সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to use Ciprofloxacin: ব্যবহার, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, সাবধানতা

 

How to use Ciprofloxacin

Ciprofloxacin কী?

ইহা ফ্লুয়োরোকুইনোলোন গ্ৰুপের একটি ওষুধ। ইহা সকল প্রকার গ্রাম পজিটিভ এবং গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়াদের উপর সক্রিয়। ইহা ঈ-কোলি, ক্লেবসিয়েল্লা স্পেসিজ, স্যালমোনেল্লা 

স্পেসিজ, সেরাসিয়া স্পেসিজ, ভিব্রিও কলেরী, নেইসেরিয়া গনোরী, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, প্রোটোজোমা, ফাঙ্গাল প্রভৃতি সকল প্রকার জীবাণু এবং যে সকল জীবাণু নাশক ওষুধে

Resistant হয়ে গেছে তারা প্রত্যেকেই এই ওষুধের ধ্বংস হয়। এই ওষুধ পৌষ্টিক তন্ত্রের থেকে দ্রুত শোষিত হয়। ৮৫ শতাংশ শোষণ হতে দেখা যায়। খাদ্যের সঙ্গে এই শোষণের কোন

সম্পর্কই নেই। মুখে খাবার ওষুধ গ্রহণের এক থেকে দেড় ঘন্টার মধ্যে রক্তরসের সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়। ইহা শরীরের সকল প্রকার তরল এবং কোষে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। এই ওষুধের আশি শতাংশ পায়খানার মাধ্যমে নির্গত হয়। মূত্রের মাধ্যমেও অপরিবর্তিত অবস্থায় এই ওষুধ নির্গত হয়। 



ব্যবহার Uses 

• নিউমোনিয়া 

• ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া 

• প্লুরিসি 

• ফুসফুসের ক্ষত 

• ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস 

• ব্রঙ্কিয়েকট্যাসিস সহ সকল প্রকার শ্বাসযন্ত্রের পীড়া

• নাক

• কান

• গলার রোগ 

• নতুন ও পুরোনো মূত্রতন্ত্রের পীড়া 

• গণোরিয়া ও অন্যান্য রতিজ ব্যাধি 

• সকল প্রকার বীজাণু ঘটিত চর্মরোগ 

• অস্ত্রপ্রচার জনিত ক্ষত

• উদরাময় 

• কলেরা সহ সকল প্রকার আন্ত্রিক পীড়া 

• টাইফয়েড 

• পৌষ্টিক তন্ত্রের অন্যান্য পীড়া 

• সকল প্রকার ইনফেকশন যেমন 

• স্যালপিনজাইটিস

• এন্ডোমেট্রিওসিস

• সংক্রমণ জনিত শ্বেতপ্রদর প্রভৃতি 

মেনিনজাইটিস প্রভৃতিতে সাইপ্রোফ্লক্সাসিন ব্যবহার করা হয় 



পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া Side Effects 

• চর্মে উদ্ভেদ 

• গা বমি ভাব 

• পেটের গন্ডগোল 

• মাথা ধরা 

• ঘুম ভাব 

• পেটে ব্যথা 

অস্থিরতা প্রভৃতি হতে পারে। মারাত্মক প্রতিক্রিয়া খুব কমই লক্ষ্য করা যায়।



আন্তঃবিক্রিয়া Interchange 

• অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড মিশ্রিত অ্যান্টাসিডের

• থিওফাইলিন প্রভৃতির সাথে বিক্রিয়ায় কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়

• রিফামপিসিন আয়রন ও জিঙ্ক প্রভৃতিও সাইপ্রোফ্লক্সাসিনের শোষণ কমিয়ে দেয় 



সাবধানতা অবলম্বনের Precautions

• মৃগীরোগ সহ সকল প্রকার স্নায়ু ঘটিত পীড়ায় এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ।

• গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মহিলাদের এই ওষুধ মোটেই ব্যবহার করা চলবে না 

• শিশুদের ব্যবহার করা চলবে না। 

• ডাক্তারবাবু পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন। 

এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমে সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তার বাবু সঙ্গে পরামর্শ করুন।



এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

How to use Calcium channel blockers

সকল প্রকার হৃৎশূল উচ্চ রক্তচাপ হৃৎপেশীর বিবৃদ্ধি প্রান্তস্থ রক্তবাহের সমস্যা কনজেসটিভ হার্ট ফেলিওর হার্ট অ্যাটাক ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা অন্ননালীর আক্ষেপ প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় ৫ থেকে ১৫ মিগ্ৰা ২ থেকে ৩ বার পর্যন্ত দেওয়া হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল বিপাকে প্রভাবিত কাজ করে হৃদপিন্ড চাপ উপমায় করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে  পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা ঘোরা মাথা যন্ত্রণা বমি ভাব দুর্বলতা বুক ধড়ফড়ানি নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রান্তস্থ শোথ প্রভৃতির হতে পারে সাবধানতা ডায়াবেটিস নিম্ন রক্তচাপ স্তন্যদানকাল গর্ভাবস্থায় প্রভৃতিতে ব্যবহার নিষিদ্ধ! অ্যামলোডিপিন উচ্চ রক্তচাপ অ্যাকিউট ও ক্রনিক হৃৎশূল প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় উচ্চ রক্তচাপ হৃৎশূল হার্ট অ্যাটাক রক্তাধিক্য জনিত হার্ট ফেলিওর বাম ভেন্টিকলের ৫ থেকে ১০ মিগ্ৰা দিনে ১ বার দেওয়া যায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মাথা যন্ত্রণা ক্লান্ত স্বাভাবিক ঝিমুনি মাথা ঘোরা উত্তেজনা বুক ধড়ফড়ানি বমিভাব প্রান্তস্থ শোথ পেটে ব্যাথা প্রভৃতি হতে পারে সাধারণত যকৃতের রোগে নিম্ন রক্তচাপ গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকাল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ ট্রাইমেটাজিডিন ইসকিমিক হার্ট ডিজিজ অ...

