How to use Eczema: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

How to use Eczema

Eczema বিবরন 

ইহা একটি জটিল প্রকৃতিক চর্মরোগ যাতে চামড়া বিকৃত এবং প্রদাহিত হয়ে থাকে। শিশুদের একজিমা হলে তাকে Infantile Eczema বা Atopic Dermatitis বলা হয়।

আক্রমণের বয়স এই রোগ যেকোনো বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত তন্ত্র ত্বক ও বহিঃক্ষরা তন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলা দের তুলনায় পুরুষদের এই রোগ একটু বেশি হতে দেখা যায়। 



কারণ 

এই রোগ সাধারণতঃ অ্যালার্জি ঘটিত কারণেই হয়। তবে রক্তের গোলযোগ বংশগত কারণ প্রভৃতি থেকে হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। 



লক্ষণ Symptoms of the disease 

• শিশুদের ক্ষেত্রে মাথা এবং পায়ে এই রোগ হতে দেখা যায় 

• বয়স্কদের কান 

• গলা 

• হাতে

• পায়ের পাতা প্রভৃতি অংশে বেশি হতে দেখা যায় 

• তবে অন্যান্য অংশে হতে পারে

• ঐ সকল অংশে ছোট ছোট উদ্ভিদ বের হয় 

• উদ্ভিদ গুলি ছোট ছোট ফুসকুড়ি ন্যায় এবং প্রচন্ড চুলকানি যুক্ত

• আক্রান্ত অংশের চামড়ার রং কালো হয়ে যায় 

• এবং দেখতে বিশ্রী লাগে

• এতে জীবাণু দূষণ হতে মারাত্মকভাবে ক্ষতের সৃষ্টি হয় 

• কখনো কখনো ছত্রাক সংক্রমণ ঘটে 

• রোগ নিরাময় ব্যাঘাত ঘটায় বা পুনরাক্রমণ ঘটায় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা Adjunctive treatment 

• নিয়মিত চিকিৎসা করলে খুব সহজেই রোগ সেরে যায়।

• চিকিৎসা চলাকালীন রোগের লক্ষণ অপসারিত হলেও নির্দিষ্ট কোর্স অনুযায়ী ওষুধ চালাতে হবে।

• নতুবা রোগের পুনরাক্রমণ ঘটতে পারে।

• আক্রান্ত অংশে সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে।

• হেক্সাক্লোরোফেন উপকরণ বিশিষ্ট সাবান ব্যবহার করা ভালো। 

• নিয়মিত স্ন্যান লঘু সহজপাচ্য। 

• পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ভালো। 

• যে সকল খাবারে এলার্জি হয় তা বর্জন করাই ভালো।

• অঙ্গুরীমাল জাতীয় খাবার যেমন কাঁকড়া, চিংড়ি, 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 




Stemetil Tablet Side Effects: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

Stemetil Tablet Side Effects

Stemetil Tablet ভূমিকা 

এছাড়া এই ওষুধের সাহায্যে মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের বহুবিধ রোগকে দমন করানো হয়। ইহা ইন্ট্রামাস্কুলার পথে ব্যবহার করলে আরও দ্রুত শোষিত হয়।

এই ওষুধ পাকস্থলী থেকে দ্রুত শোষিত হয় এবং মস্তিষ্কের কোষ সমূহে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। 

এই ওষুধ মস্তিষ্কের বমন কেন্দ্রের উপর ক্রিয়া করে বমন নিবারণে সাহায্য করে। ইহা একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন বমন নিবারণ কারী ওষুধ।



ব্যবহার Usage 

• মানসিক গোলযোগ 

• মাথা ঘোরা 

• দুশ্চিন্তা 

• বমি ভাব 

• মানসিক ভারসাম্যহীনতা 

• ভর হওয়া

• স্কিজোফ্রনিয়া 

• আধকপালে 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া side effects

১. মুখের শুষ্কতা 

২. অনিদ্রা 

৩. মুখ মন্ডলের পেশির আক্ষেপ 

৪. ঘুম ভাব 

৫. যকৃতের গোলযোগ 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

১. ঘুমের ওষুধ 

২. অ্যালার্জি ওষুধ 

৩. অ্যালকোহল 

৪. মৃগী ওষুধ 

৫. অবসাদের ওষুধ 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Reglan 10 Mg Tablet: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

How to use Reglan 10 Mg Tablet

Reglan 10 Mg Tablet ভূমিকা 

ইহা নিম্নখাদ্যবহা নালীর সংকোচনকে বিস্তৃত করে এবং অন্নবহানালীর স্ফিংক্টারের চাপ বাড়ায় ফলে অন্নবহানালীর প্রদাহ রোধ হয়। ইহা খালি পেটে গ্ৰহণের মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়।

ইহা পৌষ্টিক তন্ত্রের সাধারণ গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই ওষুধ পাকস্থলী পিত্তরস অগ্ন্যাশয় রস প্রভৃতির স্বাভাবিক ক্ষরণে কোন ব্যাঘাত ঘটায় না।

ইহা গন্ধহীন সাদারঙের স্ফটিকাকার বস্তু। ইহা খুব দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে পৌষ্টিকতন্ত্রের কলা কোষে ছড়িয়ে পড়ে। ইহা ইন্ট্রাভেনাস দিনে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যে ক্রিয়া শুরু করে।

এই ওষুধ পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে দ্রুত এবং প্রায় শোষিত হয়। এই ওষুধ প্রায় পরিবর্তিত অবস্থায় এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রের পথে নির্গত হয়।

ইহা হাইপোথ্যালামাস দের ডোপামাইন ক্রিয়ায় বাধাদান করে ফলে প্রোল্যাকটিন রিলিজ ইনহিবিটিং হরমোন পিটুইটারী গ্ৰন্থি থেকে প্রোল্যাকটিন নিঃসরণ বৃদ্ধি করে। ইহা ইন্ট্রামাস্কুলার পথে ব্যবহার দশ থেকে কড়ি মিনিট মধ্যে ইহার ক্রিয়া শুরু করে।



ব্যবহার Usage 

• পেট ফাঁপা 

• পেটে ব্যথা বেদনা 

• বমি ভাব 

• হেঁচকি 

• ক্ষুধা মন্দা 

• পাকস্থলীর প্রদাহ 

• পেটের গোলমাল 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side effects 

• ক্লান্তি 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• ঘুম ভাব 

• মাথা ধরা 

• অঙ্গ চালনায় শিথিলতা 

• অস্থিরতা 

• স্তনের বিবৃদ্ধি

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• অ্যালকোহল 

• ডাইগক্সিন 

• অ্যাসপিরিন 

• এথানল 

• ডায়াজিপাম 

• লেভাডোপা 

• প্যারাসিটামল 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে শরীরের মধ্যে ও বাইরে বিভিন্ন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের Precautions 

• মৃগী রোগীদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• স্তনের ক্যান্সার থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা চলবে না।

• আন্ত্রিক রক্তক্ষরণে এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




How to use Amicin injection: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

How to use Amicin injection

Amicin injection ভূমিকা 

অ্যামিকাসিন সাইকো ব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়। ইহা শরীরের সকল প্রকার কলা কোষে এবং তরল অংশে যথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড 

অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযোগধনে প্রস্তুত করা হয়।

স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না। ইহা গ্ৰহণের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।

ইহা অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজাণু নাশক ঔষধ। অ্যামিকাসিন ইন্ট্রামাস্কুলার পথে ব্যবহার করার এক ঘণ্টার মধ্যে রক্ত রসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়।



ব্যবহার Uses 

• পেরিটোনাইটিস 

• রক্তদুষ্টি 

• চর্মের বীজাণু ঘটিত পীড়া 

• মেনিনজাইটিস 

• রক্তে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি 

• পোড়া বা পোড়া জনিত ক্ষত

• অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ 

• পৌষ্টিক তন্ত্রের পীড়া 

• অ্যাকিউট ও ক্রনিক পীড়া 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side effects 

• হালকা জ্বর 

• বধিরতা 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• মাথা ধরা 

• হাত পা কাঁপা 

• প্রস্রাবে সেল 

• বমি ভাব 

• বমি 

• কান ভো ভো করা 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• এরিথ্রোমাইসিন 

