ভূমিকা
ইহা পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড ও অন্যান্য রসের ক্ষরণে বাধা দেয় এবং তাদের ক্ষরণ স্বভাবিক করে। ইহাও একটি পৌষ্টিক তন্ত্রের ক্ষত নিরাময়কারী ঔষধ। ফলে পাকস্থলির বা তৎসংলগ্ন অংশের ক্ষত দ্রুত নিরাময় ঘটে।
এই ওষুধ ওমেপ্রাজোলের চেয়ে আরও কম সময়ে ক্ষত নিরাময় করে গ্যাস্ট্রিক পেন ১১ দিনে মুক্ত করে সেখানে ল্যানসোপ্রজোল ৬ দিনে রোগীকে বেদনামুক্ত করে।
এই ওষুধ দ্বারা পৌষ্টিক তন্ত্রের ক্ষতের নিরাময় ৭৫ থেকে ৯৯% সম্ভব। যে সকল রোগীর পাকস্থলীর ক্ষত বা ডিওডেনামের ক্ষত অন্ননালীর প্রদাহ এবং জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম বা ফ্যামোটিডিনে
নিরাময় হয়নি বা পুনরাক্রমণ ঘটেছে তাঁদের ল্যানসোপ্রজোল খুব ভালো কাজ দেয়। গ্ৰহণের দুই ঘন্টার মধ্যে ইহা রক্তরসে সর্বোচ্চ মাত্রায় উপস্থিত হয়।
এই ওষুধ পাকস্থলীর থেকে দ্রুত এবং প্রায় সম্পূর্ণরুপে শোষিত হয়। ইহার পাচিত অংশে মূত্রপথে এবং মলের সাথে নির্গত হয়।
Usage ব্যবহার
• পুরোনো ক্ষয়রোগ
• পাকস্থলীর ক্ষত
• জোলিনজার এলিশন সিনড্রোম
• অন্নবহানালীর ক্ষত
অ্যান্টি আলসার দ্বারা চিকিৎসিত ও পুনরাক্রান্ত ক্ষত ইত্যাদির ব্যবহার করা হয়
Dimensions মাত্রা
ডিওডেনামের ক্ষতে ৩০ মিগ্ৰা দিনে একবার সকালে খালি পেটে এক মাস দিতে হবে। পাকস্থলীর ক্ষতে ৩০ মিগ্ৰা দিনে একবার সকালে খালি পেটে দুই মাস খেতে হবে। অন্যান্য ওষুধ দ্বারা চিকিৎসিত এবং পুনরাক্রান্ত ক্ষতে ৩০ মিগ্ৰা দুই টি ক্যাপসুল একত্রে সকালে খালি পেটে দুই থেকে তিন মাস খেতে হবে
Side effects পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
• ঘুম ভাব
• নাক হতে তরল সর্দি স্রাব
• কাশি
• গলার ব্যথা
• চর্মে উদ্ভেদ
• উদরাময়
• বমিভাব
• পেটে ব্যথা
• মাথা ধরা
• দুশ্চিন্তা
পুরুষদের রতিশক্তির হ্রাসপ্যাপ্তি প্রভৃতি হতে পারে
Precautions সাবধানতা
• পাকস্থলীর বা অন্ত্রের যে কোনো অংশের ক্যান্সার রোগ থাকলে এই ওষুধ ব্যবহার করা চলবে না
• স্তন্যদানকালী মাতা এবং সকল বয়সেই শিশুদের এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ
• গর্ভাবস্থায় এই ওষুধ ব্যবহার নিষিদ্ধ
এই আর্টিকেলটি পড়ে কোনো রকমের সিদ্ধান্তে আসার আগে অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারবাবুর সঙ্গে পরামর্শ করুন
