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। আক্রান্ত তন্ত্র শ্বাসতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স তিন মাস থেকে ছয় মাস বয়সের শিশুদেরই এই রোগ বিশে হয়। তবে এর উদ্ধার শিশুদের ও হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ বালক শিশু এবং বালিকা শিশু উভয়ের সমান ভাবে এই রোগ হয় 



কারণ 

সর্দি জ্বর কাশিতে দীর্ঘদিন ভুগতে থাকলে বা আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শে থাকলে এই রোগের জীবাণুর আক্রমণ ঘটে এই রোগ হয়।

বর্ডেটেল্লা পারটুসিস (Bordetella pertusis) নামক গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুর আক্রমণে এই রোগ হয়।



লক্ষণ 

১. প্রথমে কাশি ও সর্দি 

২. শুকনো কাশি হয় 

৩. জ্বর প্রভৃতি দিয়ে রোগ শুরু হয় 

৪. ক্রমশঃ শুকনো কাশি বাড়তে থাকে 

৫. কাশতে কাশতে শিশুর দম বন্ধ হবার মত হয় 

৬. কাশি একবার শুরু হলে তা আর থামতে চায় না

৭. একটানা বহুক্ষণ যাবৎ প্রচন্ড বেগে কাশি হয় 

৮. কাশিতে হুপ হুপ করে শব্দ হয় 

৯. কাশিতে কফ ওঠে না

১০. বরং অনেকক্ষণ কাশি হবার পর বমি হয়ে যায় 

১১. শিশুর চোখ মুখ লাল হয়ে যায় 

১২. ক্ষুধা মন্দ দেখা দেয়



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• শিশুদের সর্বদা আলো বাতাসপর্ণ গরম আবহাওয়া যুক্ত ঘরে রাখতে হবে 

• গরম এবং তরল পুষ্টিকর খাদ্য নিয়মিত খাওয়াতে হবে। 

Sardi ja Cough syrup ( সর্দি জা কফ সিরাপ) অথবা টুসিড্যাক কফ সিরাপ খাওয়ানো ভালো 

• শিশুদের তুলসী পাতা বাকসপাতা যষ্টিমধু গোলমরিচ তেজপাতা মিছরি লবঙ্গ প্রভৃতি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খাওয়ানো ভালো 

• নির্দিষ্ট বয়সে DPT ভ্যাকসিন নেওয়া থাকলে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব 

তোমাদের অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 




How to use Diptheria Symptoms: কারণ ও লক্ষণ ও চিকিৎসা

 

How to use Diptheria Symptoms

Diptheria Symptoms 

ইহা শ্বাসযন্ত্রের একটি বীজাণু ও সংক্রমণ জনিত রোগ। এই রোগের ফলে গলকোষ এবং গলনালী পর্দার দ্বারা আচ্ছাদিত হয় এবং প্রবাহিত হয়। আক্রান্ত তন্ত্র শ্বাসতন্ত্র ত্বক স্নায়ুতন্ত্র হৃদপিন্ড প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।

আক্রমণের বয়স তিন থেকে বারো বছর বয়সের শিশুদেরই এই রোগ বিশে হতে দেখা যায়। আক্রান্ত লিঙ্গ বালক শিশু ও বালিকা শিশু উভয়েই সমানভাবে এই রোগ আক্রান্ত হয়।



Reason কারণ 

আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে থাকার ফলে তার হাঁচি ও কাশি এবং শ্লেষ্মা প্রভৃতির মাধ্যমে রোগ জীবাণু নির্গত হয়ে সুস্থ শিশুর দেহে প্রবেশ করে 

জীবাণু করিনি ব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়ী ( Corynebacterium Diptheriae) নামক বীজাণু এই রোগ ঘটায়। রোগের সময় শরীরে রোগের জীবাণু প্রবেশের দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



Symptoms লক্ষণ 

• পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় 

• খাবার গিলে খেতে ও কথা বলতে কষ্ট হয় 

• জ্বর ১০০⁰ ফাঃ এর কাছে তার সঙ্গে সর্দি-কাশির ও গলায় ব্যথা প্রভৃতি দিয়ে রোগ শুরু হয় 