• ফিনাইটোইন 

• অ্যামফোটারিসিন

• কার্বেনিসিলিন 

• ক্লোরোথায়াজাইড

• হেপারিন 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের Precautions 

• স্তন্যদানকারী মাতারদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• এই ওষুধ অন্য কোন ঔষধ সাথে একত্রে মিশিয়ে পুশ করা চলবে না।

• অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইডে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• মূত্রাবরোধে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• দশ থেকে বারো বছর শিশুদের এই ওষুধ ডাক্তারবাবুর পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 



How to use Garamycin Drops: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

How to use Garamycin Drops

Garamycin Drops ভূমিকা 

তাছাড়া চোখের ও কানের ড্রপ ওষুধ যা বাহ্যিক ব্যবহার করা যায় এবং মলম যা চর্মে বাহ্যিক প্রয়োগ করা যায়। ইহা গ্ৰাম পজেটিভ ও গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণু দের উপর সক্রিয়।

এই ওষুধের বেশির ভাগ মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়। ইহা একটি বহুব্যাপক Borad Spectrum ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস কারী ওষুধ। তবে ইহা নেগেটিভ বীজাণুদের উপর অধিক সক্রিয়।

প্রোটিয়াস 

• ক্লেবসিয়েল্লা 

• এন্টারোব্যাকটার 

বীজাণু দের খুব দ্রুত ধ্বংস করতে সক্ষম। এই ওষুধ মলের মাধ্যমে নির্গত হয়। এই ওষুধ ইঞ্জেকশন মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করানো হয়।



ব্যবহার Usage 

• কর্ণ প্রদাহ 

• নিউমোনিয়া 

• কলেরা সহ সকল প্রকার আন্ত্রিক রোগ 

• মেনিনজাইটিস 

• ব্রঙ্কাইটিস 

• চোখের ঘা 

• কানে পুঁজ 

• ফোঁড়া 

• কার্বাঙ্কল 

• উদরাময় 

• অঞ্জলী 

• চর্মের বীজাণু ঘটিত সংক্রমণ 

• অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ 

ও অন্যান্য ক্ষতে বাহ্যিক প্রয়োগ করতে ব্যবহার করা চলে 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side effects 

• ঝিমুনি ভাব 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• অবসাদ 

• বমি ভাব 

• মাথা ঘোরা 

• মাথা ধরা 

• মূত্রে কাস্ট 

• চুল ওঠা 

• ক্ষুধা মন্দা 

• সন্ধির প্রদাহ 

• কান ভো ভো করা 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• হেপারিন 

• এথাক্রাইনিক অ্যাসিডের 

• এরিথ্রোমাইসিন 

সোডিয়াম বাই কার্বনেট 

• ফ্রুসেমাইড 

• পেনিসিলিন 

• ইন্ডোমেথাসিন 

• লিগলোকেন 

• হাইড্রোকর্টিসোন 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ঘটে ফলে বিভিন্ন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের Precautions 

• পারকিন সোনিজম রোগীদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• স্নায়ুতন্ত্রের রোগ থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা চলবে না 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।





Cynomycin 100 Mg Capsule benefits: পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, ব্যবহার ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

Cynomycin 100 Mg Capsule benefits

Cynomycin 100 Mg Capsule ভূমিকা 

এই ওষুধ পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়। ইহা অধিকাংশ গ্ৰাম পজটিভ এবং নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয়।

ইহা শরীরের সকল প্রকার তরল অংশে ও কলাকোষে বিস্তার লাভ করে। ইহা টেট্রাসাইক্লিন গ্ৰুপের একটি বীজাণু নাশক ঔষধ।

ট্রেপোলিমা প্যালিডাম 

• সিগেল্লা

• ডি নিউমোনিয়ী 

• মাইকোপ্লাজমা 

• এন্টারোব্যাকটার স্পেসিজ 

ইত্যাদি প্রভৃতিদের উপর সাইনোসাইক্লিন অধিক সক্রিয়।



ব্যবহার Uses 

• নিউমোনিয়া 

• চর্মের সংক্রমণ 

• ফুসফুসের ক্ষত 

• মূত্রনালীর প্রদাহ 

• মূত্রযন্ত্রের পীড়া 

• ব্রণ 

• কান

• চক্ষুর সংক্রমণ 

• ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস 

• নাক 

• গলার 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• মাথা ধরা 

• পেটের গন্ডগোল 

• দাঁতের রঙ 

• বমিভাব 

• ঘুম ভাব 

• বমি 

• মাথা ঘোরা 

• রক্ত কমে যাওয়া 

• আমবাত 

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• হেপারিন 

• আয়রন 

• অ্যান্টাসিড 

• ইউরোকাইনেজ 

• ফেলাইটোইন 

• পেনিসিলিয়াম 

• ওয়ারফারিন 

• সোডিয়াম বাই কার্বনেট 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং কর্মক্ষমতা কমে যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের 

• এই ওষুধ দ্বারা দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালালে রক্তের স্বাভাবিক চিত্র 

গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• আট থেকে দশ বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• টেট্রাসাইক্লিনে অ্যালার্জি থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• মারাত্মক যকৃত পীড়ায় এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• স্তন্যদানকারী মাতার এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।







How to use Lynx 500 Mg Capsule: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বন

 

How to use Lynx 500 Mg Capsule

Lynx 500 Mg Capsule ভূমিকা 

এছাড়া পিত্তরসের সাথে কিছু পরিমাণে নির্গত হয়ে থাকে। লিনকোমাইসিন খাবার ওষুধ পাকস্থলী থেকে দ্রুত এবং অধিক পরিমাণে শোষিত হয়।

এই ওষুধের মূত্রের সাথে দেহের বাইরে নির্গত হয়। ইহা ম্যাক্রলয়েডস গ্ৰুপের ব্যাকটেরিয়া নাশক ঔষধ। দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে ইহা রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয় এবং মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।

এই ওষুধ গ্ৰহণ করলে তা ত্রিরিশ মিনিট রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয় এবং তা প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত হয়।

শরীরের অধিকাংশ কলাকোষে এই ওষুধ বিস্তার লাভ করে। ইহা করিনি ব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনিস প্রভৃতি বীজাণু দের উপর অধিক সক্রিয়।



ব্যবহার Usage 

• কুনখে 

• সাইনুসাইটিস 

• দূষিত ক্ষত 

• টনসিলাইটিস 

• ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া 

• চর্মরোগ 

• রক্তদুষ্টি 

• ব্রণ 

• কানের সংক্রমণ 

• ডিপথেরিয়া 

• ব্রঙ্কাইটিস 

• হৃদঝিল্লীর প্রদাহ 

• নিউমোনিয়া 

• শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

• ফোঁড়া 

• জীবাণু সংক্রমণ 

প্রভৃতি আরো অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় ইত্যাদি।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• বমি

• বমি ভাব 

• আমবাত 

• জিহ্বা ক্ষত 

• উদরাময় 

• মাথা ঘোরা 

• মাথা ধরা 

• প্রুরিটাস 

• মুখমন্ডলের ক্ষত 

• রক্তে নিউট্রোফিল কমে যায় 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• এরিথ্রোমাইসিন 

• ক্যালামাইসিন 

• কেওলিন

• নোভোমাইসিন 

• ক্লিন্ডামাইসিন

প্রভৃতির সাথে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



 সাবধানতা অবলম্বনের Precautions 

• খুব বৃদ্ধদের এবং মূত্রবরোধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• অ্যাজমা থাকলে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

সদ্যোজাত শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• জন্ডিসের রোগীদের ব্যবহার না করা ভালো 

গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• স্তন্যদানকারী মাতারদের এই ওষুধ ব্যবহার চলবে না 

• দশ থেকে পনেরো বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।





How to use in Bangali mumps Symptoms: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use in Bangali mumps Symptoms

বিবরণ 

বিশেষ ধরনের ভাইরাস আক্রমণের প্যারোটিভ গ্রন্থির প্রদানকে কর্ণমূল প্রদান বা মাম্পস বলা হয়। এই রোগ শীতের শেষে এবং  বসন্তকালে অধিক পরিমাণ হতে দেখা যায়।

আক্রান্ত তন্ত্র লসিকা তন্ত্র, চর্ম, রোগ প্রতিরোধ তন্ত্র, রক্ত এবং কঙ্কাল তন্ত্র এই জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স পনেরো 

বছরের নিচের কিশোর ও শিশুদের এই রোগ বেশি হয়। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমান হারে এই রোগ হয়। শরীরে রোজ জীবাণু প্রবেশের চোদ্দো থেকে পঁচিশ দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।