Haw to uses temperature in bangla তাপমাত্রা

 তাপমাত্রা  মানবদেহে তাপমাত্রার পরিমাণ জন্য থার্মোমিটার বা তাপ মাপার যন্ত্র ব্যবহার করা হয় এই থার্মোমিটারে ফারেন হাইট স্কেলে তৈরি তবে বর্তমানে সেন্টিগ্ৰেড এবং ফারেন হাইট উভয় স্কেলেই তৈরি হয় তবে আমার ফারেন হাইট স্কেলের রিডিং নিই এবং সহজ বোধ্য এই থার্মোমিটার যন্ত্র মানবদেহের তিন স্থানে ব্যবহার করা হয় বেশি ব্যবহার করা হয় বগলে তারপরে মুখ গহ্বরের জিভের তলায় এবং কখনো কখনো পায়ুতেও দেওয়া হয় জিভের নিচে ৯৮ ৪° ফাঃ এবং ৩৬ ৯° সেন্টিগ্ৰেড বগলের নিচে ৯৭ ৫° ফাঃ এবং ৩৬ ৪° সেন্টিগ্ৰেড পায়ুর মধ্যে ৯৯ ৫° ফাঃ এবং ৩৭ ৬° সেন্টিগ্ৰেড যদি তাপমাত্রা ১০০° বেশি ১০১° ফাঃ পর্যন্ত হয় তাহলে সামান্য জ্বর হয়েছে বলা হয় ১০১° ফাঃ এর বেশি ১০২° ফাঃ এর বেশি ১০৩° ফাঃ পর্যন্ত বেশি জ্বরের লক্ষণ এবং ১০৪°ফাঃ এর বেশী ১০৫° পর্যন্ত প্রবল জ্বরের লক্ষণ। ম্যালেরিয়া তে বেশি বা প্রবল জ্বর কোন ভয়ের কারণ নয় এতে ১০৫° এর উপরে জ্বর হয় এবং খুব শীঘ্রই জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা চলে আসে এই তাপমাত্রার ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি হওয়ার তেমন বিপদজনক নয় কিন্তু স্বাভাবিক তাপমাত্রার নিচে ১ ডিগ্রির তাপমাত্রা কমে যাওয়া বিপদজনক ...

How to uses Dengue uses in bangali ডেঙ্গি কী

  ডেঙ্গি হলো একটি মশা বাহিত ও ভাইরাস ঘটিত প্রাণঘাতীয় রোগ  ডেঙ্গির মশা এডিস এজিপটাই ও এডিস এলবোপিকট্রাস এই দুই স্ত্রী মশা হল ডেঙ্গির ভাইরাসের মূল বাহক এগুলি সাধারনত দিনের বেলায় কামড়ায় ডেঙ্গি হ্যামারেজিক ফিভার এর উপসর্গ জ্বর আসার দুই থেকে পাঁচদিনের মধ্যে শারীরিক অবস্থায় অবনতি শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে রক্তে অনুচক্রিকা  প্লেটলেট কমে যায়। রক্তচাপ কমে হাত পা ঠান্ডা হতে শুরু করে নাক মুখ বা দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে অবশ্যই মনে রাখবেন ডেঙ্গির মশা দিনে কামড়ায় ও পরিস্কার জলে ডিম পাড়ে যত্রতত্র জল জমতে দেবেন না যেমন ফুলের টব বালতিতে ইত্যাদি স্বাভাবিক ডেঙ্গির উপসর্গ ১ হঠাৎ প্রচন্ড জ্বর আসা সঙ্গে মাথা ব্যাথা ২ জ্বর একদিনের মধ্যে দেখা যায় মাথায় হাতে পায়ে গাঁটে ৩ দুই চোখের পিছনে প্রচন্ড ব্যাথা ৪ শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি ও জ্বালা ভাব থাকে ৫ বমি ও কাঁপুনি থাকে ৬ আরো ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসা  ১) প্রথমেই আতঙ্কিত না হওয়া ২) উপরের উপসর্গ মিললে হাসপাতালে যান ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাবেন না ৪) বেশি পরিমাণে ডাবের জল নুন চিনি জল ORS পান করুন ৫) অল...