সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How To Use Impotency Meaning In Bengali ধ্বজভঙ্গ বা পুরুষ ত্বহীনতা টিপস



 বিবরণ

জননতন্ত্রের ক্রটিজনিত অসস্তুষ্টি কামেচ্ছা যৌনক্ষুধার প্রাবল্য প্রভৃতি না থাকা যৌন অনুভূতির লোপ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট রোগকেই ধ্বজভঙ্গ বা পুরুষ ত্বহীনতা বলে।
আক্রান্ত তন্ত্র জননতন্ত্র স্নায়ুতন্ত্র মূত্রযন্ত্রের সংবহনতন্ত্রর প্রভৃতি এই রোগের ফলে আক্রান্ত হয়।
আক্রমণের বয়স ১৪ বছর থেকে ৬০ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হতে দেখা যায়।
আক্রান্ত লিঙ্গ কেবলমাত্র পুরুষেরা এই রোগে আক্রান্ত হন।

কারণ

জননতন্ত্রের গঠনগত কাঠামোগত ত্রুটি মানসিক দুর্বলতা ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অর্থাৎ অত্যধিক ঔষধ সেবন স্নায়ুর দুর্বলতা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির অনিয়মিত ক্ষরণ শরীরের প্রোটিন ও ভিটামিনের অভাবে অত্যাধিক পরিশ্রম করা পূর্বের অতিক্রমন্ত করা বর্তমানে বন্ধ হয়ে প্রবৃত্তির কারণে এই রোগ হতে পারে।

লক্ষণ

১ এই রোগের প্রধান লক্ষণ হল যৌন ক্ষমতা লোপ পাওয়া।
২ সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা থাকে না।
৩ অনেকের আবার অল্প সময়েই যৌনাঙ্গ শিথিল হয় এবং বীর্যপাত ঘটে।
৪ প্রবল কাম উত্তেজনার সৃষ্টি হয় কিন্তু যৌনাঙ্গ উত্থিত হয় না অনেকের কামোওজনার সৃষ্টি হয় না।

চিকিৎসা

Tablets Tentex forte ট্যাবলেট টএনটএক্স ফোর্ট
২ টি করে দিনে ৩ বার ২ থেকে ৩ মাস খেতে হবে।
এবং Himocolin Cream হিমকোলিন ক্রিম
যৌনমিলনের ১ ঘন্টা পূর্বে পুং লিঙ্গে মালিশ করতে হবে।

আনুষঙ্গিক চিকিৎসা

১ মানসিক মনোবল এই রোগ নিরাময়ের একটি বড় বিষয়।
২ শরীরে অন্য কোন রোগ থাকলে তার চিকিৎসা অবশ্যই করতে হবে।
৩ হালকা ব্যায়াম এবং প্রাতঃভ্রমন উপকারী 
৪ এই রোগীদের মাদকদ্রব্য সেবন অসৎচিন্তা রাত্রি জাগরণ অত্যধিক ঔষধ সেবন প্রভৃতি বন্ধ করা উচিত।
৫ যৌন মিলনের পূর্বের অবশ্যই মল মূত্র ত্যাগ করে নিতে হবে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে উভয় শয্যাসঙ্গীঈ পরস্পরের কামোত্তেজনা সৃষ্টির জন্য শিহরণ সৃষ্টি করে নেওয়া ভালো।
৬ কন্ডোম ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে ভালো ফল দেয় । মিলনের ঘর নিরাপদ এবং হাওয়া বাতাস ও আলোকময় হওয়া দরকার। মিলন খুব ধীর গতিতে হওয়া উচিত।

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোন রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করুন।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...