কারণ Causes of the disease 

• হাঁচি 

• কাশি

• শ্বাস প্রশ্বাসের 

• মাধ্যমে রোগ জীবাণু নির্গত হয়ে সুস্থ ব্যক্তির শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে

মাম্পস প্যারামিক্সো ভাইরাস Mumps Paramyzovirus এই রোগ ঘটায় এছাড়া Coxsackie ভাইরাস ও এই রোগ ঘটাতে পারে



লক্ষণ Symptoms of the disease 

• প্রথমে কানের গোড়ার দিকে প্যারোটিভ গ্রন্থির ব্যাথা হয় 

• তা ফুলে উঠতে থাকে 

• চোয়ালের শেষ প্রান্তে এই ফোলা সর্বোচ্চ হয় 

• তিন দিন পর্যন্ত এই ফোলা ভাব বাড়তে থাকে 

• সাত দিন পর্যন্ত ফোলা ভাব বজায় থাকে 

• প্যারোটিভ গ্রন্থিতে তীব্র যন্ত্রণা হতে থাকে 

• খাবার সময় যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায় 

• ঠান্ডা পানীয় খেলে ও যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায় 

• জ্বর হতে পারে 

• বয়স্কদের সচারচর জ্বর হয় না

• ঘাড়ের পেশি ব্যাথা যন্ত্রণা হয় 

• গলার পেশীতে ব্যাথা ও যন্ত্রণা অনুভব হয় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা Adjunctive treatment 

• আক্রান্ত শিশুকে অবশ্যই পৃথক রাখার ব্যবস্থা করতে হবে 

• ঠান্ডা লাগানো সম্পূর্ণ রূপে নিষিদ্ধ 

• আক্রান্ত অংশে গরম সেঁক দেওয়া ভালো 

Belladonna Plaster আক্রান্ত অংশের ওপর সেঁটে দেওয়া ভালো 

• প্রথম অবস্থায় রোগীকে চিবিয়ে যাতে না খেতে হয় এমন খাদ্য দেওয়াই ভালো 

• তিন থেকে চার দিন পর থেকে সুসিদ্ধ ভাত ও ঝোল খাওয়া চলবে 

• তরল খাদ্য সর্বদা গরম হলে ভালো হয় 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Chicken pox symptoms: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Chicken pox symptoms

Chicken pox বিবরণ 

ইহা শিশু ও বয়স্কদের অতি সংক্রমণ ভাইরাস ঘটিত রোগ। এই রোগের ফলে চর্ম শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী প্রভৃতি জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয় 

রোগ আক্রমণের সময় এই রোগ পাঁচ থেকে দশ বছরের শিশুদের বেশি হয়। তবে অন্য বয়সে হতে পারে। আক্রান্ত তন্ত্র চর্ম অস্থি বহিঃক্ষরাতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্র এই জীবাণুর দ্বারা আক্রান্ত হয়। 

আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমান ভাবে এই রোগ হতে পারে। সময় রোগ জীবাণুর শরীরে প্রবেশের এগারো থেকে ষোলো দিনের মধ্যে রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়।



 কারণ Causes of the disease 

• রোগীর হাঁচি 

• কাশি 

• রোগ জীবাণু বের হয়ে সুস্থ মানুষের শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে সংক্রামিত হয় 

• এছাড়া উদ্ভেদের রস বা খুস্কি ওঠার সময় সংলগ্ন পুঁজ সুস্থ ব্যক্তির চর্মে লেগে জীবাণু ও সংক্রামিত হতে পারে 

• হাপিরস রোগের জীবাণু ভ্যারিসেল্লা জস্টার ভাইরাস ( Varicella Zoster Virus) এই রোগ ঘটায় 



লক্ষণ Symptoms of the disease 

প্রথম ধাপ 

• গা হাত ম্যাজ ম্যাজ করা 

• শীতভাব 

• মাথা ধরা 

• গায়ে হাতে সর্বাঙ্গে ব্যাথা 

• সামান্য জ্বর হতে পারে 

• এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই জ্বর বাড়তে শুরু করে ১০১⁰ থেকে ১০২⁰ ফাঃ পর্যন্ত হয়ে যায় 

• এই সময় থেকেই উদ্ভিদ বের হতে শুরু করে 

• উদ্ভিদের প্রচন্ড চুলকানি থাকে 

• জল বসন্তের উদ্ভেদ ধড় অংশ অর্থাৎ গলদেশ থেকে কোমর পর্যন্ত অংশে ব্যাপকভাবে বের হয় 

• বাহুর ঊদ্ধাংশ 

• হাঁটুর ঊদ্ধারংশ 

• মুখের ভিতর 

• গলার ভিতর 

• চামড়ার ভাঁজ বিশেষতঃ বগলে

• যোনির মিউকাস মেমব্রেনেও এই উদ্ভেদ বের হয় 

দ্বিতীয় ধাপ 

• জল বসন্তের উদ্ভেদ সূচালো অগ্ৰভাব যুক্ত এবং ফোস্কা আকৃতির হয় 

• এই উদ্ভেদ খুব বড় বড় হয় 

• গুটিতে প্রথম অবস্থায় জলবৎ তরল থাকে 

• ক্রমশঃ এই জলবৎ পদার্থ সাদা দুগ্ধবৎ তরল এবং আরও পরে কালো পদার্থে পরিণত হয় 

• এরপর এগুলি শুকিয়ে কে যায় এবং মামড়ি উঠতে থাকে

• গুটি নির্গমন থেকে পেকে শুকিয়ে মামড়ি ওটা পর্যন্ত তিন সপ্তাহ সময় লাগে 

• খুস্কি ওঠার পর বেশি দিন দাগ থাকে না 

• তবে উদ্ভেদ পাকার পর গলে বড় ক্ষতের সৃষ্টি হলে দাগ মেলাতে বহুদিন সময় লাগে 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে এবং আলো বাতাস পূর্ণ শুষ্ক এবং দূষণ মুক্ত ঘরে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।

• জ্বর ছাড়ার পর প্রত্যহ ঈষদুষ্ণ জলে Dettol বা Iteol 3 মিশিয়ে স্নান করাতে হবে 

• রোগের প্রথম অবস্থায় দুধ, গ্লুকোজের জল, মিছরির জল, ফলের রস, প্রভৃতি খেতে দিতে হবে 

• একটু সুস্থ হলে সুসিদ্ধ ভাত, ডাল সিদ্ধ, মাছের ঝোল, মাংস, ডিম, সয়াবিন, ছোলা মটর ভেজানো, সবুজ শাকসবজি, প্রভৃতি দিতে হবে 

• এছাড়া প্রোটিনেক্স পাওডার বা Nurrish বা প্রোটিনিউলস পাওডার প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো 

• এই সময় রোগীকে নিরামিষ খাওয়ানোর নামে কখনই প্রোটিন খাদ্য থেকে বঞ্চিত করা উচিত নয় 

• তাতেই রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 







How to use Keflor 250 Mg: পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, ব্যবহার ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

How to use Keflor 250 Mg

ভূমিকা 

ইহা পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে দ্রুত এবং উপর শোষিত হয়। সেফাক্লোর শ্বাসযন্ত্রের সমস্ত অংশে নাক কান ও গলার সমস্ত কলাকোষে এবং উপস্থিত জলীয় অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে।

ইহা এর সংযোগসাধনে Semisynthesis প্রস্তুত একটি বহু ব্যাপক ব্যাকটেরিয়া নাশক ঔষধ। গ্ৰহণের ত্রিরিশ থেকে পঞ্চাশ মিনিটের মধ্যে ইহা রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়।

এই ওষুধ অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রের সাথে নির্গত হয়। ইহা প্রভৃতি গ্ৰাম পজেটিভ ব্যাকটেরিয়া এবং 

স্যালমোনেল্লা

• প্রোটিয়াস মাইরাবিলিস 

• স্ট্রেপটোকক্কি 

• ঈ কোলি 

• সিগেল্লা নেই হেরিয়া প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া উপর সক্রিয়।



ব্যবহার Uses 

• ব্রঙ্কাইটিস 

• কানের সকল প্রকার সংক্রমণ 

• টনসিলাইটিস 

• নিউমোনিয়া 

• চর্মের বীজাণু ঘটিত পীড়া 

• সাইনুসাইটিস 

• ফুসফুসের পীড়া 

• মূত্র পীড়া 

প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• পাতলা পায়খানা 

• আমবাত 

• বমি ভাব 

• ইও সিনোফিলিয়া 

• প্রুরিটাস 

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• ফ্রুসেমাইড ও এথাক্রাইনিক অ্যাসিডের সঙ্গে ব্যবহার করলে কিডনির বিষাক্ততা বৃদ্ধি পেতে পারে 

• অ্যামিকাসিন এর সঙ্গে এক সাথে ব্যবহার করলে বিক্রিয়া হয় ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় 



সাবধানতা অবলম্বন Be careful. 

• গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

• স্তন্যদানকালে এই ওষুধ ব্যবহার করা চলবে না।

• শিশুদের ব্যবহার করা একদম নিষিদ্ধ।

• দশ থেকে পনেরো বছর নিচের শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। 

• আহারের পর কমপক্ষে এক ঘন্টা পর গ্ৰহণ করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Yellow Fever Causes and symptoms: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Yellow Fever Causes and symptoms

বিবরণ 

ইহা একটি ভাইরাস সংক্রমণ জনিত রোগ। এই রোগ আমাদের দেশে খুব কমই হয়। আক্রান্ত তন্ত্র রক্ত ও যকৃত পৌষ্টিক তন্ত্র প্রভৃতি এই রোগে আক্রান্ত হয়। 

আক্রমণের বয়স যে কোন বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমান হারে এই রোগ হতে পারে।



কারণ 

ঈডিস নামক একপ্রকার মশা এই রোগ একজন থেকে অন্য জনের শরীরে বহন করে। ফ্লেভিভাইরাস Flavivirus নামক রোগের জীবাণু এই রোগ ঘটায়।



Symptoms of the disease 

এই রোগ চারটি ধাপে প্রকাশ পায়। প্রতিটি ধাপ সম্বন্ধে বর্ণনা করা হচ্ছে।

এক নম্বর 

• গা হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা 

• ঘুম ভাব 

• ক্ষুধা মন্দা 

• গা বমি 

• সর্বাঙ্গে ব্যথা অনুভব 

দুই নম্বর 

• শীত ও কাঁপুনি সহ জ্বর আসে 

• মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায় 

• সর্বাঙ্গে যন্ত্রণা হতে পারে 

• পায়খানা পরিস্কার হয় না 

• প্রস্রাব ও কম হয় 

তিন নম্বর 

• জ্বর কমে 

• যন্ত্রণা কমে 

• এমনকি জ্বর ছেড়ে রোগী সুস্থ ও হয়ে যেতে পারে 

চার নম্বর 

• তৃতীয় ধাপে রোগী সুস্থ না হলে সামান্য জ্বর সহ 

• রক্ত ও শ্লেষ্মা যুক্ত পায়খানা 

• বমি 

• পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে মারাত্মক রক্তস্রাব 

• সারা শরীর হরিদ্রাবর্ণ হওয়া প্রভৃতি লক্ষণ প্রকাশ পায় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. রোগীকে আলোক পূর্ণ ঘরে 

২. খোলা বাতাসে এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন বিছানায় থাকার ব্যবস্থা করতে হবে রোগ ভোগকালীন এবং রোগ সারার পর ও রোগীর কিছু দিন বিশ্রামে থাকা দরকার 

৩. জ্বর বাড়লে গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে স্পঞ্জিং করা এবং মাথায় ঠান্ডা জল ব্যবহার করা ভালো 

৪. জ্বর ছাড়ার সময় সামান্য পরিমাণে অ্যালকোহল জলে মিশে খাওয়ানো ভালো 

৫. এতে শরীর দুর্বল হওয়ার হাত থেকে রেহাই পায়

৬. ক্ষুধা ভালো হয় এবং পায়খানা পরিষ্কার হয়

৭. পীতজ্বরের রোগীকে জ্বর অবস্থায় তরল খাদ্য যেমন গ্লুকোজের জল, মিছরির জল, ডাবের জল, মুসাম্বি বা কমলার রস, বেদানার রস, আখের রস, ছানার জল,  কুলেখাড়ার ঝোল আঙ্গুরের রস, প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো

৮. রোগীর একটু সুস্থ হলে সুসিদ্ধ ভাত, চারা পোনা মাছের ঝোল, উচ্ছে, করলা, নিম পাতা, পটল পাতা ভাজা, ডিম সিদ্ধ, রুটি প্রভৃতি খেতে দেওয়া ভালো

৯. এছাড়া দুধ, হরলিক্স, ফল মূল প্রভৃতি ও খাওয়া চলবে 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




Migraine What to do if you are sick: কারণ, লক্ষণ ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

Migraine What to do if you are sick

বিবরণ 

ইহা হল থেমে থেমে মাথার একদিকের অধের্বক অংশের তীব্র যন্ত্রণা যা দুই ঘন্টার থেকে তিন দিন পর্যন্ত চলতে পারে। ইহা সপ্তাহে এক বার বা বছরে এক বার ও হতে পারে।

আক্রান্ত তন্ত্র স্নায়ুতন্ত্র পেশি কঙ্কাল তন্ত্র পৌষ্টিক তন্ত্র প্রভৃতি এই রোগের সময় আক্রান্ত হয়। বংশগত কারণ শতকরা বংশগত কারণ বর্তমান থাকে।

আক্রমণের বয়স পনেরো থেকে সতেরো বছর বয়স হতে ত্রিরিশ বছর বয়সের মধ্যে এই রোগ বিশে হয়। পঞ্চাশ বছরের নিচের মানুষ দের মধ্যে ও এই রোগীর সংখ্যা ভালো বর্তমান। পুরুষদের চেয়ে মহিলারাই এই রোগে অধিক আক্রান্ত হন



কারণ 

• বিপাকে গোলযোগ 

• মস্তিষ্কের  রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত 

• মাথার খুলির নিকটবর্তী ধমনী সমূহের প্রসারণ 

• মানসিক কারণ 

• আঘাত প্তাপ্তি 

• ভিটামিন B1 B6 B12 এর অভাব প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে বলে অনুমান করা হয়

• অত্যধিক উজ্জ্বল আলো চোখে পড়া 

• ঋতু কালে 

• গর্ভনিরোধক বড়ি ব্যবহার কালে

• অত্যধিক ঘুমালে 

• সময়ে খাদ্য না খেলে এই রোগের বৃদ্ধি ঘটতে দেখা যায় 



লক্ষণ 

• মাথার একদিকে প্রচন্ডভাবে যন্ত্রণা শুরু হয় 

• এই যন্ত্রণা কয়েক ঘণ্টা পরে বন্ধ হতে পারে আবার কখনো কখনো অনেকদিন যাবত চলতে থাকে 

• যন্ত্রণা ডান অথবা বাম দিকে হতে পারে 

• মাতা ভারি সহ দপদপানি যন্ত্রনা হয় 

• প্রচন্ড ভাবে ঘাম হয় 

• স্বাদগ্ৰহণ

• শব্দ শ্রবণ

• গন্ধের অনুভূতি বিকৃত হয় 

• দৃষ্টির ভ্রম পরিলক্ষিত হয় 

• আলোকাতঙ্ক দেখা যায় 

• চোখের সামনে কালো বস্তুর ন্যায় দেখা যায় 

• এমনকি একপাশের চোখের অন্ধত্ব ও ঘটতে পারে 

• ক্লান্তি 

• অবসাদ 

• দুশ্চিন্তা প্রভৃতি থাকে 

• বমিভাব বা বমি হতে পারে 

• মাথা ঘোরা থাকতে পারে 

• চেতনা লোপ হতে পারে 

• জ্বর ভাব 

• চক্ষু ও মুখমন্ডলের পান্ডুবর্ণ ধারণা 

• প্রচুর প্রস্রাব প্রভৃতিও হতে পারে 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে 

• রোগীর ঘুম যাতে ভালো হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে 

• মানসিক অশান্তি ও দুশ্চিন্তা প্রভৃতি এড়ায়ে চলতে হবে 

• রোগীকে অবশ্যই ভিটামিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাদ্য দিতে হবে

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।







How to use Zanocin 200 Mg Tablet: ব্যবহার ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

 

How to use Zanocin 200 Mg Tablet

Zanocin 200 Mg Tablet:

এই ওষুধ ভাইরাস প্রোটোজোয়া এবং ছত্রাকদের উপর ও ক্রিয়াশীল। ইহা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাকটেরিয়া নাশক। অফ্লক্সাসিন ব্যাপক ভাবে শরীরের সকল কলাকোষে এবং তরল অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

ইহা ফ্লুয়োরিনেটের কুইনোলোন গ্ৰুপের একটি ঔষধ। ট্রেপোনিমা প্যালিডাম প্রভৃতি গ্ৰাম পজটিভ ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়। ইহা পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে দ্রুত এবং সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয়।

এই ওষুধ অপরিবর্তিত অবস্থায় মূত্রের মাধ্যমে প্রায় নির্গত হয়ে যায়। 

• সেরিসিয়া স্পেসিজ 

• এ হাইড্রফিলিয়া ভিব্রিও কলেরী

• প্রোটিয়াস 

• ই কোলি 

• মরগানেল্লা মরগানি

• জারসিনিয়া এন্টারোকোলাইটিকা 

• স্ট্রেপটোকক্কাস নিউমোনিয়া 

• হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা 

প্রভৃতি গ্ৰাম পজেটিভ ও নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া উপর সক্রিয় হয়।



ব্যবহার Uses 

• নিউমোনিয়া 

• ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া

• নাক 

• চর্মরোগ 

• ফোঁড়া 

• টাইফয়েড 

• কান ও গলার রোগ 

• সিসটাইটিস 

• শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

• মেনিনজাইটিস 

• চক্ষুর বিভিন্ন সংক্রমণ 

• গা

• রক্তদুষ্টি 

অস্থিসন্ধির বিভিন্ন সংক্রমণ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• পেটে ব্যাথা 

• মাথা ব্যাথা 

• পেশির ব্যথা 

• তৃষ্ণা

• ঘুম ভাব 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• হাত পা কাঁপা

• জ্বর ভাব 

• পেটের গন্ডগোল 

• দুর্বলতা 

• হার্টের দুর্বলতা 

• বমিভাব 

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। 



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• প্রোটিন 

• রিফামপিসিন

• ফ্লোরামফেনিকল 

• থিওফাইলিন 

• অ্যান্টাসিড 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হয়। রক্তের স্বাভাবিক চিত্র বদলে দেয়। ফলে এক সাথে ব্যবহার করলে কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।



Don't be careful. সাবধানতা অবলম্বন 

• বয়স্কদের কম মাত্রায় প্রয়োগ করা দরকার 

• গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ 

• শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার করা একদম নিষিদ্ধ 

• বারো থেকে পনেরো বছর নিচের শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

• স্তন্যদানকারী মাতারদের ব্যবহার করা চলবে না।


অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।



How to use Pelox 400 Mg Tablet: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

How to use Pelox 400 Mg Tablet

Pelox 400 Mg Tablet বিবরণ 

ইহা একটি বহুব্যাপক ব্যাকটেরিয়া নাশক ঔষধ। পাইপেরাজিন কার্বোক্সিলিক অ্যাসিডের থেকে উৎপন্ন একটি ফ্লুয়োরোকুইনো

লোন গ্ৰুপের ওষুধ। ইহা সকল প্রকার গ্ৰাম পজিটিভ ও গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণু দের উপর সক্রিয় 

হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা 

• প্রোটিয়াস মাইরাবিলিস 

• সিগেল্লা

• প্রোটিয়াস ভালগারিস 

• মারসিনিয়া এন্টারোকোলাইটিকা

• এন্টারোব্যাকটর

• সাইট্রোব্যাকটর 

• মরগানেল্লা মরগাক্সেল্লা

• নেইসেরিয়া গণোরিয়া 

প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণু এই ওষুধ ধ্বংস হয়। বীজাণু এবং অন্য বীজাণু নাশক ঔষধ যে সমস্ত বীজাণু ধ্বংস হয়নি তা এই ওষুধ ধ্বংস করে।



ব্যবহার 

১. ব্রঙ্কাইটিস 

২. নিউমোনিয়া 

৩. শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

৪. নাক 

৫. কান ও গলার সংক্রমণ 

৬. চক্ষুর বীজাণু ঘটিত পীড়া 

৭. নেফ্রাইটিস 

৮. সিসটাইটিস প্রোস্টেটের 

৯. মূত্র যন্ত্রের পীড়া 

১০. কলেরা 

১১. উদরাময় 

১২. পেটের রোগ 

১৩. লিভারের পীড়া 

১৪. টাইফয়েড 

১৫. প্যারাটাইফয়েড 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 

• আলোকাতঙ্ক 

• স্নায়ুর পীড়া 

• পেটের গোলমাল 

• বমি 

• গা বমি ভাব 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• মাথা ধরা 

• অনিদ্রা 

• পেশিতে ব্যথা 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখে গেলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ‌‌।



আন্তঃবিক্রিয়া 

১. অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড দ্বারা প্রস্তুত অ্যান্টাসিড শোষণে ব্যাঘাত ঘটায়।

২. এছাড়া জ্যান্থিন থেকে প্রস্তুত ওষুধ সমূহের সঙ্গে বিক্রিয়ায় পেফ্লক্সাসিনের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় 

৩. রিফামপিসিন আয়রন ও ওয়ারফরিন সাইক্লোস্পোরিন প্রভৃতির সাথে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে কর্ম ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের 

১. ১৫ বছরে নিচে শিশুদের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

২.গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদানকারী মাতার ব্যবহার করা চলবে না।

৩. মারাত্মক যকৃত পীড়ায় ব্যবহার নিষিদ্ধ।

৪. রোগ চিকিৎসায় কালীন সময়ে সূর্যালোক বা রশ্মি চিকিৎসা লাগানো নিষেধ 

৫. ইঞ্জেকশন ওষুধ NaCl অর্থাৎ সোডিয়াম ক্লোরাইড অথবা অন্য কোন ক্লোরাইড আয়রন বিশিষ্ট ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইডের সাথে মেলানো চলবে না 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।




Tuberculosis Symptoms and causes of the disease: যক্ষ্মা রোগ, কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

Tuberculosis Symptoms and causes of the disease

বিবরণ 

১. মধ্যকর্ণ 

২. অস্থি সন্ধি 

৩. মস্তিষ্ক আবরণী ঝিল্লি (Meninges) কিডনি 

৪. চর্ম 

৫. নাসিকা গ্ৰন্থি 

৬. ফুসফুস 

প্রভৃতি এক বিশেষ ধরনের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। এবং ঐ জীবাণু মানুষের শরীরে দীর্ঘদিন ধরে থাকে এবং ব্যাপকভাবে বংশবিস্তার করে সমস্ত শরীরে পড়ে 

এর ফলে মানুষটি ক্রমশ রোগাক্রান্ত হয়ে হয়ে মৃত্যুর মুখে পতিত হয় এই জীবাণুরা সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিককে ধ্বংস হয় না।

আক্রান্ত তন্ত্র 

• ফুসফুস 

• পৌষ্টিক তন্ত্র 

• চর্ম 

• মূত্রযন্ত্র 

• স্নায়ুতন্ত্র 

• নাসিকা তন্ত্র 

• রক্ত

• আন্তঃক্ষরাগ্ৰন্থি

• কঙ্কালতন্ত্র 

প্রভৃতি অংশ আক্রান্ত হয় তবে ফুসফুসের যক্ষ্মাই বেশি হতে দেখা যায়। আক্রমণের বয়স সব বয়সেই হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরাই অধিক আক্রান্ত হয়। 



কারণ Reason 

১. আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে থাকা

২. দারিদ্রতা পূর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস 

৩. অপুষ্টিতে ভোগা 

৪. ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বাস 

৫. ধূলো ও ধোঁয়া যুক্ত এলাকায় বাস 

প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে।

১. যক্ষ্মা রোগীর কফ 

২. কাশি 

৩. হাঁচি 

৪. মল 

প্রভৃতির মাধ্যমে রোগের জীবাণু বাতাসের ছড়িয়ে পরে এবং তা সুস্থ মানুষের নাক মুখ দিয়ে ফুসফুসে চলে যায়। রোগী সবল হলে ঐ জীবাণু ধ্বংসপ্রাপ্য হয়।

কিন্তু দুর্বল রোগীর ক্ষেত্রে জীবন ধ্বংস না হয়ে বংশবিস্তার শুরু করে দেয়। ক্রমশঃ এই জীবাণু শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে জীবাণুরা ফুসফুসেই সীমাবদ্ধ থাকে ফুসফুসের ক্ষয় রোগ শুরু হলে তাকে ফুসফুসের যক্ষ্মা বা Pulmonary Tuberculosis বলা হয়।



লক্ষণ Symptoms 

প্রথম 

১. গা হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা 

২. শরীর কৃশ ও দুর্বল হওয়া 

৩. সামান্য জ্বর ভাব 

৪. ক্ষুধা মন্দ হওয়া 

৫. কাজকর্মে মন না বসা 

৬. মাথা ধরা 

৭. মাথা ঘোরা ভাব 

৮. সামান্য কাশি হওয়া 

৯. পেটে গন্ডগোল হতে থাকে 

১০. কাশিতে গয়ের না ওটা বা ফুললে তাতে রক্তের ছিট থাকে 

দ্বিতীয় 

১. প্রত্যহ সন্ধ্যায় জ্বর আসে ও সকালে কমে যায় 

২. রাতে ঘাম হয় 

৩. দুর্দান্ত ভাব কাশি চলতে থাকে 

৪. কখনো কফ ওঠে কখনো ওঠে না 

৫. ওজন কমে যায় 

৬. শরীর ক্রমশঃ কৃশ ও দুর্বল হতে থাকে 

৭. কাশির সময় বুকে ব্যাথা লাগে 

৮. শ্বাসকষ্ট হয় 

৯. নাড়ীর গতি দ্রুত হয় 

১০. শ্বাসের গতি বৃদ্ধি পায় 

১১. কাশির সাথে রক্তটা 

১২. রক্তকাশ 

১৩. কফের সাথে প্রচুর রক্ত বের হওয়া প্রভৃতি হতে দেখা যায় 

১৪. ক্ষুধা মন্দা 

১৫. পেটের গন্ডগোল প্রভৃতি বাড়তে থাকে 

১৬. ফুসফুস ছাড়া অন্যান্য স্থানের ক্ষত রোগের লক্ষণ খুব ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীকে অতি অবশ্যই বাড়িতে অন্যান্য সদস্যদের থেকে পৃথক স্থানে রাখতে হবে 

• চিকিৎসার শুরু হওয়ার পনেরো দিন পর অবশ্যই ঐ রোগীর রোগ বিস্তার ক্ষমতা কমে যায়। তখনো অল্প অল্প মেলামেশা চলবে 

• রোগীর বিছানা ও বালিশ বাসন পত্রাদি পৃথক রাখতে হবে 

• রোগীর মল ও মূত্র পৃথক ভাবে ত্যাগের ব্যবস্থা করতে হবে 

• রোগীর শুশ্রূষা কারী অবশ্যই সাবান জলে হাত ধোবেন এবং রোগীর ঘরে ফিনাইন বা ডেটল ছড়িয়ে পরিস্কার করবেন 

• রোগ আক্রমণের প্রথমদিকে রোগীকে বেশ কিছুদিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে 

• এক মাস পর থেকে নির্মল বাতাস সেবন এবং প্রাতঃভ্রমণ উপকারী 

• তিন থেকে চার মাস চিকিৎসা পর হালকা কাজকর্ম করা চলবে 

• যক্ষ্মা রোগীর প্রোটিন জাতীয় খাদ্য খাবার খাওয়া হয় দরকার 

• ভাত, রুটি, সকল প্রকার ডাল, সুজি, বিস্কুট, সকল প্রকার শাকসবজি, দুধ, ডিম, মাছ, মাংস, ঘি, দই, মাকুম, পাকা কলা, পেয়ারা, আপেল, মুসাফির লেবু, টমেটো, ছোলা মটর, প্রভৃতি খাওয়া ভালো 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।





How to use Filariasis Symptoms of disease: কারণ ও লক্ষণ, আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

How to use Filariasis Symptoms of disease

বিবরণ 

এই রোগ এক ধরনের প্যারাসাইটের আক্রমণে হয়ে থাকে। এই কীটের আক্রমণে দেহের লসিকাবাহ অবরুদ্ধ হয়ে বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশ পায়।

 সমূদ্র তীরবর্তী স্থান সমূহে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। বর্ত মানে গ্রাম গঞ্জে ও শহরতলিতে ও ফাইলেরিয়া রোগ বেশি বাড়ছে

এই রোগ শিশুদের খুব একটা হতে দেখা যায় না এবং মহিলাদের তুলনায় পুরুষেরাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এই রোগ সকল বয়সই হতেই পারে 



কারণ 

১. সমুদ্র তীরবর্তী গরম দেশগলিতে এই রোগের আক্রমণ বেশি হয়।

২. কারণ ঐ সকল অংশে কিউলেক্স ফ্যাটিগ্যামস নামক একপ্রকার মশা থাকে 

৩. এরা আক্রান্ত রোগীকে দংশন করে 

৪. তার দেহ থেকে রক্ত শোষণ করে 

৫. যার ফলে সেই রক্তের মাধ্যমে ফাইলেরিয়ার লার্ভা ঐ মশার দেহে আসে 

৬. তারপর ঐ মশা যখন সুস্থ মানুষকে কামড়ায় তখন ঐ লার্ভাসহ রক্ত তার দেহে প্রবেশ করে এবং সেখানে লার্ভা থেকে ফাইলেরিয়ার জন্ম হয় এবং সেখানে বংশবিস্তার করে 

৭. মাইক্রো ফাইলেরিয়া রক্তে এবং রোগ ছড়ায় 

৮. বড় কীটগুলি লসিকাতন্ত্রে থাকে এবং রোগ লক্ষণ প্রকাশ করে 

৯. শিশু কীট Microfilaria মাইক্রো ফাইলেরিয়া 

১০. বয়স্ক কীট এটি লম্বা সূতোর মতো 



লক্ষণ 

১. অনেক সময় লক্ষণ নাও থাকতে পারে 

২. সাধারণত Infection ইনফেকশন এবং Lymphatic Obstruction লিমফ্যাটিক অবস্ট্রাকশন এর জন্য লক্ষণ দেখা দেয় 

২. জ্বর এবং Lymphangitis Streptococcus লিমফ্যাংগিটিস স্ট্রেপটোকক্কাস দ্বারা Infection ইনফেকশন হতে পারে 

৩. হাতে ও পায়ে Lymph Vessel ফোলে ব্যাথা হয় দড়ির মতো শক্ত হয়ে যায়

৪. এই সঙ্গে Lymph Gland অর্থাৎ লসিকা গ্রন্থি ফুলে যায় ও ব্যাথা হয় 

৫. এই সঙ্গে জ্বরও হয় 

৬. হঠাৎ শীত ও কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে 

৭. দেহের উত্তপ খুব বেড়ে যায় 

৮. জ্বরের সঙ্গে প্রচন্ড ব্যাথা-বেদনা হয়। 

৯. বমি ও হতে পারে 

১০. পরে ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যায় 

১১. মাঝে মাঝে এই রকম জ্বর পনেরো থেকে কুড়ি দিন অন্তর হয়ে থাকে 

১২. Lymph Scrotum অগুকোষের চামড়া পুরু হয়ে যায় 

১৩. ভেলভেটের মতো এবং লালচে হয় 

১৪. চামড়ায় ছোলার মতো বহু ফুস্কুড়ি দেখা যায় 

১৫. পাতলা ও দুধের মতো রস বেরোয় 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. আক্রান্ত অংশে ইলাস্টিক ব্যাগুজ ব্যবহার করা ভালো 

২. এই রোগে আক্রান্ত রোগীর খাদ্যের কোনো প্রকার বিধি নিষেধ নাই 

৩. রোগ সংক্রমিত এলাকায় বাসিন্দা দের অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে 

৪. জীবাণু সংক্রমিত স্থানের মাটি ও জলকে এড়িয়ে চলা দরকার 

৫. মশা ধ্বংস করার জন্য কীটনাশক ওষুধ ব্যবহার করতে হবে 

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন

Doxyclin Capsule 100 Mg: সাবধানতা অবলম্বনের, ভূমিকা, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও ব্যবহার

 

Doxyclin Capsule 100 Mg

Doxyclin ভূমিকা 

সেরিব্রো স্পাইন্যাল ফ্লুইড ছাড়া ইহা শরীরের সকল প্রকার তরল অংশে ও প্রত্যেক কলাকোষে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। ট্রেপোনিমা প্যালিডাম ও ডক্সিসাইক্লিনে ধ্বংস হয়।

