সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Cefotaxime injection: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও সাবধানতা

 

Cefotaxime injection

Cefotaxime injection কী?

ইহা সেফালোস্পোরিন গ্ৰুপের একটি বহু ব্যাপক বীজাণু নাশক ওষুধ যা কেবলমাত্র ইঞ্জেকশন মাধ্যমে শরীরের প্রবেশ করানো হয়। ইহা স্ট্যাফাইলোকক্বাস অরিয়াস, স্ট্যাফাইলোকক্বাস এপিডারমিস, স্ট্রেপটোকক্বাস পাইযোজিনেস, স্ট্রেপটোকক্বাস 

নিউমোনিয়া, প্রভৃতি গ্ৰাম-পজিটিভ বীজাণু এবং হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, ঈসচেরেচিয়া কোলি, স্যালমোনেল্লা স্পেসিজ, সিগেল্লা, নেইস্যেরিয়া, সিউডোমোনাস প্রভৃতি গ্ৰাম-নেগেটিভ ও ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়।

ইহা পুশ করার ৩০ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা শরীরের প্রায় সকল কলাকোষে এবং সকল তরল অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। ইহার প্রায় অপরিবর্তিত ও পাচিত অবস্থায় মূত্রের সহিত নির্গত হয়। মলের সাথে নির্গত হয়। এই ওষুধ স্তনদুগ্ধের সাথে ও সামন্য পরিমাণে নির্গত হয়।



ব্যবহার (Uses)

1. রক্তে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি

2. রক্তদুষ্টি

3. হৃদঝিল্লীর প্রদাহ

4. মেনিনজাইটিস

5. পেরিটোনাইটিস

6. যকৃত ও পিত্তথলির সংক্রমণ

7. নিউমোনিয়া

8. ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া

9. ব্রঙ্কাইটিস 

10. ফুসফুসের ক্ষত 

11. প্লুরাতে পূজ জমা 

12. অস্থির সংক্রমণ

13. মূত্রযন্ত্রের পীড়া 

14. চর্মের মারাত্মক সংক্রমণ 

15. পোড়া ক্ষতের মারাত্মক সংক্রমণ 

16. সংক্রমণ জনিত স্ত্রীরোগ

17. অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ

গণোরিয়া ক্ষত প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয়।



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects)

হালকা কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে দেখা যায়, যেমন: 

• বমি ভাব 

• বমি 

• আমবাত 

• জ্বর ভাব 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• পেশিতে পুশ করার পর সেই স্থানে প্রদাহ প্রভৃতি হতে দেখা যায়

• রক্তের SGOT বৃদ্ধি পায়

• রক্তে শ্বেত কণিকার হ্রাস প্রাপ্তি অর্থাৎ লিউকোপেনিয়া 

রক্তে অনুচক্রিকার পরিমাণ হ্রাস পাওয়া অর্থাৎ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া প্রভৃতি ঘটে।



আন্তঃবিক্রিয়া

জেন্টামাইসিন

• অ্যামিকাসিন 

প্রভৃতির সাথে একসাথে প্রয়োগ করলে কিডনির বিষাক্ততা (Nephrotoxicity) বেড়ে যায়।



সাবধানতা

মত্রাবরোধে গর্ভাবস্থায় স্তন্যদানকালে ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• যে কোনো মৌখিক সেফালোস্পোরিনে অ্যালার্জি থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• বৃহদান্ত্রের ক্ষত রোগে এই ইঞ্জেকশন ব্যবহার না করাই ভালো।


এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন।





এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to Use Amikacin Usage

 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়  ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়  ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের ...

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...