সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to use Cholera: কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা

 

How to use Cholera

Description বিবরণ 

ইহা একটি অ্যাকিউট বীজাণু সংক্রমণ জনিত রোগ যা থেকে মারাত্মক উদরাময়, বমি ও জলশূন্যতা (Dehydration) এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। 

আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই বীজণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স সকল বয়সেই এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ স্ত্রী ও পুরুষ উভয়ের সমানভাবে এই রোগ হতে পারে।



Causes of the disease কারণ 

বীজাণু দূষণ খাদ্যবস্তু, বীজাণু দূষণ পানীয় খাওয়া প্রভৃতির মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। খাদ্য বস্তু দূষিত হয় মাছির দ্বারা রোগীর সংস্পর্শে দীর্ঘসময় থাকলেও এই বীজাণু সংক্রামিত হতে পারে। 

রোগের জীবাণু ভিব্রিও কলেরী (Vibria Cholerae) নামক বীজাণু যা দেখতে কমার মত তার সাহায্যে এই রোগ হয় 



Symptoms of the disease লক্ষণ 

• পেটে পেটের অস্থিরতা 

• ভাব হঠাৎ ঘনঘন পায়খানা শুরু হয়ে যাওয়া 

• মল ক্রমশঃ পাতলা হওয়া 

• পরে মল থাকে না কেবল চাল ধোয়া জল বা ভাতের ফেনের মত নির্গত হয় 

• মলে আঁশটে গন্ধ থাকে 

• বেদনাহীন মল নিঃসরণ 

• পরে মল অসাড়ে নির্গত হতে শুরু করে 

• রোগীর কোনো বোধ জ্ঞান থাকে না 

• বমি শুরু হয় 

• ক্রমশঃ বমি বাড়তে থাকে 

• বমিও জলবৎ হয় 

• খাবার খেলেই তা সাথে সাথে পায়খানার মাধ্যমে এবং বমির সাথে উঠে যায় 

• ক্রমশঃ রোগী দূর্বল হয়ে যায় 

• নড়াচড়া করার ক্ষমতা থাকে না 

• চক্ষু কোটরাগত হয়ে যাওয়া 

• গাল চোপসানো ভাব 

• চোয়ালে খিল ধরা প্রভৃতি হতে পারে 

• প্রচন্ড পিপাসা বোধ হয় কিন্তু জল খেলেই বমি হয় 

• রোগী অস্থির হয়ে পড়ে 

• মুখ চোখ নীল হয়ে যায় 

• শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বৃদ্ধি পায় 

• নাড়ী ক্ষীণ এবং দ্রুত হয় 

• হাত পা ঠান্ডা হয়ে যায় 

• সমস্ত শরীরের বিশেষতঃ আঙ্গুলের চামড়া কুঁচকে যায় 

• ঠিক ধোপানীদের ভিজে হাতের ন্যায় 

• চক্ষুর ভিতরের অংশ শুস্ক দেখায় 

• মূত্রের পরিমাণ কমতে কমতে মূত্রাবরোধ হয়ে যায় 

• রক্তচাপ খুব কমে যায় 

• এক সময় শরীরের তাপ স্বাভাবিকের নিচে নেমে যেতে পারে যা খুব মারাত্মক এবং বিপদজনক হয় 

• খিঁচুনি শুরু হতে পারে 

• শ্বাসকষ্ট হতে পারে 

চিকিৎসা না করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে দ্রুত ডাক্তার বাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন 



Adjunctive treatment আনুষঙ্গিক চিকিৎসা 

• রোগীকে অ্যাকিউট অবস্থায় কোনো খাদ্য না দেওয়াই ভালো 

• উপরে বর্ণিত নিয়মে ORS তৈরি করে খেতে দেওয়া যাবে 

• রোগী একটু সুস্থ হলে কাঁচা কলার ঝোল ও ভাত দিতে হবে 

• জল ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে খেতে হবে 

• কাঁচা জল খাওয়া নিষিদ্ধ 

• পরে রোগীর দুর্বলতা কাটাতে মিষ্টি ফলের রস হরলিকস ডিম দুধ মাছ চারা পোনা প্রভৃতি দিতে হবে 