কিছু কিছু পরজীবী এবং ছত্রাক এই ওষুধের ধ্বংস হয় তবে কোনো ভাইরাস বা সিউডোমোনাস এতে ধ্বংস হয় না। 

ইহা অক্সিটেট্রাসাইক্লিনের সংযোগসাধনে (সংশ্লেষণ) প্রস্তুত একটি বহুব্যাপক (ব্রড স্পেকট্রাম) বীজাণু নাশক ঔষধ। ইহা কিছু কিছু প্রোটোজোয়াদের ধ্বংস করতে সক্ষম।

ইহা অধিকাংশ গ্ৰাম পজটিভ ও নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয়।

১. বি. অ্যানথ্রাসিস 

২. স্ট্যাফাইলোকক্কাস এপিডারমিস 

৩. ক্লসট্রিডিয়াম টিট্যানি 

৪. স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস 

৫. ফরসিনিয়া

৬. সিগেল্লা স্পেসিজ বিক্রিও

৭. ক্লেবসিয়েল্লা

৮. এন গণোরিয়ী 

৯. এন মেনিনজাইটিস 

১০. বি পারটুসিস 

প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুর ও এই ওষুধ ধ্বংস হয়। এই ওষুধ প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রায় দেহের বাহিরে নির্গত হয় এবং পিত্তরসের মাধ্যমে ও বহু অংশ নির্গত হয়ে যায়।

এই ওষুধ পৌষ্টিক তন্ত্রের থেকে প্রায় শোষিত হয় এবং দুই ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয়।



ব্যবহার Usage 

১. সিফিলিস 

২. আমাশয় 

৩. উদরাময় 

৪. কান ও গলার রোগ 

৫. কেরাটাইটিস 

৬. কলেরা 

৭. মাড়ির ফোঁড়া 

৮. ব্রঙ্কাইটিস 

৯. তালু মূল প্রদাহ 

১০. গনোরিয়া 

১১. নিউমোনিয়া 

১২. ওফোরাইটিস 

১৩. স্টমাটাইটিস 

১৪. সাইনাসের প্রদাহ 

১৫. রক্তামাশয় 

১৬. টাইফয়েড সহ সকল প্রকার আন্ত্রিক রোগ 

১৭. ব্রঙ্কো নিউমোনিয়া সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

১৮. সংক্রামিত পামা সহ সকল প্রকার বীজাণু ঘটিত চর্মরোগ 

১৯. কর্ণপ্রদাহ 

২০. পেলভিক প্রদাহ সহ সকল প্রকার স্ত্রী জননতন্ত্রের রোগ এবং জিংজি ভাইরাস 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

১. দাঁতে হলুদ ছোপ 

২. আমবাত 

৩. ক্ষুধা মন্দা 

৪. চর্মে উদ্ভেদ নির্গমন 

৫. বমি 

৬. বমি ভাব 

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। 



আন্তঃবিক্রিয়া interaction

১. আয়রন 

২. ডাইগক্সিন 

৩. অ্যান্টাসিড 

৪. লিথিয়াম 

৫. ক্যালসিয়াম 

৬. ফেনাইটোইন 

৭. ম্যাগনেসিয়াম 

৮. কার্বামাজেপিম 

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় এবং রক্তের চিত্র পরিবর্তন হয়।



সাবধানতা অবলম্বন 

১. দুধ জাতীয় খাবার বা খনিজ পদার্থ সম্বলিত ওষুধ সাথে এক সাথে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

২. যকৃত ও লিভারের মারাত্মক রোগ থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

৩. গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

৪. আট থেকে দশ বছর বয়সের নিচে শিশুদেরই এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

অনুরোধ করছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 



Tablet Zithromax 500 Mg: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা অবলম্বনের

 

Tablet Zithromax 500 Mg

ভূমিকা 

এই ওষুধের ক্রিয়া ওষুধ গ্ৰহণের পর চার দিন পর্যন্ত থাকে। সামান্য অংশ মূর্খের মাধ্যমে নির্গত হয়। ইহার বীজাণু নাশক ক্ষমতা অধিক এবং ইহা দারুন ভাবে বিস্তার লাভ করো। 

ইহা মূত্রযন্ত্র, পাকস্থলীর গাত্র, ফুসফুস, অস্থি ও টনসিল, স্ত্রী জননতন্ত্র প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে।

ইহা ম্যাক্রোলাইড গ্ৰুপের একটি রসায়ন। এই রসায়নের প্রায় অধিকাংশই অপরিবর্তিত অবস্থায় মলের সাথে নির্গত হয়ে যায়।

ইহা পৌষ্টিক তন্ত্র থেকে সম্পূর্ণরূপে শোষিত হয় এবং দুই ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা গ্ৰাম নেগেটিভ এবং গ্ৰাম পজটিভ উভয় প্রকার ব্যাকটেরিয়ার উপর অধিক সক্রিয়।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। যেমন:

১. উদরাময় 

২. বুকে ব্যাথা 

৩. পেটে ব্যথা ও যন্ত্রণা 

৪. বুক ধড়ফড়ানি 

৫. বমি ভাব বা বমি 

৬. ক্লান্তি 

৭. মাথা ঘোরা 

৮. পেট ফাঁপা 

৯. মাথা ধরা 

১০. অজীর্ণ রোগ 

১১. অস্বাভাবিক ঝিমুনি 

গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তার বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। 



ব্যবহার Uses 

১. ফুসফুসের ক্ষত 

২. ব্রঙ্কাইটিস 

৩. মূত্র ও জনন তন্ত্রের পীড়া সমূহ ব্যবহার করা হয় 

৪. গলার পীড়া 

৫. নিউমোনিয়া 

৬. ফ্যারিংজাইটিস 

৭. কানের ও নাক সকল প্রকার সংক্রমণ জনিত পীড়া 

৮. টনসিলাইটিস 

৯. চর্মের বীজাণু সংক্রমণ ঘটিত পীড়া 

১০ ল্যারিংজাইটিসসহ সকল প্রকার উপর এবং নিম্ন শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

১১. সাইনুসাইটিস 

১২. ব্রঙ্কিয়েকট্যাসিস 



সাবধানতা অবলম্বনের Precautions 

১. ক্ষতিকর বৃহদন্ত্র প্রদাহ যকৃতের রোগ মূত্রাবরোধ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

২. গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

৩. স্তন্যদানকারী মায়েদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

৪. শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

৫. দশ থেকে বারো বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

৬. যে কোন ম্যাক্রলয়েডসে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 



আন্তঃবিক্রিয়া interaction

১. অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড মিশ্রিত অ্যান্টাসিড এবং খাদ্যবস্তু শোষণে ব্যাঘাত ঘটায়।

২. কার্বামাজেপিন এর সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায় 

৩. সাইক্লোস্পোরিনের ও ডাইগক্সিন সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া হতে দেখা যায়।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।


How to use Tablet Roxithro: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

How to use Tablet Roxithro

Tablet Roxithro বিবরণ 

ইহা এক ঘণ্টার মধ্যে রক্ত রসের সর্বোচ্চ মাত্রায় পরিলক্ষিত হয়। এছাড়া ও অন্যান্য কলা কোষে বিস্তার লাভ করে বিভিন্ন বীজাণুদমনে সমর্থ হয়।

ইহা সকল প্রকার গ্ৰাম পজেটিভ ও নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া দের উপর সক্রিয়। এই  শ্বাসতন্ত্রের সকল অংশে চর্মে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে।

ইহা পৌষ্টিক তন্ত্র হইতে প্রায় সম্পূর্ণরূপেই শোচিত হয়। ইহার অধিকাংশ টাই পরিবর্তিত এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় মল এবং মূত্রের মাধ্যমে দেহের বাহিরে নির্গত হয়। ইহা ম্যাক্রোলাইড গ্ৰুপের একটি বহুব্যাপক বীজাণু নাশক ঔষধ।



Usage ব্যবহার 

১. মূত্রযন্ত্রের পীড়া 

২. নাক 

৩. কান ও গলার সকল প্রকার রোগ 

৪. নিউমোনিয়া 

৫. রতিজ ব্যাধি সমূহ 

৬. অ্যাকিউট ও ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস 

৭. চর্মের জীবাণু সংক্রমণ জনিত পীড়া 

৮. মেনিনগোকক্কাস ঘটিত 

৯. ফুসফুসের ক্ষতসহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া 

১০. মেনিনজাইটিসেও এই ওষুধ ব্যবহার করা হয় 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