• লালাগ্ৰন্থি ও গলানালী থেকে দুর্গন্ধযুক্ত লালা ঝরতে থাকে 

• এমনকি রোগ মারাত্মক ভাবে বেড়ে গেলে রক্তপাত ও হতে পারে 

• জিভে স্প্যাচুলা দিয়ে চেপে গলার ভিতর আলো ফেলে দেখতে ডিপথেরিয়া প্যাচ দেখতে পাওয়া যায় 

• টনসিল আলজিভ শ্বাসনালী প্রভৃতি অংশে আবৃত করে সু নির্দিষ্ট সীমানা বিশিষ্ট ধূসর রংয়ের পর্দা অর্থাৎ মেমব্রেন দেখা যায়। এর চারিদিক লালাভ হয় 

• গলা ভেঙে যায় গলার স্বর বসে যায় কাশি হতে পারে 

• গলার পর্দা যত বৃদ্ধি পায় শ্বাসকষ্ট তত বৃদ্ধি পায় ও নাড়ীর গতি বৃদ্ধি পায় এবং নাড়ী ক্ষীন হয়। ক্রমশঃ শ্বাসরোধ হয়ে রোগী মারা যায়



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• শিশুটিকে দুই থেকে তিন সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে 

• মুখ ও গলা পরিষ্কার রাখার জন্য মাউথ ওয়াশ গাগরল ব্যবহার করতে হবে 

• প্রথম অবস্থায় দুধ সাবু  গ্লুকোজের জল ফলের রস হরলিক্স ভেভা প্রভৃতি খেতে দেওয়া যাবে 

• একটু সুস্থ হলে সুসিদ্ধ ভাত চারা পোনা মাছের ঝোল শাকসবজি প্রভৃত খাওয়ানো চলবে 

• বাড়ির সুস্থ শিশু ডিপথেরিয়া ভ্যাকসিন না নেওয়া থাকলে তার ব্যবস্থা করতে হবে

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি করে কোন রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Vaginal disease: যোনিব্যপৎ রোগ কারন

 

How to use Vaginal disease

Vaginal disease: কারণ 

১. যথোপযুক্ত আহারের অভাব 

২. দুষ্টরজঃ বীজ দোষ 

৩. অনাচার 

৪. ব্যাভিচার 

প্রভৃতি নানাবিধ কারণে যোনি রোগ বা যোনিব্যাপৎ রোগ সূচিত হয় 



যোনি রোগ বিংশতি প্রকার 

বিংশতি প্রকার যোনি রোগের লক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে 

উদাবত্তর এই ধরনের যোনি রোগে অতিকষ্টে যোনিরজঃ নির্গত হয় 

বন্ধ্যায় রজঃ দূষিত হওয়ার ফলে সন্তানাদি হয় না 

• বিপ্লুত সর্বদা বেদনা যুক্ত 

অতিচরণা অতি বা বহু মৈথুন জনিত কারণে বীজ গ্ৰহণের শক্তি বিনষ্ট হয় 

অত্যানন্দ মৈথুনে সন্তুষ্ট হয় না 

বাতাস যোনি কর্কশ ও কঠিন এবং শূল ও সূচীবিদ্ধবৎ বেদনা সংযুক্ত 

কণিক কফ ও রক্ত মাংসকন্দ সদৃশ গ্ৰন্থি সূচিত করে 

পরিপ্লুত রতিক্রিয়া কালে যোনিতে বেদনা সঞ্জাত হয় 

লোহিত ক্ষয় রক্ত ক্ষয় ও অতিশয় দাহ সংযুক্ত 

বামিনী বায়ুর সহিত রক্ত মিশ্রিত এবং শুত্রু নিঃসরিত হয় 

প্রশংসিনী স্বস্থান হইতে যোনি অধঃপতিত হয় ও বায়ুর উপদ্রব বিদ্যমান থাকে এবং অনেক কষ্টে সন্তান প্রসব হইয়া থাকে 

পিত্তলা অত্যন্ত দাহ পাক ও জ্বর বিদ্যমান থাকে 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।