• কলেরা রোগীর পোষাক পরিচ্ছদ বিছানা ও ঘর ফিনাইল বা ডেটল জলে 

• অথবা ডিটারজেন্ট মিশ্রিত জল দ্বারা ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে 


এই আর্টিকেলটি করে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবু সঙ্গে পরামর্শ করুন।






এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

How to Use Amikacin Usage

 ইহা অ্যামাইনো গ্লাইকোসাইড গ্ৰুপের একটি বীজানুনাশক ঔষধ ইহা ক্যানামাইসিন এ হইতে সংযযোগসাধনে প্রস্তুত করা হয় ইহা অনেক গুলি গ্ৰাম পজেটিভ এবং গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর সক্রিয় হয় প্রভৃতি গ্ৰাম নেগেটিভ বীজাণুদের উপর দারুন সক্রিয় হয় স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস সহ কিছু গ্ৰাম পজিটিভ বীজাণু যা পেনিসিলিয়ামে ধ্বংস হয় না তাদের অ্যামিকাসিন ধ্বংস করতে সক্ষম অ্যামিকাসিন সাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিসের উপর দারুন ভাবে সক্রিয়  ইন্ট্রাভেনাস পথে ব্যবহারের শেষে ইহা রক্ত রসে সর্বোচ্চ মাত্রায় থাকে ইহা শরীরের সকল প্রকার কলাকোষ এবং তরল অংশে যাথা সেরিব্রোস্পাইন্যাল ফ্লুইড অ্যামনাইওটিক ফ্লুইড পেরিটোনিয়্যাল ফ্লুইড প্রভৃতি অংশে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে গ্রহণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৯৪% থেকে ৯৮% অপরিবর্তিত ভাবে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়  ব্যবহার রক্তে ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি রক্ত দৃষ্টির শ্বাসযন্ত্রে মাঝারি থেকে মারাত্মক সংক্রমণ অস্থি ও সন্ধির সংক্রমণ চর্মের বীজাণু ঘঠিত পীড়া ও পোড়া বা পোড়াজনিত অস্ত্রোপচার জনিত সংক্রমণ মেনিনজাইটিস পেরিটোনাইটিস অ্যাকিউট ও ক্রনিক এবং সরল ও জটিল মূত্র যন্ত্রের ...

Carcinoma Of The Oesophagus cancer symptoms use in bangali খাদ্যনালীতে ক্যান্সার

  রোগের বিবরণ খাদ্যনালীর নিম্ন প্রান্তের ভিতরের দিকের ত্বকের যে কোন কোষের উৎকট ধরনের বৃদ্ধি এবং তার ফলে পার্শ্ব বর্তী টিস্যু সমূহে তার প্রভাব পড়া এবং আরও পরে এই রোগ অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে পড়াকে খাদ্যনালী কার্সি নোমা বা কর্কটরোগ বলা হয়। আক্রান্ত তন্ত্র পৌষ্টিকতন্ত্র এই রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়। আক্রমণের বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ এর মধ্যে ও এই রোগ হতে পারে। আক্রান্ত লিঙ্গ মহিলাদের চেয়ে পুরুষেরা এই রোগে আড়াই গুণ বেশি আক্রান্ত হয়। রোগের কারণ সঠিক কারণ অজানা। ধূমপান মদ্যপান খাদ্যনালির প্রদাহে দীর্ঘদিন ভোগা এবং তা থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়া প্রভৃতি থেকে এই রোগ হতে পারে। রোগের লক্ষণ ১ হাতের আঙুলের নখের গোড়ায় দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায়। ২ খাদ্যনালির অবরোধ ঘটতে পারে। ৩ খাদ্য বস্তুর পাকস্থলীতে পৌঁছাতে পারে না। ৪ দ্রুত শরীরের ওজন কমে যায়। ৫ খাদ্য গিলে খাবার পর তা যখন খাদ্যনালির বরাবর নামে তখন অত্যধিক কষ্ট হওয়া। ৬ যা একটানা চলতেই থাকে ইহা এই রোগের প্রধান লক্ষণ। ৭ ঢেকুরের সাথে খাবার উগরিয়ে আসতে পারে। ৮ রাত্রে মুখে জল উঠতে পারে। ৯ কন্ঠাস্থির উপ...