১. ক্ষুধা মন্দা 

২. মুখে ঘা 

৩. গা হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করে 

৪. বমিভাব 

৫. বমি 

৬. দুর্বলতা 

৭. পেটে ব্যাথা 

৮. চর্মে উদ্ভেদ দেখা যায় 

৯. মাথাধরা 

১০. উদরাময় 

১১. কান ভো ভো করে 

১২. কোষ্ঠকাঠিন্য 

১৩. মাথা ঘোরা হতে পারে 

১৪. লিভারের গন্ডগোল হতে পারে 

১৫. পেট ফাঁপা 



আন্তঃবিক্রিয়া interaction

১. টারফেনাডিন

২. ডাইডাক্সিন

৩. ডাইসোপাইরামাইড

প্রভৃতির সঙ্গে আন্তঃবিক্রিয়া ফলে বিভিন্ন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়।



সাবধানতা অবলম্বনের 

১. গর্ভবতী মহিলা এই ওষুধ ব্যবহার করা চলবে না 

২. স্তন্যদানকারী মাতারদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

৩. সদ্যোজাত শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

৪. দশ থেকে বারো বছরের নিচের শিশুদের ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 

৫. খাদ্য গ্ৰহণের ১৫ থেকে ২৫ মিনিট পূর্বে ওষুধ সেবন করা ভালো। নতুবা শোষণে ব্যাঘাত ঘটে 

৬. যকৃতের রোগে এই ওষুধ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ 


তোমাদের অনুরোধ করে বলছি এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন



How to use Scurvy: স্কার্ভি রোগ হলে কি করবেন এর কারণ ও লক্ষণ

 

How to use Scurvy

স্কার্ভি রোগের কারণ 

১. ভিটামিন সি এর অভাবে শিশুদের এই রোগ হয় 

২. অপুষ্টিই এই অভাবের কারণ



লক্ষণ 

১. শিশুদের মুখের মিউকাস মেমব্রেন অর্থাৎ শ্লৈষ্মিক দিল্লীতে ক্ষত এবং তা থেকে রক্তপাত হয় 

২. দাঁতের মাড়ি ফোলা 

৩. মাড়িতে ঘা

৪. মাড়ি থেকে রক্তপাত প্রভৃতি ঘটে 

৫. অনেক শিশুর এক বছর বয়স পর্যন্ত দাঁত পড়ে না 

৬. দুর্বলতা 

৭. রক্তাল্পতা প্রভৃতি ঘটতে দেখা যায় 

৮. সমগ্ৰ শরীরে ব্যথা থাকে 

৯. শিশুকে কোলে তুলতে কাঁদতে থাকে 

১০. চামড়ায় বেগুনী রঙের কর্কশ গুটি হতে পারে 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. ফলের রস 

২. লেবু 

৩. পেয়ারা 

৪. কলা 

৫. আনারস 

৬. পেঁপে 

৭. আঙুর 

৮. আপেল 

৯. ন্যাসপাতি প্রভৃতি শাকসবজি 

১০. লেটুস 

১১. পালং 

১২. নটে 

১৩. ফুলকপি 

১৪. বাঁধাকপি 

১৫. টম্যাটো প্রভৃতি 

১৬. দুধ 

১৭. মাছ 

১৮. মাংস প্রভৃতি অধিক পরিমাণে খেতে হবে 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

Symptoms and causes of rickets: কারণ ও লক্ষণ আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

 

Symptoms and causes of rickets

rickets বিবরণ 

১. ভিটামিন ডি অর্থাৎ ক্যালসিফেরলের অভাবে এই রোগ প্রধান কারণ 

২. এছাড়া ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের অভাব ও এই রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী 

৩. অপুষ্টি জনিত কারণ শিশুদের দেহে এসবের অভাব হয় 



লক্ষণ 

১. শিশুদের শরীরে সমস্ত হাড় বাঁকা 

২. নরম এবং শীর্ণ হয়ে যায় 

৩. বুকের পাঁজর প্রকট হয়ে যায় 

৪. কোমর থেকে পা পর্যন্ত ধনুকের ন্যায় বাঁকা দেখায়

৫. পেট উঁচু দেখায় 

৬. মাথার তালু নরম এবং গর্তকার হয় 

৭. শিশুরা অনেক বয়স পর্যন্ত ভালোভাবে বসতে বা হাঁটতে পারে না 

৮. হৃদপিন্ডের গতি খুব ক্ষীণ হয় 

৯. শিশু দা সর্বদা অস্থির হয়ে যায় 

১০. ভালোভাবে ঘুম হয় না 

১১. রক্ত পরীক্ষা অ্যালকালাইন ফসফাটেজ বৃদ্ধি পায় 

১২. সিরাম ক্যালসিয়াম লেভেল কমে যায



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

১. কড মাছের যকৃত তেল, ইলিশ মাছ, মাংস, প্রভৃতি শিশুকে অল্প অল্প করে খাওয়াতে হবে 

২. ভিভা, হরলিক্স, কমপ্লান, মার্জারিন, কর্নফ্লেক্স, Simyl mct Farex egg প্রভৃতি শিশুকে অল্প অল্প করে খাওয়ানো ভালো 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।

How to use Marasmus Symptoms: কারণ ও লক্ষণ এবং আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

How to use Marasmus Symptoms

কারণ 

১.প্রোটিন ভিটামিন ও মিনারেলস অর্থাৎ খনিজ পদার্থের অভাব থেকে এই রোগ হয়। 

২. প্রথমে শিশুর জন্মের এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সন্তান জন্ম নিলে।

৩. শিশুকে স্তন্যপান বাধা দিয়ে ফিডিং বোতল দ্বারা গাভীর দুধ খাওয়ানো হলে।

৪. দুই বছরের নিচে শিশুকে ইচ্ছাকৃত স্তন্যপান থেকে বঞ্চিত করলে শিশুরা অপুষ্টিতে ভোগে। 

৫. ধরিলে উপরিউক্ত পদার্থ গুলি অভাব ঘটে এবং এই রোগ হয়।

৬. অনেকে এই সময় শিশুকে বিভিন্ন প্রকার বেবি ফুড খাওয়ান কিন্তু স্তন্যপান ব্যতীত প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক উপাদান সমূহ পাওয়া সম্ভব নয়। 



Symptoms লক্ষণ 

১. শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও ওজন দৈর্ঘ্য প্রভৃতি কমে যায় বা স্বাভাবিকের চেয়ে কম হয়। 

২. পেশির দুর্বল হয়। 

৩. হাত ও পা ফোলে শিশু অনেক সময় পর্যন্ত দাঁড়াতে বা হাঁটতে পারে না‌।

৪. ক্ষুধামন্দ দেখা দেয়। 

৫. লিভারের গোলযোগ উদরাময় প্রভৃতি হতে থাকে।

৬. সর্বদা জ্বর ভাব এই রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ। 



আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• এই রোগের রোগাক্রান্ত শিশুদের অবশ্যই দীর্ঘদিন স্তন্যপান চাইলে যেতে হবে। 

• ঐ স্তন্যদানকারী মাতা ও ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাদ্য প্রচুর পরিমাণে খাবেন এবং শিশুকেও ঐ সমস্ত খাবার পরিমান মত নিয়মিত খাওয়াতে হবে। 

• মায়েদের হরলিক্স ভেভা কমপ্লান কমপ্লিট প্রভৃতি খাবেন এবং শিশুদের হরলিক্স জুনিয়র Milk Care 2, Lactodex, Dexolac-Hp প্রভৃতি খাওয়ানো চলবে।

• ছোট্ট শিশুদের চার মাস বয়স থেকে পরিপূরক খাদ্য অর্থাৎ ভাত, ডাল, কচি মাছের ঝোল, শাকসবজি সিদ্ধ, বিট, গাজর সিদ্ধ, কাঁচা কলা ঝোল, সিদ্ধ ডিম, দই, সন্দেশ, লেবু, আপেল, আঙ্গুর, বেদনা, খেজুর, কিসমিস, কলা, প্রভৃতি খাওয়াতে শেখালে এই রোগের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

তোমাদের অনুরোধ